Categories
Uncategorized

ফেঁসে যাচ্ছেন আঁচল, অহনা ও ইভানাসহ ডজনখানেক অভিনেত্রী

বহুল আলোচিত আট’ককৃত ঢাকায় সিনেমার চিত্রনায়িকা পরীমনি ছাড়াও ঢাকার শোবিজ জগতের ডজনখানেক মডেল-অভিনেত্রী নি’ষি’দ্ধ

প’র্নো’ ব্যবসায় জ’ড়িত বলে জানিয়েছে র‌্যাব। তারা হলেন- চিত্রনায়িকা আঁচল, শিরিন শিলা, মডেল অহনা, মৃদুলা, পার্শা ইভানা, মৌরি, শুভা, মানসি ও কথিত মডেল নায়লা নাঈম। তাছাড়াও বেশ কয়েকজন চিত্রনায়কও মা’দ’ক ও অ’বৈধ প’র্নোগ্রা’ফি’ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত

বলে জানিয়েছে র‌্যাব। র‌্যাব জানায়, পরীমনি ছাড়াও ঢাকার শোবিজ জগতের ডজনখানেক মডেল-অভিনেত্রী নি’ষি’দ্ধ প’র্নো’ ব্যবসায় জ’ড়িত। এদের মধ্যে আছেন-জনৈক শুভা, মানসি, পার্শা, মৌরি ও আঁচল। এছাড়া ক্যা’সি’নো সম্রাটের বান্ধবী হিসাবে পরিচিত চিত্রনায়িকা শিরিন শিলা আছেন র‌্যাবের তালিকায়। শিরিন শিলা মূলত ব’হিষ্কৃ’ত

যুবলীগ নেতা আরমানের বান্ধবী হিসাবে পরিচিত ছিলেন। পরে ক্যা’সি’নো সম্রাটের সঙ্গে তার সখ্য গড়ে ওঠে। সম্রাট তাকে এতটাই পছন্দ করতেন যে, সিঙ্গাপুর থেকে লাখ টাকার গয়না এনে দিতেন হরহামেশা। র‌্যাব জানায়, প’র্নো’চ’ক্রে নাম আছে জনৈক মৃদুলা, অহনা ও নায়লা নাঈম নামের ক’থিত মডেলের। এরা সবাই র‌্যাবের নজরদারিতে আছেন। গ্রে’ফ’তার হতে

পারেন যে কোনো সময়। তবে শুধু নায়িকা বা মডেল নন। বেশ কয়েকজন চিত্রনায়ক মা’দক’ এবং অ’বৈ’ধ প’র্নোগ্রাফি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। এদের মধ্যে অন্যতম হাসান নামের জনৈক চিত্রনায়ক। তিনি ১০ বছরের বেশি সময় ধরে সিনেমা জগতের স’ঙ্গে বি’চ্ছি’ন্ন থাকলেও বিলাসহুল জীবনযাপন করছেন। তার ‘অবৈ’ধ আয়ের মূল উৎস প’র্নো’গ্রা’ফি।

সূত্র জানায়, জনৈক হাসান মাঝখানে কিছুদিন এমএলএম ব্যবসার সঙ্গেও যু’ক্ত ছিলেন। বন্ধ হয়ে যাওয়া এমএলএম কোম্পানি ইউনিপে টু ইউর পরিচালক ছিলেন তিনি। এমএলএম ব্যবসায় তার পার্ট’নার ছিলেন রেদোওয়ান বিন ইসাহাক নামের এক পীরের ছেলে। কোম্পানি বন্ধ হয়ে গেলে ইসহাক ও হাসান কিছুদিন গা ঢাকা দেন। পরে তারা যৌথভাবে সিনেমায় ল’গ্নি করেন।

ম’দ্য’প অবস্থায় গভীর রাত পর্যন্ত এফডিসির ঝর্ণা স্প’টে তাদের দুজনকে একসঙ্গে দেখা যায়।সূত্রঃ যুগান্তর,বিডিমনিং

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *