Categories
Uncategorized

জয় যুক্তরাষ্ট্রে কোথায় যান, কী করেন- সে খোঁজ নেওয়ার জন্য এফবিআইয়ের প্রতি অ্যাপ্রোচ করে বিএনপি নেতার ছেলে

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন বলেছেন, বিএনপি ২০১৭ সাল পর্যন্ত চারটি এবং ২০১৯ সালে একটি ‘লবিস্ট ফার্ম’ নিয়োগ করে। আর

যু;;দ্ধাপরাধীদের বিচার ঠেকাতে জামায়াত-বিএনপি তিনটি ‘লবিস্ট ফার্ম’ নিয়োগ করে। যুক্তরাষ্ট্রে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির লবিস্ট নিয়োগ নিয়ে চলমান বিতর্কের মধ্যে জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এর আগে জাতীয় সংসদে

অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে এ বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বিবৃতি দাবি করেছিলেন বিএনপির সংসদ সদস্য মো. হারুনুর রশীদ এবং জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য মুজিবুল হক। মন্ত্রী আবদুল মোমেন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজিব ওয়াজেদ জয় ও তার পরিবার যুক্তরাষ্ট্রে কোথায় যান, কী করেন- সে খোঁজ নেওয়ার জন্য এফবিআইয়ের প্রতি অ্যাপ্রোচ

করে বিএনপি নেতার ছেলে সিজার। তারা জয়কে অপহ;রণের ষ;ড়যন্ত্র করেছিল। যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে সিজার ও তার সহযোগীদের সাজাও হয়েছে। তিনি বলেন, একটি দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে পারেন, অনুযোগ করতে পারেন। কিন্তু দেশের বিরুদ্ধে যারা এই ধরনের অপপ্রচার করে তাদের প্রতি ধিক্কার জানাই। দেশের অমঙ্গল ডেকে এনে নিজের ক্ষুদ্র স্বার্থ চরিতার্থ

করার জন্য বিএনপি নানামুখী অপচেষ্টা চালাচ্ছে দাবি করে একে আবদুল মোমেন বলেন, আমাদের প্রতিপক্ষ দলের নেতারা বিভিন্ন দেশের প্রায় ১৮টি কমিটির লোকজনকে চিঠি দিয়েছেন। চিঠিতে বলেছেন, দেশের সব রকমের সাহায্য বন্ধ করতে। আমেরিকার নিরাপত্তা বাংলাদেশের কারণে বিঘ্নিত হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছেন,

বিশেষ করে ভাসানচরে নিয়ে যে পরিকল্পনা করেছেন, এটা আত্মঘাতী। এই আশ্রয়ের ফলে আমেরিকার আন্তঃএশিয়া পলিসি বিঘ্নিত হবে। ফলে আমেরিকার সিকিউরিটি ধ্বং;;স হবে। এই রকমের বাজে কথা যারা বলে ‘শেইম অন দেম’। আগামীতে এই ধরনের দুরভিসন্ধিমূলক কাজ থেকে বিরত থাকবে বলে আশা করি। তিনি আরও বলেন, আমাদের দল স;ন্ত্রা;সে বিশ্বাস করে না,

দুরভিসন্ধিতে বিশ্বাস করে না, ষ;ড়যন্ত্রে বিশ্বাস করে না। আমরা তাদের (বিএনপি) ষ;ড়যন্ত্রের খবর পাই ‘টাইম টু টাইম’ কিন্তু তারা যে দুনিয়ার সবগুলো হিউম্যান রাইটস এজেন্ডকে নক করেছেন। এটার জন্য দুঃখ করতে হয়। দেশের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় বিদেশি রাষ্ট্রগুলোতে লবিস্ট ফার্ম নিয়োগের তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরে আবদুল মোমেন বলেন,

আমাদের দেশে যু;;দ্ধাপরাধী বিচার যখন চলে তখন আমেরিকার সরকারকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সেই বিচার ভুল প্রমাণিত করার জন্য চেষ্টা করে ‘পিস অ্যান্ড জাস্টিস ’ নামের জামায়াত-বিএনপির প্রতিষ্ঠান। তারা এক লাখ ৩২ হাজার ডলার দিয়ে এই প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ করে। তারা যু;;দ্ধাপরাধী মামলা বন্ধ করার জন্য পরবর্তীতে কন্ট্রাক্ট পাবলিক অ্যাফেয়ার্স আউট রিচ নামের আবার লবিস্ট নিয়োগ করে। শুধু জামায়াত নয়, বিএনপি ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০১৭ সালের এপ্রিল পর্যন্ত ২৭ লাখ ডলার খরচ করেছে।

তারা প্রতি মাসে ১ লাখ ২০ হাজার ডলার খরচ করেছে। এগুলো আমেরিকার ওয়েবসাইটে আছে সবাই দেখতে পাবেন। বিএনপি ‘একিন গভমেন্ট’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান ও হুইফ্রেড তিনটি প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ দিয়েছে। সেখানে প্রতি মাসে এক লাখ ২০ হাজার ডলার খরচ করে। এরপর তারা একটি প্রতিষ্ঠানকে ১০ লাখ ৫০ হাজার ডলার দেবেন বলে নিয়োগ করেছেন।

Categories
Uncategorized

গ্রেপ্তারের পর পুলিশ এক নারীর সঙ্গে আমার ছবি তুলেছিল: আদালতে ‘শিশুবক্তা’

রাষ্ট্রবিরোধী, উস্কানিমূলক মন্তব্য এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় গ্রেপ্তার ‘শিশুবক্তা’ রফিকুল ইসলাম মাদানীর বিরুদ্ধে অভিযোগ

গঠন করেছেন আদালত। আজ বুধবার ঢাকা সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ আশ সামস জগলুল হোসেন অভিযোগপত্র পড়ে শোনান। তবে রফিকুল আদালতে দোষ স্বীকার করেননি এবং ন্যায়বিচার দাবি করেছেন। ট্রাইব্যুনাল মামলার বিচার শুরুর জন্য আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি

তারিখ নির্ধারণ করেছেন। আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর নজরুল ইসলাম শামীম দ্য ডেইলি স্টারকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আজকের শুনানিতে ‘শিশুবক্তা’ রফিকুল আদালতে দাবি করেছেন যে তাকে গ্রেপ্তারের পর পুলিশ থানায় এক নারীর সঙ্গে বেশ কয়েকটি ছবি তুলেছিল। তাছাড়া, তার বক্তৃতার ভুল ব্যাখ্যা করা

হয়েছে এবং তার নামে মিথ্যা বক্তব্য প্রচার করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন রফিকুল ইসলাম মাদানী। গত বছরের ২৫ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফরের প্রতিবাদে বিক্ষোভ চলাকালে ঢাকার মতিঝিল এলাকা থেকে মাদানীকে গ্রেপ্তার করা হয়। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই তাকে

ছেড়ে দেওয়া হয়। পরে একই বছরের ৭ এপ্রিল নেত্রকোনার পূর্বধলা এলাকা থেকে র‍্যাব তাকে গ্রেপ্তার করে। তার বিরুদ্ধে গাজীপুরের গাছা থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করা হয়। পুলিশ জানায়, তিনি ইউটিউবের মাধ্যমে ঘৃণ্য বার্তা প্রচার করে আসছিলেন। তার বিরুদ্ধে গাজীপুর ও তেজগাঁও থানায় আরও ৩টি মামলা আছে।

তবে রফিকুল আদালতে দোষ স্বীকার করেননি এবং ন্যায়বিচার দাবি করেছেন। ট্রাইব্যুনাল মামলার বিচার

—ডেইলি স্টার অনলাইন

Categories
Uncategorized

পুলিশে যুক্ত হচ্ছে রোবট-ড্রোনসহ অত্যাধুনিক প্রযুক্তি

বাংলাদেশ পুলিশকে ২০৪১ সালের উন্নত দেশের উপযোগী করে গড়ে তুলতে তথ্য প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহারের মাধ্যমে পুলিশের সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

এক্ষেত্রে ভবিষ্যতে পুলিশে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, রোবট, ড্রোন ইত্যাদি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সংযোজন করা হবে। পুলিশ সপ্তাহ ২০২২ এর চতুর্থ দিনে বুধবার (২৬ জানুয়ারি) দিনব্যাপী ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের সাথে পুলিশ মহাপরিদর্শক ড. বেনজীর আহমেদের এসব বিষয় নিয়ে

আলোচনা হয়েছে। অতিরিক্ত আইজি ড. মো. মইনুর রহমান চৌধুরী সভাপতিত্বে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সের অডিটোরিয়ামে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে বাংলাদেশ পুলিশের আধুনিকায়নে বিভিন্ন ইউনিট থেকে প্রাপ্ত প্রস্তাবের ওপর আলোচনা হয়। সভায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বিভিন্ন প্রস্তাব উত্থাপন করেন।

বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত আইজি, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, সকল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি ও জেলার পুলিশ সুপাররা এতে অংশগ্রহণ করেন। এসময় আইজিপি মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের উত্থাপিত বিভিন্ন বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। সম্মেলন শেষে ডিআইজি (অপারেশন্স ও মিডিয়া অ্যান্ড প্লানিং) মো. হায়দার

আলী খান সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিধান, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন, সন্ত্রাস মোকাবিলা, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং বাংলাদেশ পুলিশকে ২০৪১ সালের উন্নত দেশের উপযোগী জনবান্ধব ও পেশাদার বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে পুলিশের আধুনিকায়ন প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের সেবা জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে প্রতিটি ইউনিয়ন ও পৌরসভার ওয়ার্ডে বিট পুলিশিং কার্যালয় স্থাপন, সাইবার অপরাধ দমনে স্বতন্ত্র সাইবার ইউনিট প্রতিষ্ঠা, দেশ ও জনগণের কল্যাণে নিবেদিত পুলিশ সদস্যদের চিকিৎসার সুবিধার্থে আলাদা মেডিকেল সার্ভিস গঠন, অনলাইন জিডি আরও সহজতর ও বিস্তৃত করা,

জনগণের আইনি সহায়তা আরও সুগম করার লক্ষ্যে সার্কেল অফিসের কার্যক্রম বেগবান করা, পুলিশ সদস্যদের আধুনিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা, ২০৪১ সালের উপযোগী করে হাইওয়ে পুলিশকে গড়ে তোলা ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

মো. হায়দার আলী খান বলেন, পুলিশের সক্ষমতা বাড়ানোর মূল লক্ষ্য জনগণের কাছে দ্রুত সেবা পৌঁছে দেওয়া। আমরা বাংলাদেশ পুলিশকে জনতার পুলিশ, জনবান্ধব পুলিশ হিসেবে গড়ে তুলতে আইজিপি মহোদয়ের নেতৃত্বে কাজ করছি।

Categories
Uncategorized

সৌদিতে বাংলাদেশি প্রবাসী যুবককে গলা কে;টে হ;ত্যা, দেশে পরিবারে শোকের মাতম

কোভিড টিকা দেওয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে বশির আহমদ (২৪) নামে এক বাংলাদেশি যুবককে গ;লা কে;;টে হ;;ত্যা করেছে সৌদিআরবে

কর্মরত পাকিস্তানি শ্রমিকরা। রোববার রাতে সৌদিআরবের আল কাসিম শহরের বুরাইদা এলাকায় ওই ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার রাতে বিষয়টি জানাজানি হয় নি;হ;ত প্রবাসী বাংলাদেশী যুবকের বাড়িতে। বাংলাদেশী যুবক বশির আহমেদ কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার পৌর এলাকার

তুলাতলী গ্রামের মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় পাঁচ বছর আগে কর্মের তাগিদে সৌদি আরবে পাড়ি জমান ৪ ভাইয়ের মধ্যে সবার ছোট বশির আহমেদ। সেখানের একটি কোম্পানিতে কাজ করতেন বশির। ওই কোম্পানিতে পাকিস্তানি কয়েকজন শ্রমিকের সঙ্গে বন্ধুত্ব হয় তার। বন্ধুত্বের সুবাদে কোম্পানির

একটি ক্যাম্পে তারা একসঙ্গে থাকতো। রোববার রাতে পাকিস্তানি বন্ধুরা ওই শহরের কোনো এক নির্জন জায়গায় নিয়ে গলা কে;টে হ;;ত্যা করে তাকে। রাতে ক্যাম্পে না ফেরায় নিকটবর্তী থানায় যোগাযোগ করে বশিরের আত্মীয়-স্বজন। পরে সৌদি পুলিশ এ ঘটনায় এক পাকিস্তানি যুবককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে বশিরকে হ;;ত্যার ঘটনা স্বীকার করে ওই পাকিস্তানি যুবক।

এ ঘটনায় পুলিশ এক বাঙালিসহ দুই পাকিস্তানি যুবককে আটক করেছে বলে জানা গেছে। বশিরের বড় ভাই সৌদি প্রবাসী মোজাম্মেল হক জানান, তারা যে ক্যাম্পে থাকতো রোববার রাতে পাকিস্তানি কয়েকজন শ্রমিক তাকে কোভিড টিকা দেওয়ার কথা বলে রোম থেকে ডেকে নেয়। ওই রাতে পাকিস্তানিরা রোমে ফিরলেও ফিরেনি আমার ভাই।

তার রোমে থাকা অন্যরা আমার ভাই সম্পর্কে জানতে চায় পাকিস্তানিদের কাছে। তখন ওই পাকিস্তানিদের কেউ বলে হাসপাতালে আছে, আবার কেউ বলে বন্ধুর রোমে আছে। তাদের কথায় গড়মিল থেকে পরদিন সোমবার বিকালে ওই রোমে থাকা অন্যরা পুলিশে ঘটনাটি জানায়। মঙ্গলবার সকালে পুলিশ দুই পাকিস্তানি ও এক বাঙ্গালী যুবককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের

এক পর্যায়ে তারা গলা কে;টে হ;;ত্যা করার বিষয়টি নিশ্চিত করে। মোজাম্মেল আরও জানান, আমার ভাই কয়েক মাস বাড়িতে টাকা পাঠায়নি। তার কাছে অনেকগুলো টাকা ছিল। ওই টাকার লোভে আমার ভাইকে গলা কে;টে হ;;ত্যা করেছে পাকিস্তানিরা। নি;হ;তের পিতা ছিদ্দিকুর রহমান জানান, আমার ছেলে প্রতিদিন কয়েকবার বাড়িতে

ফোন করতো। রোববার রাত থেকে আমার ছেলে ফোন করে না। সোমবার আমরাও ফোনে কথা বলার জন্য চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু সংযোগ পাচ্ছিলাম না। মঙ্গলবার রাতে জানতে পারি আমার ছেলেকে পাকিস্তানিরা গলা কে;টে হ;;ত্যা করেছে।

এদিকে বুধবার নি;হ;তের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় শোকের মা;তম। মাতা কমলা বিবি চিৎকার দিয়ে বার বার মুর্ছা যাচ্ছেন। নি;হ;তের বাড়িতে আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসীর ভিড় জমাচ্ছেন।

এ ব্যাপারে চান্দিনা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আশরাফুন নাহার জানান, বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। নি;হ;তের পরিবার আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে আর্থিক সহায়তা পাওয়ার জন্য আমরা সহযোগিতা করবো।

Categories
Uncategorized

চাকরি পাচ্ছেন না, শুধু’মাত্র দু-বেলা ভাতের বিনিময়ে পড়াতে চান আলমগীর!

বাংলাদেশের সব অভূতপূর্ব সৃষ্টিগু’লোর জন্মই দেন তরুণরা। মুক্তি’যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে দেশ গঠনেও তরু’ণদের ছিল ইতিবাচক ভূমিকা। কিন্তু

বর্তমান ত’রুণ সমা’জের বড় অংশই বেকার, অনিশ্চিত জীবনের পথে। যার কারণে অনেক তরুণ হতা’শাগ্রস্ত হয়ে আত্মহত্যার পথেও হাঁটেন।
‘শুধুমাত্র দু-বেলা ভাতের বিনিময়ে পড়াতে চাই’—এমন লেখা সংবলিত একটি পোস্টার দুই দিন হলো সামাজিক যোগা’যোগমাধ্যম ফেসবুকে

ঘুরছিল। বলা যায় পোস্টারটি ফেসবুকে একপ্রকার ভাইরাল হয়ে গেছে। টিউ’শনির জন্য এমন একটি পোস্টার লাগিয়েছেন বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজের শিক্ষার্থী মো. আলমগীর কবির। তিনি রাষ্ট্র’বিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্না’তক ও স্নাত’কোত্তর শেষ করেছেন। এখন লড়াই করে যাচ্ছেন চাকরির জন্য। জয়’পুরহাটের পাঁচবিবিতে কৃষক

পরিবারে তাঁর জন্ম। পাঁচ ভাই’বোনের মধ্যে সবার ছোট তিনি। আলমগীর কবির তাঁর পো’স্টারে লিখেছেন, ‘শুধু’মাত্র দু-বেলা ভাতের বিনিময়ে পড়াতে চাই।’ সকাল ও দুপুরের খাবারের বিনিময়ে তিনি পড়াবেন। এ ছাড়া তিনি লিখেছেন, প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত গণিত ব্যতীত সবকিছুই পড়াবেন। সেই পোস্টারে নিজের পেশা হিসেবে লিখেছেন ‘বেকার’। এতে তাঁর

নাম ও মোবাইল নম্বর দেওয়া আছে। আলমগীর কবিরের সঙ্গে কথা হয়। নিজের পোস্টারটি সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘প্রয়ো’জনের তাগিদে এই পোস্টার লাগিয়েছি। আমার বন্ধুদের অনেক দিন হলো টিউশনির কথা বলছি, কিন্তু তারা দিতে পারছে না। এর মধ্যে আমি একটা টি’উশনি পাই। সেখানে দেড় হাজার টাকা বেতন দেয়। কিন্তু এই টাকা দিয়ে হয় না।

আমার পরিবা’রের অবস্থাও ভালো না।’ কবির বলেন, ‘আমি চাচ্ছিলাম নিজে কিছু একটা করি। আমার এই টাকা দিয়ে হচ্ছে না। আমাকে মাঝেমধ্যেই ঢাকায় যেতে হয়, পরীক্ষা দিতে। আমার কিছু জমানো টাকা ছিল, যা দিয়ে বেশ কয়েকবার ঢাকায় গিয়ে পরীক্ষা দিয়েছি। এখন ধার-দেনা করে চলছি। অনেক ঋণের মধ্যে আছি আমি। গত মাসে একা’ধিকবার (বিভিন্ন চাকরি পরীক্ষার)

ভাইভা দিতে ঢাকায় যেতে হয়েছে। অনেক টাকা খরচ হয়েছে।’ দুই বেলা ভা’তের বিনি’ময়ে যি’নি পড়াতে চান, সেই আ’লম’গীর থা’কেন কো’থায়? মেসে? না, এক’টি বা’য়। আগে মেসে থাক’তেন। কিন্তু চলতে ক’ষ্ট হ’চ্ছি’ল। মেসে থাকা-খা’ওয়ার জন্য তো অ’নেক টাকা দর’কার। তিনি তখন চাক’রির কো’চিং করতেন। তাঁর স’ঙ্গে একটি মে’য়ে পড়’তেন। তাঁদের বাসা তাঁর মে’সের পা’শেই ছি”ল। ওই মে’য়ের পরি’বার সেখানে বে’শি থাকে না। এখানে সব ভাড়া দিয়ে তাঁ’রা ঢা’কায় থাকেন। কবির সেই মে’য়েকে তাঁদে’র বা’সায় থাকার ব্য’ব’স্থা করতে অনু’রোধ করেন। মে’য়েটি তাঁর বা’বার স’ঙ্গে কথা বল’তে বলেন কবিরকে। তাঁর বাবার স’ঙ্গে কথা বললে তিনি কবিরকে থা’কার

জা’য়গা দেন। সেখানেই এখন থাকেন তিনি। তাই মা’থার ওপর একটা ছাদ থাক’লেও তিন বেলা খাবারের সংস্থান নেই তাঁর। এ জন্যই তাঁর এই বি’জ্ঞাপন। একটা চাকরির জন্য বন্ধু’দের কাছ থেকে ধার করে টাকা জোগাড় করে আল’মগীর কবির ছুটে বেড়ান এদিক-ওদিক। সরকারি চাকরির বয়স চলে গেছে করো’নার শু’রুর বছরই। ২০২০ সালের আগ পর্যন্ত সর’কারি চাকরির জন্য অনেক চেষ্টা করেছেন, যেমনটা করেন বাংলা’দেশের আর দশ’টা শি’ক্ষিত তরুণ।

কিন্তু সেই তরু’ণদের ম’ধ্যে স’ফল গু’টি’ক’য়েকের একজন হতে পারেননি আলমগীর কবির, যেমন অধি’কাংশই পারেন না। সোনার হরিণ সরকারি চাকরি তো আর সবার ভাগ্যে জোটে না। কেন জোটে না। শু’ধুই কি যো’গ্যতার অভাব? আল’মগীর কি’ছুটা বলেন, অনেকটাই বলেন না। শুধু ই’ঙ্গি’তে বো’ঝান নিয়োগে আ’র্থিক লেনদেন, পরিচয়, লবিং ইত্যা’দি নানা বি’ষয়ের কথা। কি’ন্তু বলেন না। শুধু বলেন, সর’কা’রি চাকরি হলো না। বেসরকারি চাক’রিই ভ’রসা এখন। কিন্তু সে’খানেও।

Categories
Uncategorized

ক্ষেতে চাষ করতে করতেই অ’শ্লী’ল সিনেমা, মাসে আয় ২ কোটি!

দুনিয়াতে প্রায় সকলেই চায় বেশি বেশি টাকা উপার্জন করতে। এর মধ্যে কেউ রাত দিন পরিশ্রম করে টাকা উপার্জন করে আবার অনেকেই

শর্ট কার্ট রাস্তা অবলম্বন করে টাকা উপার্জন করেন। এভাবেই শর্ট কার্ট রাস্তা ওনলি ফ্যানস-এর মাধ্যমে অনেকেই টাকা উপার্জন করছেন। ক্ষেতে চাষ করতে করতেই অশ্লীল সিনেমা বানাতে শুরু করেছিলেন। মাসে প্রায় ২ কোটি টাকারও বেশি আয় করতেন তিনি। এমন শর্টকার্ট

রাস্তা অবলম্বন করেই কোটি কোটি টাকা উপার্জন করেছেন আমেরিকার শিকাগোতে বসবাসকারী এমা ম্যাগনোলিয়া। খবর নিউজ এইটিনের।
অনলি ফ্যানস হলো একটি অ্যাডাল্ট সাইট, যেখানে রেজিস্ট্রেশন করার পরে সবাই নিজেদের বোল্ড ফটো শেয়ার করে। সেই সকল ফটো দেখার জন্য অন্য লোকেরা টাকা দিয়ে সেই অ্যাডাল্ট সাইটের

সাবস্ক্রিপশন গ্রহণ করে। কিন্তু অনেকেই এই অ্যাডাল্ট সাইটের মাধ্যমে টাকা উপার্জন করার পর সেখান থেকে অবসর নিয়ে নেয়। এমনই এক অ্যাডাল্ট স্টার নিজের অবসরের কথা ঘোষণা করেছেন। অনলি ফ্যানস-এর সেই ট্যাটু স্টারের নাম হলো এমা ম্যাগনোলিয়া। এমা নিজের জীবনের সঙ্গে জড়িত অনেক অজানা তথ্য সকলের সাথে শেয়ার করেছেন।

এমা জানান, প্রথমে তিনি একজন কৃষক ছিলেন। পরে তিনি সেই অ্যাডাল্ট সাইট অনলি ফ্যানস-এর সম্পর্কে জানতে পারেন। সেই অ্যাডাল্ট সাইটের মাধ্যমে এমা অনেক টাকা উপার্জন করেন। কিন্তু তিনি খুব তাড়াতাড়ি সেই দুনিয়া থেকে অবসর নিতে চান। এমা সেই অ্যাডাল্ট সাইটের দুনিয়া থেকে অবসর নেয়ার পর কী করতে চান, সেই

প্ল্যানও সকলের সাথে শেয়ার করেছেন। এমা ম্যাগনোলিয়া অ্যাডাল্ট সাইটের দুনিয়া থেকে অবসর গ্রহণ করার পরে আবার তার পুরনো কাজে ফিরে যেতে চান। অর্থাৎ তিনি আবার চাষ শুরু করতে চান। ২২ বছর বয়সের এমা ম্যাগনোলিয়া জানিয়েছেন যে, অ্যাডাল্ট স্টার হওয়ার পরে তাকে খুব একটা কষ্ট করে টাকা উপার্জন করতে হয়নি। কিন্তু পুরনো কৃষকের জীবনই তার

কাছে বেশি পছন্দের। আমেরিকার শিকাগোতে বসবাসকারী এমা ম্যাগনোলিয়া সেই অ্যাডাল্ট সাইটের মাধ্যমে প্রতি মাসে প্রায় ২ কোটি টাকার মতো উপার্জন করছেন। এর জন্য এমা ম্যাগনোলিয়া তার সকল সাবস্ক্রাইবারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। টুইটারে লাখের বেশি ফলোয়ারের সাথে এমা ম্যাগনোলিয়া তার পুরনো জীবনের কথা শেয়ার করেছেন।

এমা ম্যাগনোলিয়া জানিয়েছেন, কীভাবে তিনি চাষাবাদ করতেন এবং এক এক টাকা জমানোর চেষ্টা করতেন। কিন্তু এখন তিনি বেশ আরাম করেই তার জীবন কাটাচ্ছেন এবং অনেক টাকা উপার্জন করছেন। কিন্তু এমা ম্যাগনোলিয়া সেসব থেকে অবসর নিয়ে তার পুরনো জীবনেই ফিরে যেতে চান, কারণ চাষ করতে তিনি খুবই পছন্দ করেন।

সাবস্ক্রিপশন গ্রহণ করে। কিন্তু অনেকেই এই অ্যাডাল্ট সাইটের মাধ্যমে টাকা উপার্জন করার পর সেখান

Categories
Uncategorized

মোবাইল নিয়ে খেলতে খেলতে দেড় লাখ টাকার ফার্নিচার কিনল শিশু!

তথ্যপ্রযুক্তির এ সময়ে স্মার্টফোন নিত্যপ্রয়োজনীয় অনুষঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রায়ই দেখা যায়, অভিভাবকরা বাচ্চাকে শান্ত রাখার জন্য তার হাতে

স্মার্টফোন বা ট্যাব দেন। গান, কার্টুন বা মজার ভিডিও চালিয়ে দিয়ে তাকে শান্ত রাখা হয়। আবার স্কুল-কলেজসহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন ক্লাসের কারণে বাধ্য হয়েই শিশুর হাতে তুলে দিচ্ছেন স্মার্টফোন। মোবাইল ফোন নিয়ে খেলছিল ২২ মাসের এক শিশু। এরপরই প্রায় দেড় লাখ

টাকার ফার্নিচার কিনে ফেলে ওই শিশু। এ ঘটনা ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রের নিউজার্সিতে। মালয় মেইলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মায়ের মোবাইল ফোন নিয়ে খেলছিল আয়ানশ কুমার নামের ওই শিশু। এরপর ওয়ালমার্ট থেকে ১ হাজার ৭০০ ডলার বা প্রায় ১ লাখ ৪৬ হাজার টাকা দিয়ে ফার্নিচার কিনে ফেলে আয়ানশ। আয়ানশের বাবা প্রমোদ বলেন,

সে কার্টে গিয়ে সেখানে যা ছিল, সব কিছু অর্ডার করে দেয়। টাকাও পরিশোধ করে দেয় সে। স্থানীয় টিভি স্টেশন নিউজ12 জানিয়েছে, কিছুদিন আগেই নতুন বাসায় উঠেছে এই পরিবার। শিশুটির মা মধু অনলাইনে কেনাকাটা করতে অনেকটা সময় পার করেছেন। তার মোবাইল ফোনে তার পেমেন্টের সব তথ্যই জমা ছিল। কিছু জিনিস পছন্দ করে কার্টে রাখেন তিনি।

কিন্তু সেগুলোই তিনি কিনবেন কিনা তা চূড়ান্ত করেননি মধু। তবে এর আগেই তার ছেলে সব কিছু কিনে ফেলে। চোখের পলকেই এক হাজার ৭০০ ডলার খরচ করে ফেলে সে। প্রমোদ বলেন, আমরা আয়ানশের হাতে মোবাইল ফোন দেখি। কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে যায়। আমরা অর্ডার বাতিল করতে চেয়েও ব্যর্থ হই। আয়ানশের করা

অর্ডার এখনও এই দম্পতির বাসায় আসছে। সে কার্টে গিয়ে সেখানে যা ছিল, সব কিছু অর্ডার করে দেয়

Categories
Uncategorized

এখন বুঝি, সিনেমা থেকে দূ’রে থাকাটা ভু’ল ছিল: রিয়াজ

নব্বই’য়ের মাঝা’মাঝিতে সিনেমায় পা রেখেই তুমুল জনপ্রিয় হয়ে উঠা চিত্র’নায়ক রি’য়াজ। সম’কালীন অ’প’রাপর নায়’কদের মধ্যে ছিলেন

দর্শ’কের পছ’ন্দের তালি’কার সর্বা’গ্রে! শাব’নূর, পূর্ণি’মাদের স’ঙ্গে জু’টি বেঁধে একের পর এক হি’ট সিনেমা উ’পহার দিয়েছেন তিনি। সেই জন’প্রিয় না’য়ক শূন্যে’র মাঝা’মাঝি এসে সিনে’মায় অ’ভিনয় কমিয়ে দেন। পরব’র্তীতে ব্য’স্ত হতে থাকেন না’টক ও নিজস্ব ব্যবসায়।

তারপর থেকে কালে’ভদ্রে সিনেমা করলেও রি’য়াজ আগের মতো নিয়’মিত ছিলেন না। এখন উ’পলব্ধি করেন, তার সিনেমা থেকে দূরে যাওয়া উচিত হয়নি। বুধবার এফডি’সিতে চ্যানেল আই অন”লাইনের সঙ্গে আলাপে এই আক্ষে’পের কথা জানান রিয়াজ। তিনি বলেন, নির্বা’চনের কারণে প্রতিদিন এফডিসি আসতে হচ্ছে। এর বিভিন্ন স্প’টে যাতা’য়াতের

কারণে বিভিন্ন স্মৃতি চোখে ভাসছে। এখন উপল’ব্ধি হয়, সিনে’মা থেকে দূ’রে সরে থাকাটা আমার ভু’ল ছিল। তাই এই ভুল এবং আপসোস আর করতে চাই না। সিনে’মার সঙ্গে ওত’প্রো’তভাবে থা’কতে চান বলেই আ’সন্ন শি’ল্পী স’মিতির নির্বা’চনে ইলি’য়াস কা’ঞ্চন-নিপুণ প্যানেল থেকে সহ সভাপতি পদে নির্বা’চন করছেন চিত্রনায়ক রিয়াজ।

তিনি বলেন, নির্বা’চনে জয়ী হয়ে এখা’নকার মা’নুষদের সেবা করতে চাই। সেবা করার মানসিকতা নিয়ে এবার নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। জীবনের শেষ দিন পর্য’ন্ত এই মানুষ’গু’লোর সেবা করতে চাই। এর আগে মিশা-জায়েদ প্যা’নেলের হয়ে নির্বা’চনে জ’য়ী হয়েছি’লেন রিয়াজ। সেই সময়ে ১৮৪ জন শি’ল্পীর ভো’টাধি’কার তুলে নেয়া হয়। মিশা-জায়ে’দের প’ক্ষ

থেকে বলা হচ্ছে, যাদের ভোটা’ধিকার তুলে নেয়া হয়েছে সেই সিদ্ধান্তে রিয়া’জের নি’জেরও স্বা”ক্ষর রয়েছে। এ অভি’যো’গের প্রে’ক্ষিতে রিয়াজ বলেন, খারাপ মানুষদের ছল চাতুরীর অভাব হয়না। সমিতির চেয়ার খবর’দারি ক’রার জ’ন্য না। এই তালিকা যখন করা হয় তখন চোখ বুলানোর সুযোগ হয়নি। ত”খন উপ’দেষ্টা যারা ছিলেন কথা

বলে’ছিলেন কি’ন্তু তালিকা যখন চূড়ান্ত হয় দু’তিনজন ছাড়া কেউ চোখ বুলাতে পারেনি। রাতের অন্ধকারে এই তালিকা করেছিল। রিয়া’জের কথা, তখন প্রতি’বাদ করে’ছিলাম। সেই স’ময় ওই প্যা’নেল থেকে বলেছিল উপ’দেষ্টা না, আমরা কমি’টির মানু’ষরাই সবকিছু। সেই কমি’টির ক্ষম’তা যখন শেষ হয় কা’র্যনি’র্বাহি মি’টিংয়ে আমি কথা বলেছিলাম। বলেছিলাম,

আপনা”’দের যারা ভোট দেবে তাদের ভো’টার রাখবেন বা’কিদের বের করে দেবেন এটা তো হয় না। রিয়াজ বলেন, এটা নিয়ে বাদানু’বাদের পরে আমার সঙ্গে যখন তারা এক’মত হচ্ছি’ল না সেই মিটিং থেকে আমি বের হয়ে আসি। এরপর থেকে সেই কমিটির সঙ্গে ছিলাম না। এজিএম হয়ে’ছিল তখন আমি সাধা’রণ মানু’ষের সঙ্গে বসে ছিলাম। আমা’কে কথা বলতে দেয়া হয়নি।

সেখানে বলা হয়েছিল সভা’পতি এবং সাধা’রণ সম্পা”দক (মিশা-জা’য়েদ খান) ছাড়া কেউ কথা বলতে পারবে না। বিষ’য়টি আমা’কে প্রচ’ণ্ড’ভাবে কষ্ট দি’য়েছে। তখনই বের হয়ে চলে গিয়েছিলাম। সেদিনে গণমাধ্য’মকর্মী সে’খানে ছি’লেন। তারা এই বিষ’য়টি ভালোভাবে দেখেছেন।

Categories
Uncategorized

২৬ বছর পর প্রবাস থেকে ফিরে স্ত্রী ও ছেলের নি;র্যা;তনের শি;কার হয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছেন কফিল উদ্দিন

স্ত্রী ও ছেলের নি;র্যা;তনের শি;কার হয়ে বাড়িছাড়া হয়ে আছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মানিকপুর ইউনিয়নের কল্যাণপুর গ্রামের

বাসিন্দা কফিল উদ্দিন। চার বাড়ির মালিক হওয়া সত্ত্বেও এখন পথে পথে ঘুরছেন কুয়েত থেকে ফেরত আসা এই ব্যক্তি। মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করে সম্পত্তির জন্য নিজের স্ত্রী হোসনে আরা বেগম ও ছেলে

সাইফুল ইসলামের করা শা;রীরিক ও মানসিক নি;র্যা;তনের বর্ণনা দিয়েছেন কফিল উদ্দিন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘১৯৮৯ সালে আমার বড়ভাই আব্দুল মজিদ মা;রা যাওয়ার পর ১৯৯২ সালে তার স্ত্রী হোসনে আরা বেগমকে আমি বিয়ে করি। ভাইয়ের মৃ;;ত্যুর সময় তার চার ছেলে ও এক ছোট মেয়ে বাচ্চা ছিল।

আমি তাদেরকে আদর-স্নেহ দিয়ে বড় করেছি। এর মধ্যে আমারো এক ছেলে হয়েছে। আমার ভাইয়ের চার ছেলেকেই আমি নিজের টাকায় বিদেশে পাঠিয়েছি। আমি দীর্ঘ ২৬ বছর কুয়েতে প্রবাস জীবন কাটিয়ে গত ২০১৯ সালে দেশে চলে আসি। আমি প্রবাসে থাকা অবস্থায় প্রতিবারই দেশে ছুটিতে আসার পর জায়গা-জমি কিনেছি। ২৬ বছর প্রবাসে থেকে রাস্তায়

ফেরি করে মাছ বিক্রির কষ্টার্জিত অর্থ দিয়ে এলাকায় চারটি বাড়ি, স্থানীয় ধারিয়ারচর বাজারে একটি দোকান এবং ১৭ কানি জমি কিনেছি। আমি দেশে একেবারে চলে আসার আগেরবার যখন ছুটিতে এসেছিলাম, তখন একটি জমি কেনার জন্য আমার স্ত্রীর কাছে ১০ লাখ টাকা দিয়ে গিয়েছিলাম।’ তিনি বলেন, ‘আমি দেশে আসার পর আমার নিজের ছেলে

সাইফুল ইসলাম তাকে ব্যবসার জন্য টাকা দিতে আমাকে চাপ দিতে থাকে। পরে ১২ লাখ টাকা খরচ করে স্থানীয় বাজারে একটি কাপড়ের দোকান করে দেই। আমার স্ত্রীর কাছে জমি কেনার জন্য দিয়ে যাওয়া ১০ লাখ টাকার হিসাব চাইলে হিসাব না দিয়ে উল্টো তার এবং আমার ছেলে সাইফুলের নামে জায়গা-সম্পত্তি লিখে দেয়ার জন্য চাপ দিতে থাকে।

তারা সকল সম্পত্তির দলিল নিজেদের কব্জায় নিয়ে নেয়। আমি তাদেরকে বলি, আগে আমার সম্পদের দলিল বুঝিয়ে দাও, এরপর আমি সেগুলো বণ্টন করে দেব। কিন্তু তারা রাজি না হয়ে আমাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন শুরু করে। বিদেশে থাকা আমার ভাইয়ের চার ছেলের শলাপরামর্শে তারা আমার ওপর নি;র্যাত;ন চালাতে থাকে।’ তিনি আরো বলেন, ‘আমি খেলাম কিনা,

শরীর ভালো কিনা- সেটার খবর নেয়ারও প্রয়োজন মনে করে না আমার স্ত্রী ও ছেলে। গত সাড়ে পাঁচ মাস আগে আমাকে আমার ভাগ্নির বাড়ি থেকে আমাকে জো;রপূর্বক ধরে নিয়ে আসে। এরপর আমাকে ঘরে আটকে রেখে সস্পত্তি লিখে দেয়ার জন্য শারীরিক নি;র্যা;তন চালয়। একপর্যায়ে আমাকে শরবতের সাথে মেশানো ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে

ফেলে। পরে অচেতন অবস্থায় আমার টিপসই নিয়ে কিছু সম্পদ তাদের নামে লিখে নেয়। আমি বাঞ্ছারামপুর থানায় এ বিষয়ে সাধারণ ডায়েরি করি। এরপর থেকেই আমি বাড়িছাড়া। পরবর্তীতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আদালতে আমার স্ত্রী ও ছেলের বিরুদ্ধে মামলা করি। মামলার পর থেকে আমাকে মা;রার জন্য হ;ন্নে হয়ে খুঁজছে তারা। আমার নিজের ঘর-বাড়ি থাকা সত্ত্বেও পালিয়ে বেড়াতে হচ্ছে।’

‘আমি আমার ওপর যে অন্যায়, অ;ত্যা;চার-নি;র্যাত;ন হয়েছে, সেটির বিচার চাই। আমার সারাজীবনের কষ্টার্জি;ত অর্থে গড়া সম্পত্তিগুলো ফেরত চাই। এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও সরকারের সহযোগিতা চাই আমি,’ বলেন তিনি।

তবে বাবাকে নি;র্যাত;ন করে সম্পত্তি লিখে নেয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে কফিল উদ্দিনের ছেলে সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আমার বাবা নিজের ইচ্ছায় আমাদের সম্পত্তি লিখে দিয়েছেন। বাবাকে কখনোই সম্পত্তির জন্য নি;র্যাত;ন করা হয়নি।’

Categories
Uncategorized

দেশে ১৫ দিনের জন্য কঠোর লকডাউন দেওয়ার পরামর্শ

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ছে অত্যন্ত উদ্বে;গজনক হারে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে করোনা রোগীর পরিমাণ বেড়েছে প্রায় তিন

গুণ। হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ বাড়ছে। ধীরে ধীরে কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতালগুলো পুরনো রূপে ফিরতে শুরু করেছে। রাইজিংবিডি
রাজধানীর তিনটি হাসপাতালে গিয়ে দেখা গেছে, দুই সপ্তাহের ব্যবধানে রোগী বেড়েছে দশ গুণ। ল্যাবএইড হাসপাতালের জেনারেল ম্যানেজার

ইফতেখার আহমেদ জানিয়েছেন, যেকোনো সময়ে পরিস্থিতি জটিল হওয়ার আশঙ্কায় তারা ইতোমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছেন। আগের অভিজ্ঞতা এবার কাজে লাগাতে চান তারা। তাদের দুটি হাসপাতালে ৪২টি করোনা বেডের বিপরীতে এখন রোগী আছে ৩৫ জন। রাজধানীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালের সিইও আল এমরান

চৌধুরী জানান, মানুষ ঠিকমতো মাস্ক পরে না, স্বাস্থ্যবিধি মানে না। এজন্য প্রতিদিনই করোনার সংক্রমণ বাড়ছে। তার হাসপাতালে করোনার ৬০ বেডের বিপরীতে রোগী আছেন ৪৫ জন। দ্রুততম সময়ের মধ্যে এক সপ্তাহ থেকে ১৫ দিনের জন্য কঠোর লকডাউন দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন আল এমরান চৌধুরী। করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের সংক্রমণ দ্রুত বাড়ছে

বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তাদের তথ্য অনুযায়ী, ২১ ডিসেম্বরের পর থেকে দেশে করোনা রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। গত ১৪ জানুয়ারি ৪ হাজার ৩৭৮ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়। ১৫ জানুয়ারি ৩ হাজার ৪৪৭ জনের, ১৬ জানুয়ারি ৫ হাজার ২২২ জনের, ১৭ জানুয়ারি ৬ হাজার ৬৭৬ জনের, ১৮ জানুয়ারি ৮ হাজার ৪০৭ জনের,

১৯ জানুয়ারি ৯ হাজার ৫০০ জনের, ২০ জানুয়ারি ১০ হাজার ৮৮৮ জনের এবং ২১ জানুয়ারি ১১ হাজার ৪৩৪ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়। এদিকে, সংক্রমণের পাশাপাশি কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতালগুলোতে দিন দিন রোগী বাড়ছে। ৫০০ শয্যার কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, সোমবার (২৪ জানুয়ারি) হাসপাতালটিতে কোভিড

রোগীদের জন্য নির্ধারিত ২৭৫টি সাধারণ শয্যার মধ্যে রোগী আছে ২১৯ জন। শয্যা খালি ৫৬টি। ১০টি আইসিইউ’র মধ্যে আটটিতেই রোগী আছে। ১৫টি এইচডিইউ শয্যার মধ্যে ১০টিতে রোগী আছে। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ইউনিট-২ ও বার্ন ইউনিটে গত মাসের শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত তেমন রোগী দেখা না গেলেও বর্তমান অবস্থা ভিন্ন।

ক্রমে পুরনো অবস্থায় ফিরছে হাসপাতালটি। সোমবার (২৪ জানুয়ারি) পর্যন্ত এই হাসপাতালের কোভিড সাধারণ শয্যার বিপরীতে রোগী আছে ৩২৪ জন। ৪৮৫টি সাধারণ শয্যার মধ্যে এখনও খালি রয়েছে ১৬৪টি। এখানে ২০টি আইসিইউর মধ্যে খালি আছে ৩টি। ৪০টি এইচডিইউ শয্যার মধ্যে ১৪টি খালি আছে। প্রতিদিন যে হারে করোনা রোগী বাড়ছে, তা ঠেকাতে আবারও

লকডাউন দেওয়ার প্রয়োজন আছে কি না? এ বিষয়ে জানতে চাইলে মেডিসিন ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. নুর মোহাম্মদ বলেন, ‘আগেরবার দেখেছি লকডাউন দেওয়াতে সংক্রমণ কমেছে। বর্তমানে যে অবস্থা অন্তত দুই সপ্তাহের জন্য কঠোরভাবে লকডাউন দেওয়া উচিত।’

অপরদিকে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. বরেন চক্রবর্তী বলেন, ‘আমি মনে করি না দেশে লকডাউন দেওয়ার সময় এসেছে। তবে, সবাইকে কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে। এর বিকল্প নেই।’

লকডাউন প্রশ্নে ডা. আ প ম সোহরাবুজ্জামান বলেন, ‘লকডাউনের চেয়ে বড় কথা, দেশের মানুষকে স্বাস্থ্য বিষয়ে শিক্ষিত করতে হবে। লকডাউন দিয়ে সাময়িকভাবে সংক্রমণ আটকানো যাবে, কিন্তু সচেতন না করা গেলে আবারও সংক্রমণ বাড়বে।’

ডা. মাহমুদা হোসেন মিমি বলেন, ‘আরও অন্তত ১৫ দিন আগেই লকডাউন দেওয়া উচিত ছিল। মানুষ যেহেতু স্বাস্থ্যবিধি মানছে না, তাই অবশ্যই ন্যূনতম দুই সপ্তাহের জন্য লকডাউন দেওয়া দরকার।’

অধ্যাপক ডা. ফরহাদ মনজুর বলেন, ‘সংক্রমণ গাণিতিক হারে বাড়ছে। বেশিরভাগই ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত হচ্ছেন। এটা ততটা ক্ষতিকারক না। তবে, কেউ ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত হলে কিন্তু তার জন্য ঝুঁ;কিপূর্ণ হয়ে পড়বে। সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে বাধ্য করতে হবে। সেটা নিশ্চিত করার জন্য মোবাইল কোর্ট বসিয়ে জরিমানা ও শা;স্তির ব্যবস্থা করতে হবে। তাতেও কাজ না হলে লকডাউনের কোনো বিকল্প নেই।’