Categories
Uncategorized

আমার স্বামী আমেরিকায় সরকারি চাকরি করেন, আমেরিকার জীবন মেশিনের মতো: রিচি সোলায়মান

বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী রিচি সোলায়মান দীর্ঘদিন ধরে তার স্বামীর সাথে প্রবাসে বসবাস করছেন। তবে প্রায় সময় তিনি দেশে আসেন।

আর দীর্ঘদিন পর তিনি দেশে ফিরেছেন। এদিকে, করোনা ভাইরাসের কারণে আমেরিকার পরিস্থিতি প্রথম থেকে ব্যাপক খারাপ হয়ে পরে। আর এই সময় এই অভিনেত্রীও সমস্যার মধ্যে পড়েন। তবে বর্তমানে দেশটির করোনা পরিস্থিতি আগের থেকে কিছুটা উন্নতি হলেও এখনো প্রতিদিন

আনেক মানুষ এই ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছে। আর এবার এই অভিনেত্রী গণমাধ্যমের সাথে নানা বিষয়ে কথা বলেছেন।
* করোনা মহামারিতে দেশে এসে কেমন লাগছে?
** বেশ ভালোই লাগছে। কারণ আমেরিকায় করোনার তাণ্ডব চলছে। রীতিমতো বি/ভী/ষি/কা/ম/য় পরিস্থিতি সেখানে। সেই তুলনায় দেশে করোনার ব্যাপকতা তেমন দেখছি না।

তাই অনেক স্বস্তিও লাগছে। এমনিতেই অনেকদিন দেশে আসা হয়নি। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করার জন্যই মূলত এসেছি। তবে এ অবসর সময়ের মধ্যে কয়েকটি নাটকে অভিনয় করব। মাসখানেক পর আমেরিকায় চলে যাওয়ার পরিকল্পনাও আছে।

* গত সপ্তাহে একটি নাটকে শুটিং করেছেন। সেটি কেমন ছিল?
** চয়নিকা চৌধুরীর পরিচালনায় ’মন কেমনের দিন’ নামের এক খণ্ডের একটি নাটকে কাজ করেছি। গল্পও বেশ সুন্দর। এ নাটকের মাধ্যমে পাঁচ বছর পর আনিসুর রহমান মিলনের সঙ্গে অভিনয় করেছি।

* আর কী কী নাটক হাতে নিয়েছেন?
** আরও অন্তত তিনটি নাটকে অভিনয় করার পরিকল্পনা আছে। এগুলো পরিচালনা করবেন এসএম শাহীন, চয়নিকা চৌধুরী। নাটকগুলোর গল্প আমার হাতে এসেছে। এছাড়া আরও কয়েকজন নির্মাতা অভিনয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন; কিন্তু সময় স্বল্পতার কারণে সেগুলো ফিরিয়ে দিতে হচ্ছে। আমি তো অনেকটা ঘুরতেই দেশে এসেছি। তাই কিছুটা সময় নিজের জন্যও রাখতে হচ্ছে।
* ক্যারিয়ারের তুঙ্গে থাকাবস্থায় আমেরিকায় পাড়ি জমিয়েছেন। এ নিয়ে কখনো অনুশোচনা হয় না?

** তা তো হয়ই। আমার স্বামী আমেরিকায় সরকারি চাকরি করেন। তাই সব কিছু ছেড়ে সেখানে যাই। এরই মধ্যে আমার দুটি সন্তানও হয়েছে। ওরা বড় হচ্ছে, শিক্ষাজীবন শুরু হয়েছে। তাছাড়া আমেরিকার জীবন মেশিনের মতো। অনেক ব্যস্ত থাকতে হয় কাজ নিয়ে। মাঝে মধ্যে তাই দেশে এসে পরিবার পরিজনদের সঙ্গে দেখা করে যাই। এ ফাঁ/কে কিছু নাটকে অভিনয়ও করি।
* বর্তমান টিভি নাটক নিয়ে আপনার পর্যবেক্ষণ কী?

** আমি দেশে না থাকলেও নিয়মিতই টিভি নাটক দেখি। অল্প সংখ্যক নাটক ছাড়া বেশিরভাগই গতানুগতিক। প্রচার মাধ্যমের সংখ্যা যেভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে সেভাবে ভালো নাটক নির্মিত হচ্ছে কম। তাছাড়া সব কিছুর দাম বাড়লেও নাটকের দাম কমেছে। এটি শিল্প বিকাশের অন্তরায়। আর সরকারকে এ সেক্টরের দিকে মনোযোগ বৃদ্ধি করতে হবে। নাট্যাঙ্গনের নেতাদের নাটকের উন্নতির জন্য আরও গভীর মনোযোগ দিতে হবে।
উল্লেখ্য, দেশের এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী একাধিক নাটক ও টেলিফিল্মে অভিনয় করেছেন। তার অভিনীত নাটক ও টেলিফিল্ম গুলো ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। তবে একটা সময় তিনি হঠাৎ করে

আমেরিকায় চলে যান। আর সেখানে তার স্বামী সরকারি চাকরি করেন। এই অভিনেত্রী সুযোগ পেলেই দেশে ছুটে আসেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *