Categories
Uncategorized

দেশে চাষ হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে দামি মুরগি!

দেশে দেখা মেলে বিভিন্ন প্রজাতির মুরগির। তবে এসবের বাইরে যে অনেক মুরগি আছে তা সচরাচর দেখা মেলে না। এমনই এক প্রজাতির

মুরগির নাম হচ্ছে কালো মুরগি। বাংলাদেশে এই মুরগি এখন বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা হচ্ছে। আর পোল্ট্রি মালিকেরা বলছেন, গত কয়েক বছর ধরে খামা’রীদের কাছে তা ক্রমে জনপ্রিয়ও হয়ে উঠতে শুরু করেছে। কালো মুরগির বৈশিষ্ট্য হলো- মা’থার ঝুঁটি থেকে পা পর্যন্ত সব

অ’ঙ্গের রং কালো। এমনকি পালক, চামড়া, ঠোঁট, নখ, ঝুঁটি, জিভ, মাংস, হাড়ও কালো। এই মুরগির আসল নাম আয়্যাম কেমানি, ইন্দোনেশীয় ভাষায় আয়্যাম মানে মুরগি এবং কেমানি অর্থ পুরোপুরি কালো। ভা’রতের মধ্য প্রদেশ, উত্তর প্রদেশ এই মুরগির নাম কাদাকনাথ বা কালোমাসি। ভা’রতের মধ্য প্রদেশ থেকে বাংলাদেশে আনা হয়েছে কালো মুরগি।

কালো মুরগি বি’ষয়ে শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক মাকসুদা বেগম বলেন, বাংলাদেশের কৃষিবিজ্ঞানীরা কালো মুরগিকে কেদারনাথ ব্রিড বা কালোমাসি নামে চেনেন। এটি প্রথম দেশে আসে ২০১৬ সালে। বাংলাদেশে নরসিংদী জে’লার কাম’রুল ইস’লাম মাসুদ এটির উৎপাদন শুরু করেন। কাজের সূত্রে ভা’রতে গিয়ে কালো মুরগি খেয়ে তিনি অ’বাক হন। এরপর তিনি দেশে নিয়ে এসে উৎপাদন শুরু

করেন। তিনি বলেন, এর গু’নাগু’ণ স’ম্পর্কে জানতে পেরে উৎপাদনের কথা ভাবি। শুরুতে ৩০০ মোরগ ও মুরগি নিয়ে আসি। এখন খামা’রে মাসে দুই থেকে আড়াই হাজার কালো মুরগির বাচ্চা ফোটে। এই মুরগি বা মোরগের ওজন দুই থেকে আড়াই কেজি পর্যন্ত ‘হতে পারে।
একটি মুরগি ডিম পাড়ার উপযোগী ‘হতে ছয় মাসের মত সময় লাগে।

একজোড়া কালো মুরগি ও মোরগের দাম চার হাজার টাকা। ২০১৬ সালে একজোড়া মুরগি ও মোরগের দাম ছিল দশ হাজার টাকা। কালো মুরগির পুষ্টিগু’ণ : অনেকে মনে করেন কালো মুরগি নানা ধরনের রোগ সারায়। ঔষধি গু’নাগু’ণের জন্য দেশে এই মুরগির অনেক কদর। এ বি’ষয়ে শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক অধ্যাপক মাকসুদা বেগম বলেন, দেশি মুরগির চেয়ে এই মুরগির মাংসের স্বাদ

বেশি। খাদ্যগু’ণের বিচারে কালো মুরগির মাংসে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং আয়রন রয়েছে। সাধারণ মুরগির তুলনায় এই মুরগির মাংসে কোলেস্টরেলের মাত্রাও অনেক কম থাকে। এই মুরগি র’ক্তচাপ এবং র’ক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। এই মুরগির মাংসে ফ্যাটি অ্যাসিড উপাদান অনেক বেশি থাকে। কিন্তু প্রোটিনের মাত্রা অন্য সব মুরগির

মাংস থেকে কয়েক গু’ণ বেশি। কাম’রুল ইস’লাম মাসুদ এটির উৎপাদন করে বেশ লাভবান হয়েছেন। সূত্র: বিবিসি বাংলা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *