Categories
Uncategorized

বিমানবন্দরে এসে বেল্টে লাগেজ নেওয়া সময় যদি দেখেন আপনার লাগেজ কাটা…

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সিসি ক্যামেরার ব্যবহার বৃদ্ধি সহ নজরদারি বেড়েছে অনেক বেশি। যার কারণে বিমানবন্দরের

ভেতরে এয়ারলাইন কিংবা অন্য কোন সংস্থার কর্মীরা যাত্রীদের লাগেজ কাটার সৃুযোগ নেই। হ্যান্ডেলিংয়ের কর্মী ছাড়া অন্য কেউ যাত্রীর লাগেজ স্পর্শ করার সুযোগ নেই। এরমধ্যেও কেউ সেই চেষ্টা করলে তাকে চাকরি থেকে বহিস্কার এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। যার ফলে বিগত

বছরগুলোতে কোন যাত্রীর লাগেজ কাটার অভিযোগ নেই তবে এখন মাঝে মাঝে দুই লাগেজ চুরির অভিযোগ আসে। অনুসন্ধান করে দেখা যায় সেটি চুরি করেছে আরেক যাত্রী। যা বিভিন্ন সময়ে বাংলা এভিয়েশনের প্রতিবেদনেও প্রচার হয়েছে। তবে অনেকই অসৎ উদ্দেশ্যে পুরাতন, ভুয়া, কিংবা অন্য কোন দেশের ভিডিও ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটক

সহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেন। এমন অনেক অপপ্রচারকারীকে সনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তবে প্রায় সাউথ আফ্রিকার জোহান্সবার্গ থেকে আসা কিছু যাত্রীর লাগেজ কাটা পাওয়া যায়। যাত্রীদের অভিযোগের ভিত্তিতে অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এসব লাগেজ সাউথ আফ্রিকার জোহান্সবার্গ বিমানবন্দর থেকে কেউ কেটেছে। এজন্য যারা সাউথ

আফ্রিকা থেকে যারা আসবেন তাদের মোবাইল, ল্যাপটপ, ট্যাব, গয়নাসহ মূল্যবান জিনিসপত্র বুকিং লাগেজে না দিয়ে সঙ্গে হাত ব্যাগে রাখার পরামর্শ রইলো। তবে হ্যান্ডলিং জনিত কারণে লাগেজের হ্যান্ডেল, চাকা আপনি যেদেশ থেকে এসেছেন সেখানের বিমানবন্দর বা ঢাকায় ক্ষতিগ্রস্থ হলে এয়ারলাইনের কাছ থেকে ক্ষতিপুরণ দাবি করতে পারেন।

এরপরও যদি কখনও বিমানবন্দরে এসে বেল্টে লাগেজ নেওয়া সময় যদি দেখেন আপনার লাগেজ কাটা- তাহলে দ্রুত বিমানবন্দরের উত্তর পাশের লস্ট অ্যান্ড ফাউন্ড, বিমানবন্দর আর্মড পুলিশ, এভিয়েশন সিকিউরিটির ( এভসেক) সদস্যদের কাছে অভিযোগ দিন। বাংলা এভিয়েশনও জানাতে পারেন আপনার অভিযোগ ।

বছরগুলোতে কোন যাত্রীর লাগেজ কাটার অভিযোগ নেই তবে এখন মাঝে মাঝে দুই লাগেজ চুরির অভিযোগ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *