Categories
Uncategorized

প্রেমের প্রস্তাবে রা’জি না হওয়ায় ছাত্রের মুখে এ’সি’ড দিল ছাত্রী

জামালপুর পৌরসভার রশিদপুর গ্রামে প্রেমের প্র’স্তাবে রাজি না হওয়ায় এক কলেজছাত্রকে এ’সি’ড মে’রে’ছে এক ছাত্রী। আ’হ’ত ওই

ছাত্রের নাম মাহমুদুল হাসান মারুফ। এসিডে তার মুখম’ণ্ডল ও কাঁ’ধ ঝ’ল’সে গেছে। তাকে শুক্রবার (১৬ মার্চ) ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে এ ঘ’টনা ঘ’টে। পুলিশ ওই ছাত্রী ভাবনা আক্তার রিয়া ও তার মা হাসি বেগম

সুজেদাকে আট’ক করেছে। পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, রশিদপুর গ্রামের আ’হ’ত মাহমুদুল হাসান মারুফ জামালপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে ইলেকট্রনিকস টেকনোলজির প্রথম বর্ষের ছাত্র। একই গ্রামের বাসিন্দা ও ঝাউগড়া বঙ্গবন্ধু কলেজের এইচএসসি প্রথম বর্ষের ছাত্রী ভাবনা আক্তার রিয়া মাহমুদুল হাসান মারুফকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল।

কিন্তু মারুফ তাতে সা’ড়া দেয়নি। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে মারুফ তার বন্ধু সাইফুলকে নিয়ে রিয়ার বাড়ির সামনে দিয়ে যাচ্ছিল। এ সময় রিয়া মারুফকে বাড়ির ভেতরে বৈ’দ্যুতিক লাইনের ত্রু’টি ঠিক করে দিতে বলে। মারুফ দিনের বেলা এসে ঠিক করে দেবে বলে চলে যাচ্ছিল। এ সময় আ’ক’স্মি’ক মারুফের মুখে এ’সি’ড ছু’ড়ে মা’রে রিয়া। এরপর মারুফ চিৎ’কার দিয়ে দৌড়ে রশিদপুর বাজারে

যায়। স্থানীয়রা তাকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। এ’সি’ডে মারুফের দুই চোখ ছাড়া মুখমণ্ডলের বেশির ভাগ ঝ’ল’সে গে’ছে। তার ডান কাঁ’ধেও সামান্য দ’গ্ধ হয়েছে। গতকাল তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়। জামালপুর সদর থা’না পুলিশ গতকাল বৃহস্পতিবার গ’ভীর রা’তে রিয়া ও তার

মা হাসি বেগম সুজেদাকে রশিদপুরের বাড়ি থেকে আ’টক করেছে। এ ঘট’নায় মারুফের বাবা দুদু মিয়া বা’দী হয়ে জামালপুর সদর থা’নায় মা’মলা দায়ের করেছেন। এ’সি’ডদ’গ্ধ মারুফ গতকাল বলে, ‘রিয়া আমাকে ঘরে যেতে বললে আমি যাইনি। এ সময় রিয়া দরজা থেকে আমার মুখের দিকে কী যেন ছু’ড়ে মা’ড়ে। আমি সাথে সাথে চিৎ’কা’র দিয়ে দৌ’ড় দিই।

রিয়ার সাথে আমার কোনো প্রেমের সম্পর্ক নেই। রিয়াই আমাকে মাঝেমধ্যে ফোন করে প্রেমের প্র’স্তাব দিত। আমি রাজি হইনি। ঘটনার সময় ওই বাড়ির একটি কক্ষে কিছু লোকজনের কথা শুনেছি। ’ তবে কলেজছাত্রী রিয়া বলে, ‘আমি মারুফকে চিনি না। ওর সাথে আমার কোনো সম্পর্কও নেই। যে সময়ের কথা বলছে আমি আর আমার মা তখন বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলাম। আমি তাকে এ’সি’ড মা’রি’নি। তারা মি’থ্যা অ’ভিযো’গ করে আমাদের ফাঁ’সা’চ্ছে।’

জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) ডা. মো. শফিকুজ্জামান বলেন, ‘ভি’কটি’ম এ’সি’ড দ্বা’রাই আ’ক্রা’ন্ত হয়েছে।’ জামালপুর সদর থা’নার ওসি মো. নাছিমুল ইসলাম বলেন, মারুফ নামে এক যুবক এ’সি’ড নি’র্যা’ত’নের ঘ’ট’নায় মা’মলা নেওয়া হয়েছে। আট’ক রি’য়া ও তার মাকে

জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আ’দালতে সোপর্দ করা হবে। ঘট’নাটি তদন্ত করে জ’ড়ি’তদের চি’হ্নিত করার চে’ষ্টা চলছে।

Categories
Uncategorized

ই’য়া’বা, হে’রো’ইন, ফে’নসি’ডিল সে’বনের দায়ে এক যোগে ৫৭ পুলিশকে ব’রখাস্ত করছে ডিএমপি

মা’দ’ক নি’র্মূলের দায়িত্ব যাদের সেই পুলিশ সদস্যদের অনেকেই মা’দ’কাস’ক্ত। ডো’প টেস্টে প্রতিদিনই বা’ড়ছে মা’দ’কাস’ক্ত

পুলিশ শ’না’ক্তের সংখ্যা। গত তিন মাসে ডিএমপির ৩ শতাধিক পুলিশের ডো’প টেস্টে ৫৭ জন শ’না’ক্ত। ডো’প টেস্টে তাদের
ই’য়া’বা, হে’রো’ইন, ফে’নসি’ডিল ও গাঁ’জা সে’ব’নের প্রমাণ মিলছে। ব’রখা’স্ত করে তাদের

বি’রু’দ্ধে বিভাগীয় মা’মলা করছে ডিএমপি। মা’দ’কের আখড়া রাজধানীর কারওয়ান বাজারে গত জুলাইয়ে অ’ভি’যান চালায় পুলিশ।
এসময় মা’দ’ক ব্যবসায় পুলিশ সদস্যদের স’ম্পৃক্ততার তথ্য মেলে। ত’দন্তে ১৮ পুলিশের মা’দ’ক ব্যবসা ও সেবন প্রমাণিত হলে
তাদের ব’রখা’স্ত করা হয়। পুলিশে মা’দ’কসে’বী ও ব্যবসায়ী থাকার দীর্ঘদিনের এ অ’পবা’দ

ঘো’চাতে বাহিনীর সদস্যদের ডো’প টেষ্ট করাতে আগস্টে ঢাকা মহানগর পুলিশের সব ইউনিটকে চিঠি দেন ডিএমপি কমিশনার। গত
তিন মাসে ৩ শতাধিক ডো’প টেষ্ট করে রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল। পুলিশ হাসপাতাল জানাচ্ছে, মা’দ’ক শ’না’ক্তে ১২টি

টেষ্ট করা হয়। এতে অনেকের শরী’রে ই’য়া’বা, হে’রো’ইন, ফে’ন’সি’ডিল ও গাঁ’জার উপস্থিতি পাওয়া যাচ্ছে। এ পর্যন্ত ৫৭ মা’দ’কাস’ক্ত পুলিশ চি’হ্নি’ত হয়েছেন। তাদের ৮ জন এসআই, এ এসআই ৬ জন, সার্জেন্ট ২, নায়েক ২ ও কন’স্টেবল ৩৯ জন।

পুলিশ জানাচ্ছে, মা’দ’কাস’ক্ত পুলিশ সদস্যদের বি’রু’দ্ধে বি’ভাগীয় মাম’লা করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে অনেকেই চা’কুরি হা’রা’বেন।
অ’প’রা’ধ বিশ্লেষকের মতে, উচ্চ পর্যায়ের পুলিশ কর্মর্তাদেরও ডো’প টেস্ট করা উচিত। কেননা, পুলিশের কোনো পর্যায়ই মা’দ’ক সে’ব’ন

গ্রহণযোগ্য নয়। ডিএমপির মতো পুলিশের সকল ইউনিটেই ডো’প টেস্টে করানোর পরামর্শ বিশ্লেষকদের।

Categories
Uncategorized

১৯ দিনের জমজ সন্তান ফেলে রেখে গেলেন মা, চরম বিপাকে অসহায় বাবা

মাদারীপুরের কালকিনিতে তু’চ্ছ ঘটনার জে’র ধরে ১৯ দিন বয়সের জমজ দুই সন্তান স্বামীর বাড়িতে ফেলে বাবার বাড়িতে চলে গেছেন মা।

এতে দুই নবজাতক নিয়ে চরম বি’পাকে পড়েছেন বাবা।পরিবার সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কাজীবাকাই এলাকার দক্ষিণ মাইজপাড়া গ্রামের ফজল মোল্লার ছেলে হাচান মোল্লার সঙ্গে পৌর এলাকার মিনাজদী গ্রামের ফজলে হাওলাদারের মেয়ে শানজিদা বেগমের প্রায় দেড় বছর আগে

পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। ১৯ দিন আগে শানজিদা বেগম জমজ কন্যা সন্তানের জন্ম দেন।পারিবারিক তু’চ্ছ ঘট’নার জের ধরে ওই দুই নবজাতক ফে’লে গত মঙ্গলবার শানজিদা বেগম স্বামী বাড়ি থেকে তার বাবার বাড়িতে চলে যান।এদিকে দুধ না পেয়ে দিন-রাত কাঁ’দছে নবজাতক দুই ফুটফুটে সন্তান। দুই নবজাতক সন্তান নিয়ে হিমসীম খাচ্ছেন হাচান মোল্লা। হাচান মোল্লা বলেন, আমার স্ত্রী কারণে এবং

অ’কার’ণে বাবার বাড়িতে চলে যায়। এবার আমার বাচ্চা দুটি ফেলে রেখে চলে গেছে। সে আর আ’সতে চায় না। এখন বাচ্চা দুটির কী হবে? তবে শানজিদা বেগমের দাবি, শ্বশুরবাড়ির লোকজন অ’শান্তি করায় তিনি বাবার বাড়িতে চলে গেছেন। এ ব্যাপারে কাজীবাকাই ইউপি

চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ মোল্লা বলেন, আসলে বিষয়টি দুঃ’খজনক। বিষয়টি স’মাধা’ন করে দেয়া হবে।

Categories
Uncategorized

মুসলিমদের উদ্দেশ্যে বাইডেনের মুখে হাদিস, ফেসবুকে ভাইরাল! (ভিডিও)

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্রেট প্রার্থী সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এখন বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে বলে মনে করছেন অনেকেই।

ইতিমধ্যে তার সংগ্রহ ২৬৪ টি ইলেকটোরাল ভোট। আর ৬ টি ইলেকটোরাল ভোট পেলেই তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬ তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হবেন। সারা বিশ্বের মানুষের কাছে জো বাইডেন নামটি এখন সম্ভবত সবচেয়ে বেশি আলোচিত। এমন সময়ে তার নিজ মুখে বলা একটি হাদীস

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে পড়েছে। যেখানে তাকে যুক্তরাষ্ট্রের মুসলিম সম্প্রদায়ের উদ্দেশ্যে বলতে শোনা যাচ্ছেঃ “হযরত মোহাম্মদের একটি হাদীসে নির্দেশ করা হয়েছেঃ তোমাদের কেউ কোনো অন্যায় সংঘটিত হতে দেখলে সে যেন তা নিজ হাতে প্রতিরোধ করে। তা সম্ভব না হলে যেন মুখে প্রতিবাদ করে। যদি তাও সম্ভব না হয় তবে যেন মন থেকে ঘৃণা করে।”

এরপর বাইডেন বলেন, আপনারা অনেকেই এই দীক্ষা নিয়ে জীবনধারন করেন, এই বিশ্বাস আর নীতি নিয়ে যা যুক্তরাষ্ট্রের নীতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এমন একটি প্রশাসন এবং এমন একজন প্রেসিডেন্ট আপনাদের প্রাপ্য যারা এসব উদ্যোগে আপনাদের সাথে কাজ করবে এবং আপনাদের সমর্থন করবে। আমার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হবার সৌভাগ্য হলে সবাই একসাথে মিলে ভুলকে ঠিক করতে, পৃথিবীকে আরো সুন্দর করতে; আমাদের হাত, আমাদের হৃদয় এবং আমাদের

আশা দিয়ে কাজ করবো।” সবার শেষে তিনি ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “আপনাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক।”

Categories
Uncategorized

ঘৃণায় ভরা শাহিদার শৈশব

দুটি পা ও একটি হাত নেই। সচল একটি মাত্র হাত। সেই হাতের আঙুল সচল তিনটি। এই তিন আঙুলকে সম্বল করেই মাস্টার্স পাস

করেছেন-…. শাহিদা খাতুনের দুটি পা ও একটি হাত নেই। সচল একটি মাত্র হাত। সেই হাতের আঙুল সচল তিনটি। এই তিন আঙুলকে সম্বল করেই মাস্টার্স পাস করেছেন তিনি। প্রতিবন্ধিতাকে জয় করে অনন্য নজির স্থাপন করেছেন। যে প্রতিবেশীরা তার জন্মকে ‘পাপের ফল’ বলে

ঘৃণায় মুখ সরিয়ে নিয়েছিল, তারাই এখন যেকোনো দরকারে ছুটে আসে শাহিদার কাছে। সেই বেদনা আর সংগ্রামের ইতিবৃত্তি তুলে ধরে অশ্রুসিক্ত শাহিদা বললেন, এখন তার একটি চাকরির প্রয়োজন। আর তিনি তার কষ্ট আর সংগ্রামের কথা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বলতে চান। যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার শিমুলিয়া গ্রামের মুদি দোকানি মো. রফিউদ্দিনের ছয় সন্তানের মধ্যে ৪র্থ শাহিদা। ১৯৯১ সালে শাহিদার

জন্ম হলে গোটা পরিবারে যেন আঁধার নেমে আসে। কারণ, মেয়েটির একটি হাত ও দুটি পা নেই। সেই সময়ের কথা বলতে গিয়ে অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন শাহিদার মা জোহরা বেগম। বললেন, ‘পাড়া প্রতিবেশীরা বলতো, পাপ করেছি, তারই পাপের ফল পেয়েছি। ঘিন্নায় মানুষ কথা বলতো না।’ শাহিদাকে বলতো, ‘তুই কি করতি হইছিস? তোরে দিয়ে তো কিছ্ছু হবে না। আমাগের হলি তো মাইরে ফেলতাম!’ এই ছিল শাহিদার শৈশব! জোহরা বেগম জানালেন, তিনি সেই সময় শিমুলিয়ার খ্রিস্টান মিশনে হাতের কাজ (হস্তশিল্প) করতেন। শাহিদাকে সঙ্গে করে

নিয়ে যেতেন। মিশনের সিস্টার জোসেফ মেরী তাকে হাতেখড়ি দেন। শাহিদার বয়স পাঁচ বছর হলে সেন্টলুইস প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি করতে নিয়ে যান। কিন্তু প্রতিবন্ধী হওয়ায় স্কুলের শিক্ষকরা তাকে স্কুলে ভর্তি করতে অস্বীকৃতি জানায়। শিক্ষকদের বক্তব্য, এই মেয়ে চলতে ফিরতে পারবে না, বাথরুম করতে পারবে না। পরিবেশ নষ্ট করবে। এমন পরিস্থিতিতে শাহিদার পাশে এসে দাঁড়ান মিশনের সিস্টার জোসেফ মেরী।

তিনি দৃঢ় ভাষায় বলে দেন, যে শিক্ষক এই মেয়েটিকে স্কুলে ভর্তি করতে আপত্তি জানাবে, তার স্কুলে আসার দরকার নেই! অবশেষে স্কুলে ভর্তির সুযোগ মেলে তার। কখনও মা-বাবা, কখনও ভাই-বোনের কোলে চড়ে স্কুলে যাতায়াত শুরু হয় শাহিদার। রোদ, বৃষ্টি, ঝড় কোনো কিছুই তাকে স্কুল থেকে দূরে রাখতে পারেনি। পড়াশোনার প্রতি আন্তরিক ও অদম্য আগ্রহের

কারণে শিক্ষকরাও পরে তার প্রতি সহানুভূতিশীল হয়ে ওঠেন। এভাবেই ২০০৭ সালে সেন্টলুইস হাইস্কুল থেকে ২০০৭ এসএসসি ও ২০০৯ সালে শিমুলিয়া ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। শাহিদা জানান, এরপর বাড়ি থেকে ৮ কিলোমিটার দূরের শহিদ মশিউর রহমান ডিগ্রি কলেজে ডিগ্রিতে ভর্তি হন। প্রতিদিন একশ’ টাকা ভাড়ায় একটি ভ্যান ভাড়া করে দেন বাবা। সেই ভ্যানে চড়ে প্রতিদিন কলেজে যাতায়াত করে বিএ পাস করেন। এরপর যশোর এমএম কলেজ থেকে ২০১৬ সালে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে মাস্টার্স পাস করেন শাহিদা। শাহিদার বাবা মো. রফিউদ্দিন

জানান, এই মেয়ের জন্মের পর কতজন যে কত কথা বলেছে তার ঠিক নেই। সব সহ্য করেছি। কী করবো; সন্তান তো! ফেলে তো দিতে
পারি না। তারপর মেয়েটি অনেক কষ্ট করে লেখাপড়া শিখেছে। এখন তার ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তা হয়। একটি চাকরি বাকরি হলে হয়তো মেয়েটার একটা গতি হতো। শাহিদা বলেন, তার একটি হাত ও একটি পায়ের প্রায় পুরোটাই অচল। বাকি একটি পায়ের কিছু অংশ আর বাম হাত
দিয়েই তিনি চলাচল এবং কাজ কর্ম করেন। বাম হাতটি দেখিয়ে বললেন,

এই হাতেও আছে চারটি আঙুল। তার মধ্যেও একটি অচল। এই তিন আঙুলে কলম ধরে তিনি এমএ পাস করেছেন। শাহিদা আরও জানালেন, দিনের পর দিন কষ্ট-সংগ্রাম করে লেখাপড়া শিখেছি। কয়েক বছর আগে ঝিকরগাছার রঘুনাথনগরের বাবর আলী সরদার বিশেষ বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী স্কুলে ঢুকেছি। কিন্তু স্কুলটিরই এমপিওভুক্তি হয়নি। এখন চাকরির বয়স আর ৮/৯ মাস আছে। এর মধ্যে জীবনের অবলম্বনের জন্য একটি চাকরি দরকার।’ আর শাহিদার স্বপ্ন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে একজন

প্রতিবন্ধীর কষ্ট ও সংগ্রামের গল্প তাকে শোনাবেন।’ শাহিদার ছোটবোন অনার্সপড়ুয়া নাজমা খাতুন বলেন, আপা যে কষ্ট করে লেখাপড়া করেছে, তা না দেখলে কেউ বুঝতে পারবে না। সেই কষ্টের কথা কাউকে বলে বোঝানো যাবে না। এখন যদি তার একটি চাকরি হয় তাহলে সমাজের আর দশটা প্রতিবন্ধী ছেলে-মেয়েও তাকে অনুসরণ করতে পারবে। তারাও লেখাপড়া শিখে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর চেষ্টা করবে, সমাজের বোঝা হবে না।শাহিদার ব্যাপারে কথা হয় যশোর জেলা প্রতিবন্ধী বিষয়ক কর্মকর্তা মুনা আফরিনের সঙ্গে। তিনি বলেন, শাহিদা খাতুনকে তিনি চেনেন। সে মেধাবী এবং ভালো

একটি মেয়ে। অনেক কষ্ট করে সে এই পর্যন্ত এসেছে। তার ভালো এবং সহায়ক একটি কর্মসংস্থান হওয়া দরকার।

Categories
Uncategorized

ট্রাম্পের সঙ্গে ঝগড়া, পদত্যাগ করলেন আমেরিকার প্রতিরক্ষামন্ত্রী

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে মতবি’রো’ধের জের ধরে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্ক এসপার।

যখন আমেরিকার নির্বাচনে ট্রাম্প পরাজিত হতে চলেছেন এবং দেশে একটা অস্থিতিশীল অবস্থা তখন মার্ক এসপার পদত্যাগপত্র জমা দিলেন। মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে শুক্রবার (৬ নভেম্বর) এনবিসি টেলিভিশন চ্যানেল এ খবর দিয়েছে। বলা হচ্ছে- ট্রাম্পের

সঙ্গে মতবি’রো’ধের পাশাপাশি মার্ক এসপারের পুনঃনিয়োগের সম্ভাবনাও ক্ষীণ হয়ে এসেছিল।তবে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এসপারকে পদত্যাগ না করতে অনুরোধ করেছেন। তারা বলছেন, নির্বাচনে ট্রাম্পের জয়ের সম্ভাবনা কম। বাইডেন জয়ী হলে এসপারের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পদে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। কয়েক দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রে গণবি’ক্ষো’ভ দমন নিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে

প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মতবি’রোধ তী’ব্র হয়। যেটি পরে আর প্রশমিত হয়নি। এ কারণে এসপার আজকালের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন। তিনি ইতিমধ্যে পদত্যাগপত্র লিখে ফেলেছেন। উল্লেখ্য এর আগের মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী জিম ম্যাটিসও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে মতবিরোধের কারণে পদত্যাগ করেন। ত্ছট্ড়ারাম্প, মার্কিন প্রশাসনের

সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ আরো অনেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পদত্যাগ করেছেন কিংবা তাদেরকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

Categories
Uncategorized

জো বাইডেন জিতলে বাংলাদেশ বেশি সহযোগিতা পাবে

ডেমোক্র্যাট নেতা জো বাইডেন প্রেসিডেন্ট হলে বাংলাদেশের সংকটপূর্ণ ইস্যুগুলোতে, যুক্তরাষ্ট্র আগের চেয়ে আরও বেশি সহযোগিতা করবে

বলে মনে করেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন প্রত্যাশী বাংলাদেশিরা, সহজে স্থায়ী হওয়ার সুবিধা পাবেন বলেও মনে করছেন তারা। ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমলে, অভিবাসনবিরোধী যে মনোভাব গড়ে উঠেছিল তা থেকে সরে আসবে ওয়াশিংটন।

নানামুখী ব্যর্থতায় মাত্র চার বছরেই ভোটারদের আস্থায় চিঁড় ধরিয়েছেন রিপাবলিকান নেতা ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাই নির্বাচনী মাঠে সাধারণ মার্কিন নাগরিকদের ভোট অনেকাংশে কম পেয়েছেন তিনি। পক্ষান্তরে এগিয়ে এসেছেন, ডেমোক্র্যাট নেতা ও সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। শেষ পর্যন্ত বাইডেন ক্ষমতা গ্রহণ করলে, তা কেবল যুক্তরাষ্ট্রই নয়, পুরো বিশ্ব ব্যবস্থার জন্যই ভালো বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক সাহাব এনাম খান বলেন, ‘পররাষ্ট্র নীতিতে যেটা ওবামা প্রশাসন পর্যন্ত আমরা দেখেছি সেগুলো কিন্তু চলতে থাকবে। যুক্তরাষ্ট্র জো বাইডেনের নেতৃত্বে বহুপাক্ষিক বিশ্বব্যবস্থার দিকে আবার ঝুঁকে পড়বে। ‘

অভিবাসীবান্ধব হওয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশি আর মার্কিন মুলুকে পাড়ি জমাতে আগ্রহীদের জন্য বাইডেন প্রশাসনকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন এই বিশ্লেষক।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক সাহাব এনাম খান বলেন, ‘স্বস্তির জায়গাটা হলো, যে ধরণের ইমিগ্রেশন পলিসি মার্কিন প্রশাসন নিচ্ছিলেন, সে জায়গা থেকে হয়তোবা আমরা একটা বড় রকমের পরিবর্তন দেখব। দ্বিতীয়ত অভিবাসন ছাড়াও যারা মিডেল ইনকাম বা লোয়ার ইনকাম আছেন

তাদেরও একটা টেক্স সম্পর্কিত রিলিফ আমরা দেখব। সেখানেও কিন্তু আমাদের বাংলাদেশি প্রবাসী আছেন তাদের একটা স্বস্তি হবে।’
গেলো কয়েক বছরে ট্রাম্প প্রশাসন বৈশ্বিক বিভিন্ন সংস্থায় কমিয়েছে অনুদান। বাইডেন অনুদান বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এতে জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে ঢাকা তার কাঙ্ক্ষিত সুবিধা আদায় করে নিতে পারবে। এছাড়া রোহিঙ্গা সমস্যার

সমাধানেও নতুন করে, আশার আলো দেখছেন তিনি। জলবায়ু সংকট মোকাবিলায়ও ওয়াশিংটনকে পাশে পাবে ঢাকা।

Categories
Uncategorized

হে’লপারের অ’ণ্ডকো’ষ ফা’টলো ট্রা’ফিক সা’র্জেন্ট

এতে স’ঙ্গে স’ঙ্গে তার র’ক্তক্ষণ শুরু হয়। এ সময় স্থা’নীয় জ’নতা যানচলাচল ব’ন্ধ করে দেয় । খবর পেয়ে পুলিশ এসে

প’রিস্থিতি নি’য়ন্ত্রণে আনে। পরে টঙ্গীর হোসেন মার্কে’টে ইম্পেরিয়াল জে’নারেল হা’সপাতালে আ’হত হেলপার রুবায়েত (৪৫) কে
প্রাথমিক চি’কিৎসা দেয়া হয়। টঙ্গীর ট্রা’ফিক ই’ন্সপেকশন (টিআই) তরিকুল ইসলাম জানান,”

হে’লপারকে মা’রতে গেলে অ’সাবধানা বসত তার অ’ণ্ডকো’ষে লে’গে যায়। পরে প্রাথমিক চি’কিৎসা শেষে তাকে বাসায় পাঠিয়ে দেয়া
হয়েছে আরও পরুন=নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে চাঁদপুরের মেঘনা নদীতে জাল ফেলায় দুটি ইঞ্জিন চালিত কাঠের নৌকা ,২ লক্ষ মিটার
কারেন্ট জাল এবং ৫০ কেজি ইলিশ মাছ জব্দ সহ আরও ১৭

জন অসাধু জেলেকে আটক করা হয়েছে।মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত চাঁদপুর কোস্টগার্ড স্টেশন কমান্ডার এনায়েত উল্লাহর নেতৃত্বে কোস্টগার্ড আউটপোস্ট হাইমচর, কোস্টগার্ড আউটপোস্ট ভেদরগঞ্জের এবং মৎস্য অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগেে চাঁদপুর মোহনা, আনন্দবাজার, লালপুর, আমিরাবাদ, জহিরাবাদসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযানকালে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন- মোহনপুরের মনির হোসেন (৩০),পিতা- রুস্তম আলী বেপারী,বিল্লাল হোসেন (১৮), পিতা- মোহাম্মদ আলী বেপারী,মোহাম্মদ আবু তাহের (৪০), পিতা- মোহাম্মদ আলী বেপারী, সোহেল রানা (১৮),পিতা- সিদ্দিক আলী বেপারী,মনির
সরদার (৪০), পিতা- ইউনুস সরদার,মামুন মিয়া (৩০), পিতা – মোঃ হাবিব বেপারী, মোহাম্মদ ইব্রাহিম (১৬),পিতা – টুনু

সরকার, মোঃ আলাউদ্দিন (১৮), পিতা- ইসমাইল গাজী, মোহাম্মদ শরীফ(২০) পিতা – মতিন পাটোয়ারী, রফিক মুন্সি (১৮) পিতা – মৃত সবুজ মুন্সি, রনি মিয়া (২৫), পিতা – মোঃ নান্না মিয়া, জোবায়ের মিজি (১৮), পিতাঃ মোঃ সিরাজ মিয়া এই ১২ জন আসামিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অবৈধ ভাবে মাছ আহরণের দায়ে তিন হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।

এতে স’ঙ্গে স’ঙ্গে তার র’ক্তক্ষণ শুরু হয়। এ সময় স্থা’নীয় জ’নতা যানচলাচল ব’ন্ধ করে দেয় । খবর পেয়ে পুলিশ এসে

Categories
Uncategorized

প্রবাসীরাদের সাথে ভালো আচরণ করতে দূতাবাসকে ক’ঠোর নির্দেশ দিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম বলেছেন, বাংলাদেশের বৈদেশিক মিশনে সেবা প্রত্যাশী প্রবাসী বাংলাদেশিদের কেউ যেন সেবা না পেয়ে

ফেরত না যান। বাংলাদেশের বিভিন্ন দূতাবাসে শ্রম উইংয়ে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বাংলাদেশ ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে দু’সপ্তাহব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আজ প্রধান অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী একথা বলেন। এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছে

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। প্রবাসী শ্রমিকদের বাংলাদেশের সোনার ছেলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রবাসীরা বিদেশে অনেক কষ্ট করেন। বাংলাদেশের দূতাবাস থেকে তারা যেন ভালো আচরণ পান। প্রবাসীদের উন্নত মানের সেবা প্রদানের পাশাপাশি বাংলাদেশের কর্মকর্তারা দক্ষতার সাথে শ্রমবাজার আরো সম্প্রসারণ করবেন বলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে প্রত্যেকটি দেশের সরকার কাজ করবে এবং এক্ষেত্রে প্রথম সুযোগ যেন বাংলাদেশ সরকার নিতে পারে সেই লক্ষ্যে দূতাবাসগুলোকে কাজ করার নির্দেশনা দেন শাহরিয়ার আলম। তিনি বলেন, প্রবাসী আয় বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল শ’ক্তিগুলোর একটি।
শাহরিয়ার আলম উল্লেখ করেন, ফ্রি ভিসা বলতে কিছু নেই। কোনো কোনো শ্রমিক টুরিস্ট ভিসায় বিদেশে গিয়ে অনিয়মিত হয়ে পড়লে তারা

বাংলাদেশি অন্যান্য শ্রমিকদের ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেয়। মাঝে মাঝে দূতাবাস কেন্দ্রিক কিছু চ’ক্র গড়ে উঠে। এদের বি’রু’দ্ধে গত কয়েক বছরে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে বেশকিছু ব্যক্তি গ্রেপ্তার হয়েছে। স্ব-স্ব দেশ মামলা করে সেদেশের আইন অনুযায়ী দেশে পাঠিয়েছে। বাংলাদেশে ফিরে আসার পর তারা কারাগারে অন্তরীণ রয়েছে। এ ধরনের ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে। তবে আমাদের দেশের

নাগরিকদের এবিষয়ে সচেতন হতে হবে। কেউ যেন অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে পা না বাড়ায়। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি পৃথিবীর অন্যান্য দেশের তুলনায় ভালো এবং সম্ভাবনাময় রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে প্রথম সারিতেই রয়েছে। গত কয়েক মাসে করোনা পরিস্থিতিতেও প্রবাসী আয় বেড়েছে। এ পরিস্থিতিতে শ্রমবাজার ঝুঁ’কিতে থাকলেও বাংলাদেশ

অন্যান্য দেশের তুলনায় ভালো করছে। সামনের দিনগুলিতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। শাহরিয়ার আলম বলেন, যে সকল প্রবাসী চাকরি হারিয়েছেন তাদের ব্যাপারে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় তহবিল গঠন করেছে। তাদের ঋণ দিচ্ছে এবং তাদেরকে নতুন কর্মে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে

পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। প্রবাসীদের কল্যাণে এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

Categories
Uncategorized

ওবায়দুল কাদের এক সময় নাটক করতেন, আমিও করতাম- মির্জা ফখরুল

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের মুখে প্রতিদিন বিএনপির আলোচনা কেন- এ প্রশ্ন

তুলেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মরহুম তরিকুল ইসলামের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ প্রশ্ন করেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রত্যেকদিন কথা বলেন। তিনি অত্যন্ত সুবেশী মানুষ। চমৎকার একটি ঘরে, চমৎকার একটি আসনে বসে তিনি কথা বলেন। আমি শুনেছি তিনি এক সময় নাটক করতেন। নাটক আমিও করতাম। তবে তিনি সুন্দর চেয়ারে বসে সুন্দর করেই কথা বলেন। তার প্রতিপাদ্য ওই একটাই, সেটা হলো বিএনপি।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপির এই নাই, ওই নাই এসবই বলতে থাকেন তিনি (ওবায়দুল কাদের)। ওনাদের মতে তো বিএনপি রাজনীতিতে নাই। তাহলে মুখে সারাক্ষণ বিএনপি কেন। আমার প্রশ্ন ওই জায়গায়। আপনার মুখে আলো কেন এতো বিএনপির। কারণ আপনারা জানেন, বিএনপি হচ্ছে একমাত্র রাজনৈতিক দল যারা একমাত্র গণতন্ত্র আনতে পারে, অবস্থার পরিবর্তন করতে পারে, তারা যে দুঃ’শাস’ন নৈ’রাজ্য সৃষ্টি করে তার অবসান করতে পারে।’

গণতান্ত্রিক চেতনা পুরোপুরিভাবে ধ্বং’স করে দিয়েছে আওয়ামী লীগ- এমন দাবি করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘সব গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বং’স করে দিয়ে তারা একনায়কতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা কায়েম করেছে। শুধু মোড়ক আছে গণতন্ত্রের একটা, সেটা সামনে ধরে তারা ক্ষমতায় বসে আছে।’তিনি আরও বলেন, আন্দোলনের ভয়ে বেগম জিয়াকে মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে আ’টকে রাখা হয়েছে বলে মন্তব্য

করে মির্জা ফখরুল বলেন, আন্দোলনের মাঠে বেগম জিয়া থাকলে সরকারের প’তন ঘ’টত। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের সভাপতিত্বে এবং সহ-প্রচার সম্পাদক কৃষিবিদ শামীমুর রহমান শামীমের সঞ্চালনায় স্মরণ সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, শামসুজ্জামান দুদু, অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী, দলীয় চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মসিউর

রহমান, যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, হাবিব-উন-নবী খান সোহেল প্রমুখ।