Categories
Uncategorized

ভেরিফিকেশনে ফুল মিষ্টি নিয়ে দেশব্যাপী ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিল- এএসপি !

গত রোববার তাদের বাসায় সরেজমিন ভেরিফিকেশন করতে গিয়ে তাদেরকে ফুল ও মিষ্টি নিয়ে

শুভেচ্ছা জানান চট্টগ্রাম জে’লা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (রাঙ্গুনিয়া সার্কেল) মো আনোয়ার হোসেন শামীম।

৩৮তম বিসিএসে গণপূর্ত ক্যাডারে সুপারিশকৃত একজন প্রার্থী ওয়াহিদ মুরাদ আজম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে

‘পুলিশ ভেরিফিকেশন এবং এএসপির মিষ্টি’ শিরোনামে একটি পোস্ট করলে তা দেশব্যাপী ব্যাপক ‘আলোচনার জন্ম দেয়।

ওয়াহিদ রাঙ্গুনিয়া উপজে’লাধীন মরিয়ম নগর এলাকার বাসি’ন্দা এবং চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) এর সাবেক ছাত্র।

কক্সবাজারের ঘটনায় দেশব্যাপী পুলিশের ভাবমূর্তি যখন তলানিতে, তখন পুলিশের এমন অভিনব উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন নেটিজেনরা।

ওয়াহিদ লিখেন, ‘আমার ৩৮তম বিসিএসের পুলিশ ভেরিফিকেশন শেষ হলো আজ। ভেরিফিকেশন করতে এসেছিলেন রাঙ্গুনিয়া সার্কেলের

এএসপি আনোয়ার হোসেন (শামীম আনোয়ার), আমরা এতদিন ধরেই নিয়েছি ভেরিফিকেশন মানেই পুলিশকে ঘুষ দিতে হবে।

কিন্তু আজ আমা’দেরকে অবাক বানিয়ে উল্টো এএসপি শামীম আনোয়ার স্যারই আমার জন্য মিষ্টি ও ফুলের তোড়া উপহার হিসেবে নিয়ে এলেন।

আমা’দের অনেক অনুরোধের পরও এক কাপ চাও খেলেন না। এমনকি এক গ্লাস পানিও না ধন্যবাদ বাংলাদেশ পুলিশ।

পুলিশে ইতিবাচক পরিবর্তন যে আসছে, তার প্রমাণ আজ হাতেনাতেই টের পেলাম। অনেকে বলবেন,

আমার কাছ থেকে টাকা নেয়নি বলে এবং উপহার দিয়েছে বলেই আজ আমি পুলিশকে ভাল বলছি। কিন্তু না।

মি সত্যিই অবাক হয়ে গেছি, যা ঘটেছে তার ১০% ও আশা করিনি। ঘুষের ব্যাপার না, পুলিশের আচরণ,

অমায়িক ব্যবহার, সত্যি বলছি, সবকিছু মিলিয়ে আ’মাকে উন্নত বিশ্বের পুলিশের কথা মনে করিয়ে দিয়েছে।’

ওয়াহিদ ছাড়াও ৩৮তম বিসিএসের মাধ্যমে রাঙ্গুনিয়া উপজে’লার পারুয়া গ্রামের খায়রুন্নেসা স্বাস্থ্য ক্যাডারে,

নটুয়ার টিলা গ্রামের আরা’ফাতু নূর বাঁধন পুলিশ ক্যাডারে, রাউ’জান উপজে’লার সুলতান পুর

গ্রামের জান্নাতুন নাইম শিক্ষা ক্যাডারের সুপারিশকৃত হয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে এএসপি মো. আনোয়ার হোসেন শামীম বলেন, ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া নিয়ে চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে

এক ধরনের ভীতি ও নেতিবাচক মনোভাব কাজ করে থাকে।

মূলত এই ধারণা দূর করতেই চট্টগ্রাম জে’লা পুলিশ সুপার এসএম র’শিদুল হকের নির্দেশনা

অনুযায়ী সুপারিশকৃত বিসিএস ক্যাডারদের ফুল ও মিষ্টি দিয়ে শুভেচ্ছা জানানোর উদ্যোগটি গ্রহণ করা হয়েছে।

আর তাছাড়া অল্প কিছুদিনের মধ্যেই এসব কর্মক’র্তা সারাদেশে নিজ নিজ অধিক্ষেত্রে ছড়িয়ে পড়তে চলেছেন।

তাদেরকে সমাজের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সেবায় আত্মনিয়োগে উদ্বুদ্ধ করা ও পুলিশের কাজ সম্পর্কে তাদের মনে

ইতিবাচক ধারণা দেওয়াও ছিল এই কর্মকাণ্ডের অন্যতম উদ্দেশ্য।

Categories
Uncategorized

৫ টাকা ভাড়া বেশি চাওয়ায় রিকশা চালককে হ;;;;;;ত্যা

ভাড়া পাঁচ টাকা বেশি চাওয়ায় এক অটোরিকশা চালককে লাথি মে;;রে হ;;;ত্যা;;র

অ;;ভি;;যোগ পাওয়া গেছে। অভিযুক্ত ফজলুল হককে (৪১) স্থানীয়রা গণধোলাই দিয়ে পুলিশে দিয়েছে।

সোমবার (২ আগস্ট) সকালে ঢাকার আশুলিয়ার নরসিংহপুর-কাশিমপুর আঞ্চলিক সড়কের ইউসুফ মার্কেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নি;;;হত অটোচালক আব্দুল আলীম (৪০) গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুর বাগবাড়ি এলাকার জয়নাল আবেদীনের ছেলে। সে ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চালাতো।

আটককৃত ফজলুল হক শেরপুরের নালিতাবাড়ি থানার কাকড়কান্ডি গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে। সে গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুর স্বরোপাইতলী এলাকার বাসিন্দা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাগবাড়ি মাদ্রাসা বাজার থেকে অটোরিকশায় উঠেন ফজলুল হক। তিনি ইউসুফ মার্কেট বাসস্ট্যান্ডে নামেন।

এসময় অটোরিকশা থেকে নেমে পাঁচ টাকা ভাড়া দিতে চাইলে চালক না নিয়ে দশ টাকা চান। পরে তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়।

একপর্যায়ে ফজলুল হক ওই চালককে লাথি মা;;;রলে রিকশাচালক মাঠিতে লুটিয়ে পড়ে এবং অটোর নিচে চাঁপা পড়ে মাথায়

গু;;;রুতর আ;;;ঘা;;তপ্রাপ্ত হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরে স্থানীয়রা ফজলুলকে আট;;;ক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।

আশুলিয়া থানার এসআই হাচিব সিকদার জানান, ঘটনাস্থল থেকে লা;;;;শ উদ্ধা;;র এবং

অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নেয়া হয়েছে। ভাড়ার টাকা নিয়ে এ ঘটেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

Categories
Uncategorized

ঐসব না করতে চিৎ’কার করছিলাম, তবু সে ছা’ড়েনি

ঐসব না করতে চিৎ’কার করছিলাম-বলিউডের মি’ডিয়া পাড়ায় প্রায়ই শো’না যায় কা’স্টিং কা’উচে কথা। সো’জা কথায় যার শা’ব্দিক অর্থ

যৌ’ন হে’নস্তা। এমন হে’নস্তার শি’কার আ’নেক অ’ভিনেত্রী। কেউ মু’খ খো’লেন না ল’জ্জায় আ’বার কেউবা বো’মা ফা’টিয়ে দে’ন।
এবার সেই কা’স্টিং কা’উচ নিয়ে মুখ খু’ললেন রে’শমী দে’শাই। বি’স্ফোরক এক ম’ন্তব্য ক’রে বসলেন ভা’রতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী।

গণমাধ্যমে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে রে’শমি অভিনয় জগতের নানা অজানা গল্প প্রকাশ করলেন। দুঃসহ সেই ঘ’টনার স্মৃ’তিচারণ ক’রতে
গি’য়ে রেশমী বলেন, ‘প্রায় ১৩ বছর আগে কাজ শুরু করি মিডিয়ায়। বেশ অল্প বয়সেই মিডিয়াতে আসা আমার। এর আগে মিডিয়ায় কাজের কোনো অ’ভিজ্ঞতা ছিল না। এ’কেবারেই ন’বাগত ছিলাম। ওই সময়

সুরজ নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে আমার পরিচয় হয়। সে এখন কোথায় আছে বা কী করছে তা জানি না। প্রথম মিটিংয়েই সে আমার ‘স্ট্যা’টিসটি’ক্স’ জা’নতে চায়। ওকে ব’ললাম আ’পনি ঠিক কী জা’নতে চাইছেন, আমি বু’ঝতে পারছি না। তখনই ও আ’মায় যৌ’ন হে’নস্তা ক’রার চে’ষ্টা করে। ওই ব্যাক্তির কথা তুলে ধরে রেশমী আরও বলেন, হঠাৎ একদিন

সুরজ কাজের জন্য আমায় ফোন দেয়। কিন্তু সেখানে গিয়ে সুরজ ছাড়া আর কাউকে দেখতে পাইনি। কোনো ক্যামেরাও ছিল না। সে ড্রিঙ্কসে কিছু মিশিয়েছিল। এ কারণে আমার স্বাভাবিক চেতনা লোপ পায়। এর পরেও আমি ওইসব করতে চাই না বলে চিৎকার করছিলাম। ত’বুও সে ছাড়েনি। প্রায় আড়াই ঘণ্টা পরে আমি কো’নোভাবে সেখান থে’কে

প্রা’ণ বাঁ’চিয়ে বা’ড়িতে ফিরে আসি। বাড়িতে ফিরেই মাকে সবটা বলি। পরদিন মা ওর সঙ্গে দে’খা ক’রে ও’কে চ’ড়’ও মে’রেছিল। ভারতের জ’নপ্রিয় রি’য়ালিটি শো ‘বিগ বস ১৩’ এর আসরে দেখা যায় রেশমী দেশাইকে। শো’র পর বর্তমানে রেশমীর জ’নপ্রিয়তা আ’কাশছোঁয়া। আর এই মু’হূর্তে কা’স্টিং কা’উচের বি’রুদ্ধে রে’শমীর এই বি’স্ফোর’ক মন্ত’ব্যর জে’রে গ’রম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো।

তবে অ’বাক করা বিষয় হল রে’শমির পক্ষে সবাই সুর মে’লালেও তার স’মালোচনাও করছেন অ’নেকেই।dailysongbad

Categories
Uncategorized

মায়ের গায়ে হাত তোলায় স্ত্রীকে তালাক দিয়েছেন-মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত

এখন থেকে ঠিক ৬ বছর আগের কথা। খালাতো বোন সামিয়া শারমিনের সঙ্গে বিয়ে হয় জাতীয় দলের বর্তমান তারকা ক্রিকেটার মোসাদ্দেক

হোসেন সৈকতের। বিয়ের পর থেকেই সৈকতকে তার পরিবার ছেড়ে আলাদা সংসার করতে চাপ দিতে থাকে শারমিন। একদিকে মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা অন্যদিকে স্ত্রীর আলাদা হওয়ার চাপ। একপর্যায়ে স্ত্রীকে তালাক বা ডিভোর্স দেয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন জাতীয় দলের এ অলরাউন্ডার।

নির্যাতন ও যৌতুকের অভিযোগে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছেন তার স্ত্রী শারমিন। এ বিষয়টি চাউর হওয়ার পর বিকেল থেকেই মোসাদ্দেকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। রাতে যুগান্তরের সঙ্গে একান্ত আলাপে মোসাদ্দেক বলেন, ‘বিয়ের পর থেকেই ও আমাকে আলাদা সংসার গড়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করতে থাকে।

কিন্তু আমার বাবা নেই, যে মায়ের কারণে আমি আজ ক্রিকেটার। সেই মাকে ছেড়ে কিভাবে আলাদা থাকি? এটা আমার পক্ষে সম্ভব ছিল না। আমি ওকে এটা নিয়ে অনেক বুঝিয়েছি।’ সৈকত আরও বলেন, ‘আমি যখন খেলার কারণে ট্যুরে থাকতাম তখন ও আমার মার সঙ্গে ঝগড়া করত। মাকে একাধিকবার মেরেছেও। এসব কারণে আমি গত ১৬ আগস্ট তাকে কোর্টের মাধ্যমে ডিভোর্স

দেই।’স্ত্রীর যৌতুকের অভিযোগ নিয়ে মোসাদ্দেক যুগান্তরকে বলেন, ‘দেখেন ওকে আমি গত ১৬ আগস্ট তালাক দিয়েছি। তার আগে ও কিন্তু আমার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করেনি। তালাক দেয়ার পর ও নাটক শুরু করেছে। আমার ক্যারিয়ার ধ্বংসের চক্রান্ত করছে। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি যে এত খারাপ সময় আমার আসেনি যে যৌতুক নিয়ে

আমার চলতে হবে। আমি শুনেছি যে ডিভোর্স দিলে নাকি এমন নারী নির্যাতন বা যৌতুকের একটা মামলা করা হয়। তারাও হয়তো তাই করেছে।’স্ত্রীর কর্মকাণ্ডে হতাশ জাতীয় দলের এ অলরাউন্ডার যুগান্তরের কাছে আক্ষেপ করে বলেন, ‘ছেলে হয়ে জন্মে ভুল করেছি। আজ মেয়েরা যা বলে তাই সত্যি হয়। আমাদের কথা কেউ সত্যি মনে করে না। ’ প্রসঙ্গত, জাতীয় দলের ক্রিকেটার

মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের বিরুদ্ধে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগে মামলা করেছেন তার স্ত্রী সামিয়া শারমিন। ময়মনসিংহের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে যৌতুক নিরোধ আইন ৩ ও ৪ ধারায় অভিযোগ করেন তিনি। এ বিষয়ে সদর উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তাকে তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছেন আদালত।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়,

২০১২ সালে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের সাথে তার আপন খালাতো বোন সামিয়া শারমিনের বিয়ে হয়। সৈকতের স্ত্রীর বড় ভাই মোজাম্মেল কবির জানান, সৈকত আমার খালাতো ভাই। তাদের পারিবারিক অবস্থা এক সময় খুব খারাপ ছিল। সে আমাদের বাসায় আসা-যাওয়া করতো। তখন আমার বোনের সাথে তার প্রেমের সম্পর্ক হয়। আমরা বোনের বিয়ের জন্য পাত্র

ঠিক করি, সৈকত তখন অনূর্ধ্ব-১৯ দলের খেলোয়াড়। সৈকত তখন আত্মহত্যার হুমকি দেয়। ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল করে। একসময় আমরা তাদের বিয়ে দেই। সৈকতের স্ত্রী সামিয়া শারমিন বলেন, সৈকতের দুর্দিনে আমি তার পাশে ছিলাম। তার অর্থ-খ্যাতি হওয়ার পর সে আমার সাথে বাজে ব্যবহার শুরু করে। মানসিক নির্যাতনের পাশাপাশি শারীরিক নির্যাতনও শুরু করে। এপ্রিলে আমি কনসিভ করি।

রোজার ঈদের আগে আমার বাচ্চাটা নষ্ট হয়ে যায়। ঈদে সৈকত বাড়ি আসে। আমি তাদের বাসায় ছিলাম। তার মা আমাকে বললো, বাপের বাড়ি চলে যেতে। কারণ আমার সেভাবে যত্ন হচ্ছিল না সেখানে। দু’মাস ধরে আমি বাসায়। তারা আমার সাথে কোনো ধরনের যোগাযোগ করেনি।

Categories
Uncategorized

করোনায় স্ত্রীর মৃত্যু, অ্যাম্বুলেন্সে বসেই বিদায় জানালেন স্বামী

করোনায় আক্রান্ত স্বামী-স্ত্রী। একজন রাজধানী ও অন্যজন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। শনিবার (৩১ জুলাই)

ভোরে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান প্রিয়তমা স্ত্রী ফিরোজা বেগম। স্ত্রীকে শেষবারের মতো দেখতে বিকেলে অ্যাম্বুলেন্সে ছুটে আসেন আবদুর রশিদ। নগরীর নবাববাড়ি এলাকায় এমন হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ

হাসপাতালে করোনা চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। স্থানীয় ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্র জানায়, হাসপাতাল থেকে স্ত্রীর মরদেহ দেখার অনুমতি মিললেও কুমিল্লা সদর উপজেলার রসুলপুর নিজ এলাকার কথিত প্রভাবশালীদের নিষেধাজ্ঞার কারণে করোনা আক্রান্ত স্বামী বাড়িতে যেতে নিষেধ করা হয়। পরে বাড়িতে যেতে না পেরে নবাববাড়িতে (মৃতদেহ গোসলের স্থান)

স্ত্রীকে শেষ বারের মতো দেখতে আসেন। দূর থেকে কাফনে মোড়ানো স্ত্রীকে দেখে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন স্বামী। এসময় সন্তান ও আত্মীয়স্বজনদের কান্নায় আশপাশের আকাশ বাতাস ভারি হয়ে উঠে। করোনায় মৃতদের দাফনের কাজে নিয়োজিত সংগঠন ‘বিবেক’ এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইউসুফ মোল্লা টিপু জানান, ফোনে আমাদের অনুরোধ করা হয়েছিল ফিরোজা বেগমের

মরদেহ গোসলের জন্য। আমরা যখন নবাব বাড়িতে উনার মরদেহ গোসল সম্পন্ন করি। এরই মধ্যে জানতে পারি ফিরোজা বেগমের স্বামী আবদুর রশিদ বাড়িতে গিয়ে তাঁর স্ত্রীর মরদেহ শেষবারের মত দেখতে চান। তখনি তার স্বজনদের ফোনে জানতে পারলাম করোনা আক্রান্ত কাউকে গ্রামে যেতে নিষেধ করছে কে বা কারা। যে কারণে

আবদুর রশিদ হাসপাতাল থেকে অ্যাম্বুলেন্সে নিয়ে ছুটে আসেন। এ সময় যে হৃদয়বিদারক পরিবেশ তৈরি হয়-তা বলার মত না। তিনি আরও জানান, করোনার কারণে মানুষ মানুষকে কিভাবে এড়িয়ে যায় দেখলাম। আবার দেখলাম স্ত্রীর জন্য স্বামীর এমন ভালোবাসা। তবে এসময় আমাদের একজন আরেকজনের পাশে থাকা উচিত।

হাসপাতালে করোনা চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। স্থানীয় ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্র জানায়, হাসপাতাল থেকে স্ত্রীর

Categories
Uncategorized

নায়িকা একার ৫ মাস আগের ও বর্তমান অবস্থা দেখে আফসোস ভক্তদের

গৃহক;র্মীকে নি;র্যাতনের অভিযোগে আটক হয়েছেন ঢাকাই সিনেমার এক সময়ের আলোচিত চিত্রনায়িকা একা। তার বি;রু;দ্ধে হ;;;ত্যার

উদ্দেশ্যে মারধর ও মাদক;দ্রব্য আইনে করা পৃথক দুই মামলা;য় রিমান্ড; ও জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারা;গারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের এডিসি হাফিজ আল ফারুক জানান, হাজেরা বেগম নামে এক গৃহকর্মী মাসে পাঁচ হাজার

টাকায় একার বাসায় তিন মাস ধরে ছুটা কাজ করে আসছিলেন। বাসা পরিবর্তনের সময় হাজেরাকে অতিরিক্ত কাজ করার কথা বলেন একা।
তখন হাজেরা বলেন, আগে অবহিত না করায় হঠাৎ বাড়তি কাজ করা তার পক্ষে সম্ভব নয়। অন্য যেসব বাসায় তিনি কাজ করেন, তারা বিপদে পড়বেন। এক পর্যায়ে হাজেরা তার বর্তমান মাসের

বেতনও চান। কিন্তু আগের দু’মাসের বেতন পরিশোধ করেন অভিনেত্রী। এরপর একা ক্ষিপ্ত হয়ে গৃহক;র্মীকে বেদম মার;ধর করেন। খবর পেয়ে প্রতিবেশী ও আশপাশের লোকজন একার বাসা ঘেরাও করেন। তারা ৯৯৯-এ কল করেন। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে একা ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে রাখেন। পরে আশপাশের লোকজন ও পুলিশ মিলে

দরজা কোনোমতে ভেঙে একাকে আটক করা হয়। হাফিজ আল ফারুক আরও বলেন, একার বাসায় অভিযান চালিয়ে পাঁচ পিস ইয়াবা, ৫০ গ্রাম গাঁজা এবং অর্ধেক বোতল মদ পাওয়া গেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি প্রায় নিয়মিত ইয়াবা সেবনের কথা স্বীকার করেন। গত শনিবার (৩১ জুলাই) রাতে একাকে ধরে এনে হাতিরঝিল থানায় আটকে রাখা হয়। আটকের পর তার কিছু ছবি

সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে দেখা যায়- পর্দা কাঁপানো নায়িকার চেহারায় লাবণ্যের ছাপ নেই। রুগ্ন-শীর্ণ একাকে দেখে কোনভাবেই বোঝার উপায় নেই, একসময় রুপালি পর্দা মাতিয়ে তুলতেন তিনি। চেহারায় শুধু মলিনতাই নয়, অস্বাভাবিক পরিবর্তনও হয়েছে তার। পর্দার লাবণ্যময়ী নায়িকাকে এমন রূপে দেখে ভক্তদের আফসোসের

শেষ নেই। আফসোস করাটাই স্বাভাবিক, কেননা একাকে এভাবে দেখতে হবে সেটি হয়তো তার ভক্তদের কল্পনাতেও আসেনি। জানা গেছে নিয়মিত মাদক সেবনে অভ্যস্ত হয়ে পড়ায় এই নায়িকার এমন দশা হয়েছে। তৌহিদ আহনাফ নামের একজন নায়িকা একার দুইটি ছবি পোস্ট করে লিখেছেন, দীর্ঘদিনের আড়াল ভেঙে ৫ মাস আগে একা এসেছিলো শাহরিয়ার নাজিম জয়ের

৩০০ সেকেন্ড অনুষ্ঠানে। তার সেই পোস্টের সত্যতা যাচাই করতে গিয়ে দেখা যায়, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে অভিনেতা ও উপস্থাপক শাহরিয়ার নাজিমের ৩০০ সেকেন্ড অনুষ্ঠানের প্রচারিত একটি পর্বে অতিথি হয়ে এসেছিলেন তিনি। নায়িকার তখনকার চেহারার সঙ্গে বতর্মান চেহারার বিরাট বড় পার্থক্য খুঁজে পাচ্ছেন ভক্তরা। নেটাগরিকদের একজন লিখেছেন-

‘একাকে এভাবে দেখব আমরা ভাবতেও পারছি না।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘একার এই পরিণতি কেন?’

Categories
Uncategorized

জঙ্গলে কুকর্ম করতে গিয়ে ধ’রা পড়লেন যুবক-যুবতী, ভাইরাল হলো সেই মুহূর্তের ভিডিও!

প্রতি মুহূর্তে আমরা সোশ্যাল মিডিয়াতে এমন কিছু ধরনের জিনিসপত্র সা-ক্ষী থাকি বা ঘ-ট-নার সাক্ষী থাকি যেগুলি কখনো কখনো

আমাদেরকে হাসিয়ে তোলে তার পাশাপাশি কখনো আবার আমাদেরকে অ-বা-ক করে তোলে। আজকের প্রতিবেদন সেই বিষ-য়টি নিয়ে কারণ আজকের এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে আমরা যে ঘ-ট-না-টি তুলে ধরতে চলেছি সেটি রী-তি-ম-ত অবাক করার মতন । একদম ঠিক শুনেছেন ।

যদিও সেই ভিডিওতে অনেকগুলি ভিডিও করা হয়েছিল কিন্তু সবথেকে জনপ্রিয়তা পেয়েছিল এই ভিডিওটি।বর্তমানের এই সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে এই সমস্ত ঘটনা আমরা মুহূর্তের মধ্যে বাড়িতে বসে পেয়ে যায় বলে প্রতিমুহূর্তে বাড়ছে সোশ্যাল মিডিয়ায় জনপ্রিয়তা । এবং জনপ্রিয়তার নিরিখে ফেসবুক-ইউটিউব এবং ইন্সটাগ্রাম এর মধ্যে প্রতিনিয়ত লেগে থাকে

বা প্রতিযোগিতা। দেখতে গেলে এমনটা বলতে হয় ইউটিউব বাকি সবার থেকে কিছুটা এগিয়ে রয়েছে। মানুষ ফেসবুক ইনস্টাগ্রাম এর তুলনায় বেশি ইউটিউবে থাকতে বা ভিডিও দেখতে বেশি পছন্দ করে। সেই ইউটিউবে দেখা গেছে সেরকম একটি ভিডিও বা অ-বা-ক করে তুলেছে নেট দুনিয়াযর মানুষ কে। সম্প্রতি যে ভিডিওটি দেখা গেছে সেখানে দেখা যাচ্ছে যে

এক ডেলিভারি বয় অর্থাৎ কোন একটি সংস্থার এক ডেলিভারি বয় একটি বাড়িতে কম্পিউটার ডেলিভারি করতে এসেছে। কিন্তু তার কম্পিউটার রেখে দেওয়ার ধরন দেখে রীতিমত অবাক নেটদুনিয়া মানুষেরা। আমরা সাধারণত যে সমস্ত জিনিসপত্র গুলি অনলাইনে বিভিন্ন ই-কমার্স সাইটে অর্ডার দিয়ে থাকি সেগুলো অত্যন্ত যত্নসহকারে আমাদের কাছে

পৌঁছে দেওয়া হয়। কিন্তু এই ভিডিও দেখা যাচ্ছে যে সেই ডেলিভারি বয় একটা কম্পিউটার পাঁচিল থেকে ছুঁ-ড়ে ফে-লে দে-য় ঘরের ভিতর ।
তারপর তিনি অন্য জায়গায় চলে যায় । এই ঘ-টনা-টি রীতিমত অবাক করে তুলেছেন এই দুনিয়ার সকল মানুষদেরকে।

Categories
Uncategorized

প্র,তি শুক্রবার এই শি’শুর শ’রীরে পবিত্র কোরআন বা হাদিসের একেক’টা বানী লেখা ভেসে ওঠে! (ভিডিও)

প্রতি শু,ক্রবার তার শ,রী,রের বিভিন্ন স্থানে ত্বকের নীচে জমাট র’ক্তের মতো হরফে পবিত্র কো’রআন বা হাদিসের একেকটা বানী লেখা

ভেসে ওঠে।এর স্থিরচিত্র বিভিন্ন মানুষ তুলে রাখেন। বাড়িতে একটি অ্যা,লবামের প্রদর্শনী খোলা হয়েছে। একটি টে,লিভিশন শি,শুটির মায়ের সাক্ষাৎকার নেয়। শি’শুটির মা টেলি’ভিশনটিতে বলেন‘যে সময় তার দে’হে আয়াত বা হাদিস ভেসে ওঠে এর আগে তার অনেক জ্বর আসে।

সে সময় সে প্রচণ্ড কা’ন্না করতে থাকে। এরপর লেখা’গুলো ভেসে উঠলে জ্বর কমে এবং কা’ন্না থেমে যায়। দু’ধ পান করার সময়ও সে খুব শা,ন্ত থাকে। ভি’ডিওটিতে শি’শুটির নানা অ’ঙ্গে আয়াত ও হাদিসের কিছু চিত্র দেখা যাবে। কিছু স্থিরচিত্র প্রদর্শনের জন্য রাখা হয়েছে। উত্তর রাশিয়ার দা’গি’স্তানে এক মু’সলিম পরিবারে জ’ন্ম নেয়

শি’শু আলিয়া ইয়াকুব। বিশেষ’জ্ঞরা বলেছেন, ‘এটি আল্লাহর কুদরত ও মহানবী স-এর মুজিযা। যে কোনও কারণে আ’ল্লাহ তা তার বান্দা অথবা প্র’কৃতির মধ্যে প্রকাশ করে থাকেন। যাতে মানুষ শিক্ষা গ্রহণ ও ঈমান ম’জবুত করতে পারে।’ অনেকে বলছেন, ‘এটি ইমাম মা’হাদির আগমনের অন্যতম নমুনা। কি’য়ামতের নিদর্শনও হতে পারে এটি। শি’শুটির

পেটে ‘আল্লাহ’ গ’লায়, পায়ে, ঘাড়ে, পিঠে ও কানে আল্লাহর নাম। পা থেকে উরু হয়ে কোমর পর্যন্ত ল,ম্বা লেখাটি হচ্ছে একটি হাদিসের বানী। যার অর্থ, আমি যা জানি তা যদি তোমরা জানতে তাহলে হা’সতে কম কাঁদতে বেশি।’ টিভিতে বলা হয়, প্রতিদিন আলিয়া ইয়াকু’বদের বাড়িতে গড়ে ২ হাজার লোক বি’স্ময়কর এ ঘ’টনা দেখতে আসেন। অনেকে বলছেন, ‘এটি ইমাম

মা’হাদির আগমনের অন্যতম নমুনা। কি’য়ামতের নিদর্শনও হতে পারে এটি। শি’শুটির পেটে ‘আল্লাহ’ গ’লায়, পায়ে, ঘাড়ে, পিঠে ও কানে আল্লাহর নাম। পা থেকে উরু হয়ে কোমর পর্যন্ত লম্বা লেখাটি হচ্ছে একটি হাদিসের বানী। যার অর্থ, আমি যা জানি তা যদি তোমরা জানতে তাহলে হা’সতে কম কাঁদতে বেশি।’ টিভিতে বলা হয়, প্রতিদিন আলিয়া ইয়াকু’বদের বাড়িতে গড়ে ২ হাজার লোক

বি’স্ময়কর এ ঘ’টনা দেখতে আসেন। অনেকে বলছেন, ‘এটি ইমাম মা’হাদির আগমনের অন্যতম নমুনা। কি’য়ামতের নিদর্শনও হতে পারে এটি। শি’শুটির পেটে ‘আল্লাহ’ গ’লায়, পায়ে, ঘাড়ে, পিঠে ও কানে আল্লাহর নাম। পা থেকে উরু হয়ে কোমর পর্যন্ত লম্বা লেখাটি হচ্ছে একটি হাদিসের বানী। যার অর্থ, আমি যা জানি তা যদি তোমরা জানতে তাহলে হা’সতে কম কাঁদতে বেশি।’

টিভিতে বলা হয়, প্রতিদিন আলিয়া ইয়াকু’বদের বাড়িতে গড়ে ২ হাজার লোক বি’স্ময়কর এ ঘ’টনা দেখতে আসেন।

Categories
Uncategorized

যুক্তরাজ্য প্রবাসী সেই নারীকে হেনস্থা করা ২ কর্মকর্তা বরখাস্ত

সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জামিলা চৌধুরী নামের এক মহিলা যাত্রীকে হয়রানির ঘটনায় দুই কর্মকতাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ। শনিবার (৩১ জুলাই) বিকেলে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের স্টেশন ব্যবস্থাপক চৌধুরী ওমর হায়াত। দুই কর্মকতাকে বরখাস্ত করা হয়েছে জানা গেলেও তাদের নাম প্রকাশ প্রকাশ করেননি ওই কর্মকর্তা। তবে নাম

না বললেও একজন কাউন্টার সুপার ভাইজার ও অপরজন জুনিয়র গ্রাউন্ড সার্ভিস অফিসার বলে জানা যায়। তবে শাস্তির আওতায় আনা দুই কর্মকতার নাম প্রকাশ করেননি তিনি। এ বিষয়ে তিনি বলেন, এক মহিলা যাত্রীকে হয়রানির অভিযোগে দুইজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তাদেরকে ঢাকায় গিয়ে রিপোর্ট করার জন্য বলা হয়েছে।

কিন্তু করোনার কারণে তারা ঢাকায় যেতে পারেননি। চৌধুরী ওমর হায়াত আরো বলেন, গত ২৮ জুলাই ওই নারীর সঙ্গে সৃষ্ট ঘটনার জন্য শুক্রবার (৩০ জুলাই) সন্ধ্যায় তার বাসায় গিয়ে শান্তনা দিয়ে বলেছি, আগামী ৪ আগস্ট যে ফ্লাইট আছে, সেই ফ্লাইটে যেতে তাকে সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে। এছাড়া ঘটনাটি খতিয়ে দেখতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলইন্স কর্তৃপক্ষ

একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। রোববার (১ আগস্ট) তদন্ত করতে আসবেন বিমানের জিএম পদবির এক কর্মকর্তা। এর আগে, গত ২৮ জুলাই সিলেট থেকে লন্ডন সরাসরি ফ্লাটের বাংলাদেশ বিমানের বিজি-২০১ এর যাত্রী ছিলেন ভুক্তভোগী প্রবাসী জামিলা চৌধুরী। কিন্তু তিনি ওইদিন যুক্তরাজ্য যেতে পারেননি ওসমানী বিমানবন্দরের কতিপয়

\কর্মকর্তার অসৌজন্যমূলক ও অন্যায় আচরণের জন্য। তবে এ ঘটনার ভিডিও যখন বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়ে তখন টনক নড়ে ওসমানী বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের। শুক্রবার (৩০ জুলাই) সন্ধ্যায় জামিলা চৌধুরীর বাসায় যান একটি প্রতিনিধি দল। বাসায় গিয়ে তাকে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা সান্তনা দেন এবং আগামী ৪ আগস্ট যুক্তরাজ্য যাওয়ার জন্য

টিকেটের ব্যবস্থা করে দেয়ার আশ্বাস প্রদান করেন। সেই সঙ্গে তদন্তসাপেক্ষে দোষী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণেরও আশ্বাস দেয় প্রতিনিধি দল। জানা যায়, বাবার অসুস্থতার খবর পেয়ে লন্ডনে সন্তানদের রেখে দেশে এসেছিলেন জামিলা চৌধুরী। গত বুধবার বাংলাদেশ বিমানের বিজি-২০১ এ তার যুক্তরাজ্য ফেরার কথা। সেখানে কোয়ারেন্টিনের জন্য হোটেলও বুকিং করা ছিল। ২৮ জুলাই (বুধবার) জামিলা চৌধুরী

নির্ধারিত সময়ে বাংলাদেশ বিমানের কাউন্টারে পৌঁছালে দায়িত্বরত কর্মকর্তা তার কাছে লোকেটর ফর্ম চান। তখন নিজ মোবাইলে লোকেটর ফর্মটি দেখালেও প্রিন্ট কপি চান এক কর্মকর্তা। এখান থেকেই মূলত ঘটনার শুরু। জামিলা চৌধুরীর ভাষ্যমতে- বারকোডযুক্ত লোকেটর ফর্মের প্রিন্ট কপি বাধ্যতামূলক হতে পারে না যেখানে সবকিছুই বর্তমানে ডিজিটালি চলছে।

তবে বিমান কর্মকর্তা সেটি মানেননি। খানিকক্ষণ বাক-বিতন্ডার পর জামিলা চৌধুরী বিমানবন্দরের নির্ধারিত কাউন্টারে লোকেটর ফর্ম প্রিন্ট করার জন্য যান। কিন্তু সেখানে দীর্ঘ লাইন থাকায় তা প্রিন্ট করাতে পারেন নি। এখানে দুই দফায় বেশ খানিকটা সময় চলে যায় বলে জানান জামিলা চৌধুরী। জামিলা চৌধুরী বলেন, ‘এরপর আমার লাগেজে অতিরিক্ত মালামালের কারণে আমার কাছে অনৈতিকভাবে টাকা দাবি করেন সেই কর্মকর্তা। আমি তা দিতে অপারগতা জানাই এবং বলি অতিরিক্ত ওজনের লাগেজ ফিরিয়ে দিয়ে শুধুমাত্র একটি লাগেজ নিয়ে আমাকে বোর্ডিং

পাস দেবার জন্য। কিন্তু সেই কর্মকর্তা উত্তেজিত হয়ে আমার উপর পাসপোর্ট ছুঁড়ে মারেন এবং অকথ্য ভাষা ব্যবহার করেন। আমাকে বোর্ডিং পাস না দিয়েই লাইন থেকে বের করে দেন।’ তিনি বলেন, ‘আমি উপস্থিত অন্যন্য কর্মকর্তাকেও অনেক অনুরোধ করি, কিন্তু কেউ আমাকে সাহায্য করেনি।’ এসময় জামিলা চৌধুরী বিমানবন্দরে নিজের অভিযোগ জানাতে চাইলেও তার অভিযোগ কেউ গ্রহণ করেনি।

Categories
Uncategorized

অন্ধকার জগতে পা বাড়িয়ে চিত্রনায়িকা একার বর্তমান অবস্থা!

গৃহকর্মী;কে নি;ত;নের অভিযোগে চিত্রনায়িকা একাকে আ;টক করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের হাতিরঝিল থানা পুলিশ। এ সময় তার বা;সা

থেকে ইয়াবা-বিদে;শি ম;দসহ মা;দক উদ্ধার ক;রা হয়। তাকে গ্রেফ;তা;রের পর যেনো আগের সেই নায়িকার সঙ্গে বর্তমান এ;কাকে চেনাই যায়নি। অন্ধকার জগতে পা বাড়িয়ে এই নায়িকা;র বর্ত;মান অবস্থা ভয়াবহ। তোজাম্মেল হক বকুল পরিচালিত ‘রাখাল রাজা’ ছবির মাধ্যমে

শাহিদা আরবী সিমন নাম নিয়ে ঢাকার চলচ্চিত্রে অভিষিক্ত হয়েছিলেন একা। সেটি ১৯৯৭ সালের ঘটনা। পরের বছরই প্রয়াত সুপারস্টার মান্নার জুটি হিসেবে ‘তেজী’ ছবির মাধ্যমে নিজের ক্যারিয়ারের তেজ বাড়ান তিনি। ততদিনে একা নাম ধারণ করে নিয়েছিলেন। বলা যায়, ডিপজল প্রযোজিত এবং কাজী হায়াৎ পরিচালিত তেজী ছবিটিই একাকে চিত্রনায়িকা

হিসেবে তারকা খ্যাতি এনে দেয়। পরে নিজের সমসাময়িক প্রায় সব তারকা নায়কদের সঙ্গে জুটি বেঁধে অভিনয় করে হিট সিনেমা উপহার দিয়েছেন একা। সবচেয়ে সফল ছিলেন নায়ক মান্নার সঙ্গে মান্নার সঙ্গেই টানা ২০-২৫টির মতো ছবি মুক্তি পায় একার। ওই সময় এ জুটিকে লুফে নিয়েছিল সিনেমার দর্শক। কিন্তু ২০১২ সালের পর অনেকটা হুট করেই চলচ্চিত্র জগৎ

থেকে একা দূরে সরে যান। তার সর্বশেষ সিনেমা কাজী হায়াৎ পরিচালিত ‘পাগলা হাওয়া’ মুক্তি পায় ২০১২ সালে। এরপর বেরিয়ে আসে, একার জীবনের আরেক গল্প। এ যেন অচেনা এক একা। নিয়মিত মাদক সেবন করায় স্বাভাবিক জীবন তার প্রায় তছনছ। এর ছাপ পড়েছে চেহারায়ও। মাদ;কাস;ক্ত হওয়ার কারণে তাকে চেনা বড় দায়। পুলিশের তেজ;গাঁও

বিভাগের এডিসি হাফিজ আল ফারুক জানান, হাজেরা বেগম নামে এক গৃহকর্মী মাসে পাঁচ হাজার টাকায় একার বাসায় তিন মাস ধরে ছুটা কাজ করে আসছিলেন। বাসা পরিবর্তনের সময় হাজেরাকে অতিরিক্ত কাজ করার কথা বলেন একা। তখন হাজেরা বলেন, আগে অবহিত না করায় হঠাৎ বাড়তি কাজ করা তার পক্ষে সম্ভব নয়। অন্য যেসব

বাসায় তিনি কাজ করেন, তারা বিপদে পড়বেন। এক পর্যায়ে হাজেরা তার বর্তমান মাসের বেতনও চান। কিন্তু আগের দু’মাসের বেতন পরিশোধ করেন অভিনেত্রী। এরপর একা ক্ষিপ্ত হয়ে গৃহকর্মীকে বেদম মা;র;ধর করেন। খবর পেয়ে প্রতিবেশী ও আশপাশের লোকজন একার বাসা ঘেরাও করেন। তারা ৯৯৯-এ কল করেন। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে একা ভেতর থেকে দরজা বন্ধ

করে রাখেন। পরে আশপাশের লোকজন ও পুলিশ মিলে দরজা কোনোমতে ভেঙে একাকে আ;টক করা হয়। হাফিজ আল ফারুক আরও বলেন, একার বাসায় অভিযা;ন চালি;;য়ে পাঁ;চ পিস; ই;য়াবা, ৫০ গ্রা;ম গাঁ;জা এবং অ;র্ধেক বো;তল ম;দ পাওয়া গেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি প্রায় নিয়মিত ইয়াবা সেবনের কথা স্বীকার করেন।

এ কারণেই তার এই অবস্থা। হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রশিদ জানান, দুই সন্তান নিয়ে উলনের বাসায় বসবাস করতেন একা। সর্বশেষ আলেকজান্ডার বো-কে একা বিয়ে করেছেন বলে পুলিশকে জানান। গৃহকর্মী হাজেরার স্বামী রিকশা চালক মো. রফিক জানান, উলন এলাকার বন্ধু নিবাস ভবনের নয় তলায় চিত্রনায়িকা একার বাসায় ছুটা কাজ কর;তেন তার স্ত্রী হা;জেরা বেগম। বাড়তি কাজ করতে রাজি

না হওয়া এবং বেতন চাওয়ায় হাজেরাকে বেধম মারধর করা হয়। এতে তা;র হাত ও মাথায় আঘাত পান।