Categories
Uncategorized

আগুন লাগার পরেও গেট খোলেনি কর্তৃপক্ষ, মৃ’তের সংখ্যা বে’ড়ে ৫২ জন

গতকাল সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ভয়াবহ আগুন লাগা কারাখানাটি থেকে একে;র পর এক লা;শ বের করা হচ্ছে। নি;হ;তের সংখ্যা

এখন পর্যন্ত ৫২ ছাড়িয়েছে। এর আগে দুর্ঘটনার কারণ উদঘাটনে ৫সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শামীম বেপারীকে আহবায়;ক করে পাচঁ সদস্যবিশিষ্ট এই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। এদিকে ;নি;হ;ত ৫২ জনের লা;শ

ঢাকা মেডি;কেল কলে;জে নেয়া হচ্ছে। নিখোঁজদের ;খোঁ;জে স্ব;জনরা ভির কর;ছে কারখানা বা;হিরে। নিহ;;তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ফায়ার সার্ভিস। আজ শুক্রবার সকালেও কারখানার চারতলায় আগুন জ্ব;লতে দেখা গেছে। এর আগে ৭০ থেকে ৮০ জন শ্র;মিক এখনও ওই ভবনের ভেতরে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন অন্যান্য শ্রমিক ও নিখোঁজের স্বজনরা।

শ্রমিকদের স্বজন ও প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, ছয়;তলা ভবনটির মধ্যে চতুর্থ;তলার শ্রমিক;রা কে;উ ;বে;র হ;তে পারেননি। সিকিউরিটি ইনচার্জ; চারতলার কেচি গেটটি বন্ধ করে রাখায় কোনো শ্র;মিকই বের হতে পা;রেননি। সেখানে ৭০ থেকে ৮০ জন শ্র;মি;ক কাজ করতেন। এদিকে আ;জ সকা;লে কারখানা;র আগু;ন নে;ভাতে দে;রির অ;ভিযো;গ

করে এ;কটি ভব;নে ;ভাঙ;;চুর করেছেন বিক্ষু;ব্ধ লো;ক;জন। আগু;নে পু;ড়ে যাওয়া ভ;বনের পাশে;র ভবনটি;তে শুক্রবা;র বেলা পৌনে ১১টার দিকে তারা ভাঙচুর চালান। ওই সময় ওই ভবনের কাছে সড়কে প্রাইভেট কার, মোটরসাইকেলসহ ১০ থেকে ১২টি গাড়িও ভাঙ;চুর করেন তারা। লাঠি হাতে থাকা বি;ক্ষুব্ধ লোকজন ঢাকা-সিলেট মহা;ড়ক অ;বোরধ করতে চাইলে পুলিশ

তাদের বা;ধা দেন। ওই সময় পুলিশের সঙ্গে তাদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করেছে।
কারখানা সূত্রে জানা গেছে, ছয় তলার কারখানাটির প্রতিটি তলায় একটি করে সেকশন রয়েছে। প্রতিটি সেকশনে একটি করে প্রবেশ ও বের হওয়ার গেট রয়েছে তিন শিফটে ২৪ ঘণ্টায় কারাখানটিতে বিস্কিট,

চকোলেটসহ নানা রকম খাদ্যদ্রব্য তৈরি হয়। প্রতি শিফটে শ্রমিক ঢোকার পর সেকশনের কেচি গেট বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। শিফট শেষ হওয়ার পর গেট খোলে কর্তৃপক্ষ। শ্রমিকরা অভিযোগ করে বলেন, কারখানার নিচে গোডাউনের কার্টুনে আগুন লাগার বিষয়টি ওপরে কর্মরত অনেক শ্রমিকই জানতেন না। কিন্তু মুহূর্তের মধ্যে আগুন গোটা বিল্ডিংয়ে ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় শ্রমিকরা বাঁচার জন্য দৌড়াদৌড়ি শুরু করে।

কিন্তু আগুন লাগার পরেও কর্তৃপক্ষ সেক;শনে থাকা কেচি গেট খুলছিল না। ফলে অনেক শ্রমিক জী;বন বাঁ;চা;নোর জন্য বিল্ডিং থেকে লাফ দিয়ে নি;চে প;ড়ে;ন। এ সময় দুই শ্র;মি;ক মা;রা যান। তারা আরও অভিযোগ করেন, কেচি গেট বন্ধ থাকায় প্রথমে শ্রমিকরা বের হতে পারেননি। পরে আগুনের ব্যাপকতা বেড়ে যাওয়ায় শ্রমি;কদের

চিৎকার চেচামেচিতে কেচি গেট খুলে দেয় কর্তৃপক্ষ। ফলে অনেক শ্র;মিক বের হতে পেরেছিলেন আরও অ;নেকে ভেতরে আটকা পড়েন। হৃদয় নামের এক শ্রমিক অভি;যোগ করে বলেন, আমি চার তলার সেকশনে কাজ করছিলাম। আগুন লাগার পর আমরা ভেতরে থেকে বের হতে পারছিলাম না গেট বন্ধ থাকায়। পরে আগুন বেড়ে গেলে গেট খুলে কর্তৃপক্ষ।

এর মধ্যে আগুন সেকশনে চলে আসায় অনেক লাফ দিয়ে নিচে পড়েন জীবন বাঁচাতে। আবার আগুনের ধোঁয়ার কারণে অনেককে সেকশনে অজ্ঞান হয়ে পড়ে থাকতেও দেখেছি। মো. রাব্বানী নামে আরেক শ্রমিক জানান, যদি সময় মতো কেচি গেট খুলে দেওয়া হতো তাহলে আমরা সবাই বেরিয়ে আসতে পারতাম। কিন্তু কেচি গেট বন্ধ থাকায় আমরা

শুরুতে বের হতে পারিনি। পরে গেট খুলে দেওয়া হলেও আমার ধারণা ৩০-৪০ জন শ্রমিক বের হতে পারেননি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *