Categories
Uncategorized

মহাজোট ছাড়ার ঘোষণা জাতীয় পার্টির

দলের সাংগঠনিক কাজ গতিশীল করা ও জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশের জোটভিত্তিক রাজনীতির অন্যতম ক্রীড়ানক জাতীয় পাটি জোটের

রাজনীতির বাইরে গিয়ে একক রাজনীতিতে মনোনিবেশ করছে। জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুসাইন মুহাম্মাদ এরশাদের মৃ”ত্যুর পর দলটির হাল ধরেন গোলাম মোহাম্মদ কাদের। দায়িত্বভার নেওয়ার পর থেকেই জাতীয় পার্টিকে শক্তিশালী রাজনৈতিক শক্তি হিসাবে প্রতিষ্ঠায় মন দেন জিএম

কাদের। যার অংশ হিসাবে দলের অভ্যন্তরীণ কাঠামো ও সারাদেশে সংগঠনকে শ’ক্তিশালী করার প্রতি নজর দেন তিনি। দলটির শীর্ষস্থানীয় একাধিক নেতৃবৃন্দ বাংলা ইনসাইডারের সাথে আলোচনায় জানান, আওয়ামী লীগের সাথে জোট করার পর জাতীয় পার্টি ক্ষমতার অংশীদার হলেও দলটির আর্দশিক ও সাংগঠনিক অবস্থা আগের তুলনায় অনেক দূ’র্বল হয়ে গেছে।

তাদের মতে, আওয়ামী লীগের সাথে জোটভিত্তিক রাজনীতি করার ফলে দলটি কেবলমাত্র উত্তরবঙ্গ কেন্দ্রিক দলে পরিণত হয়েছে। একাদশ জাতীয় নির্বাচনে দেশের অনেক স্থানে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি থেকে ভালো ফলাফল করেছে। নির্বাচনে কম ভোট পাওয়া ও জাতীয় পার্টির জনপ্রিয়তা হ্রাসের পেছনে দলটির অতিমাত্রায় মহাজোট কেন্দ্রিক রাজনীতিকে দায়ী করছেন নেতৃবৃন্দ।

এমতবস্থায় দলটির আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নেমেছে দলটির নেতৃবৃন্দ। যার অংশ হিসাবে সারা দেশেই নতুন করে কমিটি করা ও কর্মী সম্মেলন আয়োজনের মিশনে নেমেছে দলটি। ইতিমধ্যে দেশের নানান জেলায় কর্মী সম্মেলন সম্পন্ন হয়েছে। জাতীয় পার্টির অতি আওয়ামী লীগ নির্ভরতা নিয়ে চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের দলটির কর্মী সভায় বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে জাতীয় পার্টি

নির্বাচন করেছে। আমরা নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে সাহায্য করেছি, তেমনি তারাও সাহায্য করেছে জাতীয় পার্টিকে। তার মানে এই নয় যে, জাতীয় পার্টি এখন আওয়ামী লীগ হয়ে গেছে।’ নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘জাতীয় পার্টি স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট নিয়ে রাজনীতির মাঠে আছে। অনেকেই মনে করেন জাতীয় পার্টি এখন আওয়ামী লীগ হয়ে গেছে। এটা তাদের ভুল ধারণা।

জাতীয় পার্টি যদি আওয়ামী লীগ হয়ে যায়, তাতে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির শ’ত্রুরা লাভবান হবে। তারা আমাদের ভোট নিতে চে’ষ্টা করবে।’দলটির সভাপতিমন্ডলীর এক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাংলা ইনসাইডারকে জানান জাতীয় পার্টি এখন থেকে একলা চলো নীতি অনুসরণ করবে। আর সেই নীতি বাস্তবায়ন করতেই মহাজোট থেকে বের হয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।

জাতীয় পার্টির সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, গত কয়েকমাস ধরে দলের আটটি প্রতিনিধি দল আটটি বিভাগে জনসমর্থন জরিপের কাজটি করছে। জেলা-উপজেলাগুলোতে কী পরিমাণ মানুষ জাতীয় পার্টির পক্ষে সমর্থন রয়েছে, তৃণমূল পর্যায় থেকে সেই তথ্যই তুলে আনছেন তারা। জরিপ শেষ করে তার তথ্য এ বছরের শেষ নাগাদ সংকলিত করতে পারবেন বলে মনে করছেন দায়িত্বে থাকা প্রতিনিধি দলের নেতারা। সেক্ষেত্রে মহাজোট ছাড়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্তটি আগামী বছরের শুরুর দিকেই ঘোষণা করা হতে পারে।দলটি সাংগঠনিক কাঠামো শ’ক্তিশা’লী করার পাশাপাশি

আগামী জাতীয় নির্বাচন নিয়েও প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। এরই মধ্যে সম্ভ্রাব্য প্রার্থীদের বিষয়ে নানান আলোচনাও শুরু হয়েছে পার্টির শীর্ষমহলে।শীর্ষ নেতাদের মতে, বর্তমানে দলটির জনসমর্থন যাচাই করার পাশাপাশি পার্টিকে শক্তিশালী করা ও আগামী জাতীয় নির্বাচনের জন্য তিনশ আসনে যোগ্য প্রার্থী সন্ধান করারও অতি গুরুত্বপূর্ণ। আগে থেকেই প্রার্থী যাচাইয়ের কথা জানলে নেতাদের মধ্যে দলীয় কাজের প্রতি

মনোযোগ তৈরি হবে। শীর্ষ নেতৃবৃন্দের মনোযোগ পাওয়ার জন্য সম্ভ্রাব্য প্রার্থী নিজ এলাকায় পার্টিকে সুসংগঠিত করবে। যা দিন শেষে জাতীয় পার্টিকেই শ’ক্তিশা’লী করবে। জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সুনীল শুভ রায় জানান, প্রত্যেক জেলা, উপজেলা ও বিভাগীয় শহরে কর্মী সম্মেলন হচ্ছে। সেখানে জাতীয় পার্টির একক রাজনীতি করা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। তিনি আরো জানান, গত মঙ্গলবার

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত কর্মী সম্মেলনে উপস্থিত সকল সদস্যই জাতীয় পার্টির একক রাজনীতির পক্ষে সমর্থন জানিয়েছে।

— বাংলা ইনসাইডার

Categories
Uncategorized

মা’রা গেলেন কিংবদন্তী ম্যারাডোনা

ডিয়েগো ম্যারাডোনা মা’রা গেছেন। কদিন আগে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছিলেন তিনি। ম্যারাডোনা ১৯৬০ সালে জন্ম গ্রহন করছিলেন,

আর মারা গেলেন ২০২০ সালে। ১৯৮৬ সালের আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ জয়ের নায়ক ছিলেন তিনি। আর্জেন্টিনা ফুটবল লিজেন্ড ডিয়েগো ম্যারাডোনা মারা গেলেন। গত ৩০ অক্টোবর ৬০তম জন্মদিন পালন করেন তিনি। কয়েক দিন পরই অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক। করা হয় মস্তিষ্কে

অস্ত্রোপচার। সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরেছিলেন তিনি। কিন্তু হার্ট অ্যাটাকে না ফেরার দেশে চলে গেলেন ম্যারাডোনা।

Categories
Uncategorized

বাংলাদেশের যে কোনো সাফল্যে ভারত গর্ববোধ করে: ভারতীয় হাইকমিশনার

ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামি বলেছেন, বাংলাদেশের যে কোনো সাফল্যে ভারত গর্ববোধ করে। মঙ্গলবার মুজিব বর্ষ উপলক্ষে

রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে শুরু হওয়া চার দিনব্যাপী ‘বঙ্গবন্ধু- যুগান্তরের রাষ্ট্রনায়ক’ শীর্ষক চিত্রপ্রদর্শনী উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে আঁকা ১২ জন বাংলাদেশি শিল্পীর চিত্রকর্ম প্রদর্শনীতে স্থান পেয়েছে। প্রদর্শনী উদ্বোধন করেন ভারতীয়

হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী। এসময় তিনি ঘুরে ঘুরে চিত্রকর্মগুলো দেখেন। অনুষ্ঠানে দেয়া বক্তব্যে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্ব ছিল অত্যন্ত আকর্ষণীয়, তিনি ছিলেন ঊনিশ শতকে সারাবিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নেতাদের একজন। এ অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দিপুমণি। তিনি বলেন, নতুন প্রজন্মকে বিশ্ব নাগরিক হতে হলে

জাতির জনককে বুঝতে হবে এবং ধারণ করতে হবে। স্বাধীনতা সংগ্রামে বঙ্গবন্ধুর অবদান এর কথা উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু তারুণ্যের যৌবনের শ্রেষ্ঠ সময় কাটিয়েছেন কারাগারে। দুঃসাহসিক এক অভিযাত্রীর নাম বঙ্গবন্ধু। জাতিকে স্বাধীনতার দিকে ধাবিত করেছেন তিনি। বঙ্গবন্ধু আমাদের শুধু স্বাধীন দেশ দেননি দিয়েছেন বিশ্বে আত্মমর্যাদা। ভারত ও বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দুদেশের সম্পর্ক শুধু ভৌগোলিক নয়, ইতিহাসও একই। আমাদের সবচেয়ে কষ্টের

সময় ভারত আমাদের আশ্রয় দিয়ে, খাদ্য দিয়ে সহযোগিতা করেছে। আজ এসম্পর্ক অন্য এক উচ্চতায় পৌঁছেছে।

Categories
Uncategorized

ঘু’ষ না দেয়ায় প্রতিব’ন্ধী কার্ড কেড়ে নিলেন ইউপি মেম্বার!

শেরপুরের শ্রীবরদীতে এক মা’নসিক প্রতিব’ন্ধী শি’শুর কার্ড কেড়ে নিয়েছে ইউপি সদস্যা। এ অ’ভিযোগ তুলেছেন উপজে’লার সিংগাবরনা

ইউনিয়নের পাঁচ মেঘাদল গ্রামের দিনমজুর আব্দুর রেজ্জাকের শি’শু পুত্র মা’নসিক প্রতিব’ন্ধী সিয়াম (১১)-এর মা খালেদা বেগম। মঙ্গলবার এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন তিনি। খালেদা বেগম জানান, তার ছেলে সিয়াম মা’নসিক প্রতিব’ন্ধী। এমনকি ঠিকমতো হাঁটাচলা করতে

পারে না। গত বছর ওই শি’শুর জন্যে প্রতিব’ন্ধী ভাতার আবেদন করেন তারা। এ ব্যাপারে সহায়তার জন্যে সিংগাবরনা ইউনিয়নের সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার জাহা’নারা বেগম তার কাছ থেকে ১৫০০ টাকা নেন। এ বছর ওই শি’শুর নামে প্রতিব’ন্ধী ভাতার কার্ড হয়। সম্প্রতি ওই শি’শুর পরিবার ব্যাংক থেকে বিগত দিনের প্রতিব’ন্ধী ভাতার টাকা উত্তোলন করেন।

এ সময় সংরক্ষিত আসনের মহিলা সদস্য জাহা’নারা বেগম তাদের কাছ থেকে আরো পাঁচ হাজার টাকা দাবি করেন। তারা টাকা না দেওয়ায় তিনি তাদের হাত থেকে প্রতিব’ন্ধী ভাতার কার্ড নিয়ে যায়। এ বি’ষয়ে মঙ্গলবার শি’শুটির মা খালেদা বেগম উপজে’লা সমাজ সেবা কর্মকর্তা ও উপজে’লা নির্বাহী কর্মকর্তার

কার্যালয়ে অ’ভিযোগ করেন।মহিলা মেম্বার জাহা’নারা বেগম বলেন, তাদের কাছ থেকে কোনো টাকা পয়সা নেই নাই। তারা আমার বি’রুদ্ধে মি’থ্যা অ’ভিযোগ তুলেছে।উপজে’লা সমাজ সেবা কর্মকর্তা স’রকার নাছিমা আক্তার বলেন, তারা আমার কাছে এসেছিল। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপজে’লা নির্বাহী কর্মকর্তা নিলুফা আক্তার বলেন, লিখিত অ’ভিযোগ দিলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সূত্রঃ কালের কণ্ঠ

Categories
Uncategorized

১৫ প্রবাসী বাংলাদেশিকে দেশ থেকে বের করে দিলো সিঙ্গাপুর সরকার

সম্প্রতি মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর ব্য;;ঙ্গ; চিত্র প্রকাশের ফ্রান্সের বি;রু;দ্ধে আ;ন্দো;ল;নে স;ম্পৃক্ত থাকার অ;ভি;যো;গে সিঙ্গাপুরে

১৫ প্রবাসী বাংলাদেশিকে ব;হি;ষ্কা;র করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্বখ্যাত সংবাদ এএফপি। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, ফ্রান্স বি;রো;ধী স;হিং;স;তা;কে প্র;রোচিত করে এমন সোশ্যাল মিডিয়ায় পোষ্ট দেওয়াদের বি;রু;দ্ধে এই ব্যব;স্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

সিঙ্গাপুরে প্রবাসী বাংলাদেশি ব;হি;ষ্কা;র;কৃ;ত;দে;র অধিকাংশরাই নির্মাণ শ্রমিক ছিলেন বলে জানা গেছে। এ ধরণের কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশের ভা;ব;মূ;র্তি ন;ষ্ট হচ্ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। মূলত দেশে ফ্রান্স বি;রো;ধী বিভিন্ন স;ভা স;মাবেশ ও আ;ন্দো;ল;নে;র প্রেক্ষিতেই দেশের বাহিরে থাকা বাংলাদেশিরা এই ধরণের কার্যক্রমে যুক্ত হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর

ব্য;ঙ্গ;চিত্র প্রকাশের পর ফ্রান্সের বি;রু;দ্ধে খে;;পে ওঠে মুসলিম বিশ্ব। পরবর্তীতে দেশটিতে ক্লাসে সেই ছবি প্রদর্শন করার পর এক শিক্ষকের শি;;র;শ্ছে;দ করে এক যুবক। বিষয়টি নিয়ে বি;রূ;প মন্তব্য করে মুসলিম বিশ্বের কাছে স;মালোচনার মুখে পড়েন দেশটির প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। তার সেই বক্তব্য নিয়ে মি;শ্র প্র;তিক্রিয়া থাকলেও বাংলাদেশে বিষয়টি নিয়ে তী;;ব্র প্র;তিক্রিয়া ব্য;ক্ত করে আলেম সমাজ।
ফ্রান্সের পণ্য ব;য়;ক;টে;র পাশাপাশি এ সময় অনেকে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টকে

হ;;ত্যা;র কথাও বলেছেন। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন রা;জনৈতিক বক্তাও উ;;গ্র মন্তব্য করেন যা নিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে হওয়া আলোচনায় ক্ষু;;ণ্ণ হয় বাংলাদেশের ভা;ব;মূ;র্তি। এরই ধারাবাহিকতায় এবার ফ্রান্স সরকারের প্রতি নি;;ন্দা জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স;মালোচনার বদলে প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁকে নিয়ে উ;গ্র;বা;দ ছড়িয়ে দেয়ার অ;প;রা;ধে সিঙ্গাপুর

সরকার এই ১৫ প্রবাসী বাংলাদেশিকে ব;হি;ষ্কা;র করে। ওই প্রবাসী বাংলাদেশিদের বি;রু;দ্ধে সিঙ্গাপুর সরকারের অ;ভিযোগ, তারা সাম্প্রতিক ফ্রান্সে স;;;ন্ত্রা;;সী হা;ম;লা;র প্র;তিক্রিয়ায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স;;হিং;স;তা প্র;রো;চি;ত বা সাম্প্রদায়িক অ;শা;ন্তি;কে তরান্বিত করেছে। আর এজন্যই তাদের বি;রু;দ্ধে এই ব্য;বস্থা নেওয়া হয়েছে।

ফ্রান্স বি;রো;ধী স;হিং;স;তা প্র;রো;চি;ত;মূ;ল;ক পোস্ট দেয়াদের বেশিরভাগই নির্মাণ শ্রমিক ছিলেন বলে জানায় সিঙ্গাপুরের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়। এক বিবৃতিতে দেশটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, সেপ্টেম্বরের শুরুর দিক থেকেই স;ত;র্ক ছিলো সিঙ্গাপুরের প্রত্যেকটি নি;রা;প;ত্তা সং;স্থা। এই নি;রাপত্তা সং;স্থাগুলির ত;দ;ন্তে;র ফলে বাংলাদেশিদের ব;হি;ষ্কা;র

করা হয়েছে। তবে তারা কি ধরণের ফেসবুক পোস্ট করেছিলেন সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। সূত্রঃ এএফপি

Categories
Uncategorized

সকল প্রবাসীদের ফ্রিতে করোনা ভ্যাকসিন দেবে সৌদি সরকার

সৌদির নাগরিক ও দেশটিতে অবস্থানরত সবাইকে করোনাভাইরাসের টিকা বিনামূল্যে দেবে দেশটির সরকার। সোমবার এ ঘোষণা দিয়েছে দেশটির

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে সৌদির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আল-এখবারিয়ারের খবর উদ্ধৃত করে আল আরাবিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সবাইকে করোনাভাইরাসের টিকা বিনামূল্যে দেয়া হবে। কর্মকর্তারা আশা করছেন, আগামী বছরের মধ্যে দেশের ৭০ শতাংশ মানুষকে

এই টিকার আওতায় আনা সম্ভব হবে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মোহাম্মদ আবদেল আলী জানান, নিরাপদ ও কার্যকর ভ্যাকসিন দেয়া হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিতে হবে ভ্যাসকিন দেয়ার আগে। এদিকে সৌদির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে দেশটির প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম আরব নিউজ জানিয়েছে, দেশটির নাগরিক ও বসবাসরত ৭০ শতাংশ মানুষকে করোনাভাইরাসের টিকা বিনামূল্যে দেয়া হবে, যারা এখন পর্যন্ত

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হননি। কর্মকর্তারা আশা করছেন আগামী বছরের মধ্যে তারা এ লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারবেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সহকারী আন্ডার সেক্রেটারি ড. আবদুল্লাহ আসিরি বলেছেন, যারা কোভিড ১৯-এর জন্য পজিটিভ পরীক্ষা করেননি, তাদের আগামী মাসে ভ্যাকসিন ক্যাম্পেইনে অগ্রাধিকার দেয়া হবে।

সৌদি আরবে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা তিন লাখ ৫৫ হাজার ৭৪১ জন। ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক বেশকিছু ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানির সাথে মিলে করোনাভাইরাস এর ভ্যাকসিন আবিষ্কার এর চেষ্টা করছে সৌদি আরব। সৌদি আরব যদি করোনার ভ্যাকসিন আবিষ্কারে সফল হয় তবে

শুধুমাত্র সৌদি নিবাসী সৌদি নাগরিক ও প্রবাসীরাই নয়, উপকৃত হবেন মধ্যপ্রাচ্যের সকল দেশ এবং আরো সকলেই।

Categories
Uncategorized

অবুঝ শিশুটিকে শীতের রাতে ফে’লে রেখে গেছে, আমরা মানুষ হব কবে ?

রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে ৭/৮ মাস বয়সী এক প্রতিবন্ধী শিশুকে উদ্ধা;র করা হয়েছে। সোমবার (২৩ নভেম্বর) রাত ১১ টার

দিকে শিশুটিকে উদ্ধার করে রেলওয়ে থানা পুলিশ। শিশুটি এখন পুলিশ হেফাজতেই রয়েছে। সাত থেকে আট মাস বয়সী এই নিষ্পাপ মেয়ে শিশুকে চাদরে জড়িয়ে কে বা কারা রাতের অন্ধকারে রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের ৭ নম্বর প্ল্যাটফর্মে ফেলে রেখে যায়। খবর পেয়ে

রাতেই শিশুটিকে উদ্ধার করে রেলওয়ে থানা পুলিশ। এ সময় শিশুটির পাশ থেকে একটি ব্যাগও উদ্ধার করা হয়। ব্যাগের মধ্যে পাওয়া যায় শিশুটির কিছু জামাকাপড়। পরে পরম মমতায় শিশুটিকে কোলে তুলে নেন পুলিশ কনস্টেবল ফিরোজা। প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য তাকে পাঠানো হয় রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স হাসপাতালে। চিকিৎসা শেষে শিশুটিকে আবারও রেলওয়ে থানায় নিয়ে আসা হয়। প্রতিবন্ধী হওয়ার কারণেই

শিশুটিকে ফেলে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কে বা কারা শিশুটিকে স্টেশনে ফেলে গেছে সিসিটিভির ফুটেজ দেখে তা সনাক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ রকিব উল হোসেন। তিনি বলেন, অভিভাবক খুঁজে পাওয়া না গেলে শিশুটিকে রাজধানীর কোন একটি আশ্রয় কেন্দ্রে রাখা হবে।

রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে ৭/৮ মাস বয়সী এক প্রতিবন্ধী শিশুকে উদ্ধা;র করা হয়েছে।

Categories
Uncategorized

বসবাসের জন্য উপযোগী শীর্ষ ১০ টি দেশের তালিকা

জন্মসূত্রে আমরা সবাই কোন না কোন দেশের নাগরিক। পৃথিবীতে অসংখ্য দেশ থাকলেও সব দেশকে আমরা সমান ভাবে বসবাসের জন্য

কিংবা উচ্চশিক্ষার জন্য উপযুক্ত মনে করি না। আপনি ভবিষ্যতে কোন দেশে যেতে চান তা সম্পূর্ণ নির্ভর করে যে দেশে যেতে চান সেই দেশের সুযোগ সুবিধার উপর। সাধারণত কোন দেশ কত ‘ভালো’ এটি পরিমাপ করার জন্য কোনো মিটার না থাকলেও বহুদিন ধরে চলে আসা

মানুষের নিজস্ব অভিজ্ঞতা জরিপ করে ইউ এন একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। তথাকথিত “গুড কান্ট্রি ইনডেক্স” বিচারক দেশসমূহ বিশ্বব্যাপী তাদের ইতিবাচক অবদানগুলোর উপর ভিত্তি করে নির্বাচিত হয়েছে। এই নির্বাচনটি সাতটি ভিন্ন শ্রেণীর উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। যেমন – স্বাস্থ্য ও কল্যাণ, ওয়ার্ল্ড অর্ডার, আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা,

সংস্কৃতি, জলবায়ু, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং সমৃদ্ধি। জনসম্মুখে কিংবা আড্ডার মাঝখানে অনেকের মধ্যেই দেখেছি ইউরোপীয় দেশগুলোতে যাওয়ার ইচ্ছা ব্যক্ত করতে। এই উপমহাদেশের মধ্যে মাইগ্রেট করার ক্ষেত্রে অনেকের মধ্যেই অনীহা দেখেছি। এটা সাধারণত উন্নত জীবনযাপন এবং সুযোগ সুবিধার কারণে অনেকটা। এক্ষেত্রে তালিকাটা ইউ এন এর মতে অনেকটা এরকম-

কানাডা
বর্তমান সময়ে সমগ্র বিশ্বে কানাডা শিক্ষাক্ষেত্রে সব ধরণের প্রোগ্রাম অফার করে থাকে। শিল্প সাহিত্যে উন্নতির সাথে সাথে অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারিং, ইন্ডাস্ট্রি এসব ক্ষেত্রেও এর উন্নতি দেখে অনেকেই একে পছন্দের দেশের তালিকায় রেখেছেন।উচ্চশিক্ষা কিংবা অন্য প্রয়োজনে নিজের দেশ ছেড়ে অন্য কোথাও যাত্রার পূর্বে আমরা সবাই এসব ব্যাপারগুলি ভেবে নিতে পারি। অহেতুক তাহলে বিদেশে গিয়ে হয়রানির স্বীকার হতে হবেনা কিংবা আশাহত হতেও হবে না।

সুইডেন
সুইডেনে স্বাস্থ্য এবং মেডিকেল খরচ বিপুল পরিমাণ কাউন্টি কাউন্সিল এবং পৌর করের দ্বারা প্রদান করা হয়। কেউ অসুস্থ থাকাকালে তার যাবতীয় খরচ সরকার বহন করে, কেবলমাত্র ডাক্তারের ফি নিজেকে পরিশোধ করতে হয়। ছাত্র হিসাবে হাউজিং খুঁজছেন, আপনার প্রথম যোগাযোগের পয়েন্ট সবসময় আপনার বিশ্ববিদ্যালয় হতে হবে। অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয় ইন্টারন্যাশনাল ছাত্রদের জন্য বাসস্থান প্রদান করে।
সুইডেনের ছাত্র ছাত্রীদের প্রায় সবসময়ই প্রতিষ্ঠান বা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হল বা ফ্ল্যাটে হাউজিং ব্যবস্থা করা হয়। সুইডিশ পৌরসভাগুলি হাউজিং

এবং আবাসিক এলাকায় পরিকল্পনা করে যাতে তারা বয়স্ক ব্যক্তিদের এবং অক্ষমদের প্রয়োজনীয়তাগুলি পূরণ করতে পারে। বর্তমানে গবেষণা, নিউক্লিয়ার প্রজেক্ট পরিচালনা এসব খাতেও অনেক উন্নতি হওয়ায় আপনাদের অনেকেরই পছন্দের তালিকায় সুইডেন জায়গা করে নিয়েছে।

ডেনমার্ক
বসবাসের জন্য ডেনমার্ককেও আপনারা রাখতে পারেন শীর্ষে। দেশের লোকজনের চিকিৎসার দায়িত্ব কেন্দ্রীয় সরকার ৯৮ টি লোকাল সুপারভাইজিং ইউনিট এর উপর ভাগ করে দেয়। যারা চিকিৎসা, হাসপাতালে পরিচর্যা বিভিন্ন ভ্যাক্সিনের দায়িত্ব নিয়ে থাকে। শিক্ষার ক্ষেত্রে

পাবলিক স্কুল ছয় বছরের বয়সে শুরু হয় এবং বিনামূল্যে হয়। পাবলিক স্কুল ব্যবস্থার আগে, ১৬ বছর পর্যন্ত শিশুদের নতুন ডেনিশ ভাষা এবং সামগ্রিক স্কুল সিস্টেমের ভূমিকা পেতে একটি পরিচায়ক ক্লাস আছে। ড্যানিশ জনগণ সবসময় নতুন নতুন কালচার, নিয়ম, বিচিত্রতা পেতে পছন্দ করে। তাই সেখানকার অভিবাসী হলে আপনিও সংস্কৃতির বিভিন্ন দিক নিয়ে জানতে পারবেন।

নেদারল্যান্ডস
ডাচ শহরগুলি অত্যন্ত নিবিড় এবং ঘনবসতিপূর্ণ। প্রধান শহরগুলো ধীরে ধীরে নতুন ভাবে সাজানো হচ্ছে। কেবল মাত্র বাড়ি ঘরের দিকে মন না

দিয়ে বিভিন্ন চিত্তবিনোদনের প্রতি সরকার যত্নবান হচ্ছে। রাস্তায় বসার জায়গা, পার্ক, নগর মাঠ এসব গড়ে উঠছে। নেদারল্যান্ডসে কেন্দ্রীয় সরকার আছে এবং যাবতীয় ক্ষমতা কেবিনেটের সদস্যদের অধীনে থাকে। এখানে মুক্ত বাজার অর্থনীতি বিদ্যমান এবং ৫ ধরনের পণ্য আমদানি রপ্তানি হয়ে থাকে। ক্যাথলিক অধ্যুষিত এই এলাকায় নারী পুরুষ সবাই কৃষি কাজ থেকে শুরু করে অফিসের কাজে যুক্ত থাকে। চিকিৎসার জন্য
অস্বচ্ছল পরিবারগুলোর সরকারি ইন্সুরেন্স করা থাকে এবং ধনীদের নিজস্ব।

এপ্লাইড বিষয়গুলার উপর উচ্চশিক্ষার সুবিধা থাকায় চাকরি ক্ষেত্রে নিজদের জনগণের সাথে সাথে অন্য দেশ থেকে আসা শিক্ষার্থীরাও সুযোগ পাচ্ছে ভালো।

যুক্তরাজ্য
কোন দেশে যেতে চান এই প্রশ্নের সাথে সাথে আমরা অনেকেই চোখ বন্ধ করে যুক্তরাজ্য বলে ফেলি। পৃথিবীর অন্য সকল দেশের থেকে অধিক সুযোগ সম্বলিত এই দেশটি জীবনধারণের জন্য উপযুক্ত। ব্যস্ততম এই নগরিতে যেমন উচ্চশিক্ষার সব সুযোগ রয়েছে তেমনি বিভিন্ন দেশের

মানুষের আগমনের ফলে ভিন্ন কালচারের মিশ্রণও ঘটেছে। চিকিৎসার উন্নত ব্যবস্থার সাথে সাথে বয়স্কদের জন্য নিরাপদ আবাসন এবং তাদের সব ধরণের প্রয়োজন মেটাতে তারা তৎপর। আপনি যুক্তরাজ্যে চাকরি খুঁজছেন, তবে প্রথমে আপনার গবেষণার কাজটি হলো- কোন সেক্টরে সবচেয়ে বেশি চাকরির সুযোগ রয়েছে। প্রবাসীদের জন্য শীর্ষ খাতে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং, কনসালটেন্সি, স্বাস্থ্যসেবা এবং আর্থিক সেক্টর। শিল্প, সভ্যতা, স্থাপত্য, সবকিছু মিলিয়ে অনেকের কাছে এটা স্বপ্নের শহর।

সুইজারল্যান্ড
লিস্টে পরবর্তীতে রয়েছে সবুজ রাজ্য সুইজারল্যান্ড। সুইজারল্যান্ডের শিক্ষা ব্যবস্থা খুবই বৈচিত্রময়, কারণ সুইজারল্যান্ডের সংবিধান প্রধানত ক্যান্টনগুলোতে স্কুল ব্যবস্থার জন্য কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিত্ব করে। সুইস সংবিধানের ভিত্তি স্থাপন করে, যেমন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রতি শিশুকে বাধ্যতামূলক এবং পাবলিক স্কুলগুলিতে বিনামূল্যে শিক্ষাদান করা হয়। সুইজারল্যান্ডের কোনো প্রাকৃতিক সম্পদ নেই, শিক্ষা এবং জ্ঞান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হয়ে উঠেছে। তাই সুইজারল্যান্ড বিশ্বের সেরা শিক্ষা ব্যবস্থাগুলির মধ্যে একটি দাবি করে।সুইজারল্যান্ডে স্বাস্থ্যসেবা সার্বজনীন

এবং স্বাস্থ্য বীমা সুইস ফেডারেল আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। কোনো রাষ্ট্র কর্তৃক প্রদত্ত স্বাস্থ্য সেবা নেই, তবে সুইজারল্যান্ডের বাসিন্দাদের বাসস্থান বা দেশে জন্ম গ্রহণের তিন মাসের মধ্যে ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য বীমা বাধ্যতামূলক। দেশটির প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক অবস্থানের বিকাশ ও শক্তিশালীকরণের জন্য শিল্প – সাহিত্য চর্চা এবং বৈজ্ঞানিক কাজের বিকাশ লক্ষণীয়।

জার্মানি
ইউরোপের স্থাপত্যের ইতিহাসে জার্মান শহরগুলো সাধারণত সব যুগের সাক্ষী। রোমানিক, গোথিক, রেনেসাঁ এবং বারোক শৈলীর ক্রম বিশেষ

করে গীর্জাগুলিতে স্পষ্ট দেখা যায়। জার্মানির বেশিরভাগ শহুরে স্থাপত্য উনিশ শতকের চেতনার সাক্ষ্য বহন করে। ম্যানুয়াল ট্রেড, প্রশিক্ষণ, যোগ্যতা, এবং লাইসেন্সিং বিশেষ আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। প্রশিক্ষণ এবং যোগ্যতা বৃত্তিমূলক স্কুল এবং ইন্টার্নশীপ এর মাধ্যমে ঘটে। জার্মানি অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের এবং প্রযুক্তিগত কলেজ আছে, যা প্রায় সমস্ত স্ব স্ব প্রশাসিত প্রতিষ্ঠানের পৃথক ফেডারেল রাজ্যের সংশ্লিষ্ট বিভাগ কর্তৃক অধীন। জার্মানরা পাশ্চাত্য বায়োমেডিসিন এবং জাতীয় স্বাস্থ্য বীমা উভয় উন্নয়নে নেতাদের মধ্যে ছিল। জার্মানিতে বায়োমেডিক্যাল স্বাস্থ্যসেবা

ব্যাপক ও উচ্চমানের। শিল্প সংস্কৃতির পুরাতন রুপকে নতুন ধারায় পাওয়া যায় ফিনল্যান্ডে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রকৌশল এবং ইলেকট্রনিক্স পণ্য রপ্তানিতে অনেক এগিয়েছে এ দেশ। নারীদের সমান ভোটদান অধিকার প্রদানের প্রথম দেশ এটি। সামগ্রিক স্বাস্থ্যসেবায় এটি প্যাডিয়াট্রিক, হৃদরোগ এবং মদ্যাশক্তি গবেষণার কাজে উন্নত।

ফ্রান্স
পারিবারিক ভাতা, অবসরকালীন ভাতা এবং বেকারত্বের পাশাপাশি সামাজিক নিরাপত্তার ফ্রেঞ্চ সিস্টেম স্বাস্থ্যের যত্ন নেয়। ন্যাশনাল হেলথ সিস্টেম ফরাসি নাগরিকদের জন্য

মেডিকেল খরচ এবং হাসপাতালে ভর্তি করে । প্রায় ১০ শতাংশ ছাত্রই বিদেশী এবং বর্তমানে এদের জন্য দেশে বিভিন্ন শিক্ষা ভাতা চালু হচ্ছে।

অস্ট্রিয়া
অস্ট্রিয়া অত্যন্ত শিল্পায়িত একটি দেশ। পর্যটন অর্থনীতিতে প্রচুর পরিমাণে অবদান রেখে যাচ্ছে, বিশেষ করে আল্পসের স্কি রিসোর্ট এবং ভিয়েনায় সাংস্কৃতিক কেন্দ্রগুলো। অস্ট্রিয়া বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত এবং সমন্বিত সামাজিক কল্যাণ কর্মসূচিগুলির মধ্যে একটি দেশ যা সরাসরি এবং পরোক্ষ কর দ্বারা পরিচালিত। অস্ট্রিয়া বারোটি

বিশ্ববিদ্যালয় এবং ছয়টি ফাইন আর্ট কলেজ রয়েছে এবং এর জন্য শিল্প সাহিত্যচর্চায়ও কোনো কমতি পাবেন না।

Categories
Uncategorized

অনলাইনে ৮০ পিস মোবাইল অর্ডার দিয়ে পেলেন টুকরো কাঠ

রাজধানীতে অনলাইনে ৮০ পিস মোবাইল অর্ডার দিয়ে হাতে পেলেন কাঠের টুকরো…অনলাইনে ৮০ পিস মোবাইল অর্ডার দিয়ে হাতে পেলেন

কাঠের টুকরো। রাজধানীর রূপনগর এলাকা থেকে আবুল কালাম (৪১) নামের ওই অনলাইন প্রতারক ব্যবসায়ীকে আ;ট;ক করেছে র‌্যাব-৪।
মঙ্গলবার র‌্যাব-৪ এর সহকারী পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জিয়াউর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে তিনি বলেন,

গ্রেফতার আসামি ভিন্ন নামে ফেসবুকে ফেক আইডি চালাতো। সম্প্রতি সে স্যামস্যাং কোর এ-২ মডেলের মোবাইল বাজার মূল্যের চেয়ে কম মূল্যে বিক্রির বিজ্ঞাপন দেয়। পরে একজন ৮০ পিস সেই মডেলের মোবাইল অর্ডার করেন। কিন্তু আসামি তাকে মোবাইল না দিয়ে বক্সের ভেতর কাঠের টুকরো দিয়ে দেয়। এভাবে সে দীর্ঘদিন ধরে অনলাইনে প্রতারণা করে

আসছিল।এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মিরপুর মডেল থানায় মামলা করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। সূত্রঃ ডেইলি বাংলাদেশ

Categories
Uncategorized

চু’মু খেয়ে দখলমুক্ত মসজিদে প্রবেশ করলেন আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট

২৭ বছর পর আর্মেনিয়ার সন্ত্রাসীদের হাত থেকে দখলমুক্ত করা মসজিদে চুমু খেয়ে প্রবেশ করলেন আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম

আলিয়েভ। সোমবার (২৩ নভেম্বর) দুখলমুক্ত বিরোধীয় নাগোরনো-কারাবাখের আগদাম অঞ্চল সফরে যান আজারী প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ফাস্ট লেডি মেহরিবান আলিয়েভা। এদিন স্ত্রী আলিয়েভ সামাজিক

যোগাযোগ মাধ্যম টুইটার ও ইন্সটাগ্রামে কয়েকটি ছবি পোস্ট করেন। পাশাপাশি ভিডিও আপলোড করেন। নিজস্ব যানবহনের চেপে অঞ্চলটিতে সফর করেন দেশটির প্রধান। ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা ছবিতে দেখা যায়, আগদামের একটি মসজিদে প্রেসিডেন্ট আলিয়েভ এবং তার স্ত্রী ও
প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট মেহরিবান আলিয়েভাকে নিয়ে মসজিদে প্রবেশ করছেন।

এসময় তিনি ও তার স্ত্রী মসজিদের ফটকে চুমু খেয়ে তাতে প্রবেশ করেন। এ সময় তিনি ও তার স্ত্রী কুরআনে চুমু খেয়ে সেটি মসজিদে রাখেন। প্রেসিডেন্ট আলিয়েভ জানান, আজারবাইজানের সেনাবাহিনী কোনো বুলেট ব্যবহার না করেই আগদাম বিজয় করেছে। এসময় আলিয়েভ আর্মেনিয়দের হাতে ধ্বংস হওয়া এলাকা দেখিয়ে বলেন,

সমগ্র বিশ্বকে এসব দেখা উচিত। এখানে ভালো কোনো স্থাপনা নেই। সব আর্মেনিয়রা ধ্বংস করে ফেলেছে।