Categories
Uncategorized

অগ্নিকাণ্ডে নি’হ’ত’দের পরিবারকে ২ লাখ টাকা করে দেওয়া হবে

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মন্নুজান সুফিয়ান জানিয়েছেন, নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে হাসেম ফুডস ও সজীব গ্রুপের খাদ্যপণ্যের

কারখানার অগ্নিকাণ্ডে আ;;হতদে;র প্রত্যেককে চিকিৎসার জন্য শ্রমিক কল্যাণ তহবিল থেকে ৫০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে এছাড়া নি’হত’দের পরিবারকে চিহ্নিত করে তাদের ২ লাখ টাকা করে দেওয়া হবে। শুক্রবার (৯ জুলাই) সন্ধ্যায় আগুনে ক্ষতিগ্রস্থ হাসেম ফুড

বেভারেজ পরিদর্শনে এসে তিনি একথা জানান। শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বলেন, যেসব শ্রমিক নি;হ;ত হয়েছেন তাদের পরিবারকে মালিকপক্ষের কাছ থেকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ আদায় করে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, এ ঘটনায় যদি মালিকপক্ষের গাফিলতি থাকে বা কলকারখানা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের যদি কোনো গা;ফিলতি

থাকে সে ব্যাপারে আই;ন;গত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কারণ এসব প্রতিষ্ঠানে শ্রমিক বান্ধব পরিবেশ আছে কিনা তা দেখার দায়িত্ব কল কারখানা অধিদপ্তরের। এর মধ্যেই তিনটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এসব কমিটির রিপোর্ট অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন শ্রমিক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কাউসার আহমেদ পলাশ ও রুপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী

কর্মকর্তা শাহ্ নুসরাত জাহান। এর আগে বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার উপজেলার কর্ণগোপ এলাকায় অবস্থিত ওই কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে ডেমরা, কাঞ্চনসহ ফায়ার সার্ভিসের ১৮টি ইউনিট আগুন নেভানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। অপেক্ষারত স্বজনরা জানান, সারারাত অপেক্ষা করেছি এখনো করছি জীবিত না

পেলেও যেন ম;র;;দে;হ পাই। এখন অপেক্ষা ছাড়া আর কিছুই করার নেই। এদিকে, অনেকেই ছাদ থেকে লা;ফি;য়ে প;ড়ে বাঁচা;র চেষ্টা করে গুরুত্বর আ;;;হত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এদের অনেককেই স্থানীয় হাসপাতালের পাশাপাশি ঢাকা মেডিক্যালসহ ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের নারায়ণগঞ্জ জেলার উপ-পরিচালক

আব্দুল্লাহ আল আরেফীন জানান, আগুন প্রায় নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছিল ভোরের দিকে, সকালে আবারো বেড়ে যায় আগুন। আমরা কাজ করছি। লা;;;শে;র সংখ্যা জানানো হবে পরে। শ্রমিক ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কর্ণগোপ এলাকায় সেজান জুস কারখানায় প্রায় সাত হাজার শ্রমিক কাজ করেন। সাত তলা ভবনে থাকা কারখানাটির নিচ তলার একটি ফ্লোরের কার্টন থেকে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত ঘটে। এক পর্যায়ে আগুন পুরো ভবনে ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় কালো ধোয়ায় কারখানাটি অন্ধকার হয়ে যায়। এক পর্যায়ে শ্রমিকরা ছোটাছুটি করতে

শুরু করে। কেউ কেউ ভবনের ছাদে অবস্থান নেন। আবার কেউ কেউ ছাদ থেকে লা’ফিয়ে পড়তে শুরু করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *