Categories
Uncategorized

পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনে বিজেপির হার, আবারও ক্ষমতায় আসছেন মমতা

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে পর্যুদস্ত ভারত। এরই মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে চলছে বিধানসভার ভোট। গতকাল অষ্টম দফা ভোটের মধ্য দিয়ে শেষ

হয়েছে সে নির্বাচন। নির্বাচন শেষ হওয়ার পরই বুথফেরত জরিপ আসতে শুরু করেছে। তাতে তৃতীয়বারের মতো মমতার নেতৃত্বে তৃণমূলের সরকার গড়ার আভাস মিলছে। ভারতীয় টেলিভিশন এনডিটিভির বুথফেরত জরিপে দেখা যাচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার ২৯৪ আসনের মধ্যে

মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির তৃণমূল কংগ্রেস ১৫৬টিতে জয় পেতে যাচ্ছে। অন্যদিকে জরিপ অনুযায়ী ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি ১২১টি আসন পেতে যাচ্ছে। কলকাতার দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকার (এবিপি) জরিপেও ফের তৃণমূল কংগ্রেস পশ্চিমবঙ্গে সরকার গড়বে বলে আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এবিপির জরিপ অনুযায়ী তৃণমূলের ভোটের

হার হতে পারে ৪২ শতাংশ। আসন পেতে পারে ১৫২ থেকে ১৬৪টি। আরেক সংবাদমাধ্যম টাইমস নাওয়ের বুথফেরত জরিপেও তৃণমূলের জয়ের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। এর সমীক্ষা অনুযায়ী তৃণমূল পেতে পারে ১৫৮টি আসন, বিজেপি ১১৫ আর বামজোট ১৯টি আসন। এবিপি-সিএনএক্সের বুথফেরত সমীক্ষায় দেখা গেছে, তৃণমূল কংগ্রেস জয় পেতে পারে ১৫৭ থেকে ১৮৫ আসনে। বিজেপি ৯৬

থেকে ১২৫ আসন। আর বামজোটের ৮ থেকে ১৬ আসনে জয়ের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে ওই জরিপে। তবে রিপাবলিকের বুথফেরত সমীক্ষায় অবশ্য হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ইঙ্গিত মিলেছে। তাদের সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, তৃণমূল পেতে পারে ১২৮-১৪৮টি আসন। বিজেপি ১৩৮-১৪৮ আর অন্যরা ৬ থেকে ৯টি আসন। তৃণমূলের হারের ইঙ্গিত দিয়েছে শুধু জন কি বাত। তাদের বুথফেরত সমীক্ষা বলছে, এবারের বিধানসভা

নির্বাচনে তৃণমূল পেতে পারে ১০৪ থেকে ১২১ আসন। বিজেপি ১৬২ থেকে ১৮৫ আর জোট পেতে পারে ৩-৯টি আসন।

Categories
Uncategorized

আজ কাল‌বৈশাখীর সম্ভাবনা ‌

দেশের দুই অঞ্চল ও ৬ বিভাগে কালবৈশাখী বয়ে যেতে পারে আজ। এছাড়া বিভিন্ন অঞ্চলে বয়ে যাওয়া তাপপ্রবাহ প্রশমিত হতে পারে।

আজ শুক্রবার সকাল ৯টা পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। পূর্বাভাসে আরো বলা হয়েছে, কুষ্টিয়া ও যশোর অঞ্চলসহ রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/

বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। পরবর্তী ৩ দিনে বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। এছাড়া আজ দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সারাদেশের দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতে প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

এদিকে তাপপ্রবাহের বিষয়ে পূর্বভাসে বলা হয়েছে, সীতাকুণ্ড, রাঙ্গামাটি, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী ও রাজশাহী অঞ্চলসহ ঢাকা, ময়মনসিংহ,সিলেট, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা কিছু জায়গা থেকে প্রশমিত হতে পারে। আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৬টা ২৭ মিনিটে ও কাল সূর্যোদয় ভোর ৫ টা ২৪ মিনিটে।

দেশের দুই অঞ্চল ও ৬ বিভাগে কালবৈশাখী বয়ে যেতে পারে আজ। এছাড়া বিভিন্ন অঞ্চলে বয়ে যাওয়া তাপপ্রবাহ প্রশমিত হতে পারে।

Categories
Uncategorized

যে কারনে দুবাই গেলেন সোবহান পরিবারের সদস্যরা

বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সায়েম সোবহান আনভীরের স্ত্রী-স’ন্তানসহ পরিবারের ৮ সদস্য দুবাই পৌঁছেছেন। শুক্রবার (৩০

এপ্রিল) স্থানীয় সময় রাত ১২টা ৮ মিনিটে তাদের বহনকারী বিমান ভিপিসি-১১ দুবাইয়ের ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
এর আগে বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) বাংলাদেশ সময় রাত ৮টা ৫৬ মিনিটে তারা দেশ ছাড়েন। আনভীরের বি’রুদ্ধে মা’মলা হওয়ার তিন

দিনের মা’থায় তারা দেশ ছাড়লেন। দুবাই তাদের প্রাথমিক গন্তব্য বলে জানা গেছে। সোবহান পরিবার কবে দেশে ফিরবে এ বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু জানা যায়নি। তবে সূত্র জানায়, প্লেনটি মে মাসের ৯ তারিখ পর্যন্ত ভাড়া করা হয়েছে। বেসামরিক বিমান চলাচল ক’র্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মফিদুর রহমান বলেন, সায়েম সোবহান

আনভীর পরিবারের পক্ষ থেকে দেশের বাইরে যাওয়ার আবেদন করে একটি চার্টার্ড ফ্লাইটের অনুমোদন চাওয়া হয়েছিল। আবেদনে তারা ২৭ এপ্রিল দেশত্যা’গের কথা বলেছিলেন। মা’মলা সংক্রান্ত জ’টিলতার কারণে অ’নুমোদনের সিদ্ধান্ত স্থগিত ছিল। তবে (বৃহস্পতিবার) তাদের একটি চার্টার্ড ফ্লাইটের অনুমোদন দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে ইমিগ্রেশনকে জানিয়ে দেওয়া হয় যাদের

দেশত্যা’গে নি’ষেধাজ্ঞা নেই কেবল তারাই ওই ফ্লাইটে যেতে পারবেন। বিমানবন্দর সূত্রে জানা যায়, চার্টার্ড ফ্লাইটটিতে দেশ ছেড়েছেন সায়েম সোবহান আনভীরের স্ত্রী সাবরিনা সোবহান, তাদের দুই স’ন্তান, ছোট ভাই সাফওয়ান সোবহানের স্ত্রী ইয়াশা সোবহান, তাদের মেয়ে ও পরিবারের তিনজন গৃহকর্মী ডায়ানা হার্নানডেজ চাকানান্দো, মোহাম্মদ কাদের মীর ও হোসনে আরা খাতুন। সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে

সিঙ্গাপুর থেকে তাদের ভাড়া করা একটি প্লেন ঢাকায় আসে। পরে ভিপিসি-১১ ফ্লাইটে রাত ৮টা ৫৬ মিনিটে ঢাকা থেকে উড়ে যান তারা। রাত ৮টায় তারা বিমানবন্দরে পৌঁছে ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা সারেন। দুবাইয়ে গিয়ে তাদের সবার ক’রোনাভা’ইরাসের টিকা নেয়ার কথা রয়েছে। এর আগে গত ২৬ এপ্রিল মোসারাত জাহান মুনিয়াকে প্র’রোচনার অ’ভিযোগে

সায়েম সোবহান আনভীরের বি’রুদ্ধে মা’মলা হয়। গত ২৭ এপ্রিল আ’দালত তার বিদেশযাত্রার ওপর নি’ষেধাজ্ঞা জা’রি করেন। ইমিগ্রেশন পু’লিশের ত’থ্য অনুযায়ী সায়েম সোবহান আনভীর এখনও দেশে রয়েছেন। এদিকে মুনিয়ার বড় ভাই আশিকুর রহমান সবুজ বলেন, মুনিয়া ঢাকায় এসে একটি না’রী হোস্টেলে থাকত। মুনিয়ার একাধিক আত্মীয় বলেন, এ সময় তার বড় বোন নুসরাতের উৎসাহে ও জনৈক হিরু মিয়ার

মাধ্যমে শোবিজ জগতে যাতায়াত শুরু হয় মুনিয়ার। তার স’ঙ্গে প’রিচয় হয় সিনেমার একজন পরিচিত নায়কের। এছাড়া একজন পরিচালক তাকে নায়িকা বানানোর স্বপ্ন দেখিয়ে ঢাকার বিভিন্ন ক্লাবে নিয়ে যান। তবে মুনিয়ার ভাই সবুজ দা’বি করেন, শুরু থেকেই এসব অ’পছন্দ করতেন তিনি। কুমিল্লায় একটি আয়ুর্বেদিক কোম্পানিতে সেলসম্যানের চাকরি করা সবুজ জানতেন না

মুনিয়া কোথায় থাকে, কী করে। এমনকি তার মৃ’ত্যুর খ’বরও শুরুতে সবুজকে দেওয়া হয়নি বলে দা’বি করেন তিনি। তিনি জানতে পারেন প’রিচিতজনের মাধ্যমে। পরে তিনি নুসরাতকে ফোন দেন বিস্তারিত জানার জন্য। সবুজ বলেন, ওই সময়ও নুসরাত অনেক ত’থ্যই গো’পন করে আমার কাছে। সবুজ বলেন, ‘আমাদের পৈতৃক সম্পত্তির সমান ভাগ নিয়ে নুসরাত আমি,

আমার চাচা, চাচিসহ কয়েকজনকে আ’সামি করে মা’মলা করে। মা’মলার কারণে স্বাভাবিকভাবেই নুসরাত ও মুনিয়ার স’ঙ্গে আমার দূরত্ব তৈরি হয়। ওই মা’মলা এখনো শে’ষ হয়নি। তবে স’মাধানের চে’ষ্টা চলছে।’ মুনিয়া নবম শ্রেণিতে পড়ার সময় শুভপুরের নিলয় নামে এক যুবকের স’ঙ্গে পা’লানোর বিষয়ে জানতে চাইলে সবুজ বলেন, ‘তখন মুনিয়ার বয়স ছিল কম। সে আবেগে পড়ে ভু’ল করেছে। আমরা

পরে সামাজিকভাবে সেটার স’মাধান করেছি।’ সবুজ জানান, তার বাবা মু’ক্তিযো’দ্ধা শফিকুল ইস’লাম মা’রা যান ২০১৫ সালে আর মা মা’রা যান ২০১৯ সালে। এরপর থেকে মুনিয়া সম্পূর্ণভাবে নুসরাত ও তার স্বামীর নিয়’ন্ত্রণে ছিল। ছোট বোনের এ প’রিণতির জন্য সবুজ নিজেও তার বোন নুসরাত ও তার স্বামীকে দা’য়ী করেন। সুবজ বলেন, ‘সেলিম চাচা আমাদের পরিবারের অভিভাবক। ছোট চাচা সাজ্জাদ অ’সুস্থ। আমরা যা করার সেলিম চাচার পরামর্শেই করব।’ মুনিয়ার আ’ত্মীয়রা বলছেন, বাবা-মার মৃ’ত্যুর পর এই বোন-ভগ্নিপতিই ছিলেন মুনিয়ার

একমাত্র অভিভাবক। টাকার লো’ভে তারা মুনিয়ার জীবন কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন সেটা একবার জানারও চে’ষ্টা করেননি।

Categories
Uncategorized

বিদেশফেরত যাত্রীদের তথ্য থানাকে জানাতে হবে

সরকার ক’রো’নাভা’ই’রাস সং’ক্রম’ণ নিয়ন্ত্রণে চলমান বিধি-নিষেধের মেয়াদ আগামী ৫ মে পর্যন্ত বাড়িয়ে আদেশ জারি করেছে। গতকাল

বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব রেজাউল ইসলাম স্বাক্ষরিত আদেশে বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের কোয়ারেন্টিন বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আদেশে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্য, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও চীন থেকে যেসব যাত্রী টিকা নেওয়ার সনদ ও ক’রো’না নে’গে’টিভ

সনদ নিয়ে আসবেন, তাঁরা নিজ বাড়িতে ১৪ দিন কোয়ারেন্টিনে থাকবেন। সে ক্ষেত্রে তাঁদের সংশ্লিষ্ট থানায় আগমন ও কোয়ারেন্টিনের বিষয়টি জানাতে হবে। মধ্যপ্রাচ্য, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও চীন থেকে আসা যাত্রীদের মধ্যে যাঁদের কেবল কভি’ডমু’ক্ত সন’দ থাকবে, তাঁদের সরকার নির্ধারিত ব্যবস্থায় কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। চিকিৎসকরা তিন

থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে তাঁদের পরী’ক্ষা করে সম্মতি দিলে তাঁরা নিজেদের বাড়ি ফিরে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনের বাকি সময় শেষ করবেন। সে ক্ষেত্রে তাঁদেরকেও সংশ্লিষ্ট থানায় অবহি’ত করতে হবে। সরকার নির্ধারিত হোটেলে অন্যান্য দেশ থেকে আসা যাত্রীরা নিজ খরচে ১৪ দিন কোয়ারেন্টিনে থাকবেন।

সরকার ক’রো’নাভা’ই’রাস সং’ক্রম’ণ নিয়ন্ত্রণে চলমান বিধি-নিষেধের মেয়াদ আগামী ৫ মে পর্যন্ত বাড়িয়ে আদেশ জারি করেছে। গতকাল

Categories
Uncategorized

মায়ের কাছে রান্না শিখে সিঙ্গাপুরে বিরিয়ানির দোকান বাংলাদেশির

বাংলাদেশে সাধারণত রান্নাবান্নার কাজটা মেয়েরাই করে থাকে, ছেলেদের খুব একটা চুলার পিঠে বসতে দেখা যায় না। তবে সময় বদলাচ্ছে।

বদলে যাচ্ছে পুরোনো ধ্যান-ধারণা, রীতিনীতি। এখন মেয়েদেরও মাঠে কাজ করতে দেখা যায়, ছেলেদের দেখা যায় রান্না করতে। আর তাতে সফল হওয়ার নজিরও রয়েছে ভুরিভুরি। বেপার শরিফের বাড়ি গাজীপুরের উত্তর খামের গ্রামে। ছোটবেলা থেকেই রান্নাবান্নায় আগ্রহ তার। তবে

দেশের আর দশটা পরিবারের মতোই শরিফের বাড়িতেও এসব কাজ তার মা-ই করতেন। মায়ের রান্না দেখতে দেখতে একসময় সেটি শিখেও যান তিনি। আর সেই শিক্ষাই বদলে দিয়েছে তার পরিবারের অবস্থা। এখন সিঙ্গাপুরে একটি বিরিয়ানির দোকানের মালিক হয়ে উঠেছেন শরিফ।
সম্প্রতি সিঙ্গাপুরভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য স্ট্রেইট টাইমস শরিফের জীবনযাত্রা

নিয়ে চমৎকার একটি ভিডিওচিত্র নির্মাণ করেছে। এতে উঠে এসেছে বাংলাদেশি এ যুবকের দৈনন্দিন জীবন আর সংগ্রামের কাহিনী। ভিডিওতে শরিফ বলেন, আমার বাড়ি ঢাকা থেকে ৬০ কিলোমিটার দূরে উত্তর খামের গ্রামে। গ্রামটি চমৎকার। রাস্তার পাশেই আমাদের বাড়ি। মায়ের কাছে রান্না শেখার বিষয়ে তিনি বলেন, আমার মা জানেন না আমি কেন রান্না শিখতে চাইতাম। তিনি কখনো কিছু

বলেননি। আমি দেখে দেখেই শিখে নিয়েছি। শরিফ জানান, তিনি তার বোনের বিয়েতে বিরিয়ানি রান্না করেছিলেন। এরপর থেকেই এ বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠেন। ভিডিওতে এ যুবক জানান, তিনি আট বছর আগে সিঙ্গাপুরে যান, সেখানে টানা ছয় বছর নির্মাণশ্রমিকের কাজ করেছেন। এরপর বাংলাদেশে ফিরে আসেন। এখানে স্থানীয় একটি স্কিল

ট্রেনিং সেন্টার থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে আবারও সিঙ্গাপুরে ফিরে যান সে সময় সিঙ্গাপুরের জনশক্তি মন্ত্রণালয় তাকে রুবেন নামে এক ব্যক্তির খাদ্য প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানে পাঠায়। শরিফ বলেন, রুবেন জানতে চান আমার কী দক্ষতা রয়েছে। তাকে বলি, আমি ভালো রান্না করতে পারি। আর আজ আমি তার (রুবেন) বিরিয়ানির দোকানের অংশীদার। বর্তমানে সিঙ্গাপুরের উত্তরাঞ্চলীয়

ইশুন শহরে ‘বিরিয়ানি ৪৭’ নামে দোকানে খাবার বিক্রি করেন এ যুবক। তিনি বলেন, এটি শুরু করতে আমি আর্থিকভাবে কোনও অবদান রাখিনি। এখন ধীরে ধীরে তার অর্থ পরিশোধ করছি। সিঙ্গাপুরে এটাই এখন আমার জীবন। শরিফ বলেন, আমি প্রতিদিন ভোর ৫টায় ঘুম থেকে উঠে ভোর সাড়ে ৬টায় দোকানে পৌঁছাই। এরপর প্রায় তিন-চার ঘণ্টা রান্না করি। আমি মুরগির মাংস, খাসির মাংস, মাছ ও টোফু

রান্না করি। বেলা ১১টা ২০ মিনিটের মধ্যে রান্না শেষ করে দোকান খোলার প্রস্তুতি নেই। দোকান খোলা হয় সাড়ে ১১টায়। বিকেল সাড়ে ৩টার মধ্যে সব বিরিয়ানি বিক্রি হয়ে যায়। তিনি বলেন, বাংলাদেশে সবাই বাড়িতে রান্না করে আর আমরা খাবার খুব একটা কিনি না। কিন্তু বেশিরভাগ সিঙ্গাপুরিয়ান বাড়িতে রান্না করে না। এখানে মানুষজন সাধারণত খাবার কিনে খেতেই পছন্দ করে। ক্রেতারা আমার কাছে আসে এবং খাবারের জন্য আমার প্রশংসা করে। গাজীপুরের এ যুবক বলেন, সিঙ্গাপুর আমাকে গ্রহণ করেছে। আমার নিজেকে আর বিদেশি বলে মনে

হয় না। মনে হয় আমিও সিঙ্গাপুরিয়ান। বাংলাদেশের পাশাপাশি এখানেও আমার নতুন একটি পরিবার হয়েছে।

Categories
Uncategorized

ঝর্নাকে বিউটি পারলারে কাজ দেন মামুনুল হক

হেফাজত নেতা মামুনুল হকের বি’রুদ্ধে নিজের দ্বিতীয় বিয়ে ভে’ঙে দেওয়ার অ’ভিযোগ তুলেছেন জান্নাত আরা ঝর্না। মামুনুল তাকে দ্বিতীয় স্ত্রী

দা’বি করলেও জান্নাত এটি মি’থ্যা বলে জানান। মামুনুলের স’ঙ্গে প’রিচয় প্রস’ঙ্গে জান্নাত বলেন, ‘২০০৫ সালে তার স্বামী মাওলানা শহীদুল ই’সলামের মাধ্যমে মামুনুল হকের স’ঙ্গে প’রিচয় হয়। স্বামীর বন্ধু হওয়ায় তাদের বাড়িতে মামুনুলের অবাধ যাতায়াত ছিল। মামুনুলের স’ঙ্গে

প’রিচয়ের আগে তারা সুখে–শান্তিতে বসবাস করছিলেন। তাদের স্বামী-স্ত্রীর মতানৈক্যের মধ্যে প্র’বেশ করে মামুনুল হক শহীদুল ও জান্নাতের মধ্যে দূরত্ব তৈরি করতে থাকেন। মামুনুলের কারণে তাদের দাম্পত্য জীবন চরমভাবে বিষিয়ে ওঠে। সাংসারিক এই টানাপোড়েনে একপর্যায়ে মামনুলের পরাম’র্শে বিবাহবি’চ্ছেদ হয়। অ’ভিযোগে জান্নাত বলেন, ‘বি’চ্ছেদের

পর তিনি সামাজিক, অর্থনৈতিক ও পারিবারিকভাবে অ’সহায় হয়ে পড়েন। এ সময় মামুনুল তাকে খুলনা থেকে ঢাকায় আসার জন্য বলেন। তিনি ঢাকায় চলে আসেন। মামুনুল তাকে তার অনুসারীদের বাসায় রাখেন। সেখানে নানাভাবে তাকে প্রস্তাব দেন। একপর্যায়ে পারিপার্শ্বিক অবস্থার কারণে জান্নাত তার প্র’লোভনে পা দেন। এরপর মামুনুল জান্নাতকে উত্তর ধানমন্ডির নর্থ সার্কুলার রোডের একটি বাসায় সাবলেট

রাখেন। একটি বিউটি পারলারে কাজের ব্যবস্থা করে দেন। ঢাকায় থাকার খরচ মামুনুলই দিচ্ছিলেন। প্রলো’ভন, প্র’তারণা অ’ভিযোগ এনে মামুনুল হকের বি’রুদ্ধে মা’মলায় এসব অ’ভিযোগ করেছেন জান্নাত আরা ঝর্ণা। শুক্রবার নারায়’ণগঞ্জের সোনারগাঁও থা’নায় মা’মলাটি করেন তিনি। মা’মলার নম্বর ৩০। জান্নাত আরা ঝর্ণা অ’ভিযোগে বলেন, ‘৩

এপ্রিল সোনারগাঁয়ের রয়্যাল রিসোর্টে ঘোরাঘুরির কথা বলে মামুনুল হক নিয়ে যান। সেখানে অবস্থানকালে কিছু মানুষ আমাদের আ’টক করে ফেলে। পরে মামুনুল হকের অনুসারীরা রিসোর্টে হা’মলা করে আমাদের নিয়ে যায়। কিন্তু মামুনুল আমাকে নিজের বাসায় ফিরতে না দিয়ে প’রিচিত একজনের বাসায় অ’বৈধভাবে আ’টকে রাখেন। কারও স’ঙ্গে যোগাযোগও করতে দেননি।’ জান্নাত বলেন,

পরে কৌশলে আমি আমার বড় ছেলেকে আমার দুরবস্থার সব কথা জানাই এবং আমাকে ব’ন্দিদশা থেকে উ’দ্ধারের জন্য আ’ইনের আশ্রয় নিতে বলি। পরে ডিবি পু’লিশ আমাকে উ’দ্ধার করলে জানতে পারি, আমার বাবা রাজধানীর কলাবাগান থা’নায় আমাকের উ’দ্ধারের জন্য একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। পু’লিশ আমাকে উ’দ্ধারের পর বাবার জি’ম্মায় দেয়। সেখানে আমি আমার পরিবার ও আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে পরাম’র্শ করায় অ’ভিযোগ দা’য়ের করতে বিলম্ব হয়।’ জান্নাত

আরা ঝর্ণার বাবা ওলিয়ার রহমানকে গত ২৪ এপ্রিল জি’জ্ঞাসাবা’দের জন্য হেফাজতে নেয় ঢাকার গো’য়েন্দা পু’লিশ। আলফাডাঙ্গা উপজে’লার গোপালপুর থেকে তাকে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়। এরপর ২৬ এপ্রিল মে’য়েকে উ’দ্ধারে পু’লিশের সহায়তায় চেয়ে কলাবাগান থা’নায় সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করেন তিনি। পরদিন মোহাম্ম’দপুরের একটি বাসা থেকে ঝর্নাকে উ’দ্ধার করে ডিবি পু’লিশ। ঝর্না উ’দ্ধার হওয়ার তিন দিনের মাথায় এই মা’মলা করলেন। প্রসঙ্গত, কদিন আগে সোনারগায়ে রয়্যাল রিসোর্টে ঝর্নাসহ ধ’রা পড়েন মামুনুল হক। মামুনুল তাকে স্ত্রী

বলে দা’বি করেন। তবে ঝর্নার প’রিবার দা’বি করেন, মামুনুল তাকে বিয়ে করেননি। বিয়ের প্র’লোভনে ব্যবহার করেছেন।

Categories
Uncategorized

অবশেষে সব প্রকাশ করে দিল জান্নাত আরা ঝর্না

হেফাজত নেতা মামুনুল হকের বি’রুদ্ধে নিজের দ্বিতীয় বিয়ে ভে’ঙে দেওয়ার অ’ভিযোগ তুলেছেন জান্নাত আরা ঝর্না। মামুনুল তাকে দ্বিতীয় স্ত্রী

দা’বি করলেও জান্নাত এটি মি’থ্যা বলে জানান। মামুনুলের স’ঙ্গে প’রিচয় প্রস’ঙ্গে জান্নাত বলেন, ‘২০০৫ সালে তার স্বামী মাওলানা শহীদুল ই’সলামের মাধ্যমে মামুনুল হকের স’ঙ্গে প’রিচয় হয়। স্বামীর বন্ধু হওয়ায় তাদের বাড়িতে মামুনুলের অবাধ যাতায়াত ছিল। মামুনুলের স’ঙ্গে

প’রিচয়ের আগে তারা সুখে–শান্তিতে বসবাস করছিলেন। তাদের স্বামী-স্ত্রীর মতানৈক্যের মধ্যে প্র’বেশ করে মামুনুল হক শহীদুল ও জান্নাতের মধ্যে দূরত্ব তৈরি করতে থাকেন। মামুনুলের কারণে তাদের দাম্পত্য জীবন চরমভাবে বিষিয়ে ওঠে। সাংসারিক এই টানাপোড়েনে একপর্যায়ে মামনুলের পরাম’র্শে বিবাহবি’চ্ছেদ হয়। অ’ভিযোগে জান্নাত বলেন, ‘বি’চ্ছেদের

পর তিনি সামাজিক, অর্থনৈতিক ও পারিবারিকভাবে অ’সহায় হয়ে পড়েন। এ সময় মামুনুল তাকে খুলনা থেকে ঢাকায় আসার জন্য বলেন। তিনি ঢাকায় চলে আসেন। মামুনুল তাকে তার অনুসারীদের বাসায় রাখেন। সেখানে নানাভাবে তাকে প্রস্তাব দেন। একপর্যায়ে পারিপার্শ্বিক অবস্থার কারণে জান্নাত তার প্র’লোভনে পা দেন। এরপর মামুনুল জান্নাতকে উত্তর ধানমন্ডির নর্থ সার্কুলার

রোডের একটি বাসায় সাবলেট রাখেন। একটি বিউটি পারলারে কাজের ব্যবস্থা করে দেন। ঢাকায় থাকার খরচ মামুনুলই দিচ্ছিলেন। প্রলো’ভন, প্র’তারণা অ’ভিযোগ এনে মামুনুল হকের বি’রুদ্ধে মা’মলায় এসব অ’ভিযোগ করেছেন জান্নাত আরা ঝর্ণা। শুক্রবার নারায়’ণগঞ্জের সোনারগাঁও থা’নায় মা’মলাটি করেন তিনি। মা’মলার নম্বর ৩০।

জান্নাত আরা ঝর্ণা অ’ভিযোগে বলেন, ‘৩ এপ্রিল সোনারগাঁয়ের রয়্যাল রিসোর্টে ঘোরাঘুরির কথা বলে মামুনুল হক নিয়ে যান। সেখানে অবস্থানকালে কিছু মানুষ আমাদের আ’টক করে ফেলে। পরে মামুনুল হকের অনুসারীরা রিসোর্টে হা’মলা করে আমাদের নিয়ে যায়। কিন্তু মামুনুল আমাকে নিজের বাসায় ফিরতে না দিয়ে প’রিচিত একজনের বাসায় অ’বৈধভাবে আ’টকে রাখেন।

কারও স’ঙ্গে যোগাযোগও করতে দেননি।’ জান্নাত বলেন, পরে কৌশলে আমি আমার বড় ছেলেকে আমার দুরবস্থার সব কথা জানাই এবং আমাকে ব’ন্দিদশা থেকে উ’দ্ধারের জন্য আ’ইনের আশ্রয় নিতে বলি। পরে ডিবি পু’লিশ আমাকে উ’দ্ধার করলে জানতে পারি, আমার বাবা রাজধানীর কলাবাগান থা’নায় আমাকের উ’দ্ধারের জন্য একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। পু’লিশ আমাকে উ’দ্ধারের পর বাবার জি’ম্মায় দেয়।

সেখানে আমি আমার পরিবার ও আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে পরাম’র্শ করায় অ’ভিযোগ দা’য়ের করতে বিলম্ব হয়।’ জান্নাত আরা ঝর্ণার বাবা ওলিয়ার রহমানকে গত ২৪ এপ্রিল জি’জ্ঞাসাবা’দের জন্য হেফাজতে নেয় ঢাকার গো’য়েন্দা পু’লিশ। আলফাডাঙ্গা উপজে’লার গোপালপুর থেকে তাকে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়। এরপর ২৬ এপ্রিল মে’য়েকে উ’দ্ধারে পু’লিশের সহায়তায় চেয়ে কলাবাগান থা’নায় সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করেন তিনি। পরদিন মোহাম্ম’দপুরের একটি বাসা থেকে ঝর্নাকে উ’দ্ধার করে ডিবি পু’লিশ। ঝর্না উ’দ্ধার হওয়ার তিন দিনের মাথায় এই মা’মলা করলেন। প্রসঙ্গত, কদিন আগে সোনারগায়ে রয়্যাল রিসোর্টে ঝর্নাসহ ধ’রা পড়েন মামুনুল হক। মামুনুল তাকে স্ত্রী বলে দা’বি করেন।

তবে ঝর্নার প’রিবার দা’বি করেন, মামুনুল তাকে বিয়ে করেননি। বিয়ের প্র’লোভনে ব্যবহার করেছেন।

Categories
Uncategorized

২০১৮ থেকে হোটেল-রিসোর্টে নিয়ে সময় কাটান মামুনুল, বিয়ে করেননি: ঝর্ণা

হেফাজত নেতা মামুনুল হকের কথিত দ্বিতীয় স্ত্রী জান্নাত আরা ঝর্ণার মেডিকেল টেস্টের রিপো’র্ট পাওয়া যাবে আগামী রোববার। শুক্রবার দুপুরে

পুলিশ পাহারায় নারায়ণগঞ্জ সদর জেনারেল হাসপাতালে মেডিকেল পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। এর আগে সকালে মামুনুল হকের বি’রু’দ্ধে প্র’লোভ’ন, প্র’তার’ণা, নি”র্যা’ত’নে’র অ’ভি’যোগ এনে সোনারগাঁ থানায় মাম’লা দা’য়ের করেন ঝর্ণা। ঝর্ণা বলেন, আমার অ’সহা’য়ত্বের

সুযোগ নিয়েছেন তিনি (মামুনুল হক)। আমাকে বিয়ে করবেন বলে বার বার আ’শ্বাস দিলেও করেননি। বিয়ে করবেন এই প্র’লোভ’নে ২০১৮ সাল থেকে আমাকে বিভিন্ন হোটেল-রিসোর্টে নিয়েছেন আর সময় পার করেছেন, তবে বিয়ে করেননি। সদর জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) আসাদুজ্জামান জানান,

দুপুরে ঝর্ণার মেডিকেল টে’স্ট ক’রা’নো হয়েছে। আগামী রোববার রিপোর্ট পাওয়া যাবে। প্রসঙ্গত, কদিন আগে সোনারগাঁয়ে রয়্যাল রিসোর্টে জান্নাত আরা ঝর্ণাসহ ধ’রা পড়েন মামুনুল হক। মামুনুল তাকে স্ত্রী বলে দাবি করেন। তবে ঝর্ণার পরিবার দাবি করেন, মামুনুল তাকে বিয়ে করেননি। বিয়ের প্র’লোভ’নে ব্যবহার করেছেন।

হেফাজত নেতা মামুনুল হকের কথিত দ্বিতীয় স্ত্রী জান্নাত আরা ঝর্ণার মেডিকেল টেস্টের রিপো’র্ট পাওয়া যাবে আগামী রোববার। শুক্রবার দুপুরে

Categories
Uncategorized

আজ ১৭ ই রমজান বদর দিবস: ইতিহাসের গৌরবময় অধ্যায়

আজ ঐতিহাসিক বদর দিবস। দ্বিতীয় হিজরির ১৭ ই রমজান ইতিহাস বিখ্যাত ‘বদর যু;দ্ধ’ সংঘটিত হয়েছিল। বিশ্ব সভ্যতার ইতিহাসে এ

দিবসটি অনন্য অবস্থান দখল করে রেখেছে। দ্বিতীয় হিজরির কথা। রমজান মাসে কোরাইশদের একটি সুবিশাল বাণিজ্য কাফেলা বিপুল অর্থ-সম্পদ ও মুসলমানদের বিরু’দ্ধে যু’দ্ধ করার জন্য অ’স্ত্র ক্রয় করে সি’রিয়া থেকে ফির’ছিল। তাদের দলপতি আবু সুফি’য়ানের ভ’য় ছিল

মুসলমানরা এগুলো তাদের থেকে ছিনিয়ে নেবে। তাই তারা ম’ক্কায় খবর পাঠাল যে তাদের সাহয্যের প্রয়োজন। মক্কার কো’রাই’শরা যেন তাদের দলবল নিয়ে অতি দ্রুত এখানে এসে পৌছে। তাদে’রকে এই মহাবিপদ থেকে উ’দ্ধার করে। ম’ক্কার কোরাইশরা সব সময়ই মুসলমানদের মূল উচ্ছেদ করার জন্য বিভিন্ন ফ’ন্দি-ফিকির করে বেড়াত। তাই মুসলমা’নদের

অস্তিত্ব র’ক্ষায় রাজনৈতিক নীতি ও কৌশল হিসেবে তাদের শক্তি’মত্তা বিনষ্ট করা’র খুবই প্র’য়োজন ছিল। কোরাইশদের সকল প্র’কার শক্তি’র প্রধান উৎস ছিল সিরিয়ার বাণিজ্য; মুসলমানদের জন্য কোরাইশদের এই বাণিজ্যিক উন্নত ধারা বন্ধ করে দেয়ার প্রয়োজন দেখা দিল। আবু সুফিয়ানের খবরটি ম’ক্কায় পৌছলে কোরাইশরা এক হজার জনের বিশাল সেনাদল নিয়ে মুসলমানদের মোকাবেলায়

বেরিয়ে পড়ল। আবু জেহেল সহ কোরা’ইশদের বড় বড় নেতারা ১০০ ঘোড়া আর ৭০০ উট নিয়ে এ যু’দ্ধে অংশ গ্রহণ করেছিল। নবীজি (সা.) তাদের যু’দ্ধ’বহর সম্পর্কে জানতে পারেন। তখন ১২ ই রমজান। নবী’জি (সা.) তাদের বি’রু’দ্ধে যু’দ্ধের প্রস্তুতি গ্রহণ করেন। ৩১৩ জন মুহাজির ও আনসার সাহাবি নিয়ে তাদের মোকাবেলার উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়েন। সাহাবায়ে কেরাম তাদের জীবন ও জী”বনের অর্জিত সমস্ত

সম্পদ নবী’জির নিকট সমর্পণ করে দিলেন। অন্যদিকে কো’রাইশ’দের নেতা আবু সুফি’য়ান চলার পথে যাকেই পেত, মুসল’মানদের সম্পর্কে জি’জ্ঞেস করত। বদর প্রান্ত’র অতিক্রম করার আগেই সে তার কাফেলা থামিয়ে দিয়ে নিজে অগ্রসর হয়। মুসলমানদের খবর নেয়। সে জানতে পারে, দুজন আরো’হীকে টিলার পাশে তাদের উট’কে বসিয়ে মশকে পানি ভরতে

দেখা গিয়েছিল। আবু সুফিয়ান তখন টিলার পাশে যায় এবং উটের গোবরে খেজুরের আঁটি খুজে পায়। তখন সে বুঝতে পারে এটা মদিনার উট, এর আসপাশে মুস’লমা’নরা অব’স্থান করছে। আবু সুফিয়ান মদিনার পথ এড়িয়ে সমুদ্রের উপকূল ধরে বণি’দের নিয়ে এগিয়ে চলল।ওই দিকে আবু জেহেল বদর অভি’মুখে রওয়ানা দিয়ে দেয় এবং সে অহং’কার করে বলে, আমরা বদরে যাব ও সেখানে তিনদিন থাকব ও আমোদ-ফূর্তি

করে পান ভোজন করব। সমগ্র আরব জাতির ওপরে আমাদের শক্তি প্রকা’শিত হবে। সবাই আমাদেরকে ভয় পাবে। নবীজি (সা.) তাদের সম্পর্কে জানতে পেরে সাহা’বিদের নিয়ে পরামর্শে বসলেন। এই অনা’কাংখিত পরি’স্থিতি এবং অবশ্যম্ভাবী র’ক্ত’ক্ষয়ী সংঘ’র্ষের মুকাবিলা কিভাবে করা যায়, তা নিয়ে তিনি উচ্চ পর্যায়ের পরাম’র্শ বৈঠক আহবান করলেন। হজরত আবু বকর ও

ওমর (রা.) তাদের মূল্য’বান পরামর্শ দান করলেন। অতঃ’পর মিক্ব’দাদ ইবনে আস’ওয়াদ (রা.) দাঁড়িয়ে বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল! আল্লাহর দেখানো পথে আপনি এগিয়ে চলুন। আমরা আপনার সঙ্গে আছি। যদি আপনি আমা’দেরকে নিয়ে মদিনার ‘বারকুল গিমাদ’ পর্যন্ত চলে যান, তবে আমরা অবশ্যই আপ’নার সঙ্গে যু’দ্ধ করতে করতে সেই পর্যন্ত পৌঁছে যাব।’ হজরত মিকদা’দের এই জোরা’লো বক্তব্য নবীজি পছ’ন্দ করলেন এবং তার জন্য কল্যা’ণের দোয়া করলেন।

হজ’রত সাদ ইবনে মুআজ বললেন, ‘হে আল্লহর রাসুল! যদি আমা’দেরকে নিয়ে আপনি এই সমুদ্রে ঝাঁ’পিয়ে পড়েন, তবে আমরাও আপনার সাথে ঝাঁ’পিয়ে পড়ব। আমাদের একজন লোকও পিছনে থাকবে না। অতএব আপনি আমাদের নিয়ে আল্লাহর নামে এগিয়ে চলুন।’ হজরত সাদে’র উক্ত কথা শুনে নবীজি (সা.) খুবই খুশি হলেন এবং বললেন, ‘চলো এবং সুসংবাদ গ্রহণ করো।’

পরামর্শ সভা শেষে নবীজি (সা.) বদর অভিমুখে রও’য়ানা হলেন। অতঃপর বদর প্রান্তরের নি’কটব’র্তী স্থানে অবত’রণ করেন। ২য় হিজরির ১৭ ই রমজান ৬২৪ খৃষ্টা’ব্দের ১১ ই মার্চ শুক্র’বার এখানেই সংঘটিত হয় ঐতিহাসিক বদর যুদ্ধ। ১৭ ই রমজান। শুক্র’বার রাত। বদ’র যু’দ্ধের পূর্বরাত। সৈন্যদের শ্রেণীবিন্যাস শেষ হয়েছে। সবাই ক্লা’ন্ত-শ্রা’ন্ত। হঠাৎ বৃষ্টি এল। মুসল’মান যো’দ্ধা’রা ঘুমিয়ে পড়ল। গভীর ঘুমে আ’চ্ছন্ন বাহিনীর সকল ক্লা’ন্তি দূর হয়ে গেল এবং যুদ্ধের জন্য দে’হমন প্রস্তুত হয়ে গেল।

খুব ভোরে কোরাইশ বাহি’নী পাহাড় থেকে নীচে নেমে হতবাক হয়ে গেল। পানির উৎসের ওপরে রাতা’রাতি মুস’লিম বাহিনীর দখলে চলে গেল। হাকেম ইবনে হেজাম কয়েকজন কো’রাইশ বাহিনীকে নিয়ে পানির কুপের দিকে অগ্রসর হল। নবীজি বললেন, তাদের’কে যেন কিছু না করে ছেড়ে দেওয়া হয়। ফলে তারা সেখান থেকে পানি পান করল এবং পর’র্তীতে যু’দ্ধে নি’হত হল। কিন্তু হাকেম সেই পানি পান করেনি। সে বেচে গেল। পরব’র্তীতে ইসলাম কবুল করল। অন্যদিকে কোরাইশ নেতারা অবস্থার ভ’য়াব’হতা টের পেল এবং আফসোস করতে লাগল। তবে তাদের ধার’না ছিল মুসলমানরা সং’খ্যায় তিনশ বা তার কিছু কম হবে। আবু জে’হেল কো’রাইশ’দের নিয়ে মুসল’মা’নদের দিকে এ গিয়ে এল।

কিন্তু নবীজি (সা.) তার বাহি’নীকে বললেন, চূড়া’ন্ত নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কেউ যু’দ্ধ শুরু করবে না। কো’রাইশদে’র পক্ষ থেকে ব্যাপক হারে তীরবৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত তোমরা কেউ তীর ছুঁড়বে না। তোমাদের ওপরে তাদের তরবারি আসার আগে তোমরা কেউ তরবারি চালাবে না।
এরপর কো’রাই’শদের পক্ষ থেকে যু’দ্ধের আগুন জ্ব’লে উঠল এবং মুসলমানরা যু’দ্ধে ঝা’পিয়ে পড়লেন। এই ঐতিহাসিক যু’দ্ধে মুস’লানদের ঐতিহাসিক বিজয় রচিত হল। কোরাইশদের অনেক কাফের যো’দ্ধা’রা মুসল’মা’দের হাতে বন্দি হল। এটা ছিল ইস’লা’মের প্রথম সি’দ্ধান্ত’মূলক মুস’লমা’নদের পরিকল্পিত সামরিক জেহাদ। যু”দ্ধ শুরু হওয়ার আগে নবীজি (সা.) মহান আ’ল্লাহর নিকট প্রার্থনা করলেন, হে আল্লাহ! তুমি যদি চাও দুনি’য়াতে তোমার ইবাদত করার মতো কেউ না থাকুক, তাহলে এই ক্ষুদ্র দলটিকে নি’শ্চিহ্ন হতে দাও। কিন্তু মহান আ’ল্লাহ তা চাননি।

তাই প্রায় নিরস্ত্র মুষ্টিমেয় মুসলমান যো’দ্ধা’দের কাছে পরাজিত হয় সুস’জ্জিত বিশাল কো’রাইশ বাহিনী। কোরা’ইশ’দের অহং’কারের পতন হয়। যা ছিল মহান আল্লাহর কুদরতের প্রমাণ। এই যুদ্ধে মুসলমানদের ১৪ জন সাহাবি যোদ্ধা শহিদ হন। কোরাইশদের ৭০ জন নিহত এবং ৭০ জন কা’ফের যো’দ্ধা মুস’লমান’দের হাতে বন্দি হয়। যা’দের অধি’কাংশই নেতা পর্যা’য়ের লোক ছিল। বদর যুদ্ধে অং’শগ্রহ’কারী সাহা’বিদের মধ্যে দ্বিতীয় পর্যায়ে’র নেতৃত্ব দিয়েছি’লেন হ’জরত ওমর, হজ’রত আলি ও হজরত আমির হামজা (রা.)। আর কোরাইশদের মধ্যে নেতত্ব দিয়েছিল আবু জাহেল, উৎবা, শায়বা ও পতাকাবাহী নজর ইবনে হারেশ, ওয়ালিদ ইবনে মুগিরা এবং আবু সুফিয়ান।

এ যু’দ্ধে কোরাইশদের ২৪ জন সেনাপ্রধান নিহন হয়। কোরা’ইশ’দের প্রধান সেনাপতি আবু জেহলকে হ’ত্যা করেন দুজন সহোদর আ’নসার কিশোর সাহাবি হজরত মাআজ ও মুআজ (রা.)। নিয়ম অনুযায়ী যু’দ্ধ শেষে বদর প্রান্ত’রে মুসল’মানরা ৩ দিন পর্যন্ত অ’বস্থান করেন, চতুর্থ দিনে নবীজি (সা.) সবাইকে নিয়ে মদিনার পথে রওনা করেন। তাঁর সাথে ছিল বন্দি কোরা’য়েশরা এবং যুদ্ধলব্ধ সম্পদ। যু’দ্ধব’ন্ধীদের সাথে আল্লাহর নবী ও মুসলিমরা যে সহমর্মিতা দেখান বিশ্বের ইতিহাসে তার নজির পাওয়া মুশ’কিল। যু’দ্ধসূ’চনার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কারণ: মদিনায় সফ’লভাবে ইসলাম সুপ্রতিষ্ঠিত হওয়ায় ম’ক্কার কো’রাই”শরা মু’সল’মানদের বি’রু’দ্ধে হিংসায় লিপ্ত হল। আবদুল্লাহ ইবনে ওবা’ই ও ইহু’দিরা যড়’যন্ত্র শু’রু করল। মু’সল’মানদের সঙ্গে স’ন্ধি শর্ত ভঙ্গ করল। কো’রাই’শরা তা’দের বাণিজ্য ব’ন্ধ হও’য়ার আ’শঙ্কা যু’দ্ধের ঘো’ষা’ণা দিল। নবী’জিকে চিরত’রে নি’শ্চিহৃ করার নি’কৃষ্ট পরি’ক’ল্পনা ও নীল নকশা তারা আঁ’কল।

কাফেরদের রণপ্রস্তুতি, আবু সুফি’য়ান’দের অপ’প্র’চার, যু’দ্ধ প্রস্তু’তির জন্য ঐশি বার্তা, ম’ক্কাবা’সীদের ক্ষো’ভ এবং কা’ফের দ্বা’রা মদিনা আক্র’মণ ঠেকাতে মুস’লমা’নরা মদিনার দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে ৮০ মাইল দূরে ১৭ ই রম’জান কা’ফে’রদের সঙ্গে র’ক্ত’ক্ষয়ী যু’দ্ধে উপনীত হন। এই ঐতিহা’সিক যু’দ্ধ থেকে মুসল’মা’নদের অর্জন ছিল- আত্ম’বিশ্বা’সের সৃষ্টি, বিশ্ব জ’য়ের সূচনা, সর্বো’ত্তম ইতিহাস রচনা। প্রথম সামরিক বিজয়, কোরাইশদের চরম পরাজয়। মি’থ্যার ওপর সত্যে’র জয়।

Categories
Uncategorized

অনেক বেঁচেছি’, কমবয়সী রোগীর জন্য হাসপাতালের শ’য্যা ছেড়ে ‘মৃ’ত্যু’বরণ

নিজের জীবন দিয়ে এক মধ্য’বয়সী নাগরিককে বাঁচা’নোর চেষ্টা করে গেলেন রা’ষ্ট্রীয় স্ব’য়ংসে’বক স’ঙ্ঘের এক সদস্য। ৪০ বছ’রের এক

ব্য’ক্তির জন্য হাস’পাতালে শ’য্যা ছেড়ে দিয়ে’ছি’লেন ৮৫ বছরের না’রায়ণ দাভা’লকর। মঙ্গল’বার (২৭ এপ্রিল) মৃ’ত্যু হয় তার। গত ২২ এপ্রিল ভার’তের মহা’রা’ষ্ট্রের নাগ’পুরে ই’ন্দিরা গা’ন্ধী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল কো’ভিড আ’ক্রা’ন্ত না’রায়ণ দাভা’লক’রকে।

শ্বাস’ক’ষ্ট হচ্ছি’ল তার। তবুও হাস’পাতা’লে শ’য্যা ছেড়ে দিতে চান তিনি। চি’কিৎ’সকরা নি’ষেধ করলেও শো’নেননি দা’ভা’লকর।
কারণ, হাস’পাতা’লে দা’ভাল’কর দেখতে পান, নিজের ৪০ বছ’রের স্বা’মীকে ভ’র্তি করা’নো’র জন্য মিন’তি কর’ছেন তার স্ত্রী। এই দৃশ্য দেখার পরই দা’ভাল’কর সি’দ্ধা’ন্ত নেন শ’য্যা ছেড়ে দেবেন। চি’কিৎস’কদের

তিনি বলেন, ‘আ’মার বয়স ৮৫। অনে’ক বেঁ’চেছি। ওই যুব’কে’র জীবন বাঁচা’নো বেশি দর’কার। ওদের ছে’লেমে’য় আছে। দয়া করে আ’মার বেড’টা ওকে দিন।’ দাভা’লকর থাকতে না চাও’য়ায় হাস’পা’তাল তাকে ছে’ড়ে দিতে বাধ্য হয়। তার তিন দিন পরে মৃ’ত্যু হয় দাভা’লকরে’র। তার মে’য়ে আ’শাবরী কো’টিওয়া’নের ক’থায়, ‘অ’নেক ক’ষ্ট করে ২২ এপ্রিল হাসপাতালে এক’টা

শ’য্যা পেয়ে’ছি’লাম। কিন্তু কয়েক ঘ’ণ্টা পর বাড়িতে ফিরে আসেন বাবা। পরি’বা’রের সঙ্গে শে’ষ মু’হূর্ত কাটা’তে চান বলে আমা’দের জানান।’ হাসপাতাল সূত্রে জা’না যায়, দাভা’ল’কর শ’য্যা ছেড়ে দি’য়েছেন বলে ওই ব্য’ক্তি’কে তা দেওয়া হবে, এম’নটা রী’তি নেই। কাকে শ’য্যা দেওয়া হবে, সেই সি’দ্ধা’ন্ত নেন চি’কিৎস’করাই। দাভা’লক’র ক্যা’সুয়া’লটি বিভা’গে ছিলেন, তাকে কো’ভিড-১৯ ওয়া’র্ডে নিয়ে যাওয়া হয়নি। তবে, কেউ স্বেচ্ছায় শ’য্যা ছেড়ে দিলে অ’ন্য কাউ’কে ভর্তি নেও’য়ার সু’যোগ তৈ’রি হয়।

দাভা’লকা’র রা’জ্য সরকা’রের পরিসং’খ্যান দফ’তরে কর্ম’রত ছিলেন। ছিলেন আরএসএ’সের সক্রিয় সদস্যও।

সূত্র: জি নিউজ।