Categories
Uncategorized

ছাত্রলী’গের স্ত্রী’কে ভা’গিয়ে নিয়ে গেলে’ন পু’লিশ ক’র্ম’কর্তা

তিন স’ন্তানের জননীকে ভাগিয়ে নিয়ে বিয়ে ক’রেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থা’না পু’লিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) রাসেল

মিয়া। এ নিয়ে তোলপাড় চলছে। বিবা’হিত হওয়ার পরও প্রবাসীর স্ত্রী’কে ভাগিয়ে নিয়ে বিয়ে করে এখন উভ’য় সং’কটে পু’লিশ ক’র্মকর্তা রাসেল। এ ঘ’টনায় গত ১৭ সেপ্টেম্বর পু’লিশ সুপারের কাছে লিখিত অ’ভিযোগ দিয়েছেন প্রবাসী মো. কবির হোসেন। অ’ভিযোগ সূত্রে জা’না

যায়, ২০০৯ সালে সদর উপজে’লার ক্ষুদ্র ব্রাহ্মণবাড়িয়া গ্রামে বিয়ে করেন কবির হোসেন। তাদের ঘরে রয়েছে তিন শি’শুস’ন্তান। ২০১৭ সালের ২ আগস্ট সৌদি আরবে পাড়ি জমান কবির। ২০১৮ সালে কবিরের শ্যালক সাব্বিরের পু’লিশ ক্লিয়ারেন্স আনতে গিয়ে সদর মডেল থা’না পু’লিশের এএসআই রাসেল মিয়ার স’ঙ্গে পরিচয় হয় কবিরের স্ত্রীর।

পরিচয়ের সূত্র ধ’রে প্রবাসীর স্ত্রীর স’ঙ্গে অবৈ’ধ সম্প’র্ক গড়ে তোলেন রাসেল। কবিরের অ’ভিযোগ, আমা’র স্ত্রী’কে বিয়ে করে পু’লিশ ক’র্মকর্তা রাসেল শহরের কলেজপাড়া এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস ক’রতে থাকেন। প্রবাসে থাকাকালে স্ত্রীর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ১১ লাখ ১৩ হাজার টাকা পাঠাই। সেই টাকা নিয়ে রাসেলের স’ঙ্গে চলে গেছেন স্ত্রী। জা’না যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থা’নায় ক’র্মরত থাকা

অব’স্থায় প্রবাসীর স্ত্রী’কে বিয়ে করেন দুই স’ন্তানের জনক রাসেল। প্রবাসীর স্ত্রী’কে ভাগিয়ে নিয়ে বিয়ের ঘ’টনা জা’নাজানি হওয়ার পর দ্রু’ত নোয়াখালী জে’লায় বদলি হন রাসেল। তবে ঘ’টনার খবর পেয়ে গত ১ সেপ্টেম্বর সৌদি আরব থেকে দেশে ছুটে আসেন প্রবাসী কবির। এরপর সংসার ভা’ঙার বিচার নিয়ে হাজির হন জে’লা পু’লিশের শী’র্ষ ক’র্মকর্তাদের কাছে।

কবির বলেন, বিয়ের পর থেকে পর্দানশীল ছিল আমা’র স্ত্রী। কিন্তু প্রবাসে থাকার সময় সেই স্ত্রীর বেসামাল ছবি দে’খতে পাই। স্ত্রী সিগারেট টানছেন, ম’দের বোতল বি’ছানায় ছড়ানো। এমন ছবি আমা’র কাছে পা’ঠানো হয়। বিদেশে যাওয়ার সময় শ্বশুরবাড়ি কান্দিপাড়া এলাকায় স্ত্রী-স’ন্তানকে রেখে যাই। কিন্তু রাসেলের স’ঙ্গে সম্প’র্ক হওয়ার পর কান্দিপাড়া ছে’ড়ে কলেজপাড়ায় বাসা ভাড়া নেয় স্ত্রী।

খোঁ’জ নিয়ে জা’না যায়, প্রবাসে থাকাকালে গত ৫ মে কবিরকে তালাক দেন স্ত্রী। তালাকের নোটিশ আগস্ট মাসে সৌদি আরবে কবিরের হাতে পৌঁছে। এরই মধ্যে রাসেলকে বিয়ে করেন তিনি। এ বি’ষয়ে প্রবাসীর স্ত্রী বলেন, আগের স্বা’মীর স’ঙ্গে গত দুই বছর ধ’রে বনিবনা ছিল না। আমি যদি কবিরের সংসার না করি তাহলে আরেকজনকে বিয়ে করার অধিকার আমা’র আছে। রাসেল পারিবারিকভাবে আমা’র পরিচিত। তার স’ঙ্গে সম্প’র্ক

নিয়ে মানুষ নানা কথা বলছে। সে কারণে রাসেলকে বিয়ে করেছি। তিনি আরও বলেন, সংসার করা এই বিয়ের উদ্দেশ্যে নয়। যদি সংসার করার ই’চ্ছা থাকতো তাহলে তার স’ঙ্গে নোয়াখালী চলে যেতাম। আমি জানি তার বউ-বাচ্চা আছে। এরপরও তাকে বিয়ে করেছি। তবে নিজেকে প’রিস্থিতির শি’কার দা’বি করে পু’লিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) রাসেল মিয়া বলেন, বিয়ে না করলে ঝামেলা হবে বলেই বিয়ে ক’রতে হয়েছে। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পু’লিশ সুপার মো. আনিসুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন,

অ’ভিযোগের বি’ষয়টি আম’রা ত’দন্ত করে দেখছি। ত’দন্ত প্র’তিবেদন পেলে এ বি’ষয়ে পরবর্তী ব্যব’স্থা নেয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *