Categories
Uncategorized

আওয়ামী লীগের চেইন অব কমান্ড ভে’ঙ্গে প’ড়েছে

আওয়ামী লীগের চেইন অব কমান্ড ভে’ঙ্গে প’ড়েছে। চলছে ফ্রি স্টাইল গালাগালি। সিনিয়র নেতাকে সম্মান করছেন না জুনিয়ররা। যে যেভাবে

পারছে, একে অন্যকে গা’লাগা’লি করছে। এরফলে গোটা দলে একটা অস্থি’রতা তৈরী হয়েছে। আর এজন্য আওয়ামী লীগের অধিকাংশ নেতা দায়ী করছেন, দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে। ওবায়দুল কাদেরের নি’ষ্ক্রি’য়তা এবং তার ভাইয়ের লাগামহীন বক্তব্য আওয়ামী

লীগকে এই পরিস্থিতির মুখে দা’ড় করিয়েছে বলে আওয়ামী লীগের অনেক নেতা মনে করেন। সবাইকে আ’ক্রম’ণ করছেন কাদের মির্জা: আওয়ামী লীগের চিরদিনের শি’ষ্টাচা’র হলো সিনিয়র নেতাকে সম্মান করা। তার বি’রু’দ্ধে প্রকাশ্যে কথা না বলা। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে দেখা যাচ্ছে বুসুর হাট পৌরসভার নবনির্বাচিত মেয়র, যাকে খুশী, যা খুশী বলছেন।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফকে আ’ক্র’ম’ণ করে বক্তব্য রাখেন। এরপর তিনি আ’ক্র’ম’ণ করেন, নোয়াখালীর এমপি এবং জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি একরামুল করিম চৌধুরীকে। এরা দুজনই রাজনীতিতে এবং পদবীতে কাদের মির্জার অনেক সিনিয়র। কাদের মির্জা এখানেই ক্ষা’ন্ত হননি। ফরিদপুরের আরেক এমপি নিক্সন চৌধুরীকেও আ’ক্র’ম’ণ করে বক্তব্য রেখেছেন কাদের

মির্জা। ঐ বক্তব্যে শালীনতার শেষ সীমাটুকুও অ’তি’ক্র’ম করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের নেতারা কাদের মির্জার লাগামহীন বে’পরো’য়া কথা বার্তায় বিস্মিত। আওয়ামী লীগের একজন প্রেসিডিয়াম সদস্য বলছেন ‘কাদের মির্জা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের ছোট ভাই। এই সম্পর্কের কারণেই কি, তিনি যা খুশী তাই করতে পারেন? তিনি বলেন‘এখানে দলের সাধারণ সম্পাদকে

নীরবতা বি’স্ম’য়ক’’র। নিক্সন চৌধুরী বনাম জাফর উল্লাহ: কাজী জাফর উল্লাহ আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতাদের অন্যতম। তিনি প্রেসিডিয়াম সদস্য। অন্যদিকে ফরিদপুর থেকে নির্বাচিত এমপি নিক্সন চৌধুরী, সদ্য যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য হয়েছেন। কিন্তু ফরিদপুরে এখন যা হচ্ছে, তাতে আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতারাই বি’ব্র’ত। ফরিদপুরে সদরপুরে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের দখল নিয়ে পা’ল্টাপা’ল্টি

অবস্থানে গেছেন এই দুই নেতা। এখানে আওয়ামী লীগ কার্যালয় দ’খ’ল এবং পা’ল্টা দখ’লের প্রতিযোগিতা চলছে। ফলে উ’ত্ত’প্ত হয়ে উঠছে পুরো জেলার রাজনীতি। এখানেও আ’ক্র’ম’ণ এবং পা’ল্টা আ’ক্র’ম’ণে যে শব্দবান ব্যবহার করা হচ্ছে, তাতে শা’লী’নতার শেষ কা’পড় টুকুও খু’লে ফে’লা হচ্ছে। আওয়ামী লীগের প্রবীণ

নেতারা বলছেন ‘খুব বা’জে সংস্কৃতির চর্চা হচ্ছে আওয়ামী লীগে। এই সংস্কৃতি দলের জন্য কখনও ইতিবাচক নয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *