Categories
Uncategorized

যে ৫ ইস্যুতে কোণঠা’সা সরকার!

টানা ১৩ মেয়াদে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায়। তৃতীয় মেয়াদে তিন বছর পার করেছে দলটি। কিন্তু তৃতীয় বছরে এসে আওয়ামী লীগ শুরু

থেকে যেন চা’পের মধ্যে পড়েছে। জাতীয়-আন্তর্জাতিক নানা ইস্যুতে সরকারের মধ্যে চা’প বাড়ছে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এই চা’পগু’লো সাম’লাতে হবে আওয়ামী লীগকে। আর এই চা’প সা’মলা’তে না পারলে সামনের দিনগুলোতে বড় ধরনের সম’স্যা’য়

পড়তে পারে সরকার এমনটি মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লে’ষকরা। যেসব বিষয় নিয়ে সরকার চাপে রয়েছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন তার মধ্যে রয়েছে: ১. আন্তর্জাতিক চাপ: হঠাৎ করেই সরকারের ওপর আন্তর্জাতিক চা’প বেড়েছে। বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশ’বিরো’ধী প্রচা’রণা এখন তীব্র আকার ধারণ

করেছে এবং এর ফল পেতে শুরু করেছে বাংলাদেশ। গত ডিসেম্বর মাসে আ’ইনশৃঙ্খলা’ র’ক্ষাকা’রী বাহি’নীর ৭ শীর্ষ কর্মকর্তার ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নি’ষেধা’জ্ঞা আ’রোপ করে। এর আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে তাদের গণত’ন্ত্র সম্মেলনে আ’মন্ত্রণ জানায়নি। এই বিষয়গুলো নিয়ে যেভাবে সিরিয়াসলি কাজ করা দরকার ছিলো সেটি করতে পারেনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের দূতাবাসের। ফলে বাংলাদেশের ওপর এখন চা’প আরও বাড়ছে। বিভিন্ন মহল বলছে, জো বাইডেন সাম্প্রতিক সময়ে যে দু’র্নীতি’বি’রোধী ঘোষণা দিয়েছেন সেই ঘোষণাও বাংলাদেশের ওপর নতুন ধরনের চা’প ‘সৃষ্টি করতে পারে। পাশাপাশি জাতিসংঘে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালসহ ১২টি সংগঠন

র‍্যা’বকে জাতিসংঘ শান্তি মিশনে নি’ষি’দ্ধ করার দাবি করেছে। এটি নিয়েও এখন বাংলাদেশের ওপর যথেষ্ট চা’প সৃষ্টি হয়েছে বলে বিভিন্ন মহল মনে করছে। ২. দেশবি’রো’ধী প্রচারণা: সোশ্যাল মিডিয়া যেন এখন আওয়ামী লীগ সরকার এবং বাংলাদেশেবি’রো’ধী প্রচা’ণার কেন্দ্র’স্থলে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, সুইডেন এবং ফ্রান্সসহ বিভিন্ন দেশ থেকে

লাগা’তারভাবে বাংলাদেশবিরোধী আ’জগু’বি মি’থ্যা তথ্য’ স’ন্ত্রাস চলছে। আর এই তথ্য স’ন্ত্রা’সের ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যেও এক ধরনের অ’স্থির’তা তৈরি হচ্ছে। আওয়ামী লীগ সরকার বাংলা’দেশবিরোধী এই অপ’প্র’চার বন্ধের জন্য কার্যকর কোনো পদক্ষেপ এখন পর্যন্ত নিতে পারেনি। ক্রমশ্য ভ’য়’ঙ্ক’র হয়ে উঠা সামাজিক যোগাযোগ

মাধ্যমের প্র’চা’রণার লাগাম টে’নে ধরতে না পারলে ভবিষ্যতে সম’স্যা বা’ড়বে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। ৩. অশান্ত শিক্ষাঙ্গন: গত কয়েকদিন ধরেই শিক্ষাঙ্গনগুলো অশা’ন্ত হয়ে উঠেছে। শাহজালাল বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে এখন শুরু হ’চ্ছে গণ-অনশন। তারপরও উপাচার্য প’দত্যা’গ করছে না। সরকারও সময়ক্ষেপণ করছে।

যেকোনো সময়ই শিক্ষাঙ্গনের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে বলে অনেকে আ’শঙ্কা প্রকাশ করছেন। এ ব্যাপারে এখনই সরকারের উদ্যো’গ গ্রহণ করা উচিত বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন। ৪. দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি: সরকার কিছুতেই দ্রব্যমূল্যের লাগাম থেকে টে’নে ধরতে পারছে না। একের পর এক বিভিন্ন জিনিসের দাম বাড়ানো হচ্ছে। চালের দাম এখন ভরা মৌসুমেও ঊর্ধ্বমুখী।

অন্যান্য জিনিসপত্রের দামও নাগালের বাইরে। করোনার পরে মানুষের অর্থনৈ’তিক অবস্থা যখন একটু খা’রা’প সেই সময় দ্রব্য’মূল্যের ঊর্ধ্বগতির সরকারকে একটা নতুন অ’স্থি’রতার মধ্যে ফেলেছে। এখন যদি এই দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে না আনা যায় তাহলে ভবিষ্যতে জ’ণঅস্ব’স্তি আরও বাড়তে পারে বলে বিভিন্ন মহল মনে করছে।

৫. নির্বাচন কমিশন: নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়েও সরকার চা’পে’র মধ্যে পড়েছে। বিভিন্ন মহল নতুন নির্বাচন কমিশন সং’ক্রান্ত’ আইনকে নাকচ করে দিয়েছেন। তাঁরা বলছেন, এটি নির্বাচন ক’মিশনের ‘আইন না বরং সার্চ কমিটির আইন। আর এই বাস্তবতায় নতুন নির্বাচন কমিশন আইন সংসদে উত্থাপিত হয়েছে।

শেষ পর্যন্ত এই আইনটি পাশ হলে তা কতটুকু অন্যান্য রাজনৈ’তিক দলগুলোর কাছে গ্রহ’ণযো’গ্য হবে সেটা দেখার বিষয়। নির্বা’চন কমিশন গঠন নিয়ে সরকার বিরোধী রাজনৈতিক দলের আ’ন্দো’লনের মু’খো’মুখি হতে পারে বলে অনেকে মনে করছে, এটিও সরকারের ওপর একটি চা’প সৃ’ষ্টি করবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই চাপগুলো সা’মাল ‘দিয়ে আগামী দুই বছর নির্বিঘ্নে দেশ চালাতে হবে ক্ষম’তাসীন আও’য়ামী লীগকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *