Categories
Uncategorized

যেকোনও নিপীড়নকারী অত্যাচারী সরকারের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেবে যুক্তরাষ্ট্র।

ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল (ইন্দো-প্যাসিফিক) নিয়ে নিজ অবস্থান প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস রোববার এক

বিবৃতিতে এই অবস্থান তুলে ধরে। এতে বলা হয়, যেকোনও নি;পীড়;নকারী অত্যা;চারী সরকারের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেবে যুক্তরাষ্ট্র।ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় গত ১৪ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি জে ব্লিনকেনের দেয়া বক্তব্যে এই বিষয়গুলো স্পষ্ট করা হয়।

ব্লিনকেন তার বক্তব্যে বলেন, ‘আমরা সেসব দেশের নেতৃত্বের বিরুদ্ধে অবশ্যই দাঁড়াব, যাদের মাধ্যমে তাদের নিজ দেশের নাগরিকরা নি;র্যা;তিত হয়।’ ইন্দো-প্যাসিফিকের নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধির প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি নিয়ে দেয়া বক্তব্যে এমনটি জানিয়েছেন বিশ্বের শক্তিধর দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘ইন্দো-প্যাসিফিকে

আমরা মিত্র ও অংশীদারদের সঙ্গে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিকে বাস্তবে পরিণত করতে কাজ করব। ‘ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল একবিংশ শতাব্দীতে বিশ্বের গতিপথ নিয়ন্ত্রণ করবে। এটি বিশ্বে সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনৈতিক অঞ্চল। বিশ্ব অর্থনীতির ৬০ শতাংশ এবং গত পাঁচ বছরে পুরো অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির দুই-তৃতীয়াংশ নিয়ন্ত্রণ করছে এটি। এই অঞ্চলে বিশ্বের

অর্ধেকেরও বেশি মানুষের বসবাস। বিশ্বের অনেক বড় অর্থনীতির দেশের অবস্থানও এখানেই।’ ব্লিনকেন তার বক্তব্যে এই অঞ্চলের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের দৃষ্টিভঙ্গির পাঁচটি মূল দিক তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘প্রথমত, আমরা একটি মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিককে এগিয়ে নেব, যেখানে সমস্যাগুলো খোলামেলাভাবে মোকাবিলা করা হবে।

নিয়মগুলো স্বচ্ছভাবে সবার কাছে পৌঁছানো হবে এবং তা ন্যায্যতার ভিত্তিতে সবার জন্য সমানভাবে প্রয়োগ হবে। এখানে পণ্য, চিন্তা ও মানুষ স্বাধীনভাবে ভূমি, সাইবারস্পেস এবং উন্মুক্ত সমুদ্র জুড়ে চলাচল করবে। এখানে শাসন ও শাসক নির্বাচিত হবে স্বচ্ছতার ভিত্তিতে এবং তা হবে জনগণের প্রতি সংবেদনশীল।’ ব্লিনকেন বলেন, ‘আমরা

আমাদের মিত্রদের সঙ্গে একত্রে গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলার উপায় খুঁজছি। সাম্প্রতিক সামিট ফর ডেমোক্রেসি এর একটি। এর মধ্য দিয়ে দেশে এবং বিদেশে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার রক্ষার জন্য নতুন প্রতিশ্রুতি, সংস্কার ও উদ্যোগ নেয়া হয়েছে৷’ ‘মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র একটি আন্তর্জাতিক জোট গঠন

করেছে যা সেখানে সহিংসতা বন্ধ করতে, অন্যায়ভাবে আটক সবাইকে মুক্তি দিতে, মানবিক সহায়তা বহাল রাখায় বাধাহীন প্রবেশের অনুমতি নিশ্চিত করতে এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতন্ত্রে মিয়ানমারকে ফিরিয়ে আনতে সরকারকে চাপ দেবে।’ যোগ করেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা একটি উন্মুক্ত, আন্তঃপরিচালনযোগ্য,

নির্ভরযোগ্য এবং সুরক্ষিত ইন্টারনেট ব্যবস্থা নিশ্চিত করব। ‌এর মাধ্যমে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং চিন্তা বিকাশের ক্ষেত্র উন্মুক্ত হবে- যা এখন এই অঞ্চলের সরকারগুলোর আক্রমণের মুখে রয়েছে; যারা জবাবদিহিতার একটি মাধ্যম হিসাবে ইন্টারনেটের সম্ভাবনাকে সীমিত করার জন্য কাজ করছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘একই সময়ে, আমরা আমাদের মিত্র এবং

অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করছি যাতে অঞ্চলটিতে সবাই প্রবেশাধিকার পান। আমরা দক্ষিণ চীন সাগরে সমুদ্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। তাইওয়ান প্রণালীতে শান্তি ও স্থিতিশীলতার প্রতি আমাদের গভীর আগ্রহ রয়েছে।’ ব্লিনকেনের বরাত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিবৃতিতে দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে বলা হয়, ‘আমরা এই অঞ্চলের

অভ্যন্তরে এবং এর বাইরেও কার্যকর যোগাযোগ স্থাপন করব। আমরা অস্ট্রেলিয়া, জাপান, কোরিয়া প্রজাতন্ত্র, ফিলিপাইন এবং থাইল্যান্ডের সঙ্গে আমাদের মৈত্রী চুক্তি আরও গভীর করব। এই মিত্রদের মধ্যে বড় ধরনের সহযোগিতা আরও বাড়াবো এবং আমাদের অংশীদারদের সঙ্গে মিত্রদের একত্রিত করার উপায় খুঁজব-যেমনটি আমরা কোয়াডভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে করেছি।’

‘এই অঞ্চলের সঙ্গে ফেডারেল সরকারের উচ্চ-পর্যায়ের সম্পৃক্ততা যুক্তরাষ্ট্র এবং বিশ্বব্যাপী ইন্দো-প্যাসিফিকের গুরুত্ব প্রকাশ করে। প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ক্ষমতা গ্রহণের পর প্রথম যে দুই বিদেশি নেতার সঙ্গে দেখা করেন, তারা হলেন জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী। তিনি গত মাসে ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপতি জোকো উইডোডোর সঙ্গেও দেখা করেন।

‘প্রেসিডেন্ট বাইডেন বিভিন্ন আঞ্চলিক সংস্থার একাধিক শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন। এর মধ্যে জুলাইয়ে অ্যাপেক ইনফর্মাল লিডারস রিট্রিট, মার্চ ও সেপ্টেম্বরে কোয়াড লিডারদের অ্যানগেজমেন্ট, অক্টোবরে ইউএস-আসিয়ান সামিট ও ইস্ট এশিয়া সামিট এবং নভেম্বরে অ্যাপেক ইকোনমিক লিডারস সম্মেলন অন্যতম।

‘ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস প্রধান অংশীদারদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ককে এগিয়ে নিতে এবং মূল সরবরাহ চেইনের স্থিতিস্থাপকতা জোরদার করার মতো সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য সিঙ্গাপুর ও ভিয়েতনাম সফর করেছেন।’

ব্লিনকেন বলেন, ‘আসিয়ান জোট ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে স্থিতিশীলতার ভিত্তি। আমরা আসিয়ানের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারত্ব জোরদার করতে থাকব। কারণ জরুরি সংকট ও দীর্ঘমেয়াদি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য একটি শক্তিশালী ও স্বাধীন আসিয়ান জোট অপরিহার্য।

‘প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আগামী মাসে ওয়াশিংটনে আয়োজিত একটি শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে আসিয়ানের নেতাদের আমন্ত্রণ জানাবেন।

‘আমরা মেকং-ইউএসসহ অন্যান্য আঞ্চলিক অংশীদারের সঙ্গে আমাদের কৌশলগত অংশীদারত্ব ও সম্পর্ক জোরদার করছি। ঠিক যেভাবে আমরা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে আমাদের সম্পর্কগুলোকে শক্তিশালী করছি । যেমনটা আমরা ইউরোপের সঙ্গেও করেছি।’

তৃতীয় কারণ সম্পর্কে বলা হয়, ‘যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে এক ট্রিলিয়ন ডলারেরও বেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ করেছে এবং আমরা এই অঞ্চলে আরও কিছু করব।

‘প্রেসিডেন্ট বাইডেনের নির্দেশে আমরা একটি বিস্তৃত ইন্দো-প্যাসিফিক ইকনোমিক ফ্রেমওয়ার্ক তৈরি করছি যার মাধ্যমে বাণিজ্য সুবিধা, ডিজিটাল অর্থনীতি এবং প্রযুক্তি, স্থিতিস্থাপক সাপ্লাই চেইন, ডিকার্বনাইজেশন ও ক্লিন এনার্জি, অবকাঠামো, কর্মীদের দক্ষতা এবং অন্যান্য বিষয়ে কৌশল বিনিময় করবো।’

ব্লিনকেন বলেন, ‘অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আমরা আমাদের মানুষের জন্য সুযোগগুলো উন্মুক্ত করতে এবং শক্তিশালী ডেটা গোপনীয়তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বর্ধিত ডিজিটাল অর্থনীতির নিয়ামকগুলোকে আইনের আওতায় আনবো।

‘এই সপ্তাহে অস্ট্রেলিয়া ও জাপানের সঙ্গে, আমরা এই প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশগুলোতে ইন্টারনেট সংযোগ উন্নত করতে একটি নতুন সাবমেরিন ক্যাবল নির্মাণের জন্য ফেডারেটেড স্টেটস অফ মাইক্রোনেশিয়া, কিরিবাতি এবং নাউরু’র সঙ্গে একটি অংশীদারত্ব ঘোষণা করেছি৷’

তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের সাপ্লাই চেইনকে আরও নিরাপদ ও স্থিতিস্থাপক করতে অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করছি। কোভিড মহামারি আমাদের সরবরাহ চেইনগুলোর দুর্বল দিক তুলে ধরেছে এবং মাইক্রো-চিপের ঘাটতিসহ বন্দরগুলোর দুর্বলতা ও ঘাটতি প্রকাশ করেছে।

‘সব সময়, আমরা এই অঞ্চলের জন্য মানসম্পন্ন, উচ্চ মানের পরিকাঠামো সরবরাহ করব। বিল্ড ব্যাক বেটার ওয়ার্ল্ড, যা আমরা জুন মাসে জি-৭ অংশীদারদের সঙ্গে চালু করেছি। এ খাতে আগামী বছরগুলোতে শত শত বিলিয়ন ডলারের স্বচ্ছ ও টেকসই বিনিয়োগে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

বিবৃতিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রও এই অঞ্চলে টেকসই এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বাণিজ্যিক কার্যকলাপকে সমর্থন করছে। উদাহরণ স্বরূপ অক্টোবরে ইন্দো-প্যাসিফিক বিজনেস ফোরামের কথা বলা যায়, যা যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত যৌথভাবে আয়োজন করেছিল। এতে ২৩ শ’ ব্যবসায়ী ও সরকারি কর্মকর্তা অংশ নেন। সম্মেলনে এই অঞ্চলের ব্যবসায়িক পরিবেশ তৈরিতে ৭ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি মিলেছে।

যুক্তরাষ্ট্র বলছে, ‘চতুর্থত, আমরা আরও স্থিতিস্থাপক ইন্দো-প্যাসিফিক গড়ে তুলতে সাহায্য করবো। কোভিড-১৯ মহামারি এবং জলবায়ু সংকট এই কাজের প্রয়োজনীয়তা বাড়িয়ে দিয়েছে।

‘যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বব্যাপী ৩০০ মিলিয়ন ডোজ নিরাপদ ও কার্যকর করোনা প্রতিরোধী টিকা বিতরণ করেছে। আমরা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে ১০০ মিলিয়নেরও বেশি ডোজ পাঠিয়েছি। হাসপাতালগুলোর জন্য ব্যক্তিগত সুরক্ষা-সরঞ্জাম থেকে চিকিৎসা সামগ্রী, অক্সিজেন পর্যন্ত পাঠিয়েছি। জীবন বাঁচাতে আমরা এই অঞ্চলে ২ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার অতিরিক্ত সহায়তা দিয়েছি।’

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘যেহেতু আমরা এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করছি, আমরা পরবর্তী মহামারি প্রতিরোধ, শনাক্তকরণ এবং প্রতিক্রিয়া জানাতে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে আরও ভাল স্বাস্থ্য ব্যবস্থা তৈরি করছি।

‘শুধুমাত্র আসিয়ানে আমরা গত ২০ বছরে জনস্বাস্থ্যে ৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ করেছি। আমরা যৌথ গবেষণা ত্বরান্বিত করা, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের একটি ক্রমবর্ধমান প্রজন্মকে প্রশিক্ষণ দিতে আরও কয়েক মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছি৷

‘আমরা পুরো অঞ্চল জুড়ে ক্লিন এনার্জি এবং জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতা প্রকল্পে আরও কয়েক মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছি, যা যুক্তরাষ্ট্র এবং সমগ্র ইন্দো-প্যাসিফিক উভয় অঞ্চলে পরিষ্কার ও সবুজায়ন প্রকল্পে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।

‘আমরা ইন্দো-প্যাসিফিক নিরাপত্তা জোরদার করবো। অঞ্চলিক নিরাপত্তা হুমকি বাড়ছে এবং আমাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা অবশ্যই পাল্লা দিয়ে বাড়াতে হবে। এটি করার জন্য, আমরা আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তির ওপর নির্ভর করব সেটা হচ্ছে আমাদের জোট এবং অংশীদারত্ব।’

ব্লিনকেনকে উদ্বৃত করে বিবৃতিতে বলা হয়, “যুক্তরাষ্ট্র একটি ‘সমন্বিত প্রতিরোধ’ কৌশল গ্রহণ করবে যা আমাদের মিত্র এবং অংশীদারদের সঙ্গে আমাদের জাতীয় শক্তির সব উপকরণকে আরও ঘনিষ্ঠভাবে একত্রিত করবে।

‘অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাজ্যের সঙ্গে আমাদের উন্নত ত্রিপক্ষীয় অংশীদারত্ব একটি প্রধান উদাহরণ। এটি আমাদের কৌশলগত স্বার্থকে এগিয়ে নিয়ে যাবে, আন্তর্জাতিক নিয়ম-ভিত্তিক শৃঙ্খলা বজায় রাখবে এবং ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রচার করবে।”

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিংকে বলেছেন যে আমাদের মধ্যে প্রতিযোগিতা যাতে সংঘাতের দিকে না যায় তা নিশ্চিত করার জন্য আমরা দায়িত্ব ভাগ করে নেব। সেই দায়িত্ব পালনে কূটনীতি আমাদের প্রথম হাতিয়ার হয়ে থাকবে। আমাদের লক্ষ্য হবে এই অঞ্চলে সংঘাতের আশঙ্কাকে কমিয়ে শেষ পর্যন্ত নিষ্ক্রিয় করা।

‘যুক্তরাষ্ট্র স্বীকার করে যে, বিশ্বের সম্ভাবনা ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে লেখা হবে। এই অঞ্চলের প্রতি আমাদের স্থায়ী প্রতিশ্রুতি এবং আমাদের মিত্র ও অংশীদারদের সঙ্গে সহযোগিতা আমাদের সবার জন্য একটি উন্মুক্ত, আন্তঃসংযুক্ত, সমৃদ্ধ, স্থিতিস্থাপক এবং নিরাপদ অঞ্চল অর্জনে সহায়তা করবে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *