Categories
Uncategorized

সিইসির কথাই ঠিক হলো, ভোট গুনতে এবার বাংলাদেশের সাহায্য চাইল যুক্তরাষ্ট্র

মার্কিন মুলুকে এখন চলছে হই হই কাণ্ড, রই রই ব্যাপার। দেশটির দু-একটি অঙ্গরাজ্যে ভোট পুনর্গণনার কথা শোনা যাচ্ছে। বাতাসে ভেসে

বেড়াচ্ছে যে ভোট গুনতে বাংলাদেশের সাহায্য চাইতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। বিভিন্ন অনিশ্চিত সূত্রের বরাতে জানা গেছে, এই সহায়তা চাওয়ার বিষয়ে নীতিবিরুদ্ধ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এবার শুধু বাস্তবায়নের পালা—তা হোক বাস্তবে বা কল্পনায়। ঘটনার সূত্রপাত অতি সম্প্রতি। শুধু একটি বক্তব্য

প্রকাশের পরপরই তা হোয়াইট হাউসের পিলার নাড়িয়ে দিয়েছে। সেখানকার ট্রাম্প প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা নাকি সেই কাঁপাকাঁপিকে অগ্রাহ্য করেই পুরো বক্তব্য বারবার ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে শুনেছেন, শুনতে শুনতে শিহরিত হয়েছেন এবং একপর্যায়ে ‘ইউরেকা’ বলে চেঁচিয়ে ওঠেন।
বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার মুখে এমন বক্তব্য শোনার পরপরই টনকসহ সবকিছুই নড়ে গেছে যুক্তরাষ্ট্রের। দেশটির

নাম প্রকাশে অত্যন্ত ইচ্ছুক এবং একেবারে প্রকাশ্য একটি সূত্র জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোট গোনা নিয়ে ব্যাপক জটিলতা হচ্ছে। এই অবস্থায় তারা বেশ ঝামেলায় আছে। যদিও রাশিয়া এ ব্যাপারে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিতে চেয়েছিল। কিন্তু এ নিয়ে পরে বিতর্ক হবে ভেবে আর এগোনোর সাহস পাওয়া যায়নি। অবশ্য বাংলাদেশ থেকে এমন বক্তব্য আসার পর আর অপেক্ষা করা সমীচীন হবে বলে মনে করছে না দেশটি। এ ব্যাপারে মতান্তরে একই স্থানে কোচিং করা ডোনাল্ড ট্রাম্পও সহাস্যে সম্মতি দিয়েছেন বলে জানা গেছে। সূত্রটি আরও জানিয়েছে, এমন

পরিকল্পনার কথা শোনার পর থেকেই নাকি খোশমেজাজে আছেন ট্রাম্প। একপর্যায়ে বাড়ির পাশের গলফ কোর্সের মাঠে গিয়ে গগনবিদারী আওয়াজ তুলে বলেছেন, ‘খেলা হবে।’এদিকে ট্রাম্পপুত্র এরিক এক সম্ভাব্য টুইট বার্তায় দাবি জানিয়েছেন, ভোট দেওয়ার সুযোগ আবার দিতে হবে। তিনি বলেছেন, ৩ নভেম্বরের ৬ দিন পর গত ১০ নভেম্বরের এক টুইটে মিনেসোটার ভোটারদের ভোট দেওয়ার আহ্বান জানানোয় তাঁকে

নিয়ে অনেকে মশকরা করেছে। এমনকি অব্যাহত ঠাট্টার মুখে তাঁকে সেই টুইট মুছেও ফেলতে হয়েছে। এবার আর তা হবে না। বহিঃশক্তির সহায়তায় ভোট গণনার পর দুধ কা দুধ, পানি কা পানি হয়ে যাবে। যেহেতু শুধু মঙ্গলবারই ভোট নেওয়া হয় যুক্তরাষ্ট্রে, তাই সামনের মঙ্গলবার

আবার ভোট দেওয়ার সুযোগ দিতে হবে। সমস্যা হলো, এরিক ট্রাম্পের এতগুলো কথা টুইটারে পোস্ট করা যাচ্ছে না। কারণ, সেখানে শব্দের সীমাবদ্ধতা আছে। এ ঘটনায় এরিক বলেছেন, টুইটারের এখন ফেসবুক হয়ে যাওয়ার সময় এসেছে। হৃদয়ের ‘গুপন’ কথা এত বিধিনিষেধ মেনে বলা সম্ভব নয়। অন্যদিকে এই পুরো প্রক্রিয়ায় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে জো বাইডেন শিবির। কমলা হ্যারিস নাকি শুরু থেকেই শঙ্কিত এবং ভয়ার্ত

কণ্ঠে ‘না’ ছাড়া আর কোনো শব্দ উচ্চারণ করছেন না। তবে জো বাইডেন পুরোপুরি চুপ মেরে গেছেন এবং একটি ঘরে ঢুকে গান শোনা শুরু করেছেন। ঘরের বন্ধ দরজার সামনে দাঁড়িয়ে বাংলায় পারদর্শী এক মার্কিন একটি কলিই শুনতে পেরেছেন। তা হলো, ‘…এই জ্বালা আর প্রাণে সয় না…’। কান পেতে থাকা ওই ব্যক্তি বলেছেন, এই এক কলিই নাকি ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে শুনছেন বাইডেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, ভোট গোনা নিয়ে শেখার বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য শিক্ষণীয়। এত দিন মার্কিন

মুলুক ভাবত, শুধু তাদেরই পাঠশালা আছে, জ্ঞান শুধু তারাই দিতে পারে। এখন সেই ভুল ভেঙে যাচ্ছে। অন্যদের তৈরি টোলেই এখন তাদের শিখতে যেতে হচ্ছে সোভিয়েত–পরবর্তী যুগে এমন ঘটনা বিরল। এর মধ্য দিয়ে একটি উত্তর-আধুনিক শিক্ষানুরাগী পৃথিবী গড়ে উঠতে পারে। অনাগত সেই বিশ্বে হয়তো কোন দেশ কত কম সময়ে ভোট গুনতে পারে, তা–ই হয়ে উঠবে শ্রেষ্ঠত্বের মানদণ্ড। তবে ভোট গণনার আদর্শ সময় নিয়ে বিশ্লেষকদের মধ্যে মত-দ্বিমত আছে। বেশির ভাগই

এ বিষয়ে মন্তব্য করতে চাননি। মন্তব্যের বদলে চোখ টিপে কানে কানে বলেছেন, ‘এসব বললে চাকরি থাকবে না।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *