Categories
Uncategorized

আম্মাজানের র;;ক্তক্ষ;রণে বন্ধ হয়েছে, তবে উনি কথা বলতে পারছেন না- শর্মিলা রহমান

মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) খালেদা জিয়াকে দেখে হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে যাবার সময় শর্মিলা সময় সংবাদকে এ কথা জানান।এদিন দুপুর দুইটা

থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত সিঁথি বেগম জিয়ার পাশে অবস্থান করেন।হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে যাবার সময় শর্মিলা বলেন, ‘আম্মা স্টেইবল আছেন।’ র;;ক্তক্ষ;রণের বিষয়ে জানতে চাইলে সিঁথি বলেন, ‘উনি ভালো আছেন, তবে উনি কথা বলতে পারছেন না।’সিঁথি বেগম জিয়ার

সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর দোয়া চেয়েছেন। তার হাসপাতালে অবস্থানকালে মেডিকেল বোর্ডের তিন সদস্য মেডিকেল বোর্ডের প্রধান সাহাবুদ্দীন তালুকদার, ডা এফ এম সিদ্দিকী ও ডা. এ বিএম জাহিদ হাসপাতালে আসেন। গত ১৩ নভেম্বর বেগম জিয়া এভার কেয়ারে ভর্তি হন। হাসপাতালে কয়েক দফা তার রক্তক্ষরণ হয়।

২৭ নভেম্বর মেডিকেল বোর্ড বেগম জিয়ার বাসভবন ফিরোজায় সংবাদ সম্মেলনে তার লিভার সিরোসিস সনাক্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। ৭৬ বছর বয়সী সাবেক এ প্রধানমন্ত্রী বহু বছর ধরে আর্থ্রারাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, ফুসফুস, চোখের সমস্যাসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন। অসুস্থতার জন্য এর আগে টানা ২৬ দিন ওই হাসপাতালে চিকিৎসা

নেন খালেদা জিয়া। আরও পড়ুন: ‘কালবিলম্ব না করে সুচিকিৎসায় দ্রুত খালেদা জিয়াকে বাইরে নিতে হবে’ এর আগে এপ্রিলে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন তিনি। পরে করোনা পরবর্তী জটিলতায় ২৭ এপ্রিল হাসপাতালে ভর্তি হন। সে সময় এক মাসের বেশি সময় হাসপাতালের সিসিইউতে ভর্তি ছিলেন। শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলে ১৯ জুন বাসায় ফেরেন।

পরে করোনার টিকা নিতে তিনি দু’দফায় মহাখালীর শেখ রাসেল ন্যাশনাল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট অ্যান্ড হাসপাতালে যান। গত ১২ অক্টোবর খালেদা জিয়ার শরীরে জ্বর দেখা দেয়। এরপর তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে গত ২৫ অক্টোবর শরীরের টিউমার ধরা পড়ায় খালেদা জিয়ার বায়োপসি করা হয়।

দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত হলে খালেদা জিয়াকে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি কারাগারে পাঠানো হয়। করোনার কারণে গত বছরের ২৫ মার্চ সরকার শর্ত সাপেক্ষে তাকে সাময়িক মুক্তি দেয়। এখন পর্যন্ত চার বার খালেদা জিয়ার মুক্তির সময় বাড়ানো হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *