Categories
Uncategorized

আবার উত্তপ্ত হচ্ছে রাজনীতির মাঠ

২০১৫ সালের পর থেকে রাজনৈতিক মাঠ ছিলো নিস্তব্ধ। কোনো ধরনের রাজনৈতি আন্দোলন-সংগ্রাম ছিলো না বললেই চলে। নামকাওয়াস্তে বাম

মোর্চা এবং কয়েকটি ছোট ছোট দল যে হরতাল করেছে সেই হরতালগুলো জনমনে কোনো দাগ কাটতে পারে নাই। সবমিলিয়ে দেশে একটা শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ বিরাজ করছিলো। যদিও সাম্প্রতিক সময়ে দুই দলের মধ্যে কথার বাহাস লক্ষ্য করা গেছে। কিন্তু কথার বাহাসে

মানুষ আতঙ্কিত হয়নি। এটাকে সহনীয় রাজনৈতিক গণতন্ত্র হিসেবেই মনে করেছে সাধারণ মানুষ। কিন্তু হঠাৎ করেই গতকাল ঢাকায় আবার বাসে আ’গুন দেয়ার মাধ্যমে আ’গুন স’ন্ত্রা’সের জন্ম হলো। সেটা রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণের ইঙ্গিত কিনা সেটা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কেন এই মেরুকরণের প্রশ্ন উঠছে তার উত্তর খুঁজতে গিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ঘটনাটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এটি পরিকল্পিত

সহিংসতা এবং এর পেছনে রাজনৈতিক মদদ ছাড়া এ ধরনের ঘটনা ঘটানো সম্ভব নয়। ফলে বিষয়টা নিয়ে সরকারকে কঠোর অবস্থানে যেতেই হবে এবং এই ঘটনার সাথে যারা জড়িত তাদেরকে অবশ্যই গ্রেফতার করতে হবে, আইনের আওতায় আনতে হবে। এরপর তাদের রাজনৈতি

পরিচয় পাওয়া যাবে। এতে করে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হতে পারে। বিরোধী দল এখন রাজপথে উত্তেজনা সৃষ্টির চেষ্টা করবে।এই চেষ্টার ফলে রাজপথে উত্তপ-উত্তেজনা সৃষ্টি হতে পারে। করোনা সংকটের পর থেকে বিশেষ করে গত তিন মাস লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, বিএনপি নেতারা সরকারের বিরুদ্ধে কঠোর সমালোচনা ও আন্দোলনের পরিকল্পনা করছেন। কিন্তু এই ধরনের কথাবার্তা বলে যে শক্ত

আন্দোলন করা যায় না সেটা বিএনপির নেতারা ভালো করেই জানেন। বিএনপি অনেক নেতাই মনে করছেন এখন একটা আন্দোলন করা
দরকার।আর এই সুযোগটা কাজে লাগিয়ে একটা উত্তেজনা সৃষ্টি করতে হবে। আর সেই উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে গতকাল রাজধানীতে বাসে আ’গুন দিয়ে। এই ঘটনার মোড় কোনদিকে যায় সেটার ওপর নির্ভর করছে বাংলাদেশের রাজনীতির নতুন মেরুকরণ। অনেকেই ধারণা করছেন বিএনপি অনেকদিন ধরে হাঁসফাঁস করছে সরকার বিরোধী

আন্দোলনের জন্য। আর এই ঘটনার ফলে তারা সরকার বিরোধী আন্দোলনে যাওয়ার পথ তৈরি করার চেষ্টা করবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *