Categories
Uncategorized

এবার নিজ দেশের জনগণের ক্ষোভের মুখে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট

ইসলাম ধর্ম নিয়ে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর আ’প’ত্তিকর মন্তব্যের জেরে এবার ক্ষো’ভে ফুঁ’সছে ফ্রান্সের সাধারণ মানুষও।

শান্তি প্রতিষ্ঠায় ঐক্যের ডাক দিলেও খোদ ম্যাক্রোঁর বি’রু’দ্ধে জাতিগত ও ধর্মীয় বি’ভেদ সৃষ্টির অভিযোগ তুলেছেন তারা। নির্বাচনের আগে সাম্প্রদায়িক বিভেদ সৃষ্টি করে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চান ম্যাক্রোঁ-এমন অ’ভি’যো’গ তাদের।

ফরাসিরা বলেছেন, ধর্মীয় ও সাম্প্রদায়িক বিভেদ সৃষ্টির জন্য দায় এড়াতে পারেন না প্রেসিডেন্ট। ম্যাক্রোঁ ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ফ্রান্সে ধর্মীয় সহিষ্ণুতার অবনতি হচ্ছিল। তিনি খুবই নেতিবাচক মনোভাবের মানুষ। ম্যাক্রোঁ ধর্মীয় বিভেদ সৃষ্টি করছেন। আর এটাই ছিল সবশেষ বিভাজন। ফ্রান্সের রাস্তায় রাস্তায় শুরু হয়েছে সেনাবাহিনীর টহল।

নি’রাপ’ত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে দেশটির সব চার্চ। শিল্প আর সাহিত্যের প্যারিস যেন ভয় আর আ’ত’ঙ্কের। শুরুটা বি’র্তকি’ত রম্য ম্যাগাজিন শার্লি হেব্দোতে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (স.)কে নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক কার্টুন প্রকাশে ঘিরে। সেই আ’গু’নে ঘি ঢেলে বি’ত’র্ক উসকে দেন প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। ইসলাম ধর্ম নিয়ে আ’প’ত্তিকর মন্তব্যের জেরে মুসলিম বিশ্বের ব্যাপক সমালোচনা আর পণ্য ব’য়ক’টে

এমনিতেই চাপের মুখে ফরাসি প্রেসিডেন্ট। এরপর ফ্রান্সের বিভিন্ন জায়গায় একের পর এক হা’ম’লায় সেই চাপ বহুগুণ বা’ড়িয়ে দিয়েছে।দেশটির এমন পরিস্থিতির জন্য খোদ ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁকেই দো’ষারো’প করছেন ফ্রান্সের সাধারণ মানুষ। বৃহস্পতিবার রাশিয়ার মস্কোয় ফরাসি দূতাবাসের সামনে জড়ো হয়ে বি’ক্ষো’ভ করে কয়েকশ’ মানুষ। তারা বলেন, ফ্রান্স রাজনৈতিকভাবে দ্বিমুখী নীতি গ্রহণ করেছে। তারা মুসলমানদের হৃদয়ে আ’ঘা’ত করেছে।

বিশ্বের এক তৃতীয়াংশ মানুষকে আ’ঘা’ত করেছে। ‌’এটাই প্রথম না। এর আগেই মহানবী হযরত মুহাম্মদ (স.) এর কার্টুন প্রকাশ করে ফ্রান্স। তাদের বোঝা উচিত, বাকস্বাধীনতা মানে কারো বিশ্বাস, অনুভূতিকে আ’ঘা’ত করা নয়।’ ম্যাক্রোঁর মন্তব্যের নি’ন্দা জানিয়েছে ক্রেমলিন। এক বিবৃতিতে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মুখপাত্র বলেছেন, ধর্ম বা বিশ্বাসের অমর্যাদা

কিংবা আঘাত দেয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তেমনি নি’রীহ মানুষের ওপর হা’ম’লা সমর্থন করে না রাশিয়া।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *