Categories
Uncategorized

[১] পরী কানেকশনে র‍্যাবের খাতায় ২০ এর অধিক পুলিশ কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী, আমলা, মডেল, রাজনীতিবিদের নাম

[৪]এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে র‌্যাবের গোয়েন্দা শাখার পরিচালক লে. কর্নেল খায়রুল ইসলাম জানান, পরীমণি ছাড়াও বেশ কয়েকজন মডেল-

অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে র‌্যাবের গোয়েন্দা অনুসন্ধান চলমান। বেআইনি কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সূত্র বলছে, চিত্রনায়িকা পরীমণির উত্থান সিনেমার গল্পকেও হার মানায়। হতদরিদ্র ঘরের মেয়ে সামসুন্নাহার

ঢাকায় এসে পরীমনি নামে পরিচিত হয়ে ওঠেন। অভিনয়ের তেমন কিছু জানা না থাকলেও একের পর এক সিনেমায় প্রধান চরিত্রে ডাক পড়ে তার। [৫] বছর খানেকের মধ্যে পরীমনি ২০টির বেশি সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হন। নায়িকা হিসাবে রাতারাতি তারকা বনে যান তিনি। অঢেল টাকা আর অভিজাত জীবন যেন স্বেচ্ছায় ধরা দেয় তার হাতে। দামি গাড়ি,

কোটি টাকার ফ্ল্যাট, মূল্যবান অলঙ্কার কি নেই তার। অথচ তার সমসাময়িক নায়িকাদের অনেকে বাসা ভাড়া দিতেও হিমশিম খাচ্ছেন। সূত্র বলছে, সিনেমা শুটিংয়ের আড়ালে পরী মূলত প্রভাবশালীদের ঘনিষ্ঠ হতেই বেশি পছন্দ করতেন। রাজধানীর পাঁচতারকা হোটেলে তাকে লাস্যময়ী ভঙ্গিতে দেখা যায়। প্রায় প্রতিদিনই গভীর রাত পর্যন্ত পার্টি শেষে মদ্যপ অবস্থায় বের হতেন তিনি।

[ ৬] সূত্র বলছে, কয়েকটি ব্যাংকে পরীর মোটা অঙ্কের টাকা রয়েছে। যার বেশিরভাগই তিনি পেয়েছেন শুভাকাঙ্ক্ষীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার সুবাদে। টাকার নেশা তাকে ছাড়ে না। একপর্যায়ে নাম লেখান পর্নোগ্রাফির নিষিদ্ধ জগতে। এজন্য পরী তার ঘনিষ্ঠ মডেলদের মাধ্যমে একটি চক্র গড়ে তোলেন। উঠতি মডেল এবং চিত্রনায়িকাদের পর্নোছবি তুলে

পাঠানো হতো কথিত হাই-প্রোফাইলদের কাছে। তার মাধ্যমে অনেকে ব্ল্যাকমেইলিংয়ের শিকার হন। পরীর ঘনিষ্ঠদের তালিকায় আছেন- পুলিশ কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী, আমলা, রাজনীতিবিদসহ অনেক প্রভাবশালীর নাম। এদের কেউ কেউ দেশের বাইরে পরীর সঙ্গে ঘুরতে যান। [১] গাবতলী পার হলেই গাড়ি মিলছে, স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিত, নগরীতে অসহনীয় যানজট ≣ [১] বহুজাতিক

প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পদে আসীন বাংলাদেশিরা ≣ [১] অসহায় মানুষের মাঝে ৫ হাজার খাবার বিতরণ করলো ডিএমপি [৭] জানা যায়, পরীকে গ্ল্যামার জগতে নিয়ে আসেন কথিত এক নায়ক এবং কথিত নাট্য প্রযোজক নজরুল ওরফে রাজ নামের এক ব্যবসায়ী। র‌্যাব বলছে, পরীর গডফাদার হিসাবে পরিচিত নজরুল রাজ একেক সময় একেক পরিচয়ে চলাফেরা করেন। কখনও চিত্রপরিচালক,

কখনও ব্যবসায়ী আবার কখনও রাজনীতিবিদ। প্রতারণার মাধ্যমে তিনি অঢেল টাকার মালিক বনে গেছেন। নজরুল তার প্রতারণা ও পর্নো ব্যবসায় দুই তরুণীকে ব্যবহার করে আসছেন। এদের একজনের ডাক নাম সেমি এবং অপরজন কাঁকন। দুজনই তার সার্বক্ষণিক সঙ্গী। এ দুই তরুণীকে দিয়ে তিনি ব্ল্যাকমেইলিংয়ের কাজ করতেন। [৮] র‌্যাব বলছে, পরীমণি ছাড়াও ঢাকার শোবিজ জগতের বিশ এর অধিক মডেল-অভিনেত্রী নিষিদ্ধ পর্নো ব্যবসায় জড়িত। এদের মধ্যে

আছেন-জনৈক শুভা, মানসি, পার্শা, মৌরি ও আঁচল। এছাড়া চিত্রনায়িকা শিরিন শিলা আছেন র‌্যাবের তালিকায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *