Categories
Uncategorized

নারীকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে সর্বনাশ করলেন, এসআই

দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রায় সময় কিছু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে নানা রকম অভিযোগ উঠে আসে। এমনকি কিছু খারাপ চরিত্রের

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ক্ষমতার জোরে নারীর সঙ্গে খারাপ কাজ করে। এবার তেমনি এক এসআই এর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে তিনি এক নারীকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে তার সর্বনাশ করেছেন। আর এই অভিযোগ উঠে এসেছে রাজধানী ঢাকা থেকে। ই এসআইকে ইতিমধ্যে

কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে। এবার এই বিষয়ে বিস্তারিত সংবাদ উঠে এলো। রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানার এস আই খায়রুল আলমের বিরুদ্ধে নারীর সঙ্গে খারাপ কাজ করার অভিযোগে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ বলেছে, অভিযোগ প্রমাণ হলে আইনি ব্যবস্থার পাশাপাশি বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জানা গেছে, ঘটনার সূত্রপাত হয়েছে থানায় সাধারণ ডায়রি করতে গিয়ে। প্রায় এক মাস আগে শেরে বাংলা নগর থানায় একটি অভিযোগ নিয়ে যান ওই নারী। ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ সাধারণ ডায়েরি না নিয়ে ব্যক্তিগতভাবে বিষয়টি দেখার আশ্বাস দেন শেরে বাংলা নগর থানার সাব ইন্সপেক্টর খায়রুল আলম। ভুক্তভোগীর সমস্যটি পারিবারিকভাবে সমাধান হয়ে গেলেও

ঐ পুলিশ সদস্য তার সাথে যোগাযোগ করতে থাকে। পুলিশ অফিসার খায়রুল বারবার কল দেয়ায় নম্বার বন্ধ করতে বাধ্য হন ভুক্তভোগী নারী। কিন্তু তাতেও রেহাই পাননি তিনি। নতুন নম্বার জোগাড় করে সোমবার সকালে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে যান গুলশানের একটি আবাসিক হোটেলে। সেখানে তার সঙ্গে খারাপ কাজ করা হয়

বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এই ঘটনায় গুলশান থানায় একটি মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তার হয়েছেন সাব ইন্সপেক্টর খায়রুল আলম। এরই মধ্যে, গুলশান থানা পুলিশ অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য খায়রুল আলমকে আদালতে হাজির করে পাঁচ দিনের রি”মা”ন্ড চাইলে তা নামঞ্জুর করেন মুখ্য মহানগনর হাকিম মাহমুদা আক্তারের আদালত। উল্লেখ্য, ওই

নারীর সঙ্গে প্রায় সময় যোগাযোগ করতেন এসআই। তবে নারী এই বিষয়ে বিরক্ত হয়ে তার ফোন নম্বার বদলিয়ে ফেলেন। তবে এরপরও ওই নারীর সঙ্গে সব সময় যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছেন এসআই। আর একটা সময় ভুক্তভোগী নারীকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে খারাপ কাজ করেন বলে অভিযোগ তুলেছে

ওই নারী। এই ঘটনা বর্তমানে তদন্ত করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ইতিমধ্যে ওই এসআইকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *