Categories
Uncategorized

৯ বছরেও নি’জেকে জী’বিত প্র’মাণ করতে পারেনি আওয়াল

স্বাভাবিক মানুষের ম;তো চলা;ফেরা ;করলেও মৃ;ত;দের তালিকা তার নাম। নিজেকে জী;বিত ;প্র;মাণ করতে দীর্ঘ নয় বছর ধরে সরকারি

বিভিন্ন দফতরে ছুটে বেড়াচ্ছেন নেত্রকোনা মদনের আব্দুল আওয়াল। আওয়াল মদন পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ফজলুর রহমানের ছেলে।
২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করলেও গরমিলের এই হিসাব দানা বাঁধে ২০১২ সালে । ওই

বছর নতুন করে ভোটার তালিকা হালনাগাদের পরপরই মৃতদের তালিকায় যুক্ত হয় তার নাম। তালিকায় নাম আসার পর দীর্ঘ ৯ বছর পার হলেও মিলেনি প্রতিকার। লম্বা এই সময় ধরে নানা সুযোগ-সুবিধা বঞ্চিত হওয়ার পাশাপাশি সরকারি বেসরকারি চাকরির সুযোগও হয়েছে হাতছাড়া । এছাড়াও সারাদেশে চলমান করোনা ভাইরাসের টিকা প্রদান কার্যক্রম থেকে বঞ্চিত।

টিকার নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় জাতীয় পরিচয় পত্রে মৃত উল্লেখ থাকায় টিকা নিতে পারেননি তিনি। তবে ২০১৪ পৌরসভার মেয়রের কাছ থেকে জীবিত থাকার একটি প্রত্যয়ন নিয়ে কোনোরকমে সাধারণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে । সম্প্রতি জীবিত থেকেও মৃ;ত এই নিয়ে একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনায় উঠে

এসেছেন আওয়াল। অনেকেই এই সাক্ষাৎকার ব্যঙ্গ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অ;পপ্র;চার করায় দুঃ;খ প্র;কাশ করেন তিনি ।
আব্দুল আওয়াল জানান, বছর ধরে আবেদন করে উপজেলার নির্বাচন অফিসে ঘুর;ছি শুধু নিজেকে জী;বিত প্রমাণ করতে। আর দীর্ঘ সময় ধরে নির্বাচন অফিসের কর্মকর্তারাও আশ্বাস দিয়ে যাচ্ছেন তালিকা সংশোধন। কিন্তু আজ পর্যন্ত এই তালিকা সংশোধন হয়নি। আর এই তালিকা সংশোধন হয় কি না তা নিয়েও সন্দেহ আছে।

তিনি বলেন, জাতীয় পরিচয় পত্রের জটিলতার জন্য আমি সরকারি আবেদনসহ কোনো ধরনের আবেদন করতে পারছি না। আমার সরকারি চাকরির বয়স শেষ হয়ে গেছে। আমার বাড়িটিও খারিজ করা একান্ত প্রয়োজন। কিন্তু কিছুই করতে পারছি না। আমি আজ সমাজে জীবিত থাকলেও কাগজে মৃ;ত আছি। কেনো আমাকে ভোটার তালিকায় কর্তন করা হলো বিষয়টি

তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপ;ক্ষের আশু হ;স্ত;ক্ষে;প কামনা করেন। তিনি আরো বলেন, গত ২/৩ দিন আগে আমার বিষয়টি একটি বেসরকারি টেলিভিশনে লাইভ অনুষ্ঠানে দীর্ঘক্ষন আলোচনা হয় । আমি নিজেও এই অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে আমার সমস্যাগুলো তুলে ধরি। তবে অনুষ্ঠানের অল্প কিছু অংশ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যঙ্গ অনেকেই অপপ্রচার করছে। আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই।

এ ব্যাপারে মদন উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আল মাহবুব আলম জানান, বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। একজন মানুষ জীবিত থাকা সত্ত্বেও তার ভোটার আইডি মৃ;ত বহন করতে হচ্ছে, মানতে পারছি না। উপজেলা নির্বাচন অফিস দ্রুত ব্য;বস্থা নেবে বলে আমি মনে করছি। উপজেলা নির্বাচন অফিসার মো. হামিদ ইকবাল বিষয়টি দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিয়ে জানান, ২০১২ সালে ভোটার তালিকা হালনাগাদের সময় তথ্য সংগ্রহকারী সাংবাদিক আওয়ালকে হয়তো মৃ;ত উল্লেখ করেছেন বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। আমি নতুন যোগদান করেছি।

আপনার মাধ্যমে জানতে পারলাম তিনি লিখিতভাবে আবেদন করেছেন। বিষয়টি নিয়ে আমি হেড অফিসে কথা বলবো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *