Categories
Uncategorized

সৌদিতে সেফহোমে শত শত প্রবাসী বাংলাদেশি নারীকর্মী

বিশ্বব্যাপি কোভিড-১৯ ম;হামারী প্র;তিরোধে সরকার বিদেশফেরত সবার জন্য কোভিড-১৯ এর নেগেটিভ সনদ বা;ধ্যতামূলক করেছে। এদিকে

ভালোভাবে বাঁ;চার স্বপ্ন নিয়ে উপসাগরীয় দেশ সৌদি আরব গিয়ে প্রতারিত হওয়া শত শত নারী গৃহকর্মী দেশে ফিরতে পারছেন না কো;ভিড-১৯ এর নেগেটিভ সনদ না থাকায়। সব হা;রানো নি;র্যাতিত-অসহায় এসব প্রবাসী নারী গৃহকর্মী দীর্ঘদিন যাবত সৌদি আরবের

ফি;মেল ডিপোর্টেশন সেন্টার ও বাংলাদেশ দূতাবাস পরিচালিত সে;ফহোমে দেশে ফেরার অপেক্ষায় প্র;হর গুনছেন। অন্যদিকে বেসরকারিভাবে কো;ভিড-১৯ এর পরীক্ষা করাতে জনপ্রতি এক হাজার থেকে দুই হাজার রিয়েল (প্রায় ২০ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা) প্রয়োজন। সব হা;রিয়ে নিঃ;স্ব গৃহকর্মীদের এই ব্যয় বহনের সামর্থ্য নেই। এ প্রেক্ষাপটে রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাস ওই নারীকর্মীদের দ্রুত দেশে ফেরানোর স্বার্থে

পি;সিআর টেস্ট বাধ্যবাধকতা থেকে অব্যাহতি চেয়েছে। এ বিষয়ে সূত্র জানায়, ৩ ডিসেম্বর প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়ে ওই নারী গৃহকর্মীদের পি;সিআর টেস্টের বাধ্যবাধকতা থেকে অব্যাহতি চেয়েছে দূতাবাস। এর পরিবর্তে দূতাবাস থেকে দেওয়া প্রত্যয়নপত্রের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিকভাবে শুধু শরীরের তা;পমাত্রা পরিমাপ

করে তাদের বিমান ভ্রমণের সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। এ চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে ৬ ডিসেম্বর প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় স্বাস্থ্য সু;র;ক্ষা বিভাগে ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দেয়। দূতাবাসের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ক;রোনাজনিত ল;কডাউন প্র;ত্যাহারের পর পুনরায় অসহায় বাংলাদেশি নারীকর্মীরা আশ্রয়ের জন্য নিয়মিতভাবে দূতাবাসে আসতে শুরু

করেছেন। সৌদি কর্তৃপক্ষ পরিচালিত কয়েকটি আশ্রয়কেন্দ্রেও নারীকর্মীরা আশ্রয়গ্রহণ করছেন। সম্প্রতি সৌদি কর্তৃপক্ষ এই নারীকর্মীদের দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজ করার বিষয়ে দূতাবাসের সহযোগিতা চেয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, এই গৃহকর্মীরা দেশে ফেরার উদ্দেশ্যে বিমানে আরোহণের আগে কমপক্ষে এক মাসেরও বেশি সময় (ক্ষেত্র বিশেষে ৩-৬ মাস) ফি;মেল ডিপোর্টেশন

সেন্টার ও দূতাবাসের সেফ হোমে অবস্থান করেন। এ সময়ে তারা করোনা ভা;ইরাসমুক্ত কিনা, সে বিষয়ে যথাযথভাবে মে;ডিক্যাল চে;কআপ করা হয়ে থাকে। এখানে তারা প্রকৃতপক্ষে কোয়ারেন্টিন ও যথাযথ পরিচ্ছন্ন পরিবেশে অবস্থান করেন। এ কারণে বিমানে আরোহণের আগে তাদের পি;সিআর পরীক্ষার প্রয়োজন আছে মর্মে প্রতীয়মান হয় না। বেসরকারি হাসপাতালে তাদের পিসিআর টে;স্ট করার জন্য সরকারি বরাদ্দ নেই বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

এতে আরও বলা হয়, আশ্রয় নেওয়া নারীকর্মীদের বিমানে আরোহণের আগে দূতাবাস থেকে তাদের স্বাস্থ্য সম্পর্কিত একটি প্রত্যয়নপত্র দেওয়া হয় এবং প্রত্যয়নপত্রের ভিত্তিতে ইতিপূর্বে তাদের কোনোরকম পরীক্ষা ছাড়াই বিমানে ভ্রমণের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ক;রোনার কারণে দীর্ঘদিন আটকে থাকা এই নারীকর্মীরা হ;তাশাগ্রস্ত হয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের অ;সহায়ত্বের কথা তুলে ধরে ভিডিও প্রচার করতে পারে। এতে দেশের ভা;বমূর্তি মা;রাত্মকভাবে ক্ষ;তিগ্রস্ত হওয়ার আ;শ;ঙ্কা রয়েছে।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মফিদুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় যে সিদ্ধান্ত দেবে আমরা তা বাস্তবায়ন করব। তবে করোনার ন্যূনতম কোনো পরীক্ষার ব্যবস্থা থাকা উচিত। নইলে বিমানের অন্য যাত্রীদের স্বা;স্থ্যঝুঁকি তৈরি হওয়ার আ;শ;ঙ্কা থেকে যায় বাংলাদেশ থেকে এ পর্যন্ত সৌদি আরবে সাড়ে তিন লাখেরও বেশি নারীকর্মী গেছেন। তাদের প্রায় শতভাগই সৌদি আরবে গেছেন গৃহকর্মী হিসেবে। তাদের অনেকে নি;র্যাতনের শি;কা;র হয়ে, মা;নসিক ভা;রসাম্য হা;রিয়ে, সৌদি আরবে ভ;য়াবহ অ;ভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে সময় পার করে দেশে ফিরেছেন। কেউ কেউ ফিরেছেন লা;;শ হয়ে। দেশে ফেরার আগে নি;র্যাতিত

অসহায় নারীকর্মীদের ঠাঁ;ই হয় সৌদি কর্তৃপক্ষের ফি;মেল ডিপোর্টেশন সেন্টার ও দূতাবাস পরিচালিত সে;ফ হোমে। -আমাদের সময়

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *