Categories
Uncategorized

গভীর রাতে ভ্যানচালকের কান্না দেখে অঝোরে কাঁদলেন পুলিশ, বাড়িয়ে দিলেন সহযোগিতার হাত,মুহূর্তেই ভাইরাল

সাম্প্রতিক সময়ে অসুস্থ নারী-পুরুষ-শিশুদের পুলিশের গাড়িতে তুলে ক্লিনিক কিংবা হাসপাতালে পৌঁছানো থেকে শুরু করে তাদের চিকিৎসা

নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে পুলিশ সদস্যদের ভূমিকা সর্বজনবিদিত। আর নিজেদের খাবার অসহায় অনাহারী মানুষের মাঝে ভাগ করে দেওয়ার হৃদয় নিংড়ানো মানবতা যেন পুলিশের নিত্যকর্ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। পুলিশের তৃণমূল পর্যায়ের ইউনিট সদস্যরাও ‘দিনে অন্তত একটি ভালো কাজের’

দৃষ্টান্ত রাখার চেষ্টা চালাচ্ছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মিজানুর রহমানের মতো কিছু পুলিশ সদস্যের করা দৃষ্টান্তমূলক কর্মকান্ডে পাল্টে দিচ্ছে পুলিশ সম্পর্কে সাধারণ মানুষের চিরাচরিত ধ্যান-ধারণা। সরকারি শিশু পরিবারের ‘অনাথ’ হাবিবা আক্তারের অভিভাবকত্ব গ্রহণ করে তার রাজকীয় বিয়ে দিয়ে দেশজুড়ে

ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছেন পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মিজানুর রহমান। হাবিবার পর এসপি মিজানুর রহমান পাশে দাঁড়ান প্রতিবন্ধী শিশু মৌসুমীর। দুর্ঘটনায় পঙ্গু হয়ে যাওয়া ৯ বছরের শিশু মৌসুমীকে সুস্থ করার দায়িত্ব নিজ কাঁধে তুলে নেন তিনি। এরপর জেলা শহরের নয়নপুর গ্রামের দিনমজুর আলাউদ্দিনকে স্বাবলম্বী করার উদ্যোগ নিয়ে সর্বত্রই প্রশংসিত

হন এসপি মিজানুর রহমান। চট্টগ্রামে চেকপোস্টে ডিউটিকালে কুকুর শাবকের জীবন বাঁচাতে নোংরা আবর্জনাময় নালায় ঝাঁপিয়ে পড়তেও দ্বিধা করেননি কনস্টেবল রাজিব কুমার রায়। তিনি এসএএফ শাখায় চাকরিরত আছেন দামপাড়া পুলিশ লাইন্সে। সম্প্রতি রাজধানীর মহাখালী ফ্লাইওভারের নিচে নিয়ন্ত্রণহীন এক গাড়ির প্রচন্ড ধাক্কায় পর পর ৮-১০টি

গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, আহত হয় বেশ কয়েকজন যাত্রী-পথচারী। তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশের নারী কর্মকর্তা পপি নিজেই ড্রাইভ করে
দুর্ঘটনাকবলিত বাসগুলোকে সরিয়ে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করেন। আহতদের নিজ হাতে সেবা দিতে থাকেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *