Categories
Uncategorized

রাজধানীতে ভাড়ায় মেলে স্বামী!

অনেক কিছু ভাড়ার পাশাপাশি এখন রাজধানীতে ভাড়ায় মিলছে স্বামীও এ বাণিজ্যে তিন ধরনের কাজের জন্য স্বামী পরিচয়ে পুরুষ ভাড়া করা

হয় বলে জানা গেছে। স্বামী হিসেবে ভাড়ায় খেটে নিজের সংসার চালাচ্ছেন এমন চাঞ্চল্যকর তথ্যও পাওয়া গেছে। দিনে ১০০ টাকা থেকে মাসে পাঁচ থেকে সাত হাজার টাকায় ভাড়ায় স্বামী পাওয়া যায়। আবার একই পুরুষ ভাড়ায় খাটেন একাধিক নারীর স্বামী পরিচয়ে এমন তথ্যও পাওয়া

গেছে। রাজধানীর জুরাইন এলাকার ফুটপাতের খুদে দোকানি আলো বেগমের স্বামী নেই। আরেক বিয়ে করে স্বামী চলে গেছে। কোথায় গেছে সেটাও তার জানা নেই। তিনটি সন্তান নিয়ে ফুটপাতে কখনও পিঠা, কখনও মৌসুমি ফল, সঙ্গে চা-পান বিক্রি করে জীবন চালান তিনি। ছেলেকে চা-পানের দোকান আলাদা করে দিতে পাঁচ হাজার টাকার ঋণ দরকার তার।

একটি এনজিও থেকে ঋণ পেতে স্বামী দরকার। এনজিওর লোকজন বলছে ঋণ পেতে হলে স্বামী-স্ত্রী দুজনের ছবি লাগবে। মাস কয়েক আগে এনজিওর ঋণ পেতে একজন স্বামী ভাড়া করেছিলেন তিনি। ঋণের টাকা থেকে ৫০০ টাকা দিয়েছেন তাকে। মাত্র ৫০০ টাকাতেই আলো বেগমের সঙ্গে স্বামী পরিচয়ে এনজিও অফিসে গিয়ে ছবি তুলে ঋণ পেতে সহায়তা করেছেন বিশু নামের এক লোক।

ঢাকার বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে যৌনকর্মীদের আনাগোনা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর ওইসব যৌনকর্মী এখন রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার ফ্ল্যাট বাড়ি ভাড়া নিয়ে দেহ ব্যবসা শুরু করেছে। বাড়ি ভাড়া নিতে গেলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে স্বামী ছাড়া বাড়ির মালিক বাসা ভাড়া দিতে চান না। বাড়ি ভাড়া নেওয়ার ওই প্রতিবন্ধকতার কথা চিন্তা করে যৌনকর্মীরা তাদের পূর্বপরিচিত কোনো পুরুষকে স্বামী হিসেবে ভাড়া করেন। বাড়ি ভাড়া করার সময়

সঙ্গে থাকেন ভাড়াটে স্বামী। দেখা গেছে, বাড়ি ভাড়া নেওয়ার সময় বাড়ির মালিককে বলা হয় স্বামী নিয়মিত ঢাকায় থাকে না, বাইরের কোনো জেলায় চাকরি বা ব্যবসা করে। একই সঙ্গে বলা হয়, বাসায় নিয়মিত থাকবে তার স্ত্রী ও দুই বা তিন বোন। ওই বোনদের থাকার কথা বলে জায়েজ করে নেওয়া হয় আরো দুই-তিনজন যৌনকর্মীকে। এভাবেই

রাজধানীজুড়ে ফ্ল্যাট বাড়িগুলোতে চলছে যৌনবাণিজ্য। শনির আখড়ার সোহান (ছদ্মনাম) বরিশাল থেকে অভাবের তাড়নায় ঢাকায় আসেন। এসএসসিও পাস নয়, তাই কোনো চাকরি দিতে চাচ্ছেন না কেউ। এরই মধ্যে দেখা মিলে ছিনতাইকারী কাজলের সঙ্গে। নিরূপায় হয়ে তার সঙ্গে যোগ দেয় সংসদ ভবন এলাকায় ছিনতাইয়ের কাজে। পরিবর্তন করে ফেলে নিজের বংশ-পরিচয়ও। এরই মধ্যে

পরিচয় হয় স্বামী পরিত্যক্তা রুপার (ছদ্মনাম) সঙ্গে। তখন তিনি একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরির পাশাপাশি যৌন ব্যবসায় লিপ্ত ছিলেন।সিদ্ধান্ত হয় স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে দুজন রাজধানীর শনির আখড়ায় বসবাস করবেন। এরপরই বিউটি পার্লার ব্যবসার আড়ালে রুপা শুরু করে জোরালো যৌনব্যবসা। বিধিবাম, এলাকার দুষ্ট বেরসিক ছেলেরা জেনে যায়

সোহান-রুপা আসলে স্বামী-স্ত্রী নন। দুজনের এ অবাধ বসবাসে বাধ সাদে তারা। দুজনকেই বাধ্য করে সত্যিকারের বিয়েতে। এছাড়াও সোহান রাজধানীর শান্তিনগর, বাড্ডা, ফার্মগেট এলাকাসহ ৮-৯টি স্থানে যৌনকর্মীদের স্বামী পরিচয়ে বাসা ভাড়া নিয়ে নিজে কামাচ্ছেন মোটা অঙ্কের টাকা। আর মাঝে মধ্যে খদ্দের জোগাড় করে দিলে তার কমিশনতো আছেই। রাজধানীতে তিন ধরনের কাজের জন্য মহিলাদের স্বামী পরিচয়ে পুরুষ ভাড়া করার ক্ষেত্র চিহ্নিত করা গেছে।

বিশেষ করে যৌনব্যবসার সঙ্গে জড়িত নারীরা বাসা ভাড়া নেওয়ার সময় স্বামী হিসেবে লোক ভাড়া করে বাড়ির মালিককে দেখিয়ে থাকেন। এনজিওসহ বেশকিছু মাল্টিপারপাস কোম্পানি থেকে ক্ষুদ্রঋণ নেওয়ার শর্ত হিসেবে স্বামীর পরিচয় ও তার ছবি ব্যবহার করতে স্বামী ভাড়া করেন। এছাড়া, সাম্প্রতিককালে পাসপোর্ট অফিসে কোনো মহিলা স্বামী ছাড়া একা গেলে তাকে স্বামীর উপস্থিতি

দেখানোর প্রয়োজনে স্বামী ভাড়া করে আবার স্বামী নিয়ে আসার ঝামেলা থেকে মুক্ত হতে হয়। অনুসন্ধানে একই ব্যক্তির তিন-চারটে ফ্ল্যাট বাড়িতে স্বামীর পরিচয়ে ভাড়া খাটার বিষয়টি জানা গেছে। এমনি একজন সালাউদ্দিন। যে কিনা ছয় নারীর স্বামী হিসেবে ভাড়া খাটেন। ভাড়া খাটার শর্ত হচ্ছে সপ্তাহে কমপক্ষে একদিন স্বামী পরিচয়ে বাসায় অবস্থান করতে হবে, আর বাসার বাজারও করে দিতে হবে। বাসায় অবস্থান করা ও বাজার করার শর্ত দেওয়ার মানে হচ্ছে যাতে আশপাশের লোকজন কোনো

প্রকার সন্দেহ না করেন। জামালপুরের মধ্যবয়সী পুরুষ সালাউদ্দিন। এক যুগ আগে ঢাকায় এসে মিরপুর এলাকায় পান-সিগারেটের ব্যবসা শুরু করেন। ধীরে ধীরে জড়িয়ে যান এক সন্ত্রাসী চক্রের সঙ্গে। ধরা পড়ে জেলও খাটেন দেড় বছর। জেল থেকে বেরুনোর পর পরিচয় হয় এক মহিলার সঙ্গে। সেই থেকে ভাড়ায় স্বামীবাণিজ্য শুরু সালাউদ্দিনের। এখন রাজধানীর মিরপুর, বাড্ডা ও গাবতলী এলাকায় ছয়টি বাসায় ছয় নারীর ভাড়াটে স্বামী তিনি। ভাড়া পান ৩০ হাজার টাকা। কোনো মাসে বেশি মেলে আবার কোনো মাসে কিছুটা কমও মেলে বলে জানান সালাউদ্দিন।

নিজের স্ত্রী ও এক ছেলে নিয়ে ভাড়ায় থাকেন মিরপুরের কালসী এলাকায়। ভাড়ায় স্বামী খাটাই এখন তার একমাত্র পেশা বলে জানান। জানা গেছে, রাজধানীতে বিভিন্ন ক্ষুদে ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বেশিরভাগ বস্তিবাসী বা ভাসমান নারীরা উদয়-অস্ত পরিশ্রম করে সন্তানদের নিয়ে জীবন ধারণ করছেন। তাদের বেশির ভাগই স্বামী পরিত্যক্তা। ব্যবসা পরিচালনা বা সম্প্রসারণের

কারণে কখনও কখনও এদের ক্ষুদ্রঋণের প্রয়োজন হয়। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এনজিওগুলো বা নগরীতে সুদের ব্যবসা করে এমন সংস্থাগুলো ক্ষুদ্রঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে স্বামী-স্ত্রী দুজনের ছবি ও নাম ব্যবহার করে এবং দুজনকেই ঋণের দায়ে আবদ্ধ রাখেন। এনজিওগুলোর এ নিয়মের কারণে স্বামী পরিত্যক্তাদের ক্ষুদ্রঋণ পাওয়ার সুযোগ থাকে না। সে ক্ষেত্রে বাধ্য হয়ে পরিচিত এবং ভালো সম্পর্ক আছে এমন কাউকে স্বামী হিসেবে ভাড়া করে সংস্থাগুলো থেকে ব্যবসার ঋণ পান মহিলারা। বিনিময়ে ভাড়াটে স্বামীকে ধরিয়ে দিতে হয় নগদ কিছু। আবার জানা গেছে, অনেকে কেবল ভালো সম্পর্কের কারণে বিনা টাকায় মহিলাদের ঋণ পেতে সহায়তা করেন।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, সাম্প্রতিককালে আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্টের জন্য ছবি তুলতে অফিসে যেতে হয়। অজ্ঞতাপ্রসূত কোনো নারী একা পাসপোর্টের ছবি তুলতে গেলে তাকে স্বামী সঙ্গে রাখার কথা বলা হয়। সেই ক্ষেত্রে মহিলা পাসপোর্ট প্রত্যাশীকে সময় ব্যয় করে আরেক দিন আসতে হয় অথবা অন্য একদিন যেতে হয়। মহিলারা ফিরে যাওয়ার সময় এখানকার কিছু দালাল সুকৌশলে মহিলাদের প্রস্তাব দেন, ‘টাকা-পয়সা খরচ করে আবার আসবেন। তারচেয়ে মাত্র ১০০ টাকা খরচ করেন। আমি একজন লোক দিচ্ছি, উনি আপনার সঙ্গে যাবেন এবং মাত্র কয়েক মিনিটের জন্য উনাকে স্বামী পরিচয় দেবেন। ছবিটা তোলা হলে চলে যাবেন।’

Categories
Uncategorized

ইসরাইলের আ’গ্রাসন ঠেকাতে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত আছে হামাস

ফিলিস্তিনের ইসলামী প্র’তি’রোধ আ’ন্দো’লন হামাসের প্রধান ইসমাইল হানিয়া বলেছেন, দখলদার ইসরাইলের আ’গ্রাসন ঠেকাতে যেকোনো

পরিস্থিতি মো’কাবিলায় প্রস্তুত আছে যো’দ্ধারা। এ ছাড়া হামাস প্রধান আরো বলেন, দখলদার ইসরাইলের বি’রু’দ্ধে ল’ড়াই করতে হামাস যোদ্ধারা দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে। টেলিভিশনে দেয়া এক ভাষণে ইসমাইল হানিয়া মঙ্গলবার বিকেলে বলেন, দ’খলদার ইস’রাইল যত দিন পর্যন্ত

ফিলিস্তিনি জনগণের বিরু’দ্ধে তার ঘৃণ্য অ’পরাধ’যজ্ঞ বন্ধ না করবে এবং পবিত্র জেরুসালেম আল-কুদস শহর ও আল-আকসা মসজিদের ওপর দ’খলদারিত্বের অবসান না ঘটাবে, তত দিন পর্যন্ত হামাস যো’দ্ধারা প্রতিরোধ ল’ড়াই অব্যাহত রাখার কঠোর সি’দ্ধান্ত নিয়েছে। তিনি সুস্পষ্ট করে বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত দখ’লদার ইসরাইল তার আগ্রাসন

এবং সহিংসতা অব্যাহত রাখবে ত’তক্ষণ পর্যন্ত তার জবাব দেয়ার অধিকার রাখে ফি’লিস্তিনিরা। তাছাড়া ফিলিস্তিনি জনগণকে রক্ষার অ”ধিকার হামা’সের রয়েছে। গাজা উপত্যকা থেকে প্র’তিরোধ যো’দ্ধারা ইসরাইলের রাজধানী তেল আবিবে একসাথে যে ১৩০টি রকেট হামলা চালিয়েছে তার ভূঁয়সী প্রশংসা করেন এই নেতা। তিনি বলেন, পবিত্র জে”রুসালেম ও আল-আকসা মসজিদ

রক্ষায় আমরা বি’জয় লাভ করেছি। যু’দ্ধ কিংবা শান্তি যেকোনো পরিস্থিতির জন্য আমরা প্রস্তুত রয়েছি। সূত্র : পার্সটুডে

Categories
Uncategorized

ঢাকার নামকরা স্কুলের ‘অংকের যাদুকর’ খেতাব পাওয়া সেই শিক্ষকের এখন দিন কাটে পথে পথে!

জন্মেছিলেন অভিজাত পরিবারে। কৈশোর ও যৌবনে ছিলেন দুর্দান্ত মেধাবী ছাত্র। কর্মজীবনে পেয়েছিলেন ‘অংকের যাদুকর’ খেতাব। কঠিন ও

জটিল অংকের সহজ সমাধান দিতেন তিনি। ঢাকায় দীর্ঘদিন শিক্ষকতাও করেছেন সুনামের সাথে। নিজ এলাকায় গণিত ও পদার্থ বিজ্ঞানের পন্ডিত শিক্ষক হিসেবে সমধিক পরিচিতি ছিল তার। বীজগণিতের উৎপাদক বিশ্লেষণের ফর্মুলা আবিষ্কার করে হৈ চৈ ফেলে দেয়া সেই আব্দুল

গাফফারের এখন দিন কাটে পথে পথে। বয়স সত্তরের কাছাকাছি। গায়ে দুর্গন্ধময় ময়লা কাপড়। মাথা ভর্তি এলোমেলো চুল। আপন মনে হেঁটে চলেন পথে পথে। এমন একজন মেধাবী শিক্ষকের করুণ পরিণতি ও জীর্ণদশা দেখে পরিচিতজনরা হতবাক হলেও তাকে চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ করে তোলার দায়িত্ব কেউ নেন না। অথচ তার নিপুণ মেধায় গড়া কত ছাত্র আজ

প্রশাসনের উচ্চ পদে কর্মরত আছেন। ময়লাযুক্ত ছেঁড়া জামা কাপড় ও পাগলবেশি আব্দুল গাফ্ফার কোনদিন খেয়ে আবার কোনদিন না খেয়ে বছরের পর বছর ঘুরছেন। মসজিদ, স্কুলঘর, দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বারান্দা এখন এই জনপ্রিয় শিক্ষকের বসবাসের জায়গা। তথ্য নিয়ে জানা গেছে, মেধাবী শিক্ষক আব্দুল গাফ্ফার ঝিনাইদহ সদর উপজেলার খামারাইল গ্রামের কাজী আব্দুল

কুদ্দুসের ছেলে। এলাকায় তাদের পরিবার অভিজাত ও সম্ভ্রান্ত হিসেবে পরিচিত। আব্দুল গাফ্ফারের মেজ ভাই কাজী আব্দুল গনি নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম সচিব হিসেবে অবসর নিয়েছেন। ছোট ভাই কাজী আব্দুল কাদের ঢাকায় আইনজীবী হিসেবে কর্মরত। তবে তাদের কোন ভাইয়ের সংসার জীবন বা সন্তানাদি নেই। গ্রামবাসী সূত্রে জানা গেছে, মাত্র ১০ বছর বয়সে পিতৃহারা হন আব্দুল গাফ্ফার। পিতৃহীন তিন ছেলে ও দুই

মেয়ে নিয়ে হতাশায় পড়েন সদ্য বিধবা মা কাজী বদরুন্নেছা। তাই সন্তানদের নিয়ে বদরুন্নেছা চলে আসেন মহেশপুর পৌর এলাকার জলিলপুর মোল্লা পাড়ার পিতার বাড়িতে। নানা নুরুদ্দীন আহম্মেদের বাড়িতে পড়াশোনায় মনোনিবেশ করেন আব্দুল গাফ্ফার। বেড়ে ওঠেন তুখোড় মেধাবী ছাত্র হিসেবে। এলাকায় তার মেধার দ্যুতি ছড়িয়ে পড়ে। মা বদরুন্নেছার দ্বিতীয় বিয়ে হয় যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার গোয়ালহাটি ও তৃতীয় বিয়ে হয় চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার ছাউলিয়া গ্রামে।

মা বদরুন্নেছার সন্তানদের অনেকেই এখনো মহেশপুরের জলিলপুরের নানা বাড়িতে বসবাস করেন। এদিকে আব্দুল গাফ্ফার জগন্নাথ কলেজ থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে বিএসসি ও এমএসসি পাশ করে ঢাকার মানিকনগর ও পরে মতিঝিল মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা শুরু করেন। বিয়ে করেন নড়াইলে। তার স্ত্রীও ছিলেন প্রধান শিক্ষক। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে

আর সংসার করা হয়নি। ৩০ বছর ঢাকায় বসবাসের পর তিনি মহেশপুর চলে আসেন। গাফ্ফারের ছোট ভাইয়ের স্ত্রী (মায়ের তৃতীয় পক্ষ) ছিরবা আক্তার ঝর্ণার ভাষ্যমতে তার শাশুড়ি বদরুন্নেছা বেঁচে থাকাবস্থায় মাঝেমধ্যে আব্দুল গাফ্ফার বাড়িতে আসতেন। ২০০৬ সালে ২৭ মার্চ শাশুড়ি মারা গেলে আর আসেন না। এখন মসজিদ ও পথে পথে ঘুরে বেড়ান।

ঝর্ণা উল্লেখ করেন তার ভাসুরকে এভাবে জীর্ণ আর বিবর্ণ চেহারায় ঘুরতে দেখে তার ছেলে ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার কাজী আরাফাত হোসেন নিজ বাড়িতে ফেরানোর উদ্যোগ নেন। কিন্তু তিনি আসেননি। ছিরবা আক্তার ঝর্ণা বলেন, পিতৃকুল ও মাতৃকুল মিলে আব্দুল গাফ্ফার ও তার তিন ভাই ৪২ বিঘা জমি পান। এর মধ্যে খামারাইল রামনগর গ্রামে ১২ বিঘা জমি এখনো আছে। আর জলিলপুরে ছিল ৩০ বিঘা। এসব জমি তার স্বামী কাজী আব্দুল

বারী দেখাশোনা করতেন। ২০১৪ সাল থেকে তারা জমি বিক্রি শুরু করলে আব্দুল বারী জমি দেখাশোনা বন্ধ করে দেন।

Categories
Uncategorized

পুলিশ সেজে মোটরসাইকেলের কাগজ যাচাই, ধরা পড়ার চাঞ্চল্য কাহিনী

পুলিশ রাষ্ট্রের অপরিহার্য একটি অঙ্গ। জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিধান তাদের দায়িত্বে। তাই প্রত্যাশা সংগত যে তারা দুষ্টের দমন আর

শিষ্টের পালনকে মূলনীতি হিসেবে অনুসরণ করবে। নতুন খবর হচ্ছে, মোটরসাইকেল আটকিয়ে কাগজপত্র দেখতে গিয়ে পুলিশের হাতেই ধরা পড়লো শরিফুল ইসলাম (২৪) নামের এক ভুয়া পুলিশ। বুধবার (১২ মে) বেলা সোয়া ১২টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের মির্জাপুরের ধল্যা বাস স্ট্যান্ড এলাকায় ঘটে এ ঘটনা।

আটক শরিফুল দিনাজপুর জেলার খানসামা উপজেলার খামারপাড়া বটতলা গ্রামের শাহিনুল ইসলামের ছেলে।

Categories
Uncategorized

ঈদে নন-এমপিও শিক্ষকদের জন্য সুখবর

করোনায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীদের ঈদ উপহার হিসেবে প্রায় ৭৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

শেখ হাসিনা। এতে প্রত্যেক শিক্ষক পাবেন ৫ হাজার টাকা এবং প্রত্যেক কর্মচারী পাবেন আড়াই হাজার টাকা করে। বুধবার (১২ মে) প্রধানমন্ত্রীর কার্যলয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে নন-এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদেরও নগদ সহায়তা দেওয়ার

একটি প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের জন্য পাঠায় অর্থ মন্ত্রণালয়। তাতে শিক্ষকদের ৫০০০ টাকা করে এবং কর্মচারীদের ২৫০০ টাকা করে নগদ সহায়তার প্রস্তাব করা হয়। নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সরকার থেকে বেতন না পাওয়ায় তাদের এ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। অর্থবিভাগের হিসাব অনুযায়ী,

ব্যানবেইজের তালিকাভুক্ত নন-এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীর সংখ্যা ১ লাখ ৭০ হাজার যাদের সহায়তা দিতে সরকারের ব্যয় হবে ৭৫ কোটি টাকা, যা কোভিড মোকাবিলায় থোক বরাদ্দ থাকা ১০ হাজার কোটি টাকার তহবিল থেকে ব্যয় করা হবে। গত বছর লকডাউনের সময়ও এসব শিক্ষক-কর্মচারীরা

একই হারে সহায়তা পেয়েছিলেন। ওই সময় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে এই অর্থ সংস্থান করা হয়েছিল।

Categories
Uncategorized

সন্তানদের ঈদ পোশাকের ব্যাগ পানিতে, ফেরি থেকে ঝাঁপ দিলেন বাবা

বাবা শব্দটি সব মানুষের কাছেই প্রিয়। জীবনের সবচেয়ে বড় শক্তি বাবার দোয়া। পৃথিবীর বুকে আমাদের একমাত্র নিরাপদ আশ্রয়স্থল বাবা। যত

আবদার যত অ‘ভিযোগ সবই বাবার কাছে। নতুন খবর হচ্ছে, সকাল ৭টায় মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়াঘাটে পদ্মাপারের জন্য আসেন আতাউর মিয়াঁ। ৩ নম্বর ঘাটে এসে দেখেন হাজারো মানুষ ফেরির অপেক্ষায়। দুই হাতে ব্যাগ নিয়ে ঠেলে ঠেলে ফেরির কাছে যেতে শুরু করেন। একটিতে ছিল

সন্তানদের জন্য কেনা নতুন পোশাকের ব্যাগ আরেকটিতে তার নিজের ব্যবহৃত পোশাক। বহু কষ্টে এক পর্যায়ে ডাম্প ফেরি রায়পুরাতে উঠতে পারেন আতাউর। তারপর দুইটি ব্যাগের মধ্যে একটি একবারে কিনারে রেখে আরেকটি রাখার চেষ্টা করা মাত্রই পানিতে পড়ে যায় ব্যাগটি। তীর থেকে প্রায় ১০০ গজ সামনে পানিতে ভাসমান ব্যাগটির জন্য তাৎক্ষণিক ফেরি থেকে পানিতে ঝাঁপ দেন। কিন্তু

দুইটি ব্যাগ সঙ্গে নিয়ে সাঁতরে তীরে উঠতে পারছিলেন না। স্থানীয় একজন জেলে নৌকা চালিয়ে তাকে উদ্ধার করেন।

Categories
Uncategorized

স্ত্রীর স্বীকৃতি পেতে ইউপি সচিবের বাড়ীতে শিক্ষিকার অনশন

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে স্ত্রীর স্বীকৃতি পেতে সেলিনা নামের এক নারী ২দিন ধরে অবস্থান করছেন কচাকাটা ইউনিয়নের এক ইউপি সচীবের

বাড়িতে। সেলিনা কচাকাটা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা। আর এ চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার কচাকাটা ইউনিয়নে ইসলামপুর গ্রামে। সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, কচাকাটা ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামের শাহাবুদ্দিনের ছেলে কচাকাটা ইউপি সচিব দুই সন্তানের

জনক আতাউর রহমানের (৩৮) এর সাথে কচাকাটা বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা স্বামী পরিত্যক্তা দুই সন্তানের জননী সেলিনা পারভীন (৪০)’র গত প্রায় এক বছর থেকে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। সেলিনা পারভীন জানান, প্রায় ১ বছর হলো ওই সচিবের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এই সম্পর্কের জেরে তাদের মাঝে

অনৈতিক মেলামেশা শুরু হয় এবং গত ১৮ মার্চ তাদের মধ্যে গোপনে বিয়ে হয়। একপর্যায়ে আতাউর রহমান তাদের বিয়ের কথা অস্বীকার করে সেলিনা পারভীনকে স্ত্রীর স্বীকৃতি না দেয়ায় স্ত্রী এবং বিয়ে স্বীকৃতির দাবীতে গত শনিবার সেলিনা পারভীন আতাউর রহমানের বাড়ীতে অবস্থান নেয়। এর আগে এ বিষয়ে গত শুক্রবার কচাকাটা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করছেন বলে

জানান সেলিনা পারভীন। এ বিষয়ে অভিযুক্ত আতাউর রহমানের সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার কথা বলার চেষ্টা করলে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। তবে তার স্ত্রী মাসুদা পারভীন জানান, সেলিনা পারভীন অযৌক্তিক দাবী নিয়ে আমার বাড়িতে উঠেছে। তার বিয়ের কোন প্রমানপত্র নেই এবং সেটা তিনি দেখাতেও পারেননি। আমার স্বামীকে হেয়

প্রতিপন্ন করা এবং অর্থের লোভে তিনি (সেলিনা) এই কাজটি করেছেন। বিষয়টি নিয়ে কচাকাটা বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো: নূরুজ্জামান কবীর জানান, শনিবার সকালে সেলিনা ম্যাডাম আতাউরের সাথে তার বিয়ের হওয়ার কথা দাবী করেন। তবে তার দাবী কতটা সত্য সেটা বলতে পারবো না।

কচাকাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহবুব আলম জানান, সেলিনা পারভীন সচিব আতাউরের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে বিয়ে না করা, এমন একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন, তবে সেটি মামলা হিসেবে রের্কড হয়নি। তিনি আর আসেননি, শুনেছি তিনি আতাউরের বাড়িতে উঠেছেন।

এদিকে আতাউরের স্ত্রী মাসুদা পারভীন থানায় একটি সাধারণ ডাইরী করেছেন বলেও তিনি নিশ্চিত করেন।

Categories
Uncategorized

বিপদে ছিলেন মুনিয়া, জানা গেলো আরও ত’থ্য

মো,সারাত জাহান মুনি,য়াকে নিয়ে মুখ খুলে,ছেন তার সাবেক প্রে’মিক অ’ভি,নেতা বাপ্পী রা,জ। জানি,য়েছেন তার সঙ্গে মুনি,য়ার গভী,র

প্রে’মের কথা। বা,প্পী জানান, তার সঙ্গে গ,ভীর স,র্ম্পক ছিল মুনি,য়ার। মুনি,য়ার বিষয়ে মঙ্গ,লবার (২৭ এপ্রিল) মুঠো,ফোনে বা,প্পী রাজ জানান, ‘২০১৭-১৮ সালে, দুই বছর আ,মাদের সম্প,র্ক ছিল। আমি মন থেকে ওকে পছন্দ কর,তাম। আমা’র পুরো পরি,বার বিষ,য়টি

জানত। সম্প,র্কের মাঝে হঠাৎ গ্যাপ হয়ে গেল। তারপর মু,নিয়া কোথা,য় যেন হারিয়ে গেল। গত বছর আমি খুলনা,তে ছিলাম। এখনও খুল,নাতেই আছি। তখন বলে,ছিল, আম,রা বিয়ে করেছি। তা,রপরও চার-পাঁচ,দিন টানা কথা হয়েছিল আমা,দের, ও সেখান থেকে বেরিয়ে আস,তে চাই,ছিল। তারপর আবার রাগ করে ব্লক করে দেয়।’

সোম,বার (২৬ এপ্রি,ল) মন্ত্রি,প,রিষদ বিভা,গের আয়ো,জনে আন্তঃ,মন্ত্র,ণালয় সভায় এই সি,দ্ধান্ত নেয়া হয়। জানা গেছে, লকডা,উন বাড়ানো হলেও দোকান,পাট বর্ত,মান নিয়মে খোলা থাকবে। ব্যক্তি,গত গাড়ি-ঘোড়া চলাচল করবে। কিন্তু গণপরি,বহন ৫ মে পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। কোভিড-১৯ সং,ক্রমণ রোধে গত ১৪ এপ্রিল

ভোর ৬টা থেকে আট দিনের ক,ঠোর লক,ডাউন শুরু হয়। লকডা,উ,নের মধ্যে পা,লনের জন্য ১৩টি নি,র্দেশনা দেয়া হয় সরকা,রের পক্ষ থেকে। সেই মেয়াদ শেষ হয় গত বুধ,বার (২১ এপ্রিল) মধ্য,রাতে। কি,ন্তু পরি,স্থি,তির উন্ন,তি না হওয়া,য় লকডা,,উনের মেয়াদ আ,গামী ২৮ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত বাড়ানো হয়।

মো,সারাত জাহান মুনি,য়াকে নিয়ে মুখ খুলে,ছেন তার সাবেক প্রে’মিক অ’ভি,নেতা বাপ্পী রা,জ। জানি,য়েছেন

Categories
Uncategorized

২৩ বছরে ১১ শিশুর মা, নিতে চান ১০০ সন্তান

২৩ বছর বয়সেই ১১ সন্তানের মা হয়েছেন জর্জিয়ার বসবাসরত এক তরুণী। তবে শুধু তাই নয়, এখানেই না থেমে ১০০ সন্তানের মা হতে চান।

শিশুদের প্রতি অগাধ মমত্ব থেকেই তিনি ১০০ সন্তানের মা হতে চান। জানা গেছে, ওই তরুণীর পুরো নাম ক্রিস্টিনা উজটার্ক। তার স্বামীর গালিপ উজটার্ক। জর্জিয়ায় স্থায়ীভাবে বসবাস করেন তারা। তাদের জর্জিয়ায় বড় একটি হোটেল রয়েছে। এই দম্পতির অর্থের কোনো অভাব

নেই। ক্রিস্টিনাসহ তার স্বামীও বাচ্চা খুব ভালোবাসেন। তাই তারা দুজনেই চান, বহু সন্তান তাদের সংসারে আসুক। ক্রিস্টিনা সম্প্রতি, এক ভিডিওতে ক্রিস্টিনা বলেন তিনি একশ’রও বেশি সন্তানের মা হতে চান। বাচ্চাদের ছাড়া তিনি কিছুই বোঝেন না। সবকিছুরই সময় আছে, তবে এটুকু বলি আমরা এখানেই থামছি না।তার স্বামী গ্যালিপ বলেন, আমি ক্রিস্টিনার

মত জীবনসঙ্গীই চেয়েছিলাম। সে একটা হীরার টুকরা। আমি জানি কতটা সুন্দর মানুষ সে। ক্রিস্টিনার ১১ সন্তানের মধ্যে ১০ জনেরই জন্ম হয়েছে অন্য নারীর গর্ভ ভাড়া নিয়ে। জর্জিয়ায় গর্ভ ভাড়া বেআইনি নয়। তাদের মধ্যে শুধু একটি সন্তান ক্রিস্টিনার গর্ভে বেড়ে উঠেছে। ক্রিস্টিনা জানান, ছয় বছর আগে একজন কন্যাসন্তানের

জন্ম দেন তিনি। সেই সন্তানের নাম ভিকা। ভিকার পর তাদের সব সন্তান অন্য নারীর গর্ভে বেড়ে উঠেছে।

Categories
Uncategorized

মেয়ের স’হ’বাসের ভিডিও রেকর্ড করতেন মা, প্রতি ভিডিও বেচতেন ১২০০ টাকা

মেয়ের স’হ’বাসের ভিডিও রেকর্ড করতেন মা, প্রতি ভি’ডিওতে পেতে ১২০০ টাকা। সং’বাদটি সম্পন্ন পড়তে এই লিংকে ক্লিক করুন।

আরও পড়ুন : ৪ ঘণ্টা স’হবা’সের জন্য ১২০০ টাকা নিয়েছিল কচি হক ও সোনিয়া : রাজ’ধানীতে মহাখালীতে প্রেস লেখা একটি স্কুটারে সড়ক দু’র্ঘটনায় গভীর রাতে নি’’হত হয়েছিলেন দুই বান্ধবী কচি ও সোনিয়া। তবে এই দুই না’রীকে নিয়ে রহস্যের জাল যেন বেড়েই চলেছে।

ত’দন্ত করতে গিয়ে দুজন না’রীকে দেখা গেছে অনৈ’তিক কাজে শামিল ‘হতে। তাদের মোবাইল নাম্বারের সূত্রে জানা যায়, তারা টা’কার বিনিময়ে অ’নৈতিক কাজে লি’প্ত ছিল। তবে ট্রাফিক থেকে মু’ক্তি পেতেই তারা স্কুটারে প্রেস লেখা ঝু’লিয়ে ছিল।বনানী থা’না পু’লিশ সূত্রে জানা যায়, কচি ও সোনিয়া একইস’ঙ্গে থাকতেন এবং এক’ইস’ঙ্গে

ঘুরে বেড়াতেন। বিভিন্ন লোক’জনের স’ঙ্গে মে’লামেশা ছিল তাদের। তাদের মোবাইল ফোন কলের সূত্র ধরে কিছু নাম্বারে কল করলে এ তথ্য মেলে। সোনিয়ার নম্বরথেকে একটি নম্বর নিয়ে কল করলে, ওপাশ থেকে আনিস নামে এক যুবক বলেন, ওইদিন সোনিয়া সকাল ১১টা থেকে বে’লা তিনটা পর্যন্ত তার স’ঙ্গে ছিলেন। তারা মোটরসাইকেলে ঘুরেছেন, খাও’য়া দাওয়া করেছেন। একটি বাসায়

অ’ন্তর’ঙ্গ মুহূর্ত কা’টিয়েছেন বলে জানান ওই যুবক। কতদিনের পরিচয় জানতে চাইলে ওই যুবক জানিয়েছেন, এক বন্ধুর মা’ধ্যমে তিনি নম্বর পান, ওইদিনই তাকে ফোন করেছেন এবং একদিনই ঘুরেছেন।বিনি’ময়ে তিনি এক হাজার ২০০ টাকা দিয়েছেন। আর কচির বি’ষয়টি জানতেন না বলেও জানান ওই যুবক। কচির মামা নুরুল আমিন জানান, কচি কী করতেন তা আমি জানতাম না। মাঝে মধ্যে ফোনে কথা ‘হতো।

টে’লিভিশনে ম’রদে’হের ছবি দেখে কচিকে চিনতে পারি, এরপর ঢাকা মেডিকেল কলেজের ম’র্গে গিয়ে ম’রদে’হ শ’নাক্ত করি।শুনেছিলাম, মিরপুর শাহ আলী এলাকায় একটি রুম ভাড়া নিয়ে দুই বান্ধবী থাকত। তারা দুজন একইস’ঙ্গে চলাফেরা করত একইস’ঙ্গে থাকত। সোনিয়ারবড়ভাই রুবেল বলেন, সোনিয়া ঢাকায় চাকরি করার কথা বলেছিল আ’মাকে।

এরপর বিউটি পার্লারে কাজের কথাও একসময় জানিয়েছিল। বিয়ে হয়েছিল তিন মাসের মাথায় তালাক হয়ে যায়। এরপর আর বিয়ে করেননি সো’নিয়া।পু’লিশ জানায়, সৈয়দা কচির (৩৮) বাড়ি কিশোরগঞ্জ কুলিয়ারচর পৌরসভার পাচুলিয়া বাজিতপুর এলাকার সৈয়দ ফজলুল হকের মেয়ে। নি’’হত আরেকজন সোনিয়া আ’ক্তারের (৩২) বাড়ি ভোলা সদর উপজে’লায়।গত

২৫ ফেব্রুয়ারি রাত পৌনে ১টার দিকে মহাখালী সেতু ভ’বনের সামনের সড়কে দুই না’রীকে পড়ে থাকতে দেখে পু’লিশে খবর দেয় পথচারীরা। পরে তাদের উ’’দ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে নিলে দুজনকেই মৃ’ত ঘোষণা করে কর্তব্যরত চিকিৎসক।বনানী থা’নার ভারপ্রা’প্ত কর্মক’র্তা নুরে আজম জানান , ‘দিনরাত তারা স্কুটিতে ঘুরে বেড়াতেন। বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে যাওয়ারও প্র’মাণ মিলেছে।’

তাদের মৃ’ত্যুর বি’ষয়ে ওসি বলেন, ‘মা’মলা হয়েছে, ত’দন্ত চলছে। কীভাবে তাদের মৃ’ত্যু হ’য়েছে তা জানার চে’ষ্টা চলছে।’