Categories
Uncategorized

৫৪ বছর আগের সেই শিশুর সন্ধান পেয়েছেন গোলাম রব্বানী!

১৯৬৯ সালের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের কথা উঠলেই, প্রতিবা’দী মিছিলের সর্বাগ্রে থাকা মুষ্টিবদ্ধ হাত, দৃঢ় চোয়াল ও অ’গ্নিস্ফুলি’ঙ্গের ন্যায়
অ’ভিব্যক্তির এক শি’শুর চেহারা

ভেসে ওঠে সবার আগে। পরবর্তী সময় ওই শি’শুটির ব্যাপারে খোঁজ করা হয়েছিল। কিন্তু তাকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যায়নি। সম্প্রতি ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গো’লাম রব্বানী দাবি করছেন, সেই শি’শুটিকে খুঁজে পাওয়া গেছে। বৃদ্ধ বয়সে এখন তিনি রিকশা চালিয়ে জীবন নির্বাহ করেন। ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ

সম্পাদক গো’লাম রব্বানী তার ভ্যারিফায়েড ফেসবুক পেজে লিখেছেন, মোহাম্ম’দ আলী হোসেন চাচা (৬৪) যাকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আদর করে ডাকতেন, মিছিলের অগ্রসে’না, পালওয়ান। অদৃষ্টের পরিহাসে, বৃদ্ধ বয়সে এখন তিনি জীবিকার তাগিদে মুগদার মান্ডা এলাকায় ভাড়ায় রিকশা চালান! ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের সেই ঐতিহাসিক

মিছিলের অগ্রভাগে থাকা প্রতিবাদী শি’শুটি তিনি নিজেই বলে দাবী করেছেন। চাক্ষুষ প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে তাকে শনাক্ত করতে পারবেন বলে তিনি যাদের নাম বলেছেন, তাদের অনেকেই আর বেঁচে নেই। যারা আছেন- জননেতা তোফায়েল আহম্মেদ ভাই, আমির হোসেন আমু ভাই,
বঙ্গবন্ধুর তখনকার দেহরক্ষী মুন্সিগঞ্জের মহিউদ্দিন ভাই প্রমুখের সাথে

আম’রা তাকে নিয়ে দ্রুতই দেখা করে কথা বলবো। ইনশাআল্লাহ, তার দাবি সঠিক হলে আম’রা তার ও তার পরিবারের যে কোনো নৈতিক প্রয়োজনে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবো। তবে ইতিহাসের বিভিন্ন বর্ণনায় পাওয়া যায়, মিছিলের অগ্রভাগে থাকা ওই শি’শুর তেজোদীপ্ত ভঙ্গিমা
পা’কিস্তানি পু’লিশের পছন্দ হয়নি। তাই পু’লিশ তাকে গু’লি করে হ’ত্যা করে।

আ’লোচিত সেই ছবি তুলেছেন আলোকচিত্রী রশীদ তালুকদার। ১৯৬৯ সাল মুক্তিসনদখ্যাত সেই দাবির জন্য ল’ড়েছেন লাখো মানুষ। ছোট-বড় অধিকাংশ মানুষই মুক্তির এই আ’ন্দোলনে অংশ নিয়েছিলো। সেই সময় সবার নজর কাড়ে ছোট্ট একটি ছে’লের হুঙ্কার। মুক্তিকামী নি’পীড়িত
জনগণের পক্ষে যখন মিছিল চলছে। হঠাৎ সেই ছে’লেটি মিছিলের সামনে চলে আসে। তাকে সামনে

রেখেই মিছিলটি চলতে থাকে। এক সাংবাদিক (রশীদ তালুকদার) এই ছবি তোলার পরে রিল টানতে গিয়ে হঠাৎ বিকট গু’লির শব্দ হয়। চেয়ে দেখে ছে’লেটার বুক ঝাঁজরা করে দিয়েছে মিলিটারি। ছে’লেটির ২য় ছবি আর তোলা হয়নি…..। প্রায় ৫৪ বছর পর এসে সেই শি’শুর সন্ধান ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *