Categories
Uncategorized

[১] টাঙ্গাইলে ছয় মাসের শিশুকে রেখে অটোচালকের সাথে পালালো প্রবাসীর স্ত্রী

আরিফুল ইসলাম: [২] টাঙ্গাইলের বাসাইলে ছয়মাস বয়সি শিশু সাইমনকে ফেলে নগদ ৮ লক্ষ টাকা এবং ৪ লক্ষাধিক টাকা মূল্যের স্বর্ণালঙ্কার

নিয়ে স্থানীয় এক ব্যাটারীচালিত অটো চালকের সাথে পালিয়েছে প্রবাসীর স্ত্রী। [৩] এ ঘটনায় টাকা এবং স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধারে অটোচালক মো. আতিক মিয়াকে প্রধান আসামী করে আরো চার জনের নামে মামলা দায়ের করেছে শিশু সাইমনের বড় চাচা মো. আনোয়ার হোসেন। আতিক

উপজেলার কাশিল ইউপি’র কাশিল উত্তর পাড়ার আজম মিয়ার ছেলে এবং প্রবাসী’র স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার(২১) একই গ্রামের দক্ষিনপাড়ার মো. শফি মিয়ার মেয়ে। [৪] দুধের শিশুকে ফেলে প্রবাসী স্বামীর মোটা অংকের টাকা নিয়ে অটোচালকের সাথে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। [৫] সুমাইয়ার ও বাদীর

পরিবার এবং মামলা সূত্রে জানা যায়,২০১৮ সালের ডিসেম্বরে উপজেলার হাবলা ইউপি’র জিবনেশ্বর উত্তর পাড়ার ঠান্ডু মিয়ার দ্বিতীয় ছেলে প্রবাসী সাদ্দাম হোসেনের সাথে সুমাইয়া আক্তারের বিয়ে হয়। প্রায় একযুগ যাবত সিংঙ্গাপুর থাকার সুবাদে বিয়ের সময়ে সাদ্দাম তার স্ত্রীকে প্রায় ৭ ভরী স্বর্ণালঙ্কার উপহার দেন। এরই মাঝে সে পুনঃরায় সিংঙ্গাপুর চলে যায়।

২০২১ সালের জানুয়ারীর শেষের দিকে সাদ্দাম ও সুমাইয়া দম্পতি’র ঘরে একটি পুত্র সন্তান জন্ম হয় পূর্ব পরিচিত আতিকের অটোতে চলাচলের সুবাদে সুমাইয়ার সাথে আতিকের ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে। প্রায়ই সে সুমাইয়ার বাড়িতে যাতায়াত শুরু করে। [৬] সাইমনের জন্মের পর সাদ্দাম তার এলাকায় জমি ক্রয়ের জন্য ব্যাংকে গচ্ছিত টাকাগুলো

বাড়িতে তার স্ত্রী সুমাইয়ার নিকট রাখার বিষয়টি জানতে পারে অতিক। সে সুমাইয়াকে বিয়ের প্রলোভন দেখায়। জুলাই মাসের ১৮ তারিখে আতিকের হাতধরে শিশু সাইমনকে রেখে নগদ টাকা ও স্বনার্লঙ্কার নিয়ে পালিয়ে যায় সুমাইয়া। কয়েকদিন পর সুমাইয়ার পরিবার তাকে উদ্ধার করে এবং গ্রাম্য শালিশের মাধ্যমে টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার ফিরিয়ে দেবার শর্তে

সাদ্দামের পরিবার সুমাইয়াকে গ্রহন করে । এরপর টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার ফেরত চাইলে আবারো সে আতিকের সাথে পালিয়ে যায়। ড. এমদাদুল হক : বিশ্বাসে যদি ভুল থাকে, তবে জীবন ভুলে ভরে যায় ≣ [১] ড. মানিক লাল দেওয়ান মারা গেছেন ≣ ভুয়া প্রোফাইলে ঈদের শুভেচ্ছা: তবুও তোপের মুখে কারিনা কাপুর [৭] এ ঘটনায় সাদ্দামের বড়ভাই আনোয়ার

হোসেন বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মো. মাহবুবুর রহমানের আমলী আদালতে ১৮ আগষ্ট একটি মামলা দায়ের করে।
[৮] এব্যাপারে বাদী আনোয়ার বলেন, আমার ৬ মাস বয়সি ভাতিজাকে ফেলে চলে যাবার পরো আমরা শুধুমাত্র এই দুধের শিশুর ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে দ্বিতীয়বার সুমাইয়াকে মেনে নিয়েছিলাম। কিন্তু তার পরও

সে চলে গেলো। সে তার গর্ভের সন্তানের কথাও ভাবলো না।তাই আমরা আইনগত ভাবেই বিবাদীদের মোকাবেলা করবো। [৯] সুমাইয়ার মা হেনা বেগম বলেন, আমি এখন ওকে আমার মেয়ে বলতে চাইনা। আমাদের কথা না হোক, ওই শিশু দুধের বাচ্চাটার কথা ভেবেওতো সে ফিরে আসতে পারতো! এখন আমি এবং আমাদের পরিবারের সবাই সুমাইয়া, আতিক এবং যারা এদের

সাথে জড়িত সকলের বিচার ও শাস্তি চাই। [১০] বাসাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) হারুনুর রশীদ বলেন, বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশ মতে মামলা হয়েছে এবং এটি তদন্তাধিন রয়েছে। আসামীরা পলাতক। তাদের আটক করার চেষ্টা অব্যহত আছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *