Categories
Uncategorized

নয়াদিল্লীর লালকেল্লার মালিকানা ফেরত চাইলেন মুঘল বংশের পুত্রবধূ

১৭শ শতকে নির্মিত ঐতিহাসিক লালকেল্লার বৈধ মালিকানা দাবি করে মামলা দায়ের করেছেন মুঘল সাম্রাজ্যের শেষ মুঘল সম্র্রাট বাহাদুর শাহ

জাফরের প্রপৌত্র মির্জা মহম্মদ বখতের স্ত্রী। ১৯৬৫ সালে ১৪ বছর বয়সে বখতের সঙ্গে বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি। ১৯৮০ সালে বখত মা;রা যান। সুলতানা এখন নাতি-নাতনীসহ বাস করেন কলকাতার এক বস্তির ঝুপ;ড়ি ঘরে, আয় বলতে পেনশনের সামান্য কিছু অর্থ। নিজের

কাছে যত্ন করে রেখে দিয়েছেন মির্জা মোহাম্মদ বখতের সঙ্গে করা বিয়ের রেকর্ড। আল জাজিরা সুলতানা বেগম তার মামলায় বলেছেন, ভারত সরকার অবৈধভাবে সম্পত্তি দখল করেছে। তার সম্পত্তি তার কাছে হস্তান্তর করা উচিত। দিল্লি হাইকোর্ট গত সপ্তাহে তার আবেদনকে ‘সময়ের অপচয়’ হিসাবে খারিজ করেছে, তবে রাজবংশের উত্তরসূরী

হিসেবে তার দাবি বৈধ কিনা সে বিষয়ে রায় দেয়নি। আদালত বলেছে যে, তার আইনি দল প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে, কেন জাফরের বংশধররা তার নির্বাসনের ১৫০ বছরেও একই ধরনের মামলা আনেনি। তার আইনজীবী বিবেক মোরে বলেন, তারা এই আদেশকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতের উচ্চতর বেঞ্চে একটি পিটিশন

দায়ের করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সুলতানা আশা করছেন, কর্তৃপক্ষ তাকে ভারতের রাজকীয় ঐতিহ্য এবং লাল কেল্লার প্রকৃত সুবিধাভোগী হিসেবে স্বীকৃতি দেবে।৬৮ বছর বয়সী এএফপিকে জিজ্ঞাসা করেন, ‘যে সম্রাটদের বংশধর তাজমহল বানিয়েছিলো তারাই এখন চরম দারিদ্র্যের মধ্যে বাস করছে। আমি আশা করছি, আজ বা

আগামীকাল কিংবা ১০ বছর পর, আমি ন্যায় বিচার পাবো।’ ১৮৩৭ সালে বাহাদুর শাহ জাফরের রাজজ্যাভিষের সময় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দৌরাত্ম্যে মুঘল সাম্রাজ্য রাজধানীর সীমানায় সংকুচিত হয়ে পড়ে। দুই দশক পর সিপাহী বিদ্রোহের সময় ব্রিটিশ সেনাবাহিনী দিল্লী অবরোধ করে। রাজপরিবার আত্মসমর্পণ করা সত্ত্বেও

জাফরের ১০ পুুত্রকে হত্যা করা হয়। জাফর মিয়ানমারে পালিয়ে যাওয়ার ৫ বছর পর বন্দী অবস্থায় মা;রা যান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *