Categories
Uncategorized

ট্রাম্পের হু’মকির পর আমিরাতের কাছে অ’স্ত্র বিক্রির অনুমোদন সিনেটে

সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে দ্বিতীয় বৃহত্তম অ;স্ত্র বিক্রির চালান আটকানোর প্রস্তাবে ভেটো দেয়ার হু;মকি দিয়েছিলেন

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর পরপরই সেই প্রস্তাবগুলোর বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন বেশিরভাগ সিনেটর। ফলে রিপাবলিকান সংখ্যাগরিষ্ঠ মার্কিন সিনেটে মুখ থুবড়েই পড়ল অ;স্ত্র বিক্রি আটকানোর সেই প্রচেষ্টা। সিনেটে রিপাবলিকানদের নেতা মিচ ম্যাককনেল বলেছেন,

প্রেসিডেন্টের ভেটোর বিরু;দ্ধে গিয়ে অ;স্ত্র বিক্রি আটকাতে প্রয়োজনীয় দুই-তৃতীয়াংশের চেয়ে অনেক কম ভোট পড়েছে প্রস্তাবনার পক্ষে।
যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ম অনুসারে, সিনেটের বৈদেশিক সম্পর্ক বিষয়ক কমিটি এবং প্রতিনিধি পরিষদের (হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) বিদেশ বিষয়ক কমিটির হাতে অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাবনা বাতিল করার ক্ষমতা রয়েছে। তবে প্রেসিডেন্ট ভেটো দিলে তার বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত দিতে অন্তত দুই-তৃতীয়াংশ

ভোট পেতে হবে সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদে। আমিরাতের কাছে প্রায় ২৩ বিলিয়ন ডলারের অত্যাধুনিক অ;স্ত্র বি;ক্রি আট;কাতে দু’টি প্রস্তাবনা উত্থাপন করা হয়েছিল মার্কিন সিনেটে। কিন্তু ১০০ সদস্যের সিনেটে প্রস্তাব দু’টি ৪৭-৪৯ এবং ৪৬-৫০ ভোটে হেরে যায়।
দু’জন বাদে সব ডেমোক্র্যাট সিনেটর অ;স্ত্র বিক্রি আট;কানোর পক্ষে

ভোট দিয়েছেন। আর ধারার বিপরীতে গিয়ে বিক্রি আট;কাতে চেয়েছেন এক রিপাবলিকান সিনেটর।অ;স্ত্র বিক্রির পক্ষের লোকদের ভাষ্য, সংযুক্ত আরব আমিরাত মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। হোয়াইট হাউস বলছে, এই অ;স্ত্র বিক্রি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিকে পুরোপুরি সমর্থন করছে এবং ইসরায়েলের সঙ্গে সাম্প্রতিক চুক্তির পর

ইরানের ক্রমবর্ধমান হুমকি মোকাবিলায় আমিরাতকে প্রস্তুত রাখতে এর দরকার রয়েছে। গত ১০ নভেম্বর ট্রাম্প প্রশাসন মার্কিন কংগ্রেসকে জানিয়েছিল, তারা আমিরাতের কাছে জেনারেল অ্যাটোমিকস, লকহিড মার্টিন করপোরেশন এবং রেথিয়ন টেকনোলজিস করপোরেশনের তৈরি অত্যাধুনিক অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে।

সম্প্রতি ইসরায়েলের সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সম্পর্ক স্বাভাবিককরণ চুক্তির অংশ হিসেবে এসব অ;স্ত্র দেয়ার কথা যুক্তরাষ্ট্রের। ইসরায়েলের সঙ্গে আমিরাত ও বাহরাইনের সেই চুক্তিতে মধ্যস্থতা করেছিল ওয়াশিংটন। অস্ত্র চুক্তি অনুসারে, আমিরাতকে কয়েক বিলিয়ন ডলার মূল্যের ৫০টি সর্বাধুনিক এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান, অত্যাধুনিক রিপার ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্রসহ

১৪ হাজারের বেশি গোলাবারুদ সরবরাহ করার কথা যুক্তরাষ্ট্রের। এ চুক্তি বাস্তবায়িত হলে আরব বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের মালিক হবে আমিরাত। তবে বিরোধী পক্ষ বলছে, ইয়েমেন এবং লিবিয়া যুদ্ধে জড়িত আমিরাতের কাছে অ;স্ত্র বিক্রি হলে তা বেসামরিক নাগরিকদের ক্ষতি এবং মানবাধিকার সংকট আরও বাড়িয়ে তুলবে। আগামী জানুয়ারিতে ক্ষমতা হস্তান্তরের আগেই পুরনো এ চুক্তির লেনদেন মিটিয়ে ফেলতে চান যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার অন্যতম সমালোচক সিনেটর ক্রিস মারফির মতে, কংগ্রেসকে

মূল্যায়নের সময় না দিয়ে ট্রাম্প এই লেনদেন দ্রুত মেটাতে চাচ্ছেন আগামী প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে বিপাকে ফেলতেই।

সূত্র: আল জাজিরা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *