Categories
Uncategorized

আগামী সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন জোট ‘বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য’ গঠন করছে বিএনপি

আমলে নিতে চায় না নির্বাচন কমিশন গঠনে আইন পাসের বিষয়টি রাজপথের বিরোধী দল বিএনপি। এখন তাদের সবচেয়ে বড় লক্ষ্য নির্বাচনকালীন নির্দলীয়-নিরপেক্ষ সরকার

প্রতিষ্ঠায় তাই ‘কঠোর আন্দোলন’কমিশনের বদলেই দলটির লক্ষ্য। এবং বর্তমানে এটিই তাদের প্রধান লক্ষ্য বলে ধারনা করছেন নীতি নির্ধারকরা। এ জন্য নতুন বড় জোট গড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় স্থায়ী কমিটি। এবং এটিকে তারা বলছেন ‘বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য’। শুক্রবার রাতে কমিটির ভার্চুয়াল এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এ বিষয়ে এরই মধ্যে সমমনা বাম, ডান ও ইসলামপন্থি কয়েকটি দলের সঙ্গে বিএনপির যোগাযোগ হয়েছে। এখন দ্রুতই তাদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বৈঠক শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দাবি আদায়ে প্রাথমিকভাবে স্ব-স্ব দলীয় ব্যানারে যুগপৎ আন্দোলনের বিষয়ে একমত হয়েছেন নীতিনির্ধারকরা। দলীয় সূত্র জানায়, আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না

দিলেও কার্যত ২০ দলীয় জোট এবং জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে নিষ্ক্রিয় করে দেবে বিএনপি। বৃহত্তর রাজনৈতিক জোট গঠনের পথে অন্যতম বাধা জামায়াতে ইসলামীকেও কৌশলে জোটের বাইরে রাখতে চায় তারা। এর অংশ হিসেবে এখন থেকে ‘এককভাবে’ সরকারবিরোধী সব কর্মসূচি পালন করবে বিএনপি। তীয় সংসদে নির্বাচন কমিশন গঠনে

আইন পাসের দিনই বৃহস্পতিবার তাৎক্ষণিভাবে তা প্রত্যাখ্যান করে পরদিন শুক্রবার দলের সর্বোচ্চ ফোরামের বৈঠক করে এসব সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম জানান, ‘অবৈধ আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে আর কোনো নির্বাচন চায় না বিএনপি। বিনা ভোটের এ সরকার অবৈধভাবে টিকে থাকার জন্য বাকশালের মতো বিতর্কিত

নির্বাচন কমিশন আইন প্রণয়ন করেছে। এ আইন আমরা মানি না। নির্বাচনকালীন নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ সরকারের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাব।’ তিনি আরোও জানান অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করছেন। বৃহত্তর জোট গঠন সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বৈঠকে সার্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে করণীয় নির্ধারণে আলোচনা হয়েছে।

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে দেশের সব দল ও মত নির্বিশেষে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে গণআন্দোলন সৃষ্টি করা হবে। অতীতে কোনো স্বৈরাচার টিকে থাকতে পারেনি। আওয়ামী লীগও টিকতে পারবে না। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকেই ২০ দলীয় জোট ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মধ্যে টানাপোড়েন শুরু হয়। নির্বাচন এবং আন্দোলনের কৌশল ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে

পরস্পরকে দায়ী করে আসছেন জোট দুটির শীর্ষ নেতারা। এ পরিস্থিতিতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গ্রহণযোগ্য ভাবমূর্তিসম্পন্ন দলগুলো নিয়ে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে আসছেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা। বিএনপি সূত্র জানায়, ২০ দলীয় জোট ও ঐক্যফ্রন্টের বাইরে রাষ্ট্রপতির সংলাপ বর্জন করা বাম, ডান ও সকল ইসলামী দলগুলোকে

আরও কীভাবে কাছে টানা যায়- তা নিয়েই চুলচেরা বিশ্নেষণ হয়। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এতে সভাপতিত্ব করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *