Categories
Uncategorized

২০ জন সুন্দরী রমণী ‘খুশি’ করতো অতিথিদের, ভিডিও করতেন মডেল পিয়াসা

ইয়াবাসহ আট’ক হওয়ার পর ফের আলোচনায় এসেছেন মডেল ফারিয়া মাহবুব পিয়াসা। জানা যায়, তার বাসায় নিয়মিতই বসতো মা’দকের

জমজমাট আসর। তরুণ ও যুবকদের আকর্ষণ করার জন্য পিয়াসার বাসায় যাতায়াত করতো ২০-২৫ জন সুন্দরী রমণী। ঢাকা মহানগর পুলিশের সাইবার ক্রা’ইম বিভাগ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। জানা যায়, মডেল পিয়াসার নেটওয়ার্কে যে ২০-২৫ জন সুন্দরী রমণী রয়েছে, তাদের

কাজ ছিল আগত অতিথিদের ‘খুশি করা’। তাদের মাধ্যমেই বসানো হয় মা’দকের জমজমাট আসর। সেসব আসরে গু’লশান, বনানী, বারিধা’রায় বসবাসকারী ধনাঢ্য ব্যবসায়ী, শিল্পপতি ও তাদের সন্তানদের আমন্ত্রণ জানানো ‘হতো। এর বিনিময়ে রমণীরা চুক্তি অনুযায়ী টাকা পেতেন। সুন্দরী রমণীদের দিয়ে মা’দকের আসর বসিয়ে তিন

ধরনের ফায়দা হাসিল করতেন পিয়াসা। আসরে আগতদের বুঁদ করতে যে মা’দক ব্যবহার করা ‘হতো তার বিল পেত পিয়াসা। এছাড়া রমণীরা উদাম নৃত্যের সময় তাদের ওপর যে টাকা ছিটানো ‘হতো তার বড় অংশও পিয়াসা নিত। পিয়াসা খুব গো’পনে আগতদের ছবি ও ভিডিও করে রাখতেন। এসব ফুটেজকে পরবর্তীতে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতেন তিনি। এছাড়া গু’লশানের

এক ডায়মন্ড জুয়েলারি মালিকেরও ঘনিষ্ঠতা রয়েছে তারা। রমণীদের স’ঙ্গে রাত কা’টানো অতিথিদের পরদিন ওই ডায়মন্ড জুয়েলারি শপ থেকে লাখ লাখ টাকার জুয়েলারি উপহার দিতে বাধ্য করত। পরে ওই জুয়েলারি ফেরত দিয়ে নগদ টাকা নিয়ে নিত পিয়াসা। ডিবি পুলিশের যুগ্ম কমিশনার হারুন-অর রশীদ বলেন, দুজন (দুই মডেল) একটি সং’ঘব’দ্ধ চক্রের সদস্য।

গ্রে’ফতার হওয়া দুই মডেল হলো রাতের রানি। তারা দিনের বেলায় ঘু’মায় এবং রাতে অ’শ্লী’ল কর্মকাণ্ড করে। গত রোববার রাতে রাজধানীর বারিধা’রার বাসায় অ’ভিযান চালিয়ে মা’দকদ্রব্যসহ আলোচিত মডেল ফারিয়া মাহবুব পিয়াসাকে আট’ক করা হয়। পিয়াসার ঘরের টেবিল থেকে চার প্যাকেট ইয়াবা (কত পিস জানা যায়নি), রান্নাঘরের ক্যাব’িনেট থেকে ৯ বোতল বিদেশি ম’দ, ফ্রিজে একটি আইসক্রিমের বাক্স থেকে সিসা তৈরির কাঁচামাল এবং বেশ

কয়েকটি ই-সিগারেট পাওয়া গেছে। এছাড়া পিয়াসার কাছ থেকে ৪টি স্মা’র্টফোন জব্দ করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *