Categories
Uncategorized

কাগজ কে’টে দু’র্যোগে আশ্রয়গৃহের নকশা করল আমেনা

আইলা, সিডর ও আম্ফানে বিপর্যস্ত সাতক্ষীরার উপকূল। প্রকৃতির সাথে যুদ্ধ করে টিকে থাকা প্রাণীকুলের সাথে মানুষের জীবনও আজ ওষ্ঠাগত।

কখনো কখনো আকস্মিক দুর্যোগে জীবন রক্ষার নিরাপদ নিশ্চয়তাও যেন ভাগ্যে জোটে না। গেল বছরের ২০ মে উপকূলের বিশাল এলাকা জুড়ে বয়ে গেছে আম্ফান নামের ঘুর্ণিঝড়। ঝড়ে প্রাণহানি ঘটেনি সত্য। তবে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে হাজার কোটির টাকার ওপরে। জলবায়ু পরিবর্তনের যুগে

নতুন নতুন নামে ওঁৎ পেতে আছে মহাপ্লাবন বা প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড়। দুর্যোগে উপকূলের মানুষের জানমাল রক্ষায় করণীয় নিয়ে ভাবনা আসে কিশোরী আমেনা খাতুনের মনে। করোনাকালে স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকায় নিজের মেধা ও বুদ্ধি কাজে লাগিয়ে তৈরি করেছেন দুর্যোগে আশ্রয়গৃহের নকশা। ঝড় জলোচ্ছ্বাসে নিরাপদ জীবনের নিশ্চিত গ্যারান্টি হতে পারে তার

নকশা অনুযায়ী নির্মিত বাড়িটি। আমেনা খাতুন কালনা মহিলা দাখিল মাদ্রাসার দশম শ্রেণির ছাত্রী। সে খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার মদিনাবাদ গ্রামের ছাবের আলী গাজীর মেয়ে। তবে বর্তমানে সাতক্ষীরার আশাশুনির প্রতাপনগর গ্রামে মামা আছাদুল ইসলামের বাড়িতে থেকে পড়ালেখা করে। আমেনা কাগজ কেটে তিন তলার এই বাড়িটি (নকশা) তৈরি করেছেন। পুরু কাগজ কেটে আঠা দিয়ে জোড়া লাগিয়ে এ

বাড়িটি (নকশা) তৈরি করতে আমেনার প্রায় দুই মাস সময় লেগেছে। বাড়ির প্রথম তলায় গবাদিপশুসহ হাস মুরগি ও দ্বিতীয় তলায় পুরুষ ও তৃতীয় তলায় নারী ও শিশুরা আশ্রয় নিতে পারবেন। বাড়ির একপাশ দিয়ে উপরে ওঠার সিঁড়ি নির্মাণ করা হয়েছে। জরুরি বিপদে সিঁড়ি দিয়ে ওঠা-নামাসহ বাইরের সহায়তা আদান-প্রদান করা যাবে। এছাড়া দুর্যোগের প্রকৃত চিত্র দেখার জন্য ঝুল বারান্দাও রাখা হয়েছে। যে কেউ বারান্দায়

এসেও বাইরের সহায়তা গ্রহণ করতে পারবে। আমেনা খাতুন জানান, সরকার মহা প্রলয়ংকারি দুর্যোগে উপকূলবাসীর জন্য নির্মাণ করেছে আশ্রয়কেন্দ্র। যা পর্যাপ্ত নয়। দুর্যোগের রাত ঘনিয়ে এলেই এলাকার নড়বড়ে স্কুল কলেজের শ্রেণিকক্ষগুলো হয়ে ওঠে আশ্রয়শিবির। সেখানে ঠিকমতো থাকে না শৌচাগার। নানা প্রতিকূল পরিস্থিতিতে আশ্রয়কেন্দ্রের মানুষগুলো যেন কারাবাস করার মতো সময় পার করে। দুর্যোগের সঙ্গে বাড়ে দুর্ভোগও। এ চিন্তা থেকেই তিনি নির্মাণ

করেছেন এই বাড়িটি। তিনি আরো বলেন, ২০২০ সালের আম্ফান ঝড় হয়। এর পর থেকে এখনো বন্ধ হয়নি গ্রামে জোয়ার ভাটা। এলাকা অসংখ্য মানুষ ভাটার টানে পানি নেমে গেলে রান্না করে, জোয়ার এলে তারা ওপরে উঠে খাবার খায়। নোনা পানির তোড়ে ভেসে যাওয়া মানুষের বাড়িগুলো এখনো সংস্কার করা যাননি। বহু মানুষ বেড়িবাঁধের উপর আশ্রয় নিয়ে শীতের সঙ্গে যুদ্ধ করছে। কপোতাক্ষ, খোলপেটুয়া নদী উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নকে করে ফেলেছে বিচ্ছিন্ন এক জনপদে। এসব দেখেই তার মাথায় ঘরের নকশা

করার চিন্তা আসে। এরকম বাড়ি প্রত্যেকটা ওয়ার্ডে তৈরি করা গেলে মানুষ দুর্ভোগ থেকে রক্ষা পেত বলে মনে করে সে।

Categories
Uncategorized

প্রেসিডেন্ট হয়েই ফিলিস্তিনিদের পাশে দাঁড়ালেন বাইডেন! সহায়তা চালুর ঘোষণা…

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফিলিস্তিনিদের দেওয়া আর্থিক সহায়তা বন্ধ করে দেওয়ার পর পুনরায় সেই সহায়তা চালু করার ঘোষণা

দিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এ বিষয়ে নি’রাপ’ত্তা পরিষদে জাতিসংঘের ভারপ্রাপ্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত রিচার্ড মিলস বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের মধ্যপ্রাচ্য নীতি হলো; পরস্পরের সম্মতিতে ঐকমত্যে পৌঁছানো দ্বিরাষ্ট্র সমাধান প্রস্তাবনাকে সহায়তা করা।

যাতে ইসরাইলের পাশাপাশি ফিলিস্তিনের জনগণ স্থায়ীভাবে শান্তিপূর্ণ এবং নি’রাপ’দে বসবাস করতে পারে। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি জেন সাকি বলেন, প্রেসিডেন্টের দৃষ্টিভ’ঙ্গি হলো সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য একমাত্র পথই হলো দ্বিরাষ্ট্র সমাধান। সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন ফিলিস্তিনিদের দেওয়া আর্থিক সহায়তা বন্ধের পাশাপাশি

যুক্তরাষ্ট্রে ফিলিস্তিনের কূটনৈতিক মিশনও বন্ধ করে দেওয়া হয়। মিলস বলেন, বাইডেন প্রশাসন বন্ধ হয়ে যাওয়া আর্থিক সহায়তা পুনরায় চালু করবে। খুলে দেওয়া হবে ফিলিস্তিনের কূটনৈতিক মিশন। পাশাপাশি বাইডেন প্রশাসন ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার জন্য অন্যান্য দেশগুলোকে আহ্বান জানাবে। মিলস বলেন, এসব লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য বাইডেন

প্রশাসন ফিলিস্তিন এবং ইসরাইলের সঙ্গে বিশ্বাসযোগ্য সম্পর্ক পুনর্স্থাপন করবে। এ প্রক্রিয়ায় ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ এবং দেশটির জনগণের সঙ্গে মার্কিন সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি। বাইডেন প্রশাসন স্বীকার করছে যে, ইসরাইল-ফিলিস্তিন মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা ছাড়া বি’কল্প কিছু নেই বলেও জানান তিনি।

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফিলিস্তিনিদের দেওয়া আর্থিক সহায়তা বন্ধ করে দেওয়ার পর পুনরায়

Categories
Uncategorized

প্রে’মের পর বিয়ে করতে ব’লায় প্রবাসীর স্ত্রী’কে শে’ষ করে দেয় চেয়া’রম্যানের ছেলে !

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে প্রবাসীর স্ত্রী সাবিনা আক্তারকে (২০) প্রা’নে মা”রা’য় জ’ড়ি’ত প্রধানকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১৪, সিপিসি, ভৈরব

ক্যাম্প। উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে ২৭ জানুয়ারি রাতে নেত্রকোনা জেলার দূর্গাপুর থানার বিরিশিরি এলাকা থেকে মো. সাইফুজ্জামান তানভীরকে’ গ্রে”প্তার করা হয় গ্রে”প্তা’রকৃত তানভীর কটিয়াদী উপজেলার মুমুরদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দুজ্জামানের ছেলে।

বৃহস্পতিবার বিকালে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-১৪, সিপিসি-৩, ভৈরব ক্যাম্পের কোম্পানি অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের। তিনি জানান, ঘটনার এক মাস আগে কটিয়াদী বাজারে তানভীর ও সাবিনা আক্তারের পরিচয় হয়। এরপর দু’জনের মধ্যে মোবাইলে নাম্বার দেয়া নেয়া হয়।

পরবর্তীতে দু’জনের মধ্যে প্রে”মে’র স’ম্প’র্ক গড়ে উঠে। এক পর্যায়ে তানভীর ও সাবিনা আক্তার শা’’রী”রি’ক ‘স’ম্প”র্কে ‘লি”প্ত হয়।ঘটনার দিন ৫ জানুয়ারি দিবাগত রাত ১১ টায় মো. সাইফুজ্জামান তানভীর সাবিনার বাবার বাড়ী কমরভোগ এলাকার একটি বারিন্দার ঘরে অবস্থান করে। সেখানে তাদের দু’জনের মধ্যে ‘শা”রী’রি’ক স’’ম্প”র্ক শেষে সাবিনা আক্তার তানভীরকে বি’য়ে’র প্র”স্তাব দেয়। তানভীর

সাবিনার প্রস্তা’বটি প্র”ত্যা’খা’ন করে সাবিনাকে বুঝা’নোর চেষ্টা করে ব্য”র্থ হয়। এতে তানভীর ‘ক্ষি”প্ত হয়ে ‘ছু”রি’ দিয়ে সাবিনার পে’টে বু’কে আ”ঘা’ত করে এবং ‘গ”লাকে”টে ফে”লে। তার ‘মৃ”ত্যু’র নিশ্চিত করে সাবিনার ফোন, সোনার চেইন, কানের দুল নিয়ে ‘পা”লি’য়ে যায় তানভীর। এ ঘটনায় সাবিনার মা মদিনা আক্তার গত ৮ জানুয়ারি

অ”জ্ঞা’ত পরিচয় কয়েকজনকে আ’সা”মি করে থানায় মা”ম’লা করেন। মা”ম’লা’র দায়েরের পরপরই র‌্যাবের নিরবি”চ্ছি’ন্ন গোয়েন্দা নজ’রদা’রী চালায়। সাবিনা আক্তার পৌরসভার কমরভোগ গ্রামের ফুলু মিয়ার কন্যা ও দ্বীন ইসলামের স্ত্রী। গত ৮ জানুয়ারি মামলার ত’দ”ন্তের দায়িত্ব দেয়া হয় কটিয়াদী মডেল থানার এসআই মোস্তাফিজুর রহমানকে। তিনি গণমাধ্যমকে জানান, ‘সোনার চেইন ও কানের দুল ফাহিম স্বর্ণ শিল্পালয়ের মালিক মীর মো. শামীম এর কাছে ৩৫ হাজার টাকায় বি’ক্র”য় করে। উক্ত সোনার চেইন ও কা’নের দুল

কটিয়াদী থানার পুলিশ ফাহিম স্বর্ণ শিল্পালয়ের মালিক মীর মো. শামীমের কাছ থেকে উ”দ্বা’র করে বলে জানায়।’

Categories
Uncategorized

৩২ চীনা শ্রমিককে আফ্রিকায় স’ন্ত্রাসী’দের কবল থেকে বাঁ’চালো বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা

মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রের একটি স্বর্ণ খনিতে কর্মরত চীনের একটি শ্রমিক দলকে সশস্ত্র বিদ্রোহীদের আ’ক্র’ম’ণ থেকে উ’দ্ধা’র করেছে

বাংলাদেশ শান্তিরক্ষীরা। গত ১৬ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখ মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রের গাগা এলাকায় স্বর্ণ খনিতে চীনের একটি শ্রমিক দলের ওপর সশ’স্ত্র বি’দ্রো’হী’রা অ’তর্কি’ত আ’ক্রম’ণ করে এবং খনির ৬টি যানবাহন লু’ট করে নিয়ে যায়। ঘটনার আ’কস্মি’ক’তায় খনিতে নিয়োজিত

৩২ জন চীনা শ্রমিক খনি এলাকা হতে প’লায়’নরত অবস্থায় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের একটি ট’হ’ল দলের শর’ণাপ’ন্ন হয়ে নিরাপ’ত্তা ও আশ্রয় চায়। বাংলাদেশী টহল দল তাদেরকে উ’দ্ধা’র করে নিজেদের ক্যাম্পে নিয়ে নি’রাপ’ত্তা ও আশ্রয় প্রদান করে। এছাড়া, বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা ভী’তস’ন্ত্র”স্ত চীনা শ্রমিকদের প্রয়োজনীয় খাদ্য,

পানীয় এবং চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করে। বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের এই মহানুভবতা এবং সাহ’সী পদক্ষে’প মিশন সদর দপ্তরসহ সর্বমহলে প্রশংসিত হয়। এ প্রেক্ষিতে জাতিসংঘে নিয়োজিত গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের স্থায়ী প্রতিনিধি তাদের নাগরিকদের উ”দ্ধা’র করে বন্ধুত্বসুলভ আচরণের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও

আশ্রয় প্রদান করায় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপনকরতঃ প্রশংসাপত্র প্রেরণ করেন।

Categories
Uncategorized

বাইডেনের গোয়েন্দা বিভাগে নিয়োগ পেলেন ফিলিস্তিনি মুসলিম

প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ার পরই জো বাইডেন মুসলিমপ্রধান সাতটি দেশের ওপর ট্রাম্পের আরোপিত নিষেধাজ্ঞা বাতিল করেছিলেন। তার

প্রশাসনে মুসলিম দেশের বংশোদ্ভূত অনেকেই দায়িত্ব পেয়েছেন। এবার যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের (এনএসসি) গোয়েন্দা শাখায় জ্যেষ্ঠ পরিচালক পদে মাহের বিতার নামের এক ফিলিস্তিনি মুসলিমকে নিয়োগ দিয়েছে জো বাইডেনের প্রশাসন। শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের

রাজনীতি বিষয়ক সংবাদ মাধ্যম পলিটিকো’তে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।মাহের বিতার যুক্তরাষ্ট্রের জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ে থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ফিলিস্তিনের বংশোদ্ভূত আমেরিকান মাহের বিতার ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম অভিশংসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সময় ইসরায়েল-ফিলিস্তিন বিষয়ক বিভাগের প্রধান হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি। মাহেরের এই নিয়োগ বিষয়ে হাউস ইন্টেলিজেন্স কমিটির

চেয়ারম্যান অ্যাডাম স্কিফ বলেন, আমার মনে হয় এই পদে মাহেরের চেয়ে ভালো আর কেউ হতেই পারেন না।

Categories
Uncategorized

ফুটফুটে ২ সন্তান ও স্ত্রীকে বাসস্ট্যান্ডে রেখে পালালেন স্বামী, রাস্তায় বসে কাঁদছেন স্ত্রী

তী’ব্র শীতের মধ্যে বাসস্ট্যান্ডে বসে আছেন মধ্যবয়সী এক নারী। তার কোলে ছয় মাসের শিশু। পাশেই হাত দিয়ে ধরে রেখেছেন চার বছর

বয়সী আরেক সন্তানকে। একই সঙ্গে মোবাইলে কা’ন্না করে কাউকে বলেছেন, ‘আমাকে নিয়ে যান, আপনি কোথায় গেলেন, আমি আপনার কাছে কিছুই চাই না, শুধু সংসার করতে চাই।’ জানা গেছে, বিয়ে হওয়ার ১০ বছর পর প্রথমবারের মতো শ্বশুরবাড়ি নিয়ে যাওয়ার কথা বলে

বাসস্ট্যান্ডে ওই নারীকে সন্তানসহ রেখে লা’পা’ত্তা হয়েছেন স্বামী। বারবার ফোন দিলেও তার পক্ষে আর সংসার করা সম্ভব নয় বলে ফোন কে’টে দেন। আজ শুক্রবার সকালে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের নান্দাইল উপজেলা সদরের পুরনো বাসস্ট্যান্ডে। বাসস্ট্যান্ডে অবস্থান করা যাত্রীবাহী বাসের টিকিট মাস্টার

মো. মুন্না মিয়া জানান, খুব ভোরে ওই নারী দুই শিশুসন্তানকে নিয়ে বাসস্ট্যান্ডে আসেন। পরে দেখা যায়, ওই নারী মোবাইল ফোনে কার সঙ্গে যেন উচ্চৈঃস্বরে কা’ন্না করে তাকে নিয়ে যাওয়ার জন্য আ’কু’তি জানান। ওই নারী বলেন, তার নাম ঋতু পর্ণা (২২)। তিনি জামালপুর জেলার সদর উপজেলার লাহিড়িকান্দা নামক স্থানের সামছুল হকের মেয়ে। তিনি ঢাকায় গার্মেন্টে কাজ করতেন। সেখানেই পরিচয়ের সূত্র ধরে ১০ বছর

আগে বিয়ে হয় মোশারফ হোসেন (২৫) নামে এক ব্য’ক্তির সঙ্গে। কয়েক বছর ঢাকায় থাকার পর বাবার বাড়িতে চলে আসেন। স্বামী মোশারফও মাঝেমধ্যে আসতেন।তাদের সংসারে নিরব ও রূপা নামে দুটি সন্তান রয়েছে। নিরবের বয়স ছয় মাস এবং রূপার চার মাস। সন্তান জন্ম নেওয়ার পর থেকেই ভর’ণপো’ষণ দিতে অ’নী’হা দেখায় স্বামী। একপর্যায়ে শ্বশুরবাড়ি যেতে চাইলে বিভিন্ন টা’লবা’হানা’য় এ’ড়িয়ে যায়।

সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার দুই সন্তানের অ’সুস্থ’তার কথা বলে টাকা দাবি করলে স্বামী মোশারফ দিতে অ’স্বীকার করেন। পরে সন্তানসহ নিজে ‘সু”ই’সা”ই’ডের হু’ম”কি দিলে তাকে ফোনে জানায় নান্দাইলে আসার জন্য। তার কথামতো বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর নান্দাইল সদরে এসে তাকে খোঁ’জ করে পাওয়া যায়নি। তার সঙ্গে থাকা স্বামীর একটি জন্ম নিবন্ধনের ঠিকানা ধরে স্থানীয় লোকজনের

সহযোগিতায় উপজেলার শেরপুর ইউনিয়নের লংগারপার গ্রামে গিয়ে স্বামীর স”ন্ধা’ন পান। রাতযাপনের পর তাকে শুক্রবার ভোরে নিয়ে আসে নান্দাইল বাসস্ট্যান্ডে। এরপর আসছি বলে একটি বাসে উঠে চলে যায় মোশারফ। বেশ কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা করেও স্বামীর খোঁজ পাননি ওই নারী। ফোনে বারবার চেষ্টা করে একবার সং’যো’গ পেলে

স্বামী জানায়,‘তার পক্ষে সংসার করা সম্ভব না।’ পরে সকাল ১০টার দিকে ওই নারী বাবার বাড়িতে রওনা দেন।

Categories
Uncategorized

তুরস্কে মায়ের সঙ্গে জে’লে দুই শিশু, স’মালোচ’নার ঝড়

তুরস্কে মায়ের সঙ্গে দুই শি’শুকে জে’লে পাঠানোর ঘটনায় ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সম্প্রতি ইলিয়াদা টেকোজ (৩২) নামে একজন

শিক্ষিকাকে গ্রে’ফতারের পর তার দুই শি’শুকেও জে’লে পাঠানো হয়েছে। যাদের একজনের বয়স দেড় আরেকজনের বয়স চার বছর। আ’ট’ক ওই শিক্ষিকা তুরস্কের একটি মানবাধিকার সংস্থায় কাজ করতেন বলেও জানা গেছে। মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল আরাবিয়া

জানিয়েছে, গত কয়েক দিন আগে তুরস্কের একটি কারাগারের সামনে হাতকড়া পরিহিত অবস্থায় ইলিয়াদার সঙ্গে তার দুই শি’শুর একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে তুমুল বিতর্ক সৃষ্টি হয়। তুরস্কের কুর্দিপন্থী পিপলস ডেমোক্র্যাটিক পার্টির সংসদ সদস্য ওম’র ফারুক ওলু এ নিয়ে এরদোগান সরকারের তুমুল সমালোচনা করেছেন।

রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ইলিয়াদা এবং তার দুই শি’শু ছাড়াও তুরস্কের বিভিন্ন কারাগারে এখনও ৮০০ শি’শুকে আ’ট’ক করে রাখা হয়েছে; যা সরাসরি সংবিধানবিরোধী কাজ। ওলু আরও বলেন, যেসব নারীর দেড় বছরের শি’শু রয়েছে, তারা কোনো অ’প’রাধে অ’ভিযু’ক্ত হলে সংবিধানে তাদের শা’স্তি মওকুফ করার কথা থাকলেও এরদোগানের স্বেচ্ছাচারী প্রশাসন এসবের কোনো

পরোয়া করছেন না। এরদোগান সরকারের অ’নৈতিক কর্মকা’ণ্ডের বি’রুদ্ধে তুরস্কের জনগণকে সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলারও আহ্বান জানান তিনি। প্রসঙ্গত, ইলিয়াদাকে গত সপ্তাহে তুরস্কের পু’লিশ নির্বাসিত তুর্কি প্রচারক ফেতুল্লাহ গুলেনের দলে যোগ দেওয়ার অ’ভিযোগে গ্রে’ফতার করে। তার বি’রুদ্ধে ২০১৬ সালের ১৫ জুলাই তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগানের সরকারকে একটি ব্যর্থ সে’না অভ্যুত্থানের মাধ্যমে উৎখাত চেষ্টার অ’ভিযোগ রয়েছে।

ইলিয়াদার স্বামী হাসান টেকোজকে প্রায় এক বছর আগে একই অ’ভিযোগে গ্রে’ফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়।

Categories
Uncategorized

মৃত্যুর আগ পর্যন্ত গান গেয়ে যেতে চাই: মমতাজ

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে সেরা কণ্ঠশিল্পী হিসেবে হ্যাট্টিক করেছেন মমতাজ বেগম। সাতশ’রও বেশী গানে কণ্ঠ দেয়া শিল্পী মমতাজ মুখোমুখি

হয়েছেন সময়ের গল্পের। কথা বলেছেন রাজনীতি নিয়েও। সঙ্গে ছিলেন ফয়সাল মোরশেদ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার কেমন অনুভুতি তৈরী করে আপনার মধ্যে? ভীষণ ভালো লাগছে। ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না। ‘বাংলাদেশ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার’ বিশাল একটি জায়গা আমাদের

জন্য। শিল্পী হিসেবে এটা আমার জন্য অনেক বড় একটি পাওয়া। আমি তৃতীয় বারের মতো এবার পুরস্কার পেলাম, মানে এবার হ্যাট্টিক করেছি। সারাজীবন এভাবেই ভালো গান করে যেতে চাই। সেই সাথে মানুষের ভালোবাসা পেয়ে যেতে চাই। এতো পুরস্কার আর সম্মাননা কী করেন? সব তো আপনিই নিয়ে নিচ্ছেন। ব্যাপারটা আসলে তেমন নয়। তবে আমি মনে

করি এটা মহান রাব্বুল আল আমিনের অশেষ রহমত। যে গানই করি, দর্শক, শ্রোতারা ভালোবাসেন। এজন্য আমি সৃষ্টিকর্তার কাছে কৃতজ্ঞ। সেই সঙ্গে, আমার দর্শক, শ্রোতা, যারা সেই ক্যাসেটের যুগ থেকে আমাকে শুনছেন, এখনো আমাকে ভালোবাসেন। আমার শ্রোতাদের কাছে আমি সবসময় কৃতজ্ঞ।গানে আপনি দীর্ঘ জীবন পার করেছেন। শুরু সময়ের সঙ্গে বর্তমানের তুলনা করলে কী দেখতে পান?

শুরুর দিকে তখন শুধু গান আর গান ছিলো। শুধু গাইতাম। বলা যায় গানের প্রতিই প্রেমে পড়েছিলাম। এখনো সেই প্রেমটাই আছে। আমার মনে হয় যে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত গানের প্রতি ভালোবাসা আর প্রেমটা থাকবে। এই প্রেম নিয়েই ভালো কাজ, ভালো গান গাওয়ার ইচ্ছা আছে। গান নিয়ে আপনার পরবর্তী পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চাই-

যতদিন বাঁচব এই গান নিয়েই থাকব। মানুষকে ভালো গান উপহার দিয়ে যাব। গানের জন্য এবং গানের মানুষদের জন্য যদি কিছু করার সুযোগ পাই তবে সে সুযোগ কাজে লাগাব।শিল্পী মমতাজ বেগম এখন রাজনীতিবিদও। গণমানুষের জন্য কাজ করতে আপনার কেমন লাগে? সবসময় ভালো লাগে, কারণ গণমানুষের শিল্পী আমি। আর সেই গণমানুষের জন্য যদি কোন রকম সুযোগ পাই, কোনভাবে

যদি কাজ করতে পারি, এর চাইতে ভালো লাগার জায়গাতো আর দ্বিতীয়টা নেই বলে আমি মনে করি। অডিও ইন্ডাস্ট্রিতে অস্থিরতা চলছে, পাইরেসির কারণে শিল্পীরা লাভবান হতে পারছেন না। আপনাদের কোনো পরিকল্পনা কি রয়েছে? এটা দীর্ঘদিনের সমস্যা। আশা করি খুব তাড়াতাড়ি এই অস্তিরতা পার করবে ইন্ডাস্ট্রি। সরকারেরও বেশ কিছু

পরিকল্পনা রয়েছে। সবাই যেন সমানভাবে প্রাপ্য অনুযায়ী সম্মানের সঙ্গে সম্মানীটাও পায় সেভাবেই কাজ এগিয়ে চলছে।

Categories
Uncategorized

চু’রির দায়ে শা’স্তি পাচ্ছেন ঢাবি শিক্ষক সামিয়া রহমান

গবেষণায় চু’রি’র দা’য়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সামিয়া রহমানসহ ৩ শিক্ষককে শা’স্তি

দেয়ার সি’দ্ধান্ত হয়েছে সি’ন্ডিকে’ট সভায়। এতে সামিয়া রহমানকে সহযোগী অধ্যাপক থেকে পদাবনতি দিয়ে সহকারী অধ্যাপক করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তার সাথে একই গবেষণায় যুক্ত অপরাধবিজ্ঞানের শিক্ষক মাহফুজুল হক মারজানকে শিক্ষা ছুটি শেষে কাজে যোগদানের পর ২ বছর লেকচারার পদেই রাখার কথা বলা হয়েছে। পিএইচডি থিসিসে চু’রি’র অ’ভিযো’গে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের

সহকারী অধ্যাপক ওমর ফারুককে লেকচারার পদে নামানোসহ ডিগ্রি বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সি’ন্ডিকে’ট। সূত্রঃ চ্যানেল২৪

Categories
Uncategorized

নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কাউন্সিলর প্রার্থীকে হু;মকি !

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে সিটি নির্বাচনে অংশ নেয়া বাংলাদেশি কাউন্সিলর প্রার্থীকে নানাভাবে হু;ম;কি দেয়া হয়েছে বলে অভি;যোগ পাওয়া গেছে।

সিটির কুইন্সের ডিস্ট্রিক্ট ২৪-এর নির্বাচন থেকে সরে দাঁ;ড়াতে হু;ম;কি দেয়া হচ্ছে বলে কাউন্সিলর প্রাথী মৌমিতা আহ;মদ অ;ভিযোগ করেছেন। আগামী ২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য এ নির্বাচনে মৌমিতা ছাড়া আরও ৩ জন বাংলাদেশি ও ৪ জন মার্কিনী কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা

করছেন। মৌমিতা অভিযোগ করেন, ওয়াল স্ট্রিটের বিলিয়নিয়ার রিয়েল এস্টেট ডেভেলপার কাউন্সিল সদস্য জেনেরোর সাবেক চিব অব স্টাফের নেতৃত্বে তাকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করে ই-মেইল প্রেরণ করা হচ্ছে। এই নির্বাচনে ট্রাম্প সমর্থক বিলিয়নিয়ার স্টিফেন রস, জ্যাক কাইয়ার, আইসাক এশ, জেফ ল্যাব ও জেমস জেনেরো নামের ধনকুবের প্রার্থী হয়েছেন।

মৌমিতা প্রাক নির্বাচনী জরিপে এগিয়ে আছেন। এছাড়া বাংলাদেশিসহ অন্যান্য কমিউনিটিতে তার পক্ষে ব্যাপক সাড়া পড়েছে। মূলত এইসব দেখেই প্রভাবশালী মহল ঈর্ষান্বিত হয়ে উঠেছে এবং বি;রোধিতায় নগ্নভাবে মাঠে নেমেছে। মৌমিতা নির্বাচনে স্বল্পমূল্যের আবাসন সুবিধা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও অভিবাসী পরিবারের লাড়াইকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন। যুক্তরাষ্ট্রে বেড়ে ওঠা মৌমিতা পরিবারের সঙ্গে ৮ বছর বয়সে বাংলাদেশ

থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আসেন। নির্বাচনে অন্য বাংলাদেশি প্রার্থীরা হচ্ছেন অ্যাটর্নি সোমা সাঈদ, ড. দিলীপ নাথ ও মুজিবুর রহমান।