Categories
Uncategorized

আগামী বাজেটে দরিদ্র মানুষ অগ্রাধিকার পাবে: অর্থমন্ত্রী

আগামী অর্থবছরের বাজেট দেশের দরিদ্র মানুষের জন্য নিবেদিত থাকবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। বুধবার (২১

এপ্রিল) দুপুরে অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ভার্চুয়ালি সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। দরিদ্রদের নিয়ে চালানো দুটি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের জরিপের বিষয় তুলে ধরে জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন,

‘গরিব মানুষের জন্য আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে তাদেরকে গরিব থেকে বের করে নিয়ে আসা। যারা অতিরিক্ত গরিব আছে তারা গরিব হবে এবং যারা গরিব আছে তাদেরকে আমরা মূলস্রোতধারায় নিয়ে আসব। সেভাবেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আর গবেষণা করে যদি তারা কোনো তথ্য দিয়ে থাকে সেটা পরিসংখ্যান ব্যুরো দেখবেন। তাদের অ্যাসেসমেন্ট আমরা গ্রহণ

করব। সেটা এখনো তৈরি হয়নি, হলে আমরা অবশ্যই আপনাদের জানাবো।’ দরিদ্রদের মূলস্রোতে আনতে বাজেটে বড় একটি বরাদ্দ দরকার, সেক্ষেত্রে নতুন করে সামাজিক সুরক্ষাখাতে বাড়তি কোনো বরাদ্দ রাখবেন কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাদের আগামী বাজেট নিবেদিত থাকবে এ দেশের দরিদ্র মানুষের জন্য। এরাই অগ্রাধিকার পাবে। সুতরাং আমরা ’মানুষের জীবন-জীবিকার জন্য বাজেটে জায়গা করে

দেবো।’ গতবছর দরিদ্রদের অর্থ বিতরণে গোলমাল হয়েছে, এবছর ৩৫ লাখ মানুষকে আড়াই হাজার টাকা করে দেয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত কী জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের মিসম্যাচটা হওয়ার কারণ হলো- আমাদের যেসব প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর বা পিছিয়েপড়া জনগণের কথা বলছেন, তাদের যে আইডিটাকার্ড বা মাধ্যম রয়েছে সেখানে সরাসরি ট্রান্সফার করে দেই।

কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে সেটি ট্রান্সফারের উপযুক্ত থাকে না। সেজন্য একটু বিলম্ব হয়। কিন্তু আমরা কাজগুলো করছি। যাদেরকে আমরা আড়াই হাজার টাকা করে দেবো, সরকারের সিদ্ধান্ত হচ্ছে এই টাকা সরাসরি ট্রান্সফার করা। সরাসরি ট্রান্সফার করতে গেলে সিস্টেম ডেভেলপ করতে হবে। আর একবার যদি সিস্টেমে চলে আসে তাহলে ভবিষ্যতে এর চেয়ে সহজ কাজ আর হবে না। তখন আমরা কম সময়ে অনেক বেশি কাজ করতে পারব।’

প্রধানমন্ত্রী ইতিবাচক সাড়া দিয়েছেন সুতরাং এই আড়াই হাজার টাকা বিতরণের কাজ শিগগির শুরু হবে বলেও জানান তিনি। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের এক্সেল লোড নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র স্থাপনের বিষয়টি অনুমোদন হয়েছে, সর্বশেষ দুইটি মিটিংয়ে একই বিষয় উঠে বাতিল হয়েছিল, সে বিষয়ে জানতে চাইলে আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, ‘আগে আমরা বাতিল করিনি। যে শর্তগুলো ছিল সেগুলো আমরা পূরণ করে নিয়ে এসেছি। এগুলো একই প্রকল্প। আগেরগুলোর সঙ্গে দেখলে বোঝা যাবে বিভিন্ন জিনিস এনে যুক্ত করতে হয়েছে।

যেসব মহাসড়কে আমাদের পরিবহনের জন্য এক্সেল লোড নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব এসেছিল সেগুলো একটার পর একটা অনুমোদন হচ্ছে। একই জিনিসগুলো আসছে।’ করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিনের সঙ্কট রয়েছে বলে গণমাধ্যমে এসেছে, আজ বৈঠকে ভ্যাকসিনের বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী কিছু বলেছেন কি-না জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আজ স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের যে প্রস্তাব এসেছিল ১৩ হাজার ৮৮১টি কমিউনিটি ক্লিনিকের জন্য আমরা এসেনসিয়াল ড্রাগস থেকে ওষুধ কিনবো। এর বাইরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অন্য কোনো বিষয় নিয়ে

আলোচনা করি নাই এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কোনো প্রকল্পও আমাদের সামনে আসেনি।’ সূএঃ বিডি২৪লাইভ ডট কম

Categories
Uncategorized

দেখুন চিনতে পারবেন কিনা, সাহায্যের হাত বাড়ালেন এক যুবক!

কঠোর লকডাউনে মধ্যে পেটে দায়ে চার দিন পর বেড়িয়ে পরে রিকসা নিয়ে। যাত্রী নিয়ে যাওয়ার সময় চেক পোষ্টে তাকে জরিমানা করা হয়।

এর মধ্যে কেউ একজন ভিডিও ধারণ করেন। সেই ভিডিওটি মুর্হূতের মধ্যেই ছড়িয়ে পরে নেট দুনিয়ায়। তার আকুতির কথা শুনে সবার মন ছুয়ে যায় তাকে এমন করুন দৃশ্য দেখে এগিয়ে আসেন এক জন যুবক তার নাম পারভেন হাসান। তার ফেসবুক থেকে এমনটাই স্ট্যাটাসটি

ছিল। বিডি২৪লাইভের পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হল। নিচে দেয়া হল: নাকে চিনতে পারছেন? যার গতকালকে একটি হৃদয়বিদারক ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল। যেখানে উনি কান্না করে বলেছেন আমি সারাদিন ইনকাম করে ১৫০ টাকা”লকডাউনের কারণে জরিমানা করেছে ১২০০ টাকা এই টাকা আমি কিভাবে দিব। সেইসাথে আরও বলেন বাড়িতে বউ/বাচ্চার খরচ

পোলাপানের পড়াশোনার খরচ সব মিলিয়ে অসহায়ত্বে আহাজারি করতে থাকেন। ভিডিওটা দেখে প্রায় সবারই কষ্ট হয়েছিল। আলহামদুলিল্লাহ, আজ পারভেজ হাসান নামক এক যুবক! বড় মনের পরিচয় দিয়ে সেই রিক্সা চালকের পাশে দাঁড়িয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় বাজার এবং আর্থিক সহায়তা প্রধান করেন।এবং সেইসাথে উনার ১২ বছরের একটা ছেলের পড়াশোনার দায়িত্বও নেন তিনি। আমি মহান আল্লাহর কাছে

এই প্রার্থনা করি, আল্লাহ যেন এই ভাইটির মতো প্রতিটি ঘরে জন্ম নেয় হাজারও Parvez। ফেসবুক থেকে নেয়া।

Categories
Uncategorized

যে ২২ হাসপাতালের নার্সরা পাচ্ছেন ১১ কোটি টাকা

দেশের ২ হাজার ৬৭৯ জন নার্সকে দুই মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ দিচ্ছে সরকার।প্রাণঘাতী করোনা আক্রান্ত রোগীদের জীবনের ঝুঁকি

নিয়ে চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত দেশের ২২টি হাসপাতালের এসব নার্সদের ১১ কোটি ৫ লাখ ৫০ হাজার ৩০০ টাকা দেওয়া হবে।বুধবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে যুগ্ম সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করা হয়েছে।যে ২২টি

হাসপাতালের নার্সরা এই সম্মানী পাবেন, সেগুলো হলো: কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের ৪৮৪ জন নার্স, মুগদা জেনারেল হাসপাতালের ৪৫৭ জন, শেখ রাসেল জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালের ২৪৮ জন, বগুড়ার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের ২৪৮ জন, কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালের ২৬৫ জন, নারায়ণগঞ্জ ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট করোনা ডেডিকেটেড

হাসপাতালের ১৮৫ জন, সিলেটের শহীদ শামদুদ্দীন হাসপাতালের ১৫১ জন নার্স, মুন্সিগঞ্জের ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের ২২ জন, কমলাপুর জেনারেল হাসপাতালের ১৮ জন, রাজারবাগ পুলিশ কেন্দ্রীয় হাসপাতালের ৮৬ জন, বসুন্ধরা অস্থায়ী কোভিড হাসপাতালের ১৫ জন, রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের ৩৩ জন, চাঁদপুরের ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালের ৬২ জন, মিরপুর মাতৃ ও

শিশু স্বাস্থ্য প্রশিক্ষণের ৮২ জন, ঝিনাইদহের সদর হাসপাতালের ৩১ জন, নওগাঁ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের ৩১ জন, বরিশাল সদর হাসপাতালের ৫৪ জন, বাগেরহাটের সদর হাসপাতালের ৫০ জন, খুলনা করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালের ১০ জন, হবিগঞ্জের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের ৬০ জন, চট্টগ্রামের হলি ক্রিসেন্ট হাসপাতালের ২৩ জন এবং মাদারীপুরে সদর ও কোভিড হাসপাতালে ৪০ জন নার্স। পরিপত্রে বলা হয়, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের সেবা প্রদানে সরাসরি নিয়োজিত নার্সরা এককালীন বিশেষ সম্মানী হিসেবে এ টাকা পাবেন। তবে যারা আউটসোর্সিং হিসেবে কর্মরত তাদেরকে কোনোভাবেই এ

টাকা দেওয়া যাবে না। এ অর্থ বিতরণ করে আগামী ৩০ জুনের মধ্যে অর্থ বিভাগকে জানাতে বলা হয়েছে পরিপত্রে।

Categories
Uncategorized

সেহরিতে দু’ধের সর খেতে চাওয়ায় প্রা’ণটা’ই গেল গৃহব’ধূ সু’রাইয়ার

সেহেরিতে দুধের সর খাওয়া নিয়ে কথা কা’টাকা’টির জে’রে সুরাইয়া সুলতানা তমিসরা (২৪) নামে এক গৃহবধূকে শা’রী’রিক ‘নি”র্যা’ত’ন

করে ‘হ’ত্যা’র অ’ভিযো’গ উঠেছে তার স্বামী এবং শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বি’রু’দ্ধে। মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) ভোর রাতে রাজবাড়ী সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের চর শ্যামনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। তমিসরা রাজবাড়ী সদর উপজেলার বসন্তপুর ইউনিয়নের বড় ভবানীপুর

গ্রামের দেওয়ান মো. রফিকুল ইসলামের মেয়ে। তার তাইবা নামে চার বছর বয়সী একটি মেয়ে সন্তান রয়েছে। এ ঘটনায় বুধবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে রাজবাড়ী সদর থানায় একটি ‘হ”ত্যা’ মাম’লা দায়ের করেছেন ওই গৃহবধূর বড় ভাই দেওয়ান মো. সৌরভ। মাম’লার আ’সা’মিরা হলেন— তমিসরার স্বামী মশিউর রহমান মিটুল (৩৮), দেবর নাইম

মন্ডল (৩০), জা সাদিয়া বেগম (২৫), ভাসুর হাতেম মন্ডল (৪৫) ও শাশুড়ি সাহেরা বেগমসহ (৬৫) অ’জ্ঞা’তনামা তিন-চার জন। এ ব্যাপারে দেওয়ান মো. সৌরভ সারাবাংলাকে জানান, ২০১৪ সালে চর শ্যামনগর গ্রামের সাহা মন্ডলের ছেলে মশিউর রহমান মিটুলের স’ঙ্গে তার বোন সুরাইয়া সুলতানা তমিসরার পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই মিটুল ও তার মা এবং ভাই-ভাবীরা যেকোনো সামান্য বিষয়

নিয়ে তার বোনের ওপর শা’রী’রিক ‘নি”র্যা’ত’ন চালাতেন। বিষয়গুলো তার বোন বাড়িতে এসে তাদের কাছে বলতেন। কিন্তু পরিবারের সদস্যরা সুরাইয়াকে ধৈ’র্য ধরার পরামর্শ দিতেন। সৌরভ জানান, মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে মিটুল তার বাবার কাছে ফোন করে জানান, তার বোন নাকি ‘সু’ই’সা”ইড করেছেন। তারা দ্রুত মিটুলদের বাড়িতে গিয়ে দেখেন, সুরাইয়ার ম’রদে’হ

বা’রা’ন্দায় শু’ইয়ে রাখা হয়েছে। তার গ’লায় ‘ফাঁ”স নেওয়ার কোনো চি”হ্ন নেই। তার থুত’নিতে, নাকে, ঘাড়ে ও হাতে আ’ঘা”তের চিহ্ন দেখা গেছে বলে জানান সৌরভ। তিনি আরও বলেন, প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলে আমরা জানতে পেরেছি, সোমবার (১৯ এপ্রিল) দিবাগত রাতে সেহেরিতে দুধের সর খাওয়া নিয়ে আমার বোনের সঙ্গে তার

শাশুড়ি সাহেরা বেগমের কথা কা’টাকা’টি হয়। কথা কা’টাকা’টির বিষয়টি সাহেরা বেগম তার ছেলে মিটুল, নাইম, হাতেম ও ছেলের বউ সাদিয়াসহ পরিবারের অন্য লোকদের জানান। এক পর্যায়ে তারা সবাই মিলে আমার বোনকে ”হ”ত্যা”র প’রিক’ল্পনা করে। সৌরভের অ’ভিযো’গ, মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) ভোরে তার বোনের ওপর পা’শবি’ক শা’রী’রি’ক ‘নি”র্যা’ত’ন চালিয়ে তাকে ‘হ”ত্যা’ করা হয়। ‘হ”ত্যা’র ঘটনাটি ভিন্ন দিকে নেওয়ার জন্য ফাঁ’স নিয়ে ‘সু’ই’সা”ইডের

কথা প্রচার করা হয়। রাজবাড়ী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) স্বপন কুমার মজুমদার জানান, মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) সকালে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সে সময় গৃহবধূ তমিসরার স্বামী মিটুল ও শ্বাশুড়ি সাহেরা বেগমসহ পরিবারের লোকজন জানান, তমিসরা গ’লা’য় ‘ফাঁ”স নিয়ে ‘সু’ই’সা”ইড করেছেন। তবে পুলিশ সুরতহাল রি’পো’র্ট’ তৈরি করতে গিয়ে তমিসরার শরীরে ‘সু’ই’সা”ইড এর কোনো আ’লাম’ত দেখতে পায়নি বলে জানান ওসি স্বপন কুমার। তিনি বলেন, বরং তার শরীরের বিভিন্ন স্থা’নে আ”ঘা’তে’র চিহ্ন রয়েছে। এরপর আশপাশের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে, তমিসরাকে ”হ”ত্যা’ করা হয়েছে।

এ কারণেই তমিসরার স্বামী মিটুল, জা সাদিয়া, ভাসুর হাতেম ও শ্বাশুড়ি সাহেরা বেগমকে আ’ট’ক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আ’সা হয়েছিল। জিজ্ঞাসাবাদে তাদের কথায় অ’সঙ্গ’তি পাওয়া গেছে। ওসি আরও জানান, গৃহবধূ তমিসরার ম’রদে’হ ময়’না’তদ”ন্ত শেষে বুধবার দুপুরে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় দায়ের করা ‘হ”ত্যা’ মা’ম”লা’য় আগে থেকেই থানা হাজতে আটক মিটুল, সাদিয়া, হাতেম ও সাহেরাকে গ্রে’ফ’তার দেখিয়ে বৃহস্পতিবার আ’দাল’তে হাজির করা হবে। মামলার এজাহার নামীয় প’লা’ত’ক

আসা’মি নাইমসহ অ’জ্ঞা’তনামা আ’সা’মিদের গ্রে’ফতা’রে’র চেষ্টা চলছে বলেও জানান ওসি স্বপন কুমার মজুমদার।

Categories
Uncategorized

আজই আমার শেষ সকাল’, ফেসবুক বার্তা দেওয়ার পরদিনই করোনায় মৃ’ত্যু চিকিৎসকের

ত্যু এগিয়ে আসছে! চিকিৎসক হয়ে সেই ‘দেওয়াল লিখন’ হয়তো আগেই পড়ে ফেলে’ছিলেন। আর তাই হয় তো সোশ্যাল মিডিয়ার দেওয়ালেও

সেই কথা লিখে দিয়েছিলেন। ফেসবুকে মৃ’ত্যু’র ইঙ্গিত দেওয়ার পরের দিনই করো’নায় মা’রা গেলেন মুম্ব’ইয়ের (Mumbai) এক মহিলা চিকিৎসক। তাঁর সেই হৃদয় বিদারক পোস্ট এই করোনা কালে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media)। বছর একান্নর মণীষা

যাদব মুম্বইয়ের শিবড়ি টিবি হাসপাতালের সিনিয়র মেডিক্যাল অফিসার ছিলেন। সোমবার করোনায় তাঁর মৃ’ত্যু হয়। আর মৃ’ত্যুর আগের দিন রবিবার তিনি তাঁর ফেসবুক ওয়ালে লেখেন, “এটাই হয়তো শেষ সকাল। এই প্ল্যা’টফর্মে আমি হয়তো আপনাদের সামনে আর আসতে পারব না। সবাই ভাল থাকুন। শরীর মারা যায়, আ’ত্মা নয়।

আত্মা অমর।” মণীষা এক দিকে চিকিৎসা অন্য দিকে হাসপাতালের প্রশা’সনিক কাজ কর্ম দক্ষতার সঙ্গে সামলাতেন বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু তিনিই শেষ পর্যন্ত করো’নার কাছে হেরে গেলেন। ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসো’সিয়েশনের হিসাব অনুযায়ী শুধু মহারাষ্ট্রেই ১৮ হাজার চিকি’ৎসক করোনা আ’ক্রা’ন্ত হয়েছেন। যাঁদের মধ্যে ১৬৮ জন মারা গিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

এদিকে বুধ’বার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্র’কের (Ministry of Health and Family Welfare) দেওয়া পরিসং’খ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ২ লক্ষ ৯৫ হাজার ৪১ জন করোনা (Corona virus) আক্রা’ন্ত হয়েছেন। আক্রা’ন্ত’দের বে’শির ভাগই মহা’রা’ষ্ট্রের। দেশে মোট করোনা আক্রান্ত ১ কোটি ৫৬ লক্ষ ১৬ হাজার ১৩০ জন। এদিকে একদিনে এই মা’রণ ভাই’রাসে প্রা’ণ হারা’লেন ২,০২৩ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত করো’নার বলি ১ লক্ষ ৮২ হাজার ৫৫৩ জন। লাফিয়ে বাড়ছে অ্যা’কটিভ কেসও। বর্তমানে করো’নার চিকি’ৎসাধীন ২১ লক্ষ ৫৭

হাজার ৫৩৮ জন। মহা’রাষ্ট্র ছা’ড়াও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে উত্ত’রপ্রদেশ, দিল্লি, পা’ঞ্জাব, কর্ণাটক, ছত্তি’শগড়ের মতো রাজ্যও।

Categories
Uncategorized

অক্সিজেন ট্যাঙ্কারে ছিদ্র, দম আটকে ২২ করোনা রোগীর মৃত্যু

ভারতের মহারাষ্ট্রের একটি হাসপাতালে অক্সিজেন ট্যাঙ্কারে ছিদ্র হয়ে দমবন্ধ হয়ে ২২ করোনা রোগী মৃত্যু হয়েছে।এনডিটিভি ও বিবিসি জানায়,

বুধবার (২১ এপ্রিল) মহারাষ্ট্রের নাসিক জেলার জাকির হোসেন হাসপাতালে অক্সিজেন ট্যাঙ্কার রিফুয়েলিংয়ের সময় ঘটেছে এ মর্মান্তিক ঘটনা।
মহারাষ্ট্রের স্বাস্থ্যবিভাগ সূত্রে জানা গেছে, নাসিকের এই হাসপাতালটি শুধুমাত্র করোনা রোগীদের চিকিৎসার দেয়া হয়। সেখানে ভর্তি রোগীদের

মধ্যে প্রায় দেড়শ জন ছিলেন ভেন্টিলেশনে, অর্থাৎ গুরুতর অসুস্থ হওয়ায় তাদেরকে অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছিল। ট্যাঙ্কারের ছিদ্র দিয়ে অক্সিজেন বেরিয়ে যাওয়ায় প্রায় ৩০ মিনিট অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ ছিল হাসপাতালটিতে। এই সময়ের মধ্যেই তাদের মৃত্যু ঘটে। মহারাষ্ট্র রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজেশ তোপে এক বার্তায় বলেন, ‘আমরা জানতে পেরেছি,

ট্যাঙ্কারের ছিদ্র দিয়ে অক্সিজেন বেরিয়ে যাওয়ায় হাসপাতালটিতে অক্সিজেন সরবরাহ বিঘ্নিত হয়েছিল। এ কারণেই তাদের মৃত্যু হয়েছে।’ এদিকে বিবিসি মারাঠিকে সাক্ষাতকার দেয়া মৃতরোগীদের এক আত্মীয় জানান, আমরা এর উপযুক্ত বিচার চাই। যার কারণে এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। তার শস্তি দাবি করছি। এদিকে হাসপাতাল

কর্তৃপক্ষ দ্রুত দমকল বাহিনীর সহযোগিতা চাইলে বাহিনীর সদস্যরা এসে ট্যাঙ্কারের ছিদ্র বন্ধ করেন। এই সময়ের মধ্যেই মারা গেছেন ২২ রোগী।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভেন্টিলেশনে থাকা ৩১ রোগীকে ইতোমধ্যে নিকটস্থ অপর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে সিটি কর্পোরেশনের

কমিশনার কৈলাশ যাদব জানিয়েছেন, মর্মান্তিক এই ঘটনা কিভাবে ঘটলো তার তদন্তে কমিশন গঠন করা হয়েছে।

Categories
Uncategorized

সৌদিতে ঈদের পর চালু হচ্ছে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট

সৌদি আরব ঈদুল ফিতরের পর পরই আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু করতে যাচ্ছে।সৌদির করোনা মোকাবিলা কমিটির সেক্রেটারি ডা. তালাল আল-

তুয়াইজরি জানিয়েছেন, আগামী ১৭ মে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ফের চালুর দিন নির্ধারণ করেছে কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় একটি টেলিভিশন চ্যানেলের অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে এ কর্মকর্তা বলেন, ঘোষিত তারিখের আগেই সব কিছু ভালো করে পর্যবেক্ষণ করা হবে।তিনি করোনাভাইরাস সংক্রমণের

ভয়াবহতা বিবেচনা করে দেশবাসীকে অতিজরুরি প্রয়োজন ছাড়া ভ্রমণ না করার আহ্বান জানান। ভ্রমণের আগে টিকাগ্রহণের বাধ্যবাধকতার কথা উল্লেখ করে ডা. তালাল জানান, সৌদিতে ভ্রমণের জন্য প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধির বিষয়টি পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং সেগুলো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালুর আগেই ঘোষণা করা হবে।এ কর্মকর্তা জানান, ২০২১ সালের মধ্যেই সৌদিতে ৭০ শতাংশ

মানুষকে টিকা দেওয়ার পরিকল্পপনা রয়েছে। এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হলেই সৌদির স্কুলগুলো খুলে দেওয়া হবে।

Categories
Uncategorized

শতাধিক সংসদ সদস্য কোভিড আক্রান্ত

কোভিড-১৯ মহামারিতে বিপর্যস্ত দেশ। রোজ হাজার হাজার মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। সম্প্রতি মৃত্যুও তিন অংকে গিয়ে ঠেকেছে। করোনা আঘাত

হেনেছে জাতীয় সংসদেও। চলমান সংসদের একশ’রও বেশি সদস্য করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।সংসদ সচিবালয় ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে এই তথ্য। জাতীয় সংসদ সদস্যদের মধ্যে সর্বশেষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন রাজশাহীর এমপি ফজলে হোসেন বাদশা। তাকে নিয়ে মোট

১০৯ জন করোনায় আক্রান্ত। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের মৃত্যুও হয়েছে মহামারিতে। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, গত বছরের এপ্রিল ও মে মাসে একজন করে সংসদ সদস্যের করোনা শনাক্ত হয়। এরপর জুনে এটি বেড়ে দাঁড়ায় ১৬ জনে। জুলাইয়ে ৬ ও আগস্টে ১১ জনের করোনা শনাক্ত হয়। এরপর সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে ৫ জন করে শনাক্ত হলেও নভেম্বরে সর্বোচ্চ

২২ জনের করোনা শনাক্ত হয় । এরপর টানা তিন মাস এটি কমতে থাকে। ডিসেম্বরে ৮ জন, জানুয়ারিতে ৩ ও ফেব্রুয়ারিতে ৬ জন সংসদ সদস্যের করোনা শনাক্ত হয়। এ বছরের মার্চে দেশে করোনা সংক্রমণ বাড়তে শুরু করলে ১৪ জন সাংসদ আক্রান্ত হন এতে। আর চলতি মাসে ইতিমধ্যে আক্রান্ত হয়েছেন ১১ জন। সংসদ সচিবালয় সূত্র বলছে, প্রতিটি সংসদ অধিবেশনের আগে সবার করোনা পরীক্ষা করাটা বাধ্যতামূলক।

এতে দেখা গেছে, উপসর্গ ছাড়াও অনেকের করোনা শনাক্ত হয়েছে। সর্বশেষ সংসদ অধিবেশন বসে ১ এপ্রিল। এর আগে করোনা নমুনা পরীক্ষা করাতে গিয়ে বেশ কয়েকজন শনাক্ত হন। এ ছাড়া ১৭ থেকে ২৭ মার্চ পর্যন্ত স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার আগে বাধ্যতামূলক নমুনা পরীক্ষা করাতে গিয়ে কারও কারও করোনা শনাক্ত হয়।

এ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গত ২৫ মার্চ নমুনা পরীক্ষা করার পর ২৬ মার্চ করোনা শনাক্তের তথ্য পান গাজীপুর-৪ আসনের সাংসদ সিমিন হোসেন রিমি। নির্বাচনী এলাকায় নিয়মিতভাবে করোনায় আক্রান্তদের পাশে থেকে এক বছর ধরে কাজ করেছেন তিনি।সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, এ পর্যন্ত অন্তত ১০৯ জন সংসদ সদস্য করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

এর মধ্যে চারজন মারা গেছেন। আর মন্ত্রিসভার সদস্যদের মধ্যে আক্রান্ত হয়েছেন ১৫ সদস্য, এর মধ্যে একজন মারা গেছেন। আক্রান্তদের মধ্যে সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি ১২ জন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত বছরের ১৩ জুন মারা যান আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, সাবেক মন্ত্রী ও সিরাজগঞ্জ-১ আসনের এমপি মোহাম্মদ নাসিম। একই দিনে মারা যান টেকনোক্র্যাট কোটায় ধর্ম

প্রতিমন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ। আর জুলাইয়ে মারা যান নওগাঁ-৬ আসনের এমপি ইসরাফিল আলম। সর্বশেষ ১৪ এপ্রিল মারা গেছেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কুমিল্লা-৫ আসনের এমপি আবদুল মতিন খসরু। এর আগে গত মাসে মারা যান সিলেট-৩ আসনের সাংসদ মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী।দেশে গত বছরের ৮ মার্চ প্রথম করোনার সংক্রমণ শনাক্তের কথা জানায় সরকার। প্রথম মৃত্যু হয় ১৮ মার্চ।

আর এমপিদের মধ্যে প্রথম করোনায় সংক্রমিত হন নওগাঁ-২ আসনের এমপি হুইপ শহীদুজ্জামান সরকার।

Categories
Uncategorized

মেস ভাড়া মওকুফ না করায় মেসের মালিকের মেয়েকে পালিয়ে বিয়ে

অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ আছে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। দেশে চলমান করোনা সংকটে অনেকের আর্থিক সমস্যার কথা

জানিয়ে বেশ কিছুদিন যাবত মেসে ভাড়া থাকা শিক্ষার্থীরা ভাড়া মওকুফের দাবী জানিয়ে আসছে।এ নিয়ে গত ২৩ জুন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের মেসভাড়ার বিষয়টির সুরাহাকল্পে ১০ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করে। তবে কমিটি গঠনের ৭ দিন অতিবাহিত হলেও কমিটির

পক্ষ হতে এখনো কোন সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।পড়াশোনার জন্যে দেশের অধিকাংশ শিক্ষার্থীকে বসবাস করতে ভাড়া বাসা বাড়ি এবং মেসে। আবাসন সংকট থাকায় অনেকের জায়গা হয় না হলগুলোতে ফলে বাধ্য হয়ে বসবাস করতে হয় এসব স্থানে।এদিকে করোনার কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অধিকাংশ শিক্ষার্থী মেস বা ভাড়া বাসা

ছেড়ে চলে এসেছে নিজের বাড়িতে। না থেকেও মাসে মাসে ভাড়া দিতে হচ্ছে। এ যেন মরার উপর খাড়ার ঘা হয়ে দাড়িয়েছে এসব শিক্ষার্থীর উপর।এমন ই এক শিক্ষার্থী নোয়াখালীর পলাশ। রাজধানীর বেসরকার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিবিএ অধ্যয়নরত এই শিক্ষার্থী ১৯ ই মার্চ ঢাকা ছেড়ে নিজের এলাকায় চলে আসে। কিন্তু চলে আসলে প্রতি মাসে মেসের সিট ভাড়া দিতে হয় তাকে।

মেসের মালিক জয়নাল তাকে ভাড়ার জন্যে চাপ দিতে থাকে। গত দুই মাসের সিট ভাড়া দিতে পারলেও এই মাসে পলাশ সাফ জানিয়ে দেয় তার হাতে আর টাকা নেই।পলাশ আকুতি মিনতি করে জয়নাল যেন তাদের সিটভাড়া মাফ করে দেয় সে আর মেসের সিট ভাড়া দিতে পারবে না।কিন্তু মেসের মালিক জয়নাল কোনভাবেই সিট ভাড়া মাফ করবে না। যদি সিট ভাড়া না দেয় তবে তাদের সব মালপত্র বিক্রি করে টাকা

পয়সা আদায় করে নিবে বলে হুমকি দেয় মেস মালিক জয়নাল।পলাশ এতেই যেন ক্ষিপ্ত হয়ে যায়। সে ফুসলিয়ে ফাসলিয়ে প্রেমের অভিনয় করে জয়নালের ছোট মেয়েকে সুমাইয়াকে নিয়ে পালিয়ে যায়। পালিয়ে গিয়ে দুজন বিয়ে করে ফেলে। জয়নাল এই ঘটনায় এই মেয়ে ও মেয়ের জামাইকে মেনে নেয় নি। উলটো মেস মালিক জয়নাল মেয়ের জামাই পলাশ এর বিরুদ্ধে থানায় প্রতারণার মামলা দায়ের করেছে। এদিকে ঘটনার পর পলাশ ও মেসের মালিকের মেয়ে সুমাইয়া পলাতক রয়েছে। গোপন সূত্রে জানা গেছে সুমাইয়া ইমুতে বাসায় ভিডিয়ো কল

করে বাসার সব খোজ খবর নিচ্ছে। তার বাবাকে যাতে বুঝিয়ে বলে, তাদের মেনে নিতে এই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

Categories
Uncategorized

৯ বছরেও নি’জেকে জী’বিত প্র’মাণ করতে পারেনি আওয়াল

স্বাভাবিক মানুষের ম;তো চলা;ফেরা ;করলেও মৃ;ত;দের তালিকা তার নাম। নিজেকে জী;বিত ;প্র;মাণ করতে দীর্ঘ নয় বছর ধরে সরকারি

বিভিন্ন দফতরে ছুটে বেড়াচ্ছেন নেত্রকোনা মদনের আব্দুল আওয়াল। আওয়াল মদন পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ফজলুর রহমানের ছেলে।
২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করলেও গরমিলের এই হিসাব দানা বাঁধে ২০১২ সালে । ওই

বছর নতুন করে ভোটার তালিকা হালনাগাদের পরপরই মৃতদের তালিকায় যুক্ত হয় তার নাম। তালিকায় নাম আসার পর দীর্ঘ ৯ বছর পার হলেও মিলেনি প্রতিকার। লম্বা এই সময় ধরে নানা সুযোগ-সুবিধা বঞ্চিত হওয়ার পাশাপাশি সরকারি বেসরকারি চাকরির সুযোগও হয়েছে হাতছাড়া । এছাড়াও সারাদেশে চলমান করোনা ভাইরাসের টিকা প্রদান কার্যক্রম থেকে বঞ্চিত।

টিকার নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় জাতীয় পরিচয় পত্রে মৃত উল্লেখ থাকায় টিকা নিতে পারেননি তিনি। তবে ২০১৪ পৌরসভার মেয়রের কাছ থেকে জীবিত থাকার একটি প্রত্যয়ন নিয়ে কোনোরকমে সাধারণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে । সম্প্রতি জীবিত থেকেও মৃ;ত এই নিয়ে একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনায় উঠে

এসেছেন আওয়াল। অনেকেই এই সাক্ষাৎকার ব্যঙ্গ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অ;পপ্র;চার করায় দুঃ;খ প্র;কাশ করেন তিনি ।
আব্দুল আওয়াল জানান, বছর ধরে আবেদন করে উপজেলার নির্বাচন অফিসে ঘুর;ছি শুধু নিজেকে জী;বিত প্রমাণ করতে। আর দীর্ঘ সময় ধরে নির্বাচন অফিসের কর্মকর্তারাও আশ্বাস দিয়ে যাচ্ছেন তালিকা সংশোধন। কিন্তু আজ পর্যন্ত এই তালিকা সংশোধন হয়নি। আর এই তালিকা সংশোধন হয় কি না তা নিয়েও সন্দেহ আছে।

তিনি বলেন, জাতীয় পরিচয় পত্রের জটিলতার জন্য আমি সরকারি আবেদনসহ কোনো ধরনের আবেদন করতে পারছি না। আমার সরকারি চাকরির বয়স শেষ হয়ে গেছে। আমার বাড়িটিও খারিজ করা একান্ত প্রয়োজন। কিন্তু কিছুই করতে পারছি না। আমি আজ সমাজে জীবিত থাকলেও কাগজে মৃ;ত আছি। কেনো আমাকে ভোটার তালিকায় কর্তন করা হলো বিষয়টি

তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপ;ক্ষের আশু হ;স্ত;ক্ষে;প কামনা করেন। তিনি আরো বলেন, গত ২/৩ দিন আগে আমার বিষয়টি একটি বেসরকারি টেলিভিশনে লাইভ অনুষ্ঠানে দীর্ঘক্ষন আলোচনা হয় । আমি নিজেও এই অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে আমার সমস্যাগুলো তুলে ধরি। তবে অনুষ্ঠানের অল্প কিছু অংশ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যঙ্গ অনেকেই অপপ্রচার করছে। আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই।

এ ব্যাপারে মদন উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আল মাহবুব আলম জানান, বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। একজন মানুষ জীবিত থাকা সত্ত্বেও তার ভোটার আইডি মৃ;ত বহন করতে হচ্ছে, মানতে পারছি না। উপজেলা নির্বাচন অফিস দ্রুত ব্য;বস্থা নেবে বলে আমি মনে করছি। উপজেলা নির্বাচন অফিসার মো. হামিদ ইকবাল বিষয়টি দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিয়ে জানান, ২০১২ সালে ভোটার তালিকা হালনাগাদের সময় তথ্য সংগ্রহকারী সাংবাদিক আওয়ালকে হয়তো মৃ;ত উল্লেখ করেছেন বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। আমি নতুন যোগদান করেছি।

আপনার মাধ্যমে জানতে পারলাম তিনি লিখিতভাবে আবেদন করেছেন। বিষয়টি নিয়ে আমি হেড অফিসে কথা বলবো।