Categories
Uncategorized

সবচেয়ে বেশি ইসরাইলি যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছিলেন বাংলাদেশের সাইফুল !!

বাংলাদেশি সাইফুল আজম পৃথিবীর ই;তিহাসের একমাত্র যো;দ্ধা যিনি আকাশপথে ল;ড়াই করেছেন তিনটি ভিন্ন দেশের বি;মানবাহিনীর হয়ে।

আর একক ব্যক্তি হিসেবে আ;কাশপথের যু;দ্ধের ইতি;হাসে স;র্বোচ্চ সংখ্যক ই;রাইলি যু;দ্ধবিমান ভূ;পাতিত করার অনন্য রে;কর্ড গড়েছেন।বর্ণাঢ্য কর্ম;জীবনে

একের পর এক ই;তিহাস রচনা করে গেছে;ন এই বীর বাঙালি। পৃথিবীর ২২ জন ‘লিভিং ঈগলের’ অন্যতম ছিলেন এই বাঙালি বৈ;মানিক। ১৯৭১ সালের আগে পাকিস্তান বি;মানবাহিনীতে ক;র্মরত ছিলেন সাইফুল আজম।

স্বাধীনতার পর তিনি বাংলাদেশ বি;মানবাহিনীতে যোগ দেন। পাকিস্তান বি;মান;বাহিনীতে কর্মরত অবস্থায় ১৯৬৭ সালের জুন মাসে তৃতীয় আরব-ই;সরাইল যু;দ্ধ শুরু হয়।

যু;দ্ধে অংশ নিতে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে ই;রাকি বি;মানবাহিনীতে বদলি হন সাইফুল আজম। পশ্চিম ইরাকে অব;স্থান নিয়ে ই;সরাইলিদের বি;রুদ্ধে যুদ্ধ করছিলেন তিনি।

যু;দ্ধ শুরু হওয়ার মাত্র ৫ দিনের মাথায় গা;জা এবং সিনাইয়ের ক;র্তৃত্ব নিয়েছিল ইসরাইল। জুনের ৫ তারিখে সিরীয় বিমানবাহিনীর দুই-তৃতীয়াংশ

শ;ক্তি ধ্বং;স করে দেয় ইস;রাইলি বি;মান সে;নারা। তেমন কোনো প্রতি;রোধ ছাড়াই ইস;রাইল পশ্চি;ম তীর এবং জে;রুজালেম তারা দখল করেছিল। দখল করেছিল সিরিয়ার গো;লান মা;লভূমিও।

তাদের সামনে বি;ন্দুমাত্র প্র;তিরোধ তৈরি করতে পারেনি মধ্যপ্রাচ্যের কোনো দেশ। এ সময় ইস;রাইলিদের যমদূত হয়ে জ;র্ডানে যান সাইফুল আজম। ৬ জুন আকাশ থেকে

প্র;চণ্ড আ;ক্রমণে মিসরীয় বি;মানবাহিনীর যু;দ্ধ-স;রঞ্জা;ম গুড়িয়ে দেয় ই;সরাইলি বা;হিনী। একই দিন বেলা ১২টা ৪৮ মিনিটে চারটি ইসরাইলি সুপারসনিক ‘ডাস;ল্ট সুপার মি;স্টেরে’ জ;ঙ্গি বিমান ধেয়ে আসে জ;র্ডানের মাফরাক বি;মান ঘাঁটির দিকে।

এবার তাদের লক্ষ্য জ;র্ডানের ছোট্ট বি;মানবাহিনীকে নি;শ্চিহ্ন করে দেয়া। সে সময় ই;সরাইলি সু;পারসনিকের বি;রুদ্ধে ল;ড়াই চালিয়ে যাওয়ার মতো

সমকক্ষ বি;মান আরবীয়দের ছিল না। তবু ইস;রাইলিদের ঠেকাতে মা;ফরাক বিমান ঘাঁটি থেকে ‘হকার হান্টার’ জ’ঙ্গি বিমান নিয়ে বুক চিতিয়ে উ;ড়াল দেন সাইফুল আজম।

আর সেই হকার হান্টার দিয়েই ক্ষি;প্রগতির দুটি ইসরাইলি সুপা;রসনিক ঘা;য়েল করে ফেললেন সাইফুল আ;জম। তার অ;ব্যর্থ আ;ঘাতে ভূপাতিত হয় একটি ই;সরাইলি ‘সু;পার মি;স্টেরে’।

আরেক আ;ঘাতে প্রায় অকে;জো হয়ে ধোঁয়া ছা;ড়তে ছা;ড়তে কোনো মতে পালিয়ে ইস;রাইলি সী;মানায় গিয়ে আ;ছড়ে পড়ে আ;রেকটি বিমান।

সে দিন অ;কুতো;ভয় বৈ;মানিক সাইফুল আজমের অক;ল্পনীয় বীর;ত্বের কারণে ইসরাইলের পুরো পরিকল্পনাই ভেস্তে যায়। উল্টো নিজেদেরই দুটো বি;মান হা;রায় তারা।

এমন বী;রত্বের জন্য পু;রস্কারস্বরূপ সাইফুল আজমকে ‘হুসাম-ই-ইস্তি;কলাল’ স;ম্মাননায় ভূষিত করে জ;র্ডান সরকার। সাইফুল আজমের কাছে ই;সরাইলি বৈমা;নিকদের ধরা;শায়ী হওয়া এটাই প্রথম। পরদিনই তার কৃ;তিত্বে ইরাকি বৈ;মানিক দলের কাছে চর;মভাবে প;রাজিত হয় ই;সরাইলিরা।

৭ জুনে ইরাকের ‘এইচ-থ্রি’ ও ‘আল-ওয়ালিদ’ ঘাঁটি রক্ষা করার দায়িত্ব পড়ে এক ইরাকি বৈমা;নিক দলের কাঁধে। আর সাইফুল আজম সেই দলের অধিনায়ক।

সে দিন চারটি ‘ভেটোর বো;ম্বার’ ও দু’টি ‘মিরেজ থ্রিসি’ জ;ঙ্গি বিমান নিয়ে আ;ক্রমণ চা;লায় ইস;রাইল। একটি ‘মিরেজ থ্রিসি’ বিমানে ছিলেন ইস;রায়েলি ক্যাপ্টেন গিডিওন দ্রো;র।

দ্রোরের গু;লিতে নি;হত হন আ;জমের উ;ইংম্যান। তার হা;মলায় ভূ;পাতিত হয় দুটি ইরাকি বিমান। পর;ক্ষণেই এর জবাব দেন আ;জম। তার অ;ব্যর্থ টা;র্গেটে পরিণত হয় দ্রো;রের মি;রেজ থ্রি;সি।

সে আ;ঘাতের পর বাঁচার উপায় না পেয়ে যু;দ্ধ;বন্দি হিসেবে ধ;রা দেন ক্যা;প্টেন দ্রোর। ওই যু;দ্ধবন্দির বিনি;ময়ে জ;র্ডান ও ইরা;কের স;হস্রা;ধিক সৈ;ন্যকে মু;ক্ত করে ই;সরাইল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *