Categories
Uncategorized

বিএনপির পরবর্তী চেয়ারম্যান হচ্ছেন খন্দকার মোশাররফ?

অভ্যন্তরীণ দ্ব’ন্দ্ব কো’ন্দ’লে টালমাটাল বিএনপি। একদিকে বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক অবস্থান অস্পষ্ট, অন্যদিকে তারেক জিয়াকে

নিয়ে দলের ভেতর অশান্তি। এর মধ্যেই বিএনপির তৃণমূলের নেতৃবৃন্দ নতুন করে সংঘবদ্ধ হচ্ছেন, তারা দল কে বাঁচানোর জন্য দলের ত্যাগী প্রবীণ একজনকে চেয়ারম্যানকে দায়িত্ব দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছেন। এই প্রক্রিয়া শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হবে কি না- তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।

তবে বিএনপি যে বিভক্ত এবং নেতৃত্বশূন্য সেটি তৃণমূল পর্যন্ত উচ্চারিত হচ্ছে। আর সে কারণেই তারা মনে করছেন এমন একজন ব্যক্তিকে এখন চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেয়া উচিত, যিনি সার্বক্ষণিক ভাবে দলের দেখভাল করবেন, নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলবেন এবং দল গুছিয়ে নতুন নেতৃত্বকে এনে, দলকে আবার সরকারবি’রোধী আ’ন্দোলনের জন্য প্রস্তুত করবেন। সে রকম নেতা কে? এ নিয়ে বিএনপিতে নানামুখী

আলোচনা চলছে। আর সবচেয়ে যে নামটি বেশি উচ্চারিত হচ্ছে তাহলো বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বিএনপির প্রতিষ্ঠা থেকেই এ দলের সঙ্গে জড়িত। তিনি জিয়াউর রহমানের সঙ্গে রাজনীতি করেছেন, খালেদা জিয়ার অন্যতম বিশ্বস্ত হিসেবে পরিচিত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হওয়ার কারণে বিএনপিতে তার

সম্মান এবং মর্যাদা বেশি। বিশেষ করে ছাত্র রাজনীতি থেকে আসা নেতৃবৃন্দ খন্দকার মোশারফ এর ব্যাপারে অকুণ্ঠ সমর্থন জানাচ্ছে। যদিও বিএনপিতে তারেক জিয়ার আ’ধিপ’ত্যের যুগে ড. খন্দকার মোশাররফ একটু কোণঠাসা। কিন্তু তারপরেও প্রবীণ এবং অভিভাবক হিসেবে তাঁর সুনাম এবং গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। আর এ কারণেই বিএনপিতে আপৎকালীন চেয়ারম্যান হিসেবে খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম বার বার

করে উঠে আসে।বেগম খালেদা জিয়া কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন গত মার্চে। এরপর তিনি ফিরোজায় নিজ বাসভবনে থাকছেন। ব্যক্তিগত চিকিৎসকরা তার নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করছে। তার জামিনের মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়ানো হয়েছে এবং খালেদা জিয়ার আপাতত জেলে

যাওয়ার কোন ইচ্ছা নেই। আর এ কারণেই সম্ভবত তিনি নিজেকে গু’টিয়ে রেখেছেন। বেগম খালেদা জিয়ার অবস্থান এবং রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে বিএনপির মধ্যে অস্পষ্টতা রয়েছে।বিএনপি নেতারা মনে করছেন, বেগম খালেদা জিয়া রাজনীতিতে ইতি ঘটেছে, তিনি আসলে কার্যত কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মধ্যে নেই। বিএনপি চেয়ারপারসন তাহলে কে? এই প্রশ্নের উত্তরে বিএনপির কোন কোন নেতা মনে করছেন, লন্ডনে পলাতক বিএনপি`র সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক জিয়াই হলেন এখন বিএনপির মূল নেতা।

তিনি বিভিন্ন সভায় যুক্ত হচ্ছেন, নেতা-কর্মীদের নানা রকম নির্দেশনা দিচ্ছেন, এমনকি স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবে সভাপতিত্ব করছেন। এ কারণেই এখন তারেক বি’রো’ধী অবস্থানে চলে গেছে। বিশেষ করে তারেক জিয়ার একের পর এক হঠকারি ভুল বি’ভ্রা’ন্তিকর সিদ্ধান্ত, তার মনোনয়ন বাণিজ্য, কমিটি বাণিজ্য এবং লন্ডন থেকে রাজনীতি করার ভ্রান্ত নীতি দলের ভিতর সমালোচিত হয়েছে।

এ কারণে তারা মনে করেন, লন্ডনে থেকে বিএনপির মতো একটি বড় রাজনৈতিক দলকে পরিচালনা করা সম্ভব না। এই প্রেক্ষাপটে বিএনপির কোনো কোনো নেতা মনে করছেন যে, বিএনপিতে একজন আপৎকালীন চেয়ারম্যান দরকার। যিনি দলকে সংগঠিত করবেন এবং সাংগঠনিক শূন্যতা গুলো পূরণ করবেন। বিএনপি এখন সংগঠন হিসেবে নানা সমস্যায় জর্জরিত। এই দলটির স্থায়ী কমিটির

অনেকগুলো পদ শূন্য। অধিকাংশ জেলায় কোন কমিটি নাই। ঢাকা মহানগরীর ওয়ার্ডগুলোতে কমিটি নাই, অন্য সহযোগী সংগঠনগুলোর বেহাল অবস্থা। নেতৃত্বে সার্বক্ষণিক নজরদারির কারণে এটি বলে অনেকে মনে করছে। এই বাস্তবতায় বিএনপির তৃণমূলের আ’কা’ঙ্ক্ষা হলো একজন কেয়ারটেকার নিয়োগ করা, যিনি এই জঞ্জালগুলো পরিষ্কার করে বিএনপিকে একটি সাংগঠনিক

অবস্থায় দাড় করাবেন। কিন্তু পরিবার তন্ত্রের কারণে সেটি শেষ পর্যন্ত সম্ভব হবে কি না- এ নিয়েও সংশয় রয়েছে।

Categories
Uncategorized

বডিগার্ডের সঙ্গে প’র’কী’য়া টিকিয়ে রাখতে কোটি টাকা খরচ দুবাই শাসকের স্ত্রীর

বাইয়ের শাসক শেখ মোহাম্মদ আল মাখতুমের স্ত্রী ও প্রিন্সেস হায়া তার বডিগার্ডের সাথে প;কী;য়া প্রেমে মজেছিলেন। শুধু তাই নয়, সম্পর্ক

টিকিয়ে রাখতে তার প্রেমিককে কয়েক মিলিয়ন ডলার ও ১২ হাজার ডলার দামের ঘড়ি উপহার দেন প্রিন্সেস। হায়া ছিলেন দুবাইয়ের শাসক ও বিলিয়নিয়ার শেখ মোহাম্মদ আল মাখতুমের ৬ষ্ঠ স্ত্রী। প্রিন্সেসের পরকীয়া প্রেমের জেরে তাদের মধ্যে দাম্পত্য সম্পর্কের অবসান ঘটে।

সন্তানদের অপহরণ ও জোরপূর্বক দুবাইয়ে ফেরত নিয়ে অপচেষ্টার অভিযোগে স্বামী ও দুবাইয়ের শাসকের বিরুদ্ধে লন্ডনের পারিবারিক আদালতে মামলা করেন প্রিন্সেস হায়া। এ নিয়ে আদালতে শুনানির পর প্রিন্সেসের সাথে বডিগার্ডের অনৈতিক প্রেমের বিষয়টি খবরে উঠে আসে।গণমাধ্যমের কাছে প্রিন্সেস ও তার প্রেমিক রাসেল ফ্লাওয়ারের সম্পর্কের খুটিনাটি বিষয়গুলো মেইল অনলাইনের কাছে তুলে ধরেন রাসেলের

সাবেক স্ত্রীর ঘনিষ্ঠজনরা। তারা জানায়, ৩৭ বছর বয়স্ক প্রেমিক রাসেল ফ্লাওয়ার কিভাবে ৪৬ বছর বয়সী প্রিন্সেসের দ্বারা প্রলুব্ধ হয়েছিল। সম্পর্ক অব্যাহত রাখতে তিনি তার প্রেমিককে ১২ হাজার ডলার দামের ঘড়ি এবং ৫০ হাজার ডলারের শর্টগানও উপহার দেন। এ ঘটনায় প্রেক্ষিতে স্ত্রীর সাথে বিচ্ছেদের মধ্য দিয়ে প্রিন্সেসের প্রেমিক রাসেল ফ্লাওয়ারের চার বছরের বিবাহিত

জীবনের অবসান ঘটে। রাসেলের স্ত্রীর ঘনিষ্ঠ বন্ধু মেইল অনলাইনকে জানান, তার স্বামী মূলত প্রিন্সেস হায়ার টাকা এবং উপহার সামগ্রীর
দ্বারা প্রভাবিত ছিলেন। প্রিন্সেস সব সময় দামি উপহার দ্বারা প্রমাণ করতেন যে, তিনি সব সময় তার প্রেমিকের পাশেই আছেন। ডেইলি মেইলের প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রিন্সেস বিদেশ যাত্রায় সব সময়ই রাসেলের সাথে পাশাপাশি রুমে অবস্থান করতে চাইতেন। তিনি যখন যুক্তরাজ্যে

থাকতেন, প্রতি রাতেই প্রেমিক রাসেলের সাথে বের হয়ে যেতেন। এমনকি কখনো কখনো সকাল পর্যন্ত বাসায় ফিরতেন না। রাজকীয় প্রাসাদে রাসেল ফ্লাওয়ার পাঁচ বছর প্রিন্সেসের রক্ষী হিসেবে সেবা করেন। ২০১৬ সালে পুরো সময় জুড়েই তিনি বিদেশ যাত্রায় প্রিন্সেসের সার্বক্ষণিক সঙ্গী হিসেবে থাকতেন।রাসেলের স্ত্রীর পরিবারের সদস্যরা গণমাধ্যমকে জানান, প্রতি রাতেই বাসায় ফেরার পর রাসেলের মোবাইলে প্রিন্সেসের ফোন এবং ম্যাসেজ আসতো। এ সময় তিনি সিকিউরিটি বাহিনীর সদস্যদের

ফোন বলে স্ত্রীকে আশ্বস্ত করতো। কিন্তু প্রতি ঘন্টাতেই এমন কল আসতো। কখনো কখনো প্রিন্সেসের সন্তানদের কণ্ঠ শোনা যেত।প্রিন্সেসের দেয়া উপহার সম্পর্কে রাসেলের সাবেক স্ত্রীর ঘনিষ্ঠজনরা জানান, প্রিন্সেস হায়া একটি ব্যক্তিগত নাম্বারও বানিয়ে দিয়েছিলেন। তবে দুবাইয়ের

শাসক সব সময়ই স্ত্রীর বডিগার্ডদের বিষয়ে উদার ছিলেন। কখনোই জানতে পারেননি স্ত্রীর অবৈধ প্রেমের খবর। দুবাই শাসক কখনো কখনো তার স্ত্রী হায়ার রক্ষীদের ৫ থেকে ১৫ হাজার ডলার টিপস দিতেন। কিন্তু রাসেলের গিফট থাকতো অনেক বেশি পরিমান অর্থ।
ডেইলি মেইল অনলাইন তাদের অনুসন্ধানে নিশ্চিত হয়েছে যে, রাসেল ফ্লাওয়ারের

সাথে প্রিন্সেস হায়ার প্রেমের ঘটনাআরো ৩ জন বডিগার্ড জানতো। তাদেরকেও সম্পর্কের কথা গোপন রাখতে ১২ লাখ ডলার ঘুষ দিয়েছিলেন প্রিন্সেস। রাসেলের সাথে তার স্ত্রীর সম্পর্ক ছিলো ১৫ বছরেরও বেশি সময়ের। কিন্তু এমন একটা ঘটনা তাদের সম্পর্কের ইতি টানতে বাধ্য করে। রাসেলে স্ত্রীর পরিবারের এক সদস্য গণমাধ্যমে বলেন, বিবাহিত একজন স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও এমন

ঘটনায়রাসেলের লজ্জিত হওয়া উচিত। তিনি বলেন, প্রিন্সেস হায়ার অপরাধেরও কোনো ক্ষমা নেই। তাদের এই অনৈতিক সম্পর্কের কারণে অনেকগুলো জীবন ধ্বংস হয়ে গেলো।অবশেষে প্রেমিক রাসেলের সাথে দুই বছরের অনৈতিক সম্পর্ক প্রিন্সেসকে তার স্বামীর মুখোমুখি করে দেয়।সম্প্রতি প্রিন্সেস হায়া তার স্বামীর সাথে আইনি লড়াইয়ে অংশ নিয়েছেন। হায়ার স্বামী

দুবাইয়ের শাসক তার দুই সন্তানকে তার কাছে নিয়ে যেতে চান।ব্রিটেনের পারিবারিক আদালতের বিচারক অ্যান্ড্রু ম্যাকফ্রালেন্স রাসেল ফ্লাওয়ারের সাথে হায়ার সম্পর্কের প্রমাণ হাতে পেয়েছেন। তবে রক্ষীর সাথে প্রেমের ক্ষেত্রে স্বাধীন সিদ্ধান্ত নেয়ায় রায় হায়ার পক্ষেই যায়। বিচারক প্রমাণ পেয়েছেন যে, দুবাইয়ের শেখ অর্থাৎ প্রিন্সেসের সাবেক স্বামী ভয়ভীতির মাধ্যমে বিচ্ছেদে

বাধ্য করেছেন। প্রিন্সেস হায়া বর্তমানে লন্ডনের কেনসিংটনে দুই সন্তান নিয়ে বসবাস করছেন। সূত্র- মেইল অনলাইন।

Categories
Uncategorized

যদি কোথাও কোনো ভাস্কর্য হয়, যে দলই করুক, টেনেহিঁচড়ে ফেলে দেব: বাবুনগরী

হেফাজতে ইসলামের আমির জুনায়েদ বাবুনগরী বলেছেন, যদি কোথাও কোনো ভাস্কর্য হয়, যে দলই করুক, সেটি যদি আমারও হয়, আমি

টে’নেহিঁ’চ’ড়ে ফে’লে দেবো। শুক্রবার (২৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের হাটহাজারি উপজেলার পার্বতী মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত তাফসিরুল কোরআন মাহফিলের বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। জুনায়েদ বাবুনগরী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন যে, মদিনা সনদে

দেশ চলবে। আমরাও তাই চাই। কিন্তু, মদিনা সনদে তো ভাস্কর্যের কোনো উল্লেখ নেই। মদিনা সনদে দেশ চললে দেশে ভাস্কর্ষ থাকতে পারবে না।’প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ করে বাবুনগরী বলেন, ‘আমরা আপনার শত্রু নই। আমরা আপনার দুশ’মন নই। বঙ্গবন্ধুকে কোনো আলেম-ওলামা হ”ত্যা করেননি। কোনো মাদ্রাসা ছাত্র হ”ত্যা করেননি। তার আপন মানুষরাই তাকে হত্যা করেছেন।’ প্রধানমন্ত্রীকে সতর্ক করে

দিয়ে বাবুনগরী বলেন, ‘যারা আপনার ঘাড়ের ওপর বসে আছেন, তারাই আপনার ক্ষ’তি করবে।’ গ্রেপ্তারকৃত মাদ্রাসার ছাত্রদের মুক্তির দাবিতে প্রয়োজনে ‘কঠিন’ কর্মসূচি দেওয়া হবে বলে হুঁ’শি’য়ার করেছেন জুনায়েদ বাবুনগরী। তিনি বলেছেন, ‘ঢাকার বি’ক্ষো’ভ মি’ছিল থেকে গ্রেপ্তারকৃত মাদ্রাসা ছাত্রদের যদি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মুক্তি দেওয়া না হয়, তাহলে হেফাজতে ইসলামের

ব্যানারে কঠিন কর্মসূচি দেওয়া হবে।’ জুমার নামাজের পর ঢাকার বায়তুল মোকাররম মসজিদ এলাকার মিছিল থেকে পুলিশ ৯ জন মাদ্রাসাকে আটক করে। হেফাজতে ইসলামের আমীর বলেন, ‘হেফাজতে ইসলামের উদ্দেশ্য শান্তি প্রতিষ্ঠা করা। আমরা শান্তি চাই। কিন্তু ইসলামের ওপর আ’ঘা’ত এলে, আলেম-ওলামাদের অসম্মান করা হলে, আমরা বসে থাকতে পারি না।’ এই মাহফিলে মাওলানা মামুনুল হকের বক্তব্য রাখার

কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তিনি আসেননি। এই প্রসঙ্গে বাবু নগরী বলেন, ‘একটি মহল বি’শৃ’ঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করায় মামুনুল হক নিজে থেকেই আসতে চাননি।’ তিনি বলেন, ‘মামুনুল হক একজন অভিজ্ঞ আলেম, শায়খুল হাদিস। তার মুখ দিয়ে কোরআন হাদিস বের হয়, তার

মুখ দিয়ে বোখারী শরিফ বের হয়। তার ছবিতে যারা অপমান করেছেন, যারা আলেম-ওলামাদের অপমান করেছেন, তাদের ওপর আল্লাহর গজব নাজিল হবে।’ রাত পৌনে ৮টার দিকে জুনায়েদ বাবুনগরীর বক্তব্য শেষ হলে কোরআন মাহফিল সমাপ্তির ঘোষণা দেওয়া হয়। চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে ঢাকার বিএমএ মিলনায়তনে ধোলাইর পাড়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য স্থাপনে বি”রো’ধীতা করে বক্তব্য

দিয়ে দেশব্যাপী আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেন মামুনুল। এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামে মামুনুল হককে অবা’ঞ্চিত ঘোষণা করার পাশাপাশি শুক্রবার তাকে প্র’তি’হত করার কথা জানান চট্টগ্রামের যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতারা। মামুনুলকে রুখতে শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের প্রবেশমুখে সড়কের ওপর অবস্থান নেন যুবলীগের নেতা-কর্মীরা। নগর যুবলীগের আহ্বায়ক মহিউদ্দীন বাচ্চু এতে

নেতৃত্ব দেন। পতেঙ্গা এলাকায় অবস্থান নেন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। বিমানবন্দর এলাকা ছাড়াও নগরের দেওয়ান হাট, দুই নম্বর গেট এলাকা, অক্সিজেন মোড়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা এবং হাটহাজারীর বিভিন্ন পয়েন্টে দিনভর অবস্থান নেন যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। এ সময় তারা যেকোনো মূল্যে মামুনুল হককে চট্টগ্রামে প্র’তিরো’ধ করার ঘোষণা দেন। এদিকে বিকেলে কয়েকটি গণমাধ্যম মামুনুল হক বৃহস্পতিবার দিনগত রাতে হাটহাজারী এসে দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় অবস্থান করছেন- এমন সংবাদ

দেওয়ার পর গুঞ্জন উঠে সন্ধ্যায় তিনি মাহফিলে আসবেন। বক্তব্য দেবেন। তবে শেষ পর্যন্ত তিনি মাহফিলে যাননি।

Categories
Uncategorized

আওয়ামী লীগে যোগ দিলেন বঙ্গবন্ধুর ছবি পো’ড়ানো মামলার প্রধান আ’সামি

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজে’লায় বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবি পো’ড়া’নো এবং নৌকা প্রতীক ভাং’চু’র মা’মলার প্রধান আ’সা’মি ইউপি

চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান আওয়ামী লীগে যোগদান করেছেন। বুধবার সন্ধ্যায় খটশিংগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বিশেষ কর্মিসভায় তিনি যোগদান করেন। মা’মলা সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালে বিএনপি থেকে জাতীয় পার্টিতে আসা সিদ্দিকুর রহমান

২০১৬ সালের ২৩ এপ্রিল অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জয়নাল আবেদিনকে পরাজিত করে জাতীয় পার্টি থেকে হাজিপুর ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। পরে নির্বাচনী নীতিমালা তো’য়া’ক্কা না করে ২৬ এপ্রিল নির্বাচনী এলাকায় ঢাক-ঢোল পি’টিয়ে ঘোড়ারগাড়িতে চড়ে বিজয় মিছিলে নেতৃত্ব দেন সিদ্দিকুর রহমান নিজে। মিছিলটি নির্বাচনী এলাকার সিংগারোল-দহগা নামক স্থানে পাকাসড়কে

পৌঁছলে সেখানে নির্মিত নৌকা প্রতীক সংবলিত তো’রণ ভাং’চু’র করা হয়। এ সময় বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি সংবলিত গেটটিতে আ’গু’ন ধ’রি’য়ে দেয়া হয়। পরে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জয়নাল আবেদিনের বাড়িতেও হা’ম’লা চা’লিয়ে মা’রপি’ট, ভাং’চু’র ও লু’টপা’টের ঘ’টনা ঘ’টে। এ ঘটনায় পরদিন ২৭ এপ্রিল পরাজিত প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা ও

সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীনের ভাই জালাল উদ্দী’ন বাদী হয়ে সিদ্দিকুর রহমানসহ ১০৯ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অ’জ্ঞাত ৭০-৮০ জনের বি’রুদ্ধে পীরগঞ্জ থা’নায় দ্রুতবিচার আই’নে মা’মলা দায়ের করেন। পু’লিশ পরবর্তীতে ত’দন্তসাপেক্ষে ইউপি চেয়ারম্যান সিদ্দিকুরসহ ১১০ জনের বি’রু’দ্ধে আ’দাল’তে অ’ভিযো’গপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন।

আ’দালতে অ’ভিযো’গপত্র দাখিলের পর ২০১৬ সালের আগস্টের শেষ সপ্তাহে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় কর্তৃক সিদ্দিকুর রহমান চেয়ারম্যানকে সাময়িক বরখা’স্ত করা হয়। এ সময় ওই মা’ম’লার কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে হাই’কোর্টে যান সিদ্দিকুর এবং স্বপদে বহাল হন তিনি। শুনানি শেষে মা’মলা’টি বিচারের জন্য নিম্ন আ’দালতে পাঠিয়েছেন হাই’কোর্ট নিম্ন আ’দালতে মা’মলার সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়। এ অবস্থায়

হাই’কোর্টের আদেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে রিভিউ করেন সিদ্দিকুর। এতে নিম্ন আ’দালতে আবারও থেমে যায় মা’মলা’টির বিচারিক কার্যক্রম। বর্তমানে বিষয়টি আপিল বিভাগে শুনানির জন্য রয়েছে। এ অবস্থায় সিদ্দিকুরসহ তার অনুসারীরা আওয়ামী লীগে যোগদান করায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। এ ঘটনায় উপজে’লা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান উপজে’লা চেয়ারম্যান আকতারুল ইস’লাম, সাবেক অর্থ সম্পাদক জয়নাল আবেদিন, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক

মোজাহারুল ইস’লাম, পৌর যুবলীগের সাবেক সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক মফিজুল হকসহ একাধিক নেতা জানান, সিদ্দিকুর বিএনপি রাজনীতির সঙ্গে জ’ড়ি’ত ছিলেন। সেখানে স্বার্থ হাসিল না হওয়ায় জাতীয় পার্টিতে যোগদান করেন। আওয়ামী লীগের প্রতি ক্ষুব্ধ হয়ে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাং’চু’র করে পুড়িয়ে দেয়া মা’মলার প্রধান আ’সা’মি হয়েও তিনি আওয়ামী লীগে কী’ভাবে যোগদান করলেন বা কোন স্বার্থে তাকে আওয়ামী লীগে যোগদান করানো হল- তা তারা বুঝে উঠতে পারছেন না।

তাদের অ’ভিযো’গ, বিশেষ সুবিধা নিয়ে মা’মলা থেকে বাঁ’চাতেই তাকে (সিদ্দিকুর) আওয়ামী লীগে যোগদান করানো হয়েছে। এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান বলেন, মা’মলা থেকে বাঁচতে নয়, বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত হয়েই দলে যোগদান করেছি। বঙ্গবন্ধু বা প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাং’চু’র বা পোড়ানোর ঘট’নার সঙ্গে আমি জ’ড়ি’ত’ নই। এ প্রসঙ্গে উপজে’লা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য

ইম’দাদুল হক বলেন, কোনো বিশেষ সুবিধা নয়, কেউ আওয়ামী লীগকে ভালোবেসে যোগদান করতেই পারে; এতে দোষের কিছু নেই। এ ব্যাপারে ঠাকুরগাঁও জে’লা জাতীয় পার্টির সভাপতি ও সাবেক এমপি হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ২০১২ সালে বিএনপি নেতা সিদ্দিকুর রহমান স্বার্থ হাসিলের জন্য জাতীয় পার্টিতে এসেছিলেন। ঠিক একইভাবে নিজ স্বার্থ হাসিলের জন্য আবারও আওয়ামী লীগে যোগদান করেছেন। তিনি আরও বলেন, সিদ্দিকুর নিজেই নির্বাচনী প্র’তিহিং’সা সৃষ্টি করে জ্বা’লাও-পো’ড়াও রাজনীতি

চা’লিয়ে মা’ম’লায় প’ড়েছেন। তবে সিদ্দিকুর রহমান জাতীয় পার্টি ছেড়ে যাওয়ায় দলের কোনো ক্ষ’তি হবে না।

Categories
Uncategorized

ব্যাট হাতে ৭ চার ২ ছয়ে ৮২ রানে প্যাভিলিয়নে ফিরেছেন আশরাফুল

ব্যাট হাতে মাঠে নেমে আবারও দ্যুতি ছড়িয়েছেন মোহাম্মদ আশরাফুল। সম্প্রতি মাঠে নেমে যেন পুরনো রুপে আবির্ভূত হয়েছেন এই

ব্যাটসম্যান। একের পর এক বাউন্ডারি হাঁকিয়ে তুলোধুনো করেছেন বোলারদের। সম্প্রতি আশরাফুল নিজের সত্যায়িত ফেসবুক পেইজে একটি ভিডিও পোস্ট করেন। যেখানে দেখা যায়, প্রস্তুতি ম্যাচে দুর্দান্ত ব্যাট করছেন তিনি। ভিডিওটি পোস্ট করে আশরাফুল ক্যাপশনে লেখেন,

‘’প্রস্তুতি ম্যাচে ৮২ রান করার কিছু ভিডিও ক্লিপ।‘’ সেই প্রস্তুতি ম্যাচে অংশ নিয়ে ৭টি চার এবং ২টি ছক্কার আদলে এই ৮২ রান আসে আশরাফুলের ব্যাট থেকে। বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান মোহাম্মদ আশরাফুল বর্তমানে বাংলাদেশ দল থেকে ঢের দূরে রয়েছেন। বিপিএলে স্পট ফিক্সিং কেলেঙ্কারিতে ফেঁসে যাওয়ার পর কেটে গেছে লম্বা সময়।

বয়সের ভারও যেন কিছুটা বেড়ে গেছে। আগের সেই তরুণ আশরাফুল এখন আর নেই। নিজের ফিটনেস নিয়ে অবশ্য এখনও সমানতালে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।জাতীয় দলে খেলা না হলেও নিষেধাজ্ঞা থেকে ফিরে ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলে যাচ্ছেন এই ব্যাটসম্যান। সবসময় হয়ত পারফরম্যান্সের ধার দেখাতে পারছেন না। কিছু ম্যাচে রান পেলেও সেই ধারাবাহিকতা

ধরে রাখাতে পারছেন না তিনি। ফলে জাতীয় দলে জায়গা পাবার সম্ভাবনা এখনও বেশ ক্ষীণ তার জন্য। জাতীয় দলে সবসময় সেরা ক্রিকেটারদেরই ঠাই দেয়া হয়। তবে সেই সেরা ক্রিকেটার এখন আর হয়ে ওঠতে পারছেন না আশরাফুল। নিজের জায়গা থেকে চেষ্টা চালিয়ে জাতীয় দলে খেলার স্বপ্ন এখনও দেখে যাচ্ছেন তিনি। বর্তমানে দল থেকে দূরে

থাকলেও এখনও যে ফুরিয়ে যান নি আশরাফুল সেই বার্তাই যেন দিয়ে যাচ্ছেন প্রতিভাবান এই ক্রিকেটার।সাম্প্রতিক সময়ে তিনি তার ফেসবুক পেইজে আরও একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন। যেখানে দেখা যায় অপরাজিত সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন তিনি। যদিও সেটা বিসিবির আয়োজন করা কোনো টুর্নামেন্ট ছিল না। তার এই হাড় ভাঙ্গা পরিশ্রম দেখে

বঙ্গবন্ধু টি২০ লীগে তাকে লুফে নেয় মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহী যেখানে তিনি এক ম্যাচে জয়ের ভুমিকাও পালন করেন।

Categories
Uncategorized

আবারও মেয়েসহ ব’ন্দি কাশ্মীরের মেহবুবা মুফতি

২০১৯ সালের আগস্টে কাশ্মী;রের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের সময় গৃহবন্দি হওয়ার ১৪ মাস পর গত ১৩ অক্টোবর মুক্তি পেলেও জম্মু ও কাশ্মীরের

সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতিকে মে;য়েসহ আবার গৃ;হবন্দি করা হয়েছে। ভারতশাসিত কাশ্মীর উপত্যকার প্রথম নারী মুখ্যমন্ত্রী ও পিপলস ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (পিডিপি) নেত্রী মেহবুবা মুফতি শুক্রবার নিজে টুইট করে মেয়েসহ ভারতীয় কর্তৃপক্ষের হাতে গৃহব;;ন্দি

হওয়ার খবর জানিয়েছেন। স্থানীয় একটি নির্বাচনের আগে সম্প্রতি পিডিপি নেতা ওয়াহিদ পারাকে গ্রেফতার করে জাতীয় তদন্ত সংস্থা এনআইএ। তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে চাওয়াতে ফের বন্দি হয়েছেন বলে অভিযোগ মেহবুবার। মেহবুবা মুফতি ওই টুইট বার্তায় লিখেছেন, ‘ফের বেআইনিভাবে আটক করা হয়েছে আমাকে।

গত দুদিন ধরে পুলওয়ামায় ওয়াহিদের পরিবারের সঙ্গে আমাদের দেখা করার অনুমতি দিচ্ছিল না জম্মু ও কাশ্মীর প্রশাসন।’ বিজেপির (ভারতের ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টি) মন্ত্রী এবং তাদের অনুচরদের কাশ্মীরে অ;বাধ বি;চরণের অনুমতি থাকলেও শুধু তাদেরকে নিরাপ;ত্তার দোহাই দেয়া হচ্ছে বলে অ;ভিযোগ মেহবুবা

মুফতির।তিনি জানান, ‘ভিত্তি;হীন অ;ভি;যোগে গ্রেফ;তার ওয়াহিদের পরিবারকে সমবেদনা জানানোর অধিকারটুকুও নেই আমাদের। তার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিল বলে আমার মেয়ে ইলতিজাকেও গৃহবন্দি করা হয়েছে’।তবে এখন তাদেরকে কোথায় রাখা হয়েছে,
এ বিষয়ে কিছুই খোলসা করেননি

মেহবুবা মুফতি। জেলা পরিষদের নির্বাচন ঘিরে কাশ্মীরে প্রস্তুতি যখন তুঙ্গে, ঠিক সেই সময় বুধবার ওয়াহিদ পারাকে গ্রেফ;তার করে এনআইএ। পুলওয়ামা থেকে জেলা পরিষদ নির্বাচনে মনোনয়ন জমা দেয়া ওয়াহিদ পারাকে জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলে গ্রেফতার করা হলেও
কাশ্মীরের বিজেপিবিরোধী রাজনৈতিক শিবির এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে।

ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিলের মাধ্যমে গত বছর কাশ্মীরের বিশেষ সাংবিধানিক মর্যাদা কেড়ে নিয়ে উপত্যকাকে ভেঙে দ্বিখণ্ডিত
করে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত করে বিজেপির কেন্দ্রীয় সরকার। এর পর ব্যাপক ধ;রপা;কড়ে পিডিপির মেহবুবা মুফতি,
ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা ফারুক আবদুল্লাহ, তার ছেলে

ওমর আবদুল্লাহ ও পিপলস কনফারেন্সের সাজ্জাদ লোনসহ অনেক রাজনীতিবিদ আট;ক বা গ্রেফ;তার হন।

Categories
Uncategorized

বাংলাদেশের ৮ বিভাগে ‘আইকনিক মসজিদ’ নির্মাণ করে দেবে সৌদি সরকার

সৌদি আরবের সহায়তায় দেশের আটটি বিভাগে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধাসহ ৮টি ‘আইকনিক মসজিদ’ নির্মিত হবে বলে জানিয়েছেন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার (২৬ নভেম্বর) সকালে নব নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত ঈসা বিন ইউসেফ আল-দুহাইলান প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রীয় বাসভবন গণভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে প্রধানমন্ত্রী মসজিদ নির্মাণের বিষয়ে তার সঙ্গে আলোচনা করেন।বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রীর প্রেস

সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের এ বিষয়ে ব্রিফ করেন। প্রেসসচিব জানান, প্রধানমন্ত্রী সৌদি সহযোগিতায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উন্নয়নের কথাও স্মরণ করেন। সৌদি সহায়তায় উপজেলা পর্যায়ে ৫৬০টি মডেল মসজিদ-কাম-ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মিত হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। দু’টি ভ্রাতৃপ্রতিম দেশের মধ্যে ঐতিহ্যগত সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন,

‘বাংলাদেশিদের হৃদয়ে সৌদি আরবের জন্য একটি বিশেষ স্থান রয়েছে। বাংলাদেশ সব সময় এই সম্পর্ককে মূল্য দেয়। দুই দেশের মধ্যে অনেক খাতে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক রয়েছে।’ এ সময় সৌদি রাষ্ট্রদূত আশা ব্যক্ত করেন, দু’দেশের মধ্যকার বিদ্যমান সম্পর্ক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আরও গভীর ও দৃঢ় হবে। অর্থনীতি, নিরাপত্তা ও জনশক্তির মতো

ক্ষেত্রগুলোতে সৌদি আরব ও বাংলাদেশের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। আল-দুহাইলান উল্লেখ করেন যে, তাদের দেশে ১৫ লাখের বেশি বাংলাদেশি বিভিন্ন খাতে কাজ করছেন। তিনি বলেন, ‘তারা কঠোর পরিশ্রমী এবং সৌদি অর্থনীতিতে বড় ধরনের অবদান রাখছেন।’সৌদির সহায়তায় আট বিভাগে নির্মিত হবে ৮টি ‘আইকনিক মসজিদ বাংলাদেশে বিদ্যমান

বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশের কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘সৌদি উদ্যেক্তারা বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী। তাদের সরকার ভ্রাতৃপ্রতীম দুটি দেশের মধ্যে ব্যবসা ও বাণিজ্য জোরদারের লক্ষ্যে বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের সৌদি আরবে স্বাগত জানাচ্ছে। সৌদি আরবে বিনিয়োগের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে এবং আমরা এ ব্যাপারে বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের পূর্ণ সহযোগিতা প্রদান করবো।’

দু’দেশের মধ্যকার বিদ্যমান চমৎকার সম্পর্কের ব্যাপারে সন্তোষ প্রকাশ করে আল-দুহাইলান এ সময় প্রধানমন্ত্রীকে বলেন, ‘রাষ্ট্রদূত হিসেবে তার মেয়াদকালে এই সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই হবে তার দায়িত্ব।’ সৌদি রাষ্ট্রদূত এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন। ইহসানুল করিম জানান, প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রদূতের

মধ্যে এ সময় করোনাভাইরাস ইস্যু নিয়েও আলোচনা হয়। বৈঠকের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে সৌদি আরবের নব নিযুক্ত রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানান এবং বাংলাদেশে তার মেয়াদকালে দায়িত্বপালনে পূর্ণ সহযোগিতা প্রদান করার আশ্বাস দেন।বৈঠককালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া উপস্থিত ছিলেন। প্রেস সচিব আরও জানান,

পরে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভুটানের রাষ্ট্রদূত রিনচেন কুয়েন্টসিল একই স্থানে প্রধানমন্ত্রীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

Categories
Uncategorized

হেফাজত নেতা মামুনুল হক হাটহাজারীতে

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক চট্টগ্রামে এসে পৌঁছেছেন। শুক্রবার (২৭ নভেম্বর) বিকেলে হেফাজতে

ইসলামের সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক ইসলামাবাদী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।তিনি আরও বলেন, মাওলানা মামুনুল হক রাতেই চট্টগ্রামে এসে পৌঁছেছেন। বর্তমানে তিনি হাটহাজারীতে অবস্থান করেছেন। আজকে হাটহাজারীতে আল আমিন সংস্থা আয়োজিত তাফসীরুল কুরআন

মাহফিলে বক্তব্য রাখবেন। এদিকে, বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য অপসারণের হুমকিদাতা হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হককে প্রতিহতের ঘোষণা দিয়ে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের প্রবেশ মুখে দুই ঘণ্টা অবস্থান নিয়ে বি;ক্ষো;ভ করেছেন যুবলীগ-ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। সকাল
থেকে তারা বিমানবন্দরের প্রবেশমুখে সড়কের ওপর অবস্থান নেন।

এ সময় তারা মামুনুলের বি;রু;দ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এদিকে, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হাটহাজারী সড়ক অবরোধ করে ঘণ্টাখানেক বিক্ষোভ করে। দুপুরে জুমাআর নামাজের পর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা অক্সিজেন এলাকায় অবস্থান নিয়ে বি;ক্ষোভ সমাবেশ করেছে। এর আগে, বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত

জঙ্গিবাদবিরোধী সমাবেশে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা চট্টগ্রামে হেফাজত নেতা মামুনুল হককে প্রতিহতের ঘোষণা দেন।

Categories
Uncategorized

তুরস্কের সঙ্গে নতুন ১০ চুক্তি করলো কাতার

তুরস্কের সঙ্গে নতুন ১০ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে কাতার। বৃহস্পতিবার আঙ্কারায় তুরস্কের প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেসে এসব চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এক

প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে তুর্কি সংবাদমাধ্যম ইয়েনি সাফাক। কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির সফরে এসব চুক্তিতে উপনীত হয় দুই দেশ। সফরে তুর্কি প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ানের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে অংশ নেন শেখ তামিম।

দুই দেশের মধ্যকার চুক্তির আওতায় তুর্কি স্টক এক্সচেঞ্জ বর্সা ইস্তাম্বুলের ১০ শতাংশ শেয়ার কিনে নিয়েছে কাতার। এছাড়া কাতারের কাছে ইস্তাম্বুলের বিলাসবহুল শপিং মল ইস্তিনি পার্কের শেয়ার হস্তান্তরের জন্য আরেকটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।ইস্তাম্বুল গোল্ডেন হর্ন প্রজেক্টে যৌথ বিনিয়োগের জন্য দুই দেশের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।

বিশ্ব রাজনীতিতে কাতার তুরস্কের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত। সামরিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক দিক থেকে দুই দেশ এক সূত্রে গাঁথা।
২০১৭ সালে সৌদি আরব ও তার মিত্ররা যখন কাতারের বিরুদ্ধে অবরোধ আরোপ করে, তখন তুরস্ক কাতারের সমর্থনে এগিয়ে আসেন। বলা চলে, তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান একাই সৌদি আরবের

কাতারবিরোধী অবরোধ ব্যর্থ করে দেন। কাতারবিরোধী ওই অবরোধ প্রত্যাহারে ১৩ দফা দাবি তুলে ধরেছিল সৌদি জোট। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল আল জাজিরা টেলিভিশন বন্ধ করে দেওয়া, কাতার থেকে তুরস্কের সামরিক ঘাঁটি প্রত্যাহার এবং মুসলিম ব্রাদারহুডের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করা। তবে সৌদি জোটের দাবি প্রত্যাখ্যান

করে উল্টো রিয়াদের আঞ্চলিক প্রতিপক্ষ তুরস্কের দিকে আরও বেশি ঝুঁকে পড়ে কাতার। সূত্র: আল জাজিরা।

Categories
Uncategorized

হোয়াইট হাউসে নতুন ইতিহাস, প্রথম ফিলিস্তিনি কর্মকর্তা নিয়োগ দিচ্ছেন বাইডেন

আমেরিকার প্রশাসনে একের পর এক ইতিহাসের জন্ম দিয়ে চলেছেন নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনে। এবার আরও একটি ইতিহাসের সৃষ্টি

করতে যাচ্ছেন তিনি। প্রথমবারের মতো কোনও ফিলিস্তিন বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক হোয়াইট হাউসে কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পাচ্ছেন।
তার নাম রিমা দোদি। তিনি নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের দীর্ঘদিনের সহকারী। তাকে এবার হোয়াইট হাউসের আইন

প্রণয়নবিষয়ক উপপরিচালক হিসেবে নিয়োগ দিচ্ছেন বাইডেন। খবর মিডলইস্ট মনিটর, হারেৎস ও ওয়াফা বার্তা সংস্থার।
ইসরায়েল অধিকৃত ফিলিস্তিনের হেবরন শহরের দুরা এলাকায় জন্ম রিমা দোদির। রিমাকে নিয়োগ দেওয়ার ব্যাপারে জো বাইডেন বলেন, মার্কিন জনগণ আমাদের প্রশাসনের কাজ

শুরুর অপেক্ষায় আছে। ফিলিস্তিন বংশোদ্ভূত এ নারীকে নিয়োগের মাধ্যমে সব নাগরিকের প্রতি আমাদের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠার এজেন্ডা বাস্তবায়ন করা হয়েছে। রিমা দোদি ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক সম্পন্ন করার পর ইলিয়ন বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর পড়াশোনা

শেষ করেন। বিগত ১৪ বছর ধরে তিনি ইলিয়নের সিনেটর ডিক দুরবিনের সহকারী হিসেবে কাজ করে আসছেন।