Categories
Uncategorized

চা’প দিয়ে কি সরকারকে ন’তজা’নু করার নয়া কৌশল!

স্পষ্টত আন্তর্জাতিক চা’প তৈরি করা হচ্ছে বাংলাদেশের ওপর। মার্কিন যুক্ত’রাষ্ট্রের জো বাইডেন প্রশাসন একের পর এক যেমন বাংলাদেশের

ওপর চা’প দিচ্ছে, এখন আন্তর্জাতিক মান’বাধিকা’র সংগ’ঠনগুলোও বাংলাদেশের ওপর এক ধরনের মন’স্তা’ত্ত্বিক চা’প সৃ’ষ্টির চেষ্টা করছে। আর এই চাপ সৃ’ষ্টির প্রধান হা’তি’য়ার হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে বাংলাদেশের মানবা’ধি’কার পরিস্থিতি, ডি’জিটাল নি’রাপ’ত্তা আইন, গু’ম

ইত্যাদি বিষয়গুলোকে। কিন্তু প্রশ্ন হলো যে, বাংলাদেশে যতটুকু মান’বাধি’কার ল’ঙ্ঘ’নের ঘটনা ঘটে বা বাংলাদেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে যত প্রশ্ন করা হয়, তারচেয়ে খা’রা’প অব’স্থায়’ রয়েছে বিশ্বে এমন আরো অনেকগুলো রা’ষ্ট্র নিয়েও কোনো কথা বলা হচ্ছেনা। আমরা পাকিস্তা’নের কথাই ধরতে পারি। পাকিস্তানে যে মানবাধিকার

পরি’স্থিতি ভ’য়াব’হ সেটা নিয়ে কারো কোনো প্রশ্ন নেই। কিন্তু পাকিস্তানের কাউকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জো বাইডেন প্রশাসন নি’ষি’দ্ধ করেছে এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়না। পাকিস্তানের এ’লি’ট ফোর্স’কে নি’ষিদ্ধ’ করার জন্য কোনো মান’বাধি’কার প্রতিষ্ঠানগুলো কাজ করছে এমন কোনো তথ্য নেই। ভারতের মানবাধিকার পরিস্থিতি

নিয়ে সেখানকার বু’দ্ধিজী’বী এবং সুধীজন একের পর এক প্রশ্ন উ’ত্থাপ’ন করছেন। এমনকি অর্ম’ত্য সেন পর্যন্ত ভারতের মানবাধিকার প’রিস্থি’তিকে ভ’য়া’ব’হ আখ্যা দিয়েছেন এবং এটি হিন্দু’ত্ব’বাদী রাষ্ট্র হিসেবে আবি’র্ভূ’ত হচ্ছে বলে অ’ভি’যো’গ করেছেন। কোথায়? ভারতের বি’রু’দ্ধে তো কোনো ধরনের নি’ষে’ধা’জ্ঞার খবর পাওয়া যায়না? তাহলে

কেন বাংলাদেশ? বাংলাদেশে গত এক যুগে বিস্ম’য়’কর উন্নয়নের অগ্র’যাত্রা সং’ঘ’টিত হয়েছে। বাংলাদেশ দ্রুত এগিয়ে চলছে। আর এই কারণেই প্রশ্ন উঠেছে বাংলাদেশের এই অপ্রতি’রো’ধ্য অগ্রযা’ত্রা ঠেকানোর জন্যই কি এক ধরনের চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে? বিভিন্ন মহল মনে করে যে, বাংলাদেশের যে উন্নয়ন তা অনেকের ঈ’র্ষা’র

কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশের এই অগ্রযাত্রা এবং বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এই ঘুরে দাঁড়ানো অনেকের কাছেই পছন্দ না। আর সে কারণেই বাংলাদেশের ওপর বিভিন্নভাবে চা’প দেয়া হচ্ছে। বিশেষ করে এ সম’স্ত চাপের পিছনে স্বাধী’নতাবি’রো’ধী, যু’দ্ধাপ’রা’ধী অ’পশ’ক্তির একটা স’ক্রিয়, প্রত্যক্ষ ভূ’মিকা রয়েছে বলেই অনেকে মনে করেন।

কিন্তু প্রশ্ন হলো, চাপ দিয়ে কি বাংলাদেশকে নতজা’নু করা যাবে? বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর থেকেই আন্তর্জাতিক নানারকম ষ’ড়’যন্ত্রে’র ক্রি’য়া’ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশের ওপর ষ’ড়য’ন্ত্র হয়েছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যখন স্বাধীন বাংলাদেশকে পুনর্গঠনে’র কাজে ব্যস্ত ছিলেন, তখন বাংলাদেশকে

একই রকম চা’প দেয়া হয়েছিল। পিএল-৪৮০ এর গম চালান বাংলাদেশে পাঠানো বন্ধ করেছিল মার্কিন যুক্ত’রাষ্ট্র। ফলে বাংলাদেশে একটি কৃত্রিম দু’র্ভি’ক্ষ সৃ’ষ্টি করা হয়েছিল। বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক ষ’ড়য’ন্ত্রের জা’ল বি’স্তা’র করেই জা’তির পিতাকে হ’ত্যা করা হয়েছিল। আর এই ষ’ড়য’ন্ত্র বিভিন্ন সময়ে বিভিন্নভাবে অব্যা’হত ছিলো। ১৯৯৬ সালে যখন আওয়ামী লীগ

সরকার ক্ষমতা’য় আসে তখনও আন্ত’র্জাতিক চা’প আসে। বাংলাদেশকে গ্যাস বিক্রি’র জন্য চা’প সৃ’ষ্টি করা হয়। আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একাধিক অনুষ্ঠানে প্রকা’শ্যেই বলেছেন সে সময়ে মার্কিন যুক্তরা’ষ্ট্রকে গ্যাস দেয়ার জন্য চা’প দেওয়া হয়েছিল এবং বাংলাদেশ সেই চা’পে নতি স্বীকার করেনি জন্যই ২০০১ সালের

নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জিততে পারেনি। আওয়ামী লীগ সভা’পতি এটিও প্রকাশ্যে বলেছেন যে, ‘র’ এর সঙ্গে আঁ”ত করে ২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপি-জামা’য়াত জো’টকে জে’তানো হয়েছিল। তাহলে কি একই ষ’ড়য’ন্ত্র নতুন করে হচ্ছে? কিন্তু এই প্রশ্নের উত্তর খুঁ’জতে গেলে দেখা যাবে যে, বাংলাদেশ একটি ব’দ’লে যাওয়া দেশের নাম। গত এক দশকে

বাংলাদেশ স্বনির্ভর, স্বাবল’ম্বী এবং আত্ম’প্রত্য’য়ী একটি জাতি হিসেবে দাঁড়িয়েছে। কাজেই চা’প দিয়ে বাংলাদেশকে নত’জা’নু করা হবে বা ১৯৭৫ সালে বা ২০০১ সালে যা করা হয়েছিল এখন তা করা যাবে, এটি বাস্তবতা নয়। বরং বাংলাদেশ এখন অনেকের ব্যবসা-বাণিজ্যের তীর্থ’ভূমি এবং আগামী ১০ বছরে বাংলাদেশ বিশ্বে অন্যতম ক্ষ’মতা’ধর

অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। এরকম বাস্ত’বতায় যারা বাংলাদেশকে চা’প দিচ্ছে বা বাংলাদেশকে নিয়ে ভিন্ন ধরনের খেলা খেলছেন তারা কতটুকু সফল হবেন, এই প্রশ্ন উঠতেই পারে। কারণ, বাংলাদেশ এখন আর আগের বাংলাদেশ নেই। চা’প দিয়েই সরকারকে নত’জা’নু করার মতো পরিস্থিতিও বাংলাদেশে নেই। আন্তর্জাতিক যে মানবাধিকার সংগঠনগুলো বাংলাদেশের র‍্যা’বকে নি’ষি’দ্ধ করার জন্য জাতি”সংঘ দাবি করেছেন, এই সংগঠনগুলোর পিছনে কারা মদ’দদা’তা সে প্রশ্ন যেমন রয়েছে, তেমনি তারা এই প্র’চে’ষ্টায় সফল হবে কিনা সেটি

নিয়েও কূ’টনৈতিক’ অঙ্গনে প্র’শ্ন রয়েছে। কারণ, জাতি’সং’ঘ শা’ন্তি মি’শনে সব’চেয়ে চৌকশ এবং পেশা”দার দেশটির নাম হলো বাংলাদেশ। কাজেই, বাংলাদেশকে নিয়ে আন্ত’র্জাতিক রাজনীতিতে যে নোংরা খেলা হচ্ছে, বাংলাদেশকে ‘চা’প দেওয়ার যে ভয়ং’ক’র কৌ’শল, সে’ই কৌ’শল এ’বার সফ’ল হবে কি’না সে নিয়ে যথেষ্ট সংশ’য় রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *