Categories
Uncategorized

যুক্তরাষ্ট্রকে বাংলাদেশের যে সুবিধা বা’তিল করতে বলেন খালেদা জিয়া

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া যুক্তরাষ্ট্রকে বাংলাদেশের জিএসপি সুবিধা বা’তিল’সহ বাংলাদেশের ওপর পশ্চিমাবিশ্বের অব’রোধ আ’রোপের

অনুরোধ করেছিলেন। ২০১৩ সালের ৩০ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন টাইমস পত্রিকায় খালেদা জিয়া ‘দ্য থ্যাংকসলেস রোল ইন সেভিং ডেমোক্রেসি ইন বাংলাদেশ’ শিরোনামে এক প্রবন্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের প্রতি এই অনুরোধ করেছিলেন বলে জানিয়েছেন আওয়ামী

লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ। শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) সকালে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের ডাটাবেজ টিমের এক সভায় এ কথা বলেন তিনি। বিজ্ঞাপন ড. সেলিম মাহমুদ বলেন, বিএনপি ও তার দলীয় প্রধান খালেদা জিয়া দেশের সার্বভৌমত্ব ও অ’স্তিত্ব বিদেশিদের কাছে বি’কি’য়ে

দিতে মো’টেও কু’ণ্ঠিত নন। ওয়াশিংটন টাইমসের প্রবন্ধে খালেদা জিয়া সেই কথা পরিষ্কা’রভাবে বলেছেন। আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, ওই প্রবন্ধে খালেদা জিয়া বলেছেন— ‘বাংলাদেশের পরিস্থিতি সম্পর্কে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র উদাসীন থাকলে তাকেও এর দায় দায়িত্ব বহন করতে হবে। কারণ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক আনুগত্য অন্যান্য উদীয়মান পরা’শ’ক্তির দিকে ধাবিত হচ্ছে।’

তিনি আরও লিখেছেন— ‘তার মানে এই নয় যে যুক্ত’রাষ্ট্র এবং অন্যান্য এজেন্সি কিছুই করছে না। ছয় মাস আগে বিশ্ব ব্যাংক বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অবকাঠামো পদ্মাসেতু প্রকল্প থেকে প্রায় দুই বিলিয়ন ডলারের অর্থায়ন প্র’ত্যা”হার করেছে এবং এই প্রকল্পে দু’র্নী’তি ও অর্থ তছরুপের অ’ভি”যোগ ত’দন্ত’ করার পরামর্শ দিয়েছে।’ বিজ্ঞাপন ‘খালেদা

জিয়ার এই মন্তব্যে বোঝা যায়, বাংলাদেশের পদ্মাসেতুতে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন বা’তি’ল হওয়ার বিষয়টি তার কাছে অত্যন্ত স্বস্তিদায়ক বিষয় ছিল,’— বলেন ড. সেলিম। তিনি বলেন, বাংলাদেশের পোশাক শিল্পে যুক্তরাষ্ট্রের জিএস’পি সু’বিধা বাতি’লের পেছনে যে ল’বি’স্টের মাধ্যমে বিএনপি ও তাদের নেত্রী’ খালেদা জিয়ার প্রত্য’ক্ষ ষ’ড়য’ন্ত্র ছিল,

এটি খালেদা জিয়ার লেখাতেই পরিষ্কা’রভাবে উঠে এসেছে। খালেদা জিয়া লিখেছেন, ‘তাদের (যুক্তরাষ্ট্র ও এর মিত্রদের) অবশ্যই শেখ হাসিনাকে বো’ঝাতে হবে যে বাংলাদেশের জিএসপি সুবিধা বাতি”ল করা হবে যদি তার রাজনৈতিক মতাদর্শের বি’রো’ধী ও শ্র’মিক অধিকার নিয়ে সচে’ষ্ট ব্য’ক্তিদের মতামত প্রকাশের সুযোগ দেওয়া না হয়। ড. সেলিম বলেন, খালেদা জিয়া তার

লেখায় বাংলাদেশের ওপর বিভিন্ন পর্যায়ের নিষেধাজ্ঞা (স্যাংশন) আরো;পের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্রদের অনুরোধ জানান। পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশে যু’দ্ধাপ’রাধ ও মা’নব’তাবি’রো’ধী অ’প’রাধে ‘জ’ড়ি’ত ব্যক্তিদের বিচার করা নিয়েও স’মা’লো’না করেন। খালেদা জিয়ার প্রবন্ধ থেকে উ’দ্ধৃত করেন ড. সেলিম। সেখানে খালেদা জিয়া লিখেছেন,

তাদের (যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমাদের) এসব পদক্ষপকে হতে হবে অবশ্যই শক্তিশালী ও দৃশ্যমান, যেন আমাদের জনগণ তা দেখতে এবং শুনতে পারে। এর মাধ্যমেই সারা’বিশ্বকে গণতা’ন্ত্রয়নে যুক্তরাষ্ট্রের নিজের মিশন অব্যাহত রাখার ব্যাপারে নিশ্চিত হতে পারবে। বাংলাদেশের গণতন্ত্র রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্র ও সারাবিশ্বের কোনো কিছু করার এখনই

উপযুক্ত সময়। ড. সেলিম মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশের জিএসপি সু’বিধা ‘বাতি’ল হওয়ার পর অর্থাৎ প্রবন্ধটি প্রকাশিত হওয়ার ছয় মাস পর বিএনপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়— লেখাটি খালেদা জিয়া’র নয়। তবে ওই নি’বন্ধটি যে খালেদা জিয়ারই লেখা— এটি নিশ্চিত হয়েই ছাপানো হয় বলে বাংলাদেশের গণমাধ্যমগুলোকে জানান মার্কিন দৈনিকটির নির্বাহী সম্পাদক ডেভিড এস জ্যাকসন।

মার্ক পার্সি নামে লন্ডনভিত্তিক একজন এজেন্টের মাধ্যমে ওয়াশিংটন টাইমস নিবন্ধটি পেয়েছিল বলে জানান তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *