Categories
Uncategorized

সুসজ্জিত গাড়িতে চেপে ‘রাজকীয়’ ভাবে অবসরে গেলেন পুলিশ কনস্টেবল ফরিদুল

সুসজ্জিত গাড়িতে চে’পে অবসরে গেলেন গাইবান্ধার পু’লিশ কনস্টেবল ফরিদুল হক। দীর্ঘ ৪০ বছরের চাকরিজীবনের পরিসমাপ্তি ঘটিয়ে শেষ

কর্মস্থল গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ থানা থেকে রোববার দুপুরে তাকে বিদায়ী সংবর্ধ’না দেওয়া হয়। ফরিদুল হক ১৯৮১ সালে পু’লিশের কনস্টেবল পদে যোগদান করেন। তিনি দীর্ঘ ৪০ বছর দেশের বিভিন্ন থানায় দক্ষ’তা ও সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার চাকরিজীবনের শেষ

মুহূর্তকে স্মরণীয় করতে বিশেষ আয়োজন করেছিল শেষ কর্মস্থল গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ থানার সহকর্মীরা। রোববার দুপুরে তাকে বিদায়ী সংবর্ধ’না দেওয়া হয়। এসময় তার হাতে ফুলেল শুভেচ্ছা ও উপহার সামগ্রী তুলে দেন সহকর্মীরা। এরপর সুসজ্জিত পু’লিশের গাড়িতে করে ফরিদুল হককে গাইবান্ধার সদর উপজে’লার লক্ষ্মীপুর গ্রামের বাড়িতে পাঠানো হয়।

সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রা’প্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহিল জামান জানান, গত এক বছর ধরে সুন্দরগঞ্জ থানায় কর্মরত ছিলেন ফরিদুল হক। চাকরির শেষ দিন তার সম্মানে দুপুরে থানায় কর্মরত সকল পু’লিশ সদস্য একস’ঙ্গে খাবার খায়। এরপর তাকে বিদায়ী শুভেচ্ছা জানানোসহ উপহার সামগ্রী তুলে দেয়া হয়। পরে গাড়িতে করে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয় ফরিদুল হককে।

প্রবীণ এই পু’লিশ সদস্যের চাকরিজীবনের শেষ মুহূর্তটিকে স্মরণীয় করে রাখতে বিশেষ এই আয়োজন করা হয়। এদিকে, ঢাক-ঢোল বাজিয়ে আর সুসজ্জিত গাড়িতে করে পু’লিশ সদস্যের অবসরে যাওয়ার এমন বর্ণিল আয়োজনকে ব্যতিক্রমী বলছেন স্থানীয়রা। আ’নন্দঘন এই আয়োজন দেখতে সড়কের দু’ধারে ভিড় করেন এলাকার মানুষ।

সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রা’প্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহিল জামান জানান, গত এক বছর ধরে সুন্দরগঞ্জ থানায় কর্মরত ছিলেন ফরিদুল হক। চাকরির শেষ দিন তার সম্মানে দুপুরে থানায় কর্মরত সকল পু’লিশ সদস্য একস’ঙ্গে খাবার খায়। এরপর তাকে বিদায়ী শুভেচ্ছা জানানোসহ উপহার সামগ্রী তুলে দেয়া হয়। পরে গাড়িতে করে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয় ফরিদুল হককে।

প্রবীণ এই পু’লিশ সদস্যের চাকরিজীবনের শেষ মুহূর্তটিকে স্মরণীয় করে রাখতে বিশেষ এই আয়োজন করা হয়। সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রা’প্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহিল জামান জানান, গত এক বছর ধরে সুন্দরগঞ্জ থানায় কর্মরত ছিলেন ফরিদুল হক। চাকরির শেষ দিন তার সম্মানে দুপুরে থানায় কর্মরত সকল পু’লিশ সদস্য একস’ঙ্গে খাবার খায়। এদিকে, ঢাক-ঢোল বাজিয়ে আর সুসজ্জিত গাড়িতে করে পু’লিশ সদস্যের অবসরে যাওয়ার এমন বর্ণিল আয়োজনকে

ব্যতিক্রমী বলছেন স্থানীয়রা। আ’নন্দঘন এই আয়োজন দেখতে সড়কের দু’ধারে ভিড় করেন এলাকার মানুষ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *