Categories
Uncategorized

পুরুষরা এত খারাপ কেনঃ হেলেনা জাহাঙ্গীর

দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে গত শনিবার আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক উপকমিটি থেকে বহিষ্কার করা হয় হেলেনা জাহাঙ্গীরকে এ

ঘটনার একদিন পর সোমবার রাত ৯টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড পেজ থেকে ফেসবুক লাইভে এসে কান্নায় ভেঙে পড়েন হেলেনা জাহাঙ্গীর।
হেলেনা জাহাঙ্গীর বলেন, আমি সরকারের জন্য একটা চ্যানেল চালাচ্ছি। সেটা জয়যাত্রা টেলিভিশন। সেই চ্যানেল আমি ভতুর্কি দিয়ে চালাচ্ছি

প্রায় চার বছর যাবৎ। আমি চ্যানেলের বাইরে কোনো কাজ করতে পারি না, এত মনোযোগ দিতে হয় আমাকে। জয়যাত্রা ছোট হোক, চ্যানেল তো। আমি তো চালাচ্ছি সরকারের জন্য। একপর্যায়ে কান্নাজড়িত কন্ঠে তিনি বলেন, আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করে ও লালন করে চলছি। এ বি এম রিয়াজুল কবির কায়সার গতকালকে বলেছিল, হেলেনা

জাহাঙ্গীর আসছে, আমি চলে যাব। আমি বললাম, ভাই, আপনি থাকেন আমি চলে যাই, আমি বের হয়ে গেছি। কেন? আজকেও সেই অবস্থা বলছেন। হ্যাঁ, ’৭১ টিভিতে একটা প্রোগ্রাম ছিল সেই প্রোগামে তিনি বলছেন, উনার নাম কামাল ভাই। উনাকে আমি বললাম, ভাই, আপনি আমাকে এভাবে অপমান করতে পারেন না। হেলেনা জাহাঙ্গীর বলেন, ‘তারপরেও

পুরুষরা এত খারাপ কেন, সব পুরুষ না, কিছু কিছু পুরুষ। এত খারাপ মেয়েদের পিছনে লেগে থাকে। লজ্জা করে না আপনাদের, মেয়েদের পিছনে লেগে থাকতে। মেয়েরা না মায়ের জাতি। মা না থাকলে আপনার জন্ম হতেন না। সেই মেয়েদেরকে আপনারা অপমান করেন, লেলিয়ে দেন; হেলেনা জাহাঙ্গীরের পিছনে লাগো। মন্ত্রী মহোদয় আছেন,

এমপিরা আছেন। আপনাদের যদি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সংসদে ছাতার ভিতরে আগলিয়ে রাখে, আপনাদের যদি পরামর্শ দেয়, আপনাদের পরামর্শ শুনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। সেখানে আপনারা আমাদের পরামর্শ দিবেন। আমাদের কাজ করার সুযোগ দিবেন। আপনারা আমাদের অপমান করেন, অ্যারেস্ট করার হুকুম দেন। আপনি কি অ্যারেস্ট করার হুকুম দিতে পারেন।

আপনি কি বড় জন? আপনি আমাকে অ্যারেস্ট করার ইয়া বলতে পারেন… পারেন না কখনই। আমি যদি আজকে এই কথাগুলো শেয়ার না করতাম, তাহলে আমি হয়তো হার্ট অ্যাটাক করে মারা যেতে পারতাম। স্ট্রোক করেও মরতে পারতাম। আমার যে কষ্ট, এগুলো অবশ্যই শেয়ার করতে হবে। যদি মরেও যাই জাতি যেন মনে রাখে।

যারা লেলিয়ে দিচ্ছে এবং যারা কমেন্ট করছেন; সাইবার ক্রাইমকে অনুরোধ, ওরা কারা, ওরা কোথেকে এসছে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *