Categories
Uncategorized

কাতার,কুয়েত,সৌদি,আমিরাত,মালয়েশিয়া, ওমানে যাচ্ছে বাংলাদেশের তিত করলা- কচুর লতি-কাঁকরোল

গত ৩ মাসে ৭০০ টনেরও বেশি সবজি রপ্তানি হয়েছে মধ্যপ্রচ্যের দেশগুলোতে। সবমিলিয়ে ৫৯ ধরনের সবজি চট্টগ্রাম থেকে সরাসরি রপ্তানি

হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে। তবে বাংলাদেশের সবজির বড় বাজার ইউরোপ। চট্টগ্রাম শাহ আমানত ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট এর উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্র ছাড়াও সবজি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে বাংলাদেশের সবজির বড় বাজার মধ্যপ্রাচ্যের কাতার, সৌদি

আরব, কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ইউরোপের যুক্তরাজ্য, ইতালি ও ফ্রান্স। এ ছাড়া বাহরাইন, ওমান, মালয়েশিয়া, সুইডেন, কানাডা, জার্মানিসহ বিভিন্ন দেশেও কিছু সবজি রপ্তানি হয়। জানা গেছে, চট্টগ্রাম শাহ আমানত ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট দিয়ে সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর- এই তিন মাসে মোট ৭০৪ টন সবজির রপ্তানিতে সরকারের রাজস্ব আয় হয়েছে দুই লাখ ৩২ হাজার ২৫০ টাকা। উদ্ভিদ

সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপ-পরিচালক শৈবাল কান্তি নন্দী জানান, করোনার সময়ের মধ্যে কার্গো রপ্তানি বন্ধ ছিল পুরোপুরি। ফ্লাইটে সবজি রপ্তানি চালু হয়েছে গত ৭ সেপ্টেম্বর থেকে।ফ্লাইটে করেই কিছু সবজি রপ্তানি হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যে। সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত মোট ৭০৪ টন সবজি গেছে। এর মধ্যে সেপ্টেম্বরে ২৫৩ টন, অক্টোবরে ২৭৪ টন,

নভেম্বরে ১৭৭ টন সবজি রপ্তানি হয়েছে। শাহ আমানত ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট এর সবজি রপ্তানিকারকের প্রতিনিধি লিটন চৌধুরী জানান, বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন ধরনের কচু, কচুর লতি, কচুর ফুল, শিমের বিচি থেকে শুরু করে ৫৯ পদের সবজি রপ্তানি হয় মধ্যপ্রাচ্যে।
এবার আমরা কচুর লতি, কচু, পটল, ঝিঙে, শসা,

তিতকরলা, কাকরোল, বরবটি, শিম, লেবু, জলপাই, সাতকরা ও লাউ পাঠিয়েছি। চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে নিয়োজিত কাস্টমস কর্মকর্তা মোহাম্মদ মহসিন বলেন, আমাদের দেশের আরও ব্যবসায়ী যদি এগিয়ে আসেন, তাহলে ফ্লাইটে এ ব্যবসার আরো বিস্তৃতি ঘটবে। তবে ফ্লাইটে সবজি পাঠানোর ক্ষেত্রে বিশেষ পদ্ধতি অবলম্বন

করতে হয়, যা আমাদের দেশের ব্যবসায়ীরা সচরাচর করতে চান না। তাই মধ্যপ্রাচ্যে এখনও আমাদের মার্কেট কম।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *