Categories
Uncategorized

টাকার অভাবে বই কিনতে না পারা মেয়েটি হলেন এএসপি

হাওরের মেয়ে ডলি রানী সরকার। অনেক বাধা-বিপত্তি ও প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে বিসিএস ক্যাডার হয়েছেন তিনি। জীবনের শুরু থেকে অনেক

কষ্ট করে পড়াশোনা করেছেন। দিনে ১৪-১৫ ঘণ্টা পড়াশোনা করে আজ তিনি সফল। বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (বিসিএস) ৩৮তম ব্যাচের পুলিশ ক্যাডারে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন ডলি রানী সরকার। সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা

উপজেলার মধ্যনগর থানার দক্ষিণ বংশিকুন্ডা ইউনিয়নের ঘাসী গ্রামের কৃষক বাবার সন্তান ডলি রানী সরকার। নবম শ্রেণি পর্যন্ত বাবার সঙ্গে হাওরের মাঠে কৃষিকাজ করেছেন। বর্ষাকালে পড়াশোনা আর হেমন্তে বাবার সঙ্গে হাওরে ধান কাটা, ফসল লাগানোসহ সব ধরনের কাজে বাবাকে সহযোগিতা করেছেন ডলি। মূলত কৃষিজমি থেকেই শুরু হয় তার জীবন সংগ্রাম।

ছোটবেলা থেকে পড়াশোনার প্রতি মনোযোগী ছিলেন তিনি। শিক্ষাজীবনের শুরুতে ধর্মপাশা উপজেলার মধ্যনগর থানার ঘাসী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হন। মেধাবী হওয়ায় বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা শুরু থেকেই স্বপ্ন দেখতেন প্রাথমিকে বৃত্তি পাবেন ডলি। দরিদ্র পরিবারের সন্তান হওয়ায় বৃত্তি পাওয়ার সুবিধার জন্য গাইডবই কিনে দিয়েছিলেন ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষক মুকুল। ওই শিক্ষকের কথা রেখেছেন ডলি, প্রাথমিকে পেয়েছেন

বৃত্তি। এরপর বংশীকুন্ডা মমিন উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হন ডলি। ষষ্ঠ থেকে সপ্তম শ্রেণিতে ওঠার পর তার বাবা অসুস্থ হন। এজন্য পরিবারে দুঃসময় চলে আসে তাদের। এ অবস্থায় সংসার চালানোর ভার পড়ে তার ওপর। পড়াশোনার পাশাপাশি বাবার সেবা-যত্ন, জমিতে কৃষিকাজ ও কষ্ট করে সংসার চালানোর সব দায়িত্ব এসে পড়ে ডলির কাঁধে। হাওর অঞ্চলের সন্তান হওয়ায় বর্ষাকালে পানির সঙ্গে বসবাস। সেজন্য অধিকাংশ

সময় বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি। এ নিয়ে আক্ষেপ ছিল না তার।সবকিছু সামলে পড়াশোনা চালিয়ে গেছেন। নবম শ্রেণিতে বিজ্ঞান বিভাগে পড়াশোনা করেন। পরিবারের আর্থিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় বই কিনতে পারেননি। এ অবস্থায় শিক্ষক ও সহপাঠীদের দেয়া পুরাতন বই নিয়ে পড়াশোনা করেছেন। এমন সঙ্কটাপন্ন অবস্থায় এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে জিপিএ-৫ পান ডলি।
মা-বাবার স্বপ্ন ছিল শিক্ষক হবেন, এমনকি ডলিও স্বপ্ন দেখতেন শিক্ষক হবেন।

সেই লক্ষ্য নিয়ে নেত্রকোনার কলমাকান্দা সরকারি কলেজে ভর্তি হন। কলেজে ভর্তি হওয়ার পর অর্থের অভাবে টিউশনি শুরু করেন। সেই সঙ্গে লজিং মাস্টার হিসেবে মানুষের বাড়িতে থেকেছেন।কলেজের প্রথম বর্ষের শেষ দিকে ইভটিজিংয়ের শিকার হন ডলি। শিক্ষকদের কাছে এ নিয়ে অভিযোগ করেও বিচার পাননি তিনি। মনে কষ্ট নিয়ে প্রথমবর্ষের পরীক্ষা দিয়ে বাড়ি চলে যান। কিছুদিন পর পরিবারের সঙ্গে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহারে চলে যান তিনি। তিন মাস পর দেশে চলে আসেন তারা।

দেশে ফিরে কলেজের কোনো পরীক্ষায় অংশ নেননি। পরবর্তীতে শিক্ষকদের উৎসাহে কলেজের টেস্ট পরীক্ষায় অংশ নেন। সেখানে ভালো ফলাফল করে উত্তীর্ণ হন। ২০০৮ সালে অসুস্থ অবস্থায় এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ভালো ফলাফল করেন ডলি।নিজের জীবন সংগ্রামের কথা জানিয়ে ডলি রানী সরকার বলেন, আমাকে অনুপ্রেরণা দিয়েছেন দুলাভাই অলক কান্তি সরকার। এত দূর আসার পেছনে দুলাভাইয়ের দেয়া অনুপ্রেরণা ছিল আমার মূল অস্ত্র। এইচএসসি পরীক্ষার সময় দুলাভাই বলেছিলেন তুমি মন দিয়ে পরীক্ষা দিয়ে যাও।

তোমাকে সিলেট নিয়ে যাব। পরীক্ষার পর কথা রেখেছিলেন দুলাভাই। আমাকে সিলেটে নিয়ে গিয়েছিলেন। সেখানে যাওয়ার পর বলেছিলেন, তোমাকে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) চান্স পেতে হবে। তার কথা রেখেছি, শাবিপ্রবিতে চান্স পেয়ে রসায়ন বিভাগে ভর্তি হই।‘বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর মেসে উঠি। আর্থিক সঙ্কট থাকায় পড়াশোনার পাশাপাশি একসঙ্গে ৫-৬টা টিউশনি করেছি। মিলন রায় দাদা টিউশনিগুলো খুঁজে দিয়েছেন। পরবর্তীতে মেস ছেড়ে দেই। এরপর পরিবারের সবাইকে নিয়ে সিলেটে একটি ভাড়া বাসায় উঠি। বিশ্ববিদ্যালয়ে ফার্স্ট ক্লাস সেকেন্ড হয়ে অনার্স শেষ করি। ২০১৬ সালে ফিজিক্যাল রসায়নে ফার্স্ট ক্লাস পেয়ে মাস্টার্সে উত্তীর্ণ হয়ে শিক্ষাজীবন শেষ করি।

আমার স্বপ্ন ছিল স্কলারশিপ নিয়ে বিদেশে পড়াশোনা করার। জাপানের মনবুশো স্কলারশিপের জন্য আবেদন করলেও হয়নি’ বলছিলেন ডলি রানী সরকার। তিনি বলেন, যেহেতু শিক্ষকতার স্বপ্ন ছিল তাই পড়াশোনা শেষে চাকরির জন্য শিক্ষকতাকে বেছে নিই। তবে এখানে এসেও খারাপ সময় পার করেছি। বাংলাদেশের ১৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা দিলেও চাকরি হয়নি। নিরুপায় হয়ে সিলেটের একটি বেসরকারি কলেজে শিক্ষকতা শুরু করি। শিক্ষকতার মধ্যেই মাথা চিন্তা আসে বিদেশ যাওয়ার। চেষ্টা করছিলাম যুক্তরাষ্ট্রে চলে যাওয়ার। সেজন্য প্রয়োজন হয় জিআরই পরীক্ষার। জিআরই পরীক্ষার জন্য নিতে শুরু করি প্রস্তুতি। জিআরই পরীক্ষা চলাকালীন বিসিএসের

পরীক্ষার ফরম পূরণ করে দেয় এক বান্ধবী। আমি নিজেও জানতাম না বিসিএস দেব। তবে ইচ্ছা ছিল বিসিএস দেয়ার। যার জন্য ছেড়ে দেই শিক্ষকতা। শুরু হয় আবার পড়াশোনা। ডলি রানী সরকার বলেন, যেহেতু বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী এবং ইংরেজি ভালো জানি তাই বিসিএস পরীক্ষায় কোনো সমস্যায় পড়তে হয়নি। সমস্যা দাঁড়ায় বাংলাদেশ, আন্তর্জাতিক ও গণিতে। পরীক্ষার আগে শুধুমাত্র গণিত ৪-৫ দিন এবং বিজ্ঞান দুইদিন পড়লেও তিন মাস একটানা ১৪-১৫ ঘণ্টা অন্যান্য বিষয় নিয়ে পড়েছি। পড়াশোনায় ছোটবেলা থেকেই আনন্দ পেতাম। তাই ১৪-১৫ ঘণ্টা পড়াশোনা করতে কোনো কষ্ট হয়নি। এএসপি হিসেবে নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত ডলি রানী বলেন, ২০১৮ সালের আগস্ট মাসে পরীক্ষা

দিয়ে বাংলাদেশ ক্যাডেট কলেজে চাকরি হয়। ২০১৯ সালে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে রসাসন বিভাগের প্রভাষক হিসেবে যোগ দেই। বর্তমানে সেখানে রয়েছি। চার মাস আগে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক রতন কুমার পালের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হই। ডলি রানী বলেন, আমি বিসিএস ক্যাডার হয়েছি পুলিশ প্রশাসনে। তবে আমি এখনও নিশ্চিত নই; এই পেশায় যাব কি-না। কারণ শিক্ষকতা আমার পছন্দ। তবে দেশের জন্য কাজ করার স্বপ্ন আছে আমার। একবার ইভটিজিংয়ের শিকার হয়েছি। আমি চাই না আমার মতো অন্য কেউ

এর শিকার হোক। তবে আমি পুলিশে যাই আর না যাই; যেখানেই থাকি ইভটিজিংয়ের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেব। তিনি আরও বলেন, আমি হাওরের মেয়ে। এখানেই বেড়ে উঠেছি। আমি বুঝি হাওরের মানুষের কষ্ট। আমি চেষ্টা করব হাওরের মানুষের জন্য কিছু করার। আমার সাফল্যে মা-বাবা ও প্রতিবেশীরা খুশি। বাবার একটাই কথা তুমি জীবনে যা করবে সৎপথে থেকে করার চেষ্টা করবে। আমিও বাবার

আদেশ মেনে সৎপথে সব কাজ করছি এবং করে যাব। অসৎপথে যাব না, এক পয়সাও অসৎপথে আয় করব না।

Categories
Uncategorized

যেভাবে প্রবাসীর স্ত্রীর ন’গ্ন ভিডিও ধারণ করে ৫ লাখ হাতিয়েছেন মঞ্জুর!

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে বিয়ের প্র’লোভনে প্রেমের ফাঁ’দে ফেলে প্রবাসীর স্ত্রীর আ’পত্তিকর ভিডিও-ছবি দিয়ে জি’ম্মি করে টাকা আ’দায় এবং

প্রা’ণনা’শের হু’মকির অ’ভিযোগে ব’খাটে যুবক মঞ্জুর রহমানকে (২৬) গ্রে’ফতার করেছে পু’লিশ। বুধবার (২ ডিসেম্বর) রাত ১০টার দিকে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রে’ফতার করা হয়। বৃহস্পতিবার (৩ ডিসেম্বর) দুপুরে তাকে আ’দালতের মাধ্যমে জে’লহাজতে পাঠানো হয়েছে।

গ্রে’ফতার মঞ্জুর রহমান উপজে’লার ভাওড়া ইউনিয়নের হাড়িয়া গ্রামের ইন্নছ আলীর ছেলে। পু’লিশ জানায়, স্বামী বিদেশ থাকার সুবাদে হাড়িয়া গ্রামের ইন্নছ আলীর ছেলে মঞ্জুর রহমানের কুনজর পড়ে ওই গৃহবধূ’র ওপর। তাকে নানাভাবে উ’ত্ত্যক্ত করে আসছিলেন। খা’রাপ প্র’স্তাবে রা’জি না হওয়ায় হু’মকি এবং ভ’য়ভী’তি দেখাতেন। একপর্যায় ওই যুবকের সঙ্গে প্রেমের স’ম্পর্কে জ’ড়িয়ে যান ওই গৃহব’ধূ।

প্রেমের ফাঁ’দে ফেলে তার বাড়িতে গিয়ে কৌশলে ভ’য়ভী’তি ও হু’মকি দিয়ে বি’ব’স্ত্র করে ভিডিও ধা’রণ করেন এবং আ’পত্তিকর ছবি তোলেন। পরে গৃহব’ধূ তার ভু’ল বুঝতে পেরে মঞ্জুরকে তার পথ থেকে সরে দাঁ’ড়াতে বললে তিনি অ’স্বীকৃতি জানান। পরে ওই ভিডিও দিয়ে ব্ল্যা’কমেল করে মঞ্জুর গৃহব’ধূর কাছে টাকা দা’বি করেন। গৃহব’ধূ কয়েক দফায় তাকে পাঁচ লাখ টাকা দেন। কিন্তু এতেও মঞ্জুর

ক্ষা’ন্ত হননি। তিনি পুনরায় বিদেশে যাওয়ার জন্য ছয় লাখ টাকা দা’বি করেন। তা নাহলে সব ভিডিও ও ছবি ভাইরাল করে দেয়ার হু’মকি দেন। টাকা দিতে অ’পরাগতা প্র’কাশ করলে প্রবাসে থাকা ওই গৃহব’ধূর স্বামীকে ভিডিও ও ছবির কথা বলে দেন মঞ্জুর। এই ভিডিও ও ছবি তিনি গৃহব’ধূর কয়েকজন আ’ত্মীয়ের ফেসবুক মেসেঞ্জারে পাঠান। এ ঘ’টনার পর স্বামীর বাড়ি থেকে শি’শুস’ন্তান নিয়ে বাবার বাড়ি চলে যেতে বা’ধ্য হন প্র’তারণার শি’কার ওই গৃহব’ধূ। এলাকায় ন্যা’য়বি’চার না পেয়ে গত ২১ সেপ্টেম্বর টাঙ্গাইল সিনিয়র জু’ডিশিয়াল ম্যা’জিস্ট্রেট

মির্জাপুর আমলি আ’দালতে মঞ্জুর রহমানকে আ’সামি করে মা’মলা দা’য়ের করেন। মা’মলা হওয়ার পর মঞ্জুর রহমান ও তার সহযো’গীরা প্রবাসীর স্ত্রী, তার পরিবারকে হ’ত্যাসহ নানাভাবে হু’মকি ও ভ’য়ভী’তি দেখান। পরিবারের এবং নিজের নি’রাপত্তা চেয়ে গত ১২ অক্টোবর অ’সহায় গৃহব’ধূ মির্জাপুর থা’নায় আবার সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জিডির পর প্রসিকিউশন করে আ’দালতে পাঠানো হয়।

তার ভিত্তিতে আ’দালত মঞ্জুর বি’রুদ্ধে গ্রে’ফতারি প’রোয়ানা জা’রি করেন। বুধবার রাত দশটার দিকে মির্জাপুর থা’না পু’লিশ মঞ্জুরকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রে’ফতার করে। এ বিষয়ে মির্জাপুর থা’নার পরিদ’র্শক (ত’দন্ত) এবং মা’মলার ত’দন্তকারী কর্মক’র্তা মো. গিয়াস উদ্দিন বলেন, প্রবাসীর স্ত্রীর আ’পত্তিকর অবস্থার বিব’স্ত্র ছবি ভাইরাল হয়েছে। গৃহব’ধূ প’র্নোগ্রাফি আ’ইনে মা’মলা ও থা’নায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন। সেই

অ’ভিযোগের ভিত্তিতে গ্রে’ফতারি পরোয়ানা মূলে মঞ্জুর রহমানকে গ্রে’ফতার করে জে’লহাজতে পাঠানো হয়েছে।

Categories
Uncategorized

উজবেকিস্তানের শ্রমমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

উজবেকিস্তানের সাথে বাংলাদেশের শ্রমবাজার স;ম্প্রসা;রণ বিষয়ে দেশটির শ্রম মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হয়েছেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত।

মঙ্গলবার রাজধানী তাশখন্দে শ্রম মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ক;র্মসং;স্থান ও শ্রম সম্পর্কবিষয়ক মন্ত্রী নোজিম খুসানভ বখতিয়োরোভিচ এবং দেশটি নি;যুক্ত বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রদূত জাহাঙ্গীর আলম এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। উজবেকিস্তানের শ্রমমন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত

জাহাঙ্গীর আলমকে কর্মসংস্থান খাতে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের উ;দ্যো;গ গ্রহণের জন্য বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতকে ধন্যবাদ জানান।
সভায় দুই দেশের মধ্যে সু-সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা, দক্ষ শ্রমিকদের একে অপরের দেশে কাজ করার সুযোগ প্রদানের জন্য সমঝোতা স্বা;ক্ষর, বিভিন্ন প্রকল্প ও শিল্প কলকারখানায় দক্ষ কর্মী বিনিময়, অ;ভিজ্ঞ;তা ভাগাভাগি এবং দু’দেশের সুবিধার জন্য বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ প্রদানের বিষয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে উজবেকিস্তানস্থ

বাংলাদেশ দূতাবাসের মিনিস্টার নৃপেন্দ্র চন্দ্র দেবনাথ এবং শ্রম মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Categories
Uncategorized

ভাস্কর্য নিয়ে শনিবার ফতোয়া দেবেন হেফাজত ও কওমি আলেমরা

ভাস্কর্য ইস্যুতে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি বিশ্লেষণ করে শনিবার ফতোয়া দেবেন কওমি আলেমরা। ভার্স্কয ইস্যুতে সিদ্ধান্ত নিতে কওমি মাদ্রাসার

সম্মিলিত শিক্ষা বোর্ড আল হাইয়্যাতুল উলিয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশর চেয়ারম্যান মাওলানা মাহমুদুল হাসানের নেতৃত্বে শনিবার রাজধানীর যাত্রাবাড়ী মাদ্রাসায় বৈঠকে বসছেন বেশ কয়েকজন হেফাজত নেতা ও কওমি আলেমরা। বৈঠক করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পর তা

সরকারকেও জানাতে চান তারা। বৈঠকে আমন্ত্রণপ্রাপ্তরা বলছেন, ভাস্কর্য ইস্যুর পাশাপাশি আরো কিছু বিষয়ে প্রস্তাবনা রাখবেন তারা। হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সাবেক নায়েবে আমির মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাস বলেন, ‘ভাস্কর্য ও মূর্তি নিয়ে যে বিতর্ক চলছে তা নিয়ে কোরআন হাদীসের আলোকে এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আলেমদের দেয়া ফতোয়া বিচার বিবেচনা করে একটা মতামত দেয়া হবে।’ ইসলামী আন্দোলন

বাংলাদেশের নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিম বলেন, ‘বিশ্বের বিভিন্ন মুসলিম দেশের রাজা-বাদশাহ এবং সরকার প্রধানদের যে ভাস্কর্য করা হয়েছে তা কি ইসলামের ফতোয়া অনুযায়ী তৈরি করা হয়েছে নাকি সরকারি ক্ষমতাবলে করা হয়েছে।’ যদি তারা ইসলামের ফতোয়া অনুযায়ী ভাস্কর্য করে থাকেন তাহলে কোন ফতোয়ায় ভাস্কর্য তৈরি করেছে তা দেখে হবে বলেও জানান মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল

করিম। ওআইসি ও রাবেতা-ই-আলম আল ইসলামীসহ শীর্ষ ইসলামী সংগঠনের ফতোয়া বিশ্লেষণ করে ভাস্কর্য নিয়ে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি সরকারের কাছে তুলে ধরতে চান হেফাজত নেতা ও কওমি আলেমরা। মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাস বলেন, ‘বিষয়টির বিস্তারিত তুলে ধরে সরকারকে জানানো হবে এ বিষয়ে কার কি মত। কোথায় কি বলা হয়েছে সব জানিয়ে সরকারকে বোঝানোর চেষ্টা করা হবে। বাকি সিদ্ধান্ত সরকার নেবে।’

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নায়েবে আমির মাওলানা আব্দুর রব ইউসুফী জানান, আমরা সরকারকে আহ্বান জানিয়েছি বঙ্গবন্ধুর বিষয়টি স্পর্শকাতর। তাই এ বিষয়ে আমরা বিতর্ক তৈরি করতে চাই না। ভাস্কর্যের বিষয়ে করনীয় নিয়ে হেফাজতের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে দ্বিমত আছে বলে জানান সাবেক হেফাজত নেতা মুফতি ওয়াক্কাস। তবে, তা মানতে নারাজ বর্তমান নেতৃত্ব। যেকোনো বিষয়ে

মতামত প্রকাশে হেফাজত ও কওমি আলেমদের আরও সহনশীল আচরণের পরামর্শ সংগঠনের সাবেক নেতাদের।

Categories
Uncategorized

‘কোরআন-সুন্নাহ অনুযায়ী ইসলামে মূর্তি বা ভাস্কর্য নির্মাণ হারাম’

কোরআন ও সুন্নাহ অনুযায়ী ভাস্কর্য ও মূর্তি একই জিনিস দাবি করে ইসলামে মূর্তি বা ভাস্কর্য নির্মাণ হারাম বলে দাবি করেছেন কিছু আলেম।

বৃহস্পতিবার (৩ ডিসেম্বর) বিকেলে, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এ দাবি করেন। এসময় তারা ভাস্কর্য ও মূর্তিকে হারাম দাবি করে এর পক্ষে যুক্তি ও দলিল তুলে ধরেন। লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, যারা বলছেন মূর্তি ও ভাস্কর্য এক নয় তারা ভুল

বলছেন। সত্যকে গোপন করছেন। এটি কোরআন ও সুন্নাহকে অমান্য করা। সংবাদ সম্মেলনে হেফাজত ইসলামের নায়েবে আমীর আব্দুর রব ইউসুফীসহ বেশ কয়েকজন নেতা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া-বেফাকের মহাসচিব মুফতি মাহফুজুল হক এবং বিভিন্ন ইসলামী দলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

কোরআন ও হাদিসের বিভিন্ন উদ্ধৃতি তুলে ধরে মুফতি ইনামুল হক বলেন, ইসলামে ভাস্কর্য ও মূর্তি উভয়ে নিষিদ্ধ। এটি নির্মাণ কঠোরভাবে হারাম ও পাপের কাজ। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ এর পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের কোন উত্তর না দিয়ে তড়িঘড়ি করে সংবাদ সম্মেলনে পেশ করেন আয়োজকেরা।

এর পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের কোন উত্তর না দিয়ে তড়িঘড়ি করে সংবাদ সম্মেলনে পেশ করেন আয়োজকেরা।

Categories
Uncategorized

জোট গড়ছেন জোনায়েদ সাকি-নুর, যুক্ত আছেন জাফরুল্লাহ, বিস্তারিত

রিয়েল সিলেটঃ গণসংহতি আ’ন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিপি ও বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার

পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল হক নুর একীভূত হয়ে নতুন একটি দল বা জোট গঠনের চিন্তা করছেন। এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত আছেন গণস্বাস্থ্যের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী ও ‘রাষ্ট্র চিন্তানামে একটি সংগঠনের দায়িত্বশীলরা। দল গঠনের আগে তারা যৌথভাবে কর্মসূচি পালন

করবেন বলে উদ্যোক্তা সূত্রে জানা গেছে। ইতোমধ্যে গত ২৮ নভেম্বর জাতীয় শহীদ মিনারে মওলানা ভাসানীর মৃ-ত্যুবার্ষিকী কেন্দ্র করে তারা একটি যৌথ সমাবেশ করেছেন। সে সমাবেশে মওলানা ভাসানী অনুসারী পরিষদ, গণসংহতি আ’ন্দোলন, ছাত্র-যুব ও শ্রমিক অধিকার পরিষদ ও রাষ্ট্র চিন্তা একসঙ্গে অংশ নেয়। প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত নেতারা বলছেন, পুরো প্রক্রিয়াটি সময়সাপেক্ষ ও রাজপথে কর্মসূচি নির্ভর এবং আরও

নিরীক্ষার ভেতর দিয়ে যাবে। সেদিক থেকে সমমনা অপরাপর কোনও দল যুক্ত হলে উদ্যোগটি জোটগত রূপ নিতে পারে। অন্য একটি সূত্রের দাবি, নুরুল হক নুরের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে গণসংহতি আ’ন্দোলনের সঙ্গে একীভূত হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে দায়িত্বশীল নেতারা বিষয়টি সরাসরি অ’স্বীকার করেছেন। গণসংহতি আ’ন্দোলনের একাধিক নেতা জানান,

বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে কর্মসূচি কেন্দ্রিক ঐক্য করতে বরাবরই আগ্রহী গণসংহতি। এক্ষেত্রে রাজনৈতিক বোঝাপড়া ও আন্তরিকতার ওপর নির্ভর করছে পরবর্তী পদক্ষেপ। দলটির কেন্দ্রীয় রাজনৈতিক পরিষদের অন্যতম একজন সদস্য বলেন, ‘একসঙ্গে অনেক কর্মসূচি দেওয়ার ইচ্ছা আছে, এমনকি একটা জোট তৈরির সম্ভাবনাও আছে।’ তবে জোনায়েদ সাকি ও নুরুল হক মিলে নতুন দল করার বিষয়ে কোনও নেতাই স্বনামে

উদ্ধৃত হতে রাজি হননি। এর আগে প্রয়াত রাজনীতিক আবদুস সালামের নেতৃত্বাধীন গণতান্ত্রিক মজদুর পার্টি ২০১০ সালে গণসংহতি আ’ন্দোলনের সঙ্গে একীভূত হয়। গণসংহতি নেতা দেওয়ান আবদুর রশিদ নিলু জানান, ২০১০ এ গণসংহতি আন্দোলনে যোগ দেওয়ার আগে ২০০৯ সালে কৃষক ফেডারেশন নামে একটি সংগঠন মজদুর পার্টির সঙ্গে যূথবদ্ধ হয়। পরের বছর আবদুস সালাম ও দেওয়ান আবদুর রশিদ

মিলে গণসংহতি আ’ন্দোলনে তাদের পার্টি একীভূত করেন। গণসংহতি আ’ন্দোলনের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের বি’রুদ্ধে বৃহত্তর আ’ন্দোলন গড়ে তোলার পক্ষে গণসংহতি। মুক্তিযুদ্ধের বি’রোধিতাকারী জামায়াতে ইসলামী ছাড়া অন্য সব দলের সঙ্গেই ন্যূনতম রাজনৈতিক ঐক্য করার পক্ষে দলটির নেতারা। আর একীভূত হওয়ার ক্ষেত্রে আগ্রহী সংগঠনের মূল শক্তি, নেতৃত্ব ও যৌথ কর্মসূচিতে তাদের নেতাকর্মীদের আচরণ ও অন্যান্য বিষয় সম্পর্কে অবস্থান পরিষ্কার হওয়ার পরই নতুন দল বা জোট করার বিষয়টি

সামনে আসতে পারে। সংহতির রাজনৈতিক পরিষদের আরেক সদস্য মনে করছেন, ‘প্রক্রিয়াটি এখনও নিশ্চিত কিছু নয়। দল হতেও পারে আবার নাও হতে পারে। তবে রাজনৈতিক ঐক্য-প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।’ জানতে চাইলে বাংলাদেশ ছাত্র পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল হক নুর বাংবলেন, ‘আমরা দেশের রাজনৈতিক দলগুলো, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি সবাই

মিলে একসঙ্গে যুগপৎ কর্মসূচির দিকে যেতে চাই। সে লক্ষ্যেই আমরা চারটি সংগঠন মিলে ২৮ নভেম্বর শহীদ মিনারে মওলানা ভাসানীর মৃ-ত্যুবার্ষিকী কেন্দ্র করে যৌথ সমাবেশ করেছি।’ ‘আপনাদের নতুন দল করার সম্ভাবনা কতটা’—এমন প্রশ্নে নুরুল হক বলেন, ‘আমরা এখন নতুন দল করছি না, আমরা চাই গণতন্ত্র উ’দ্ধারে সর্বদলীয় ঐক্য। আমরা ছোটভাবে শুরু করেছি। এটা আশা করি দিনে-দিনে সামনের দিকে যাবে। একাধিক রাজনৈতিক সূত্র জানায়, মওলানা ভাসানীকে বিশেষভাবে স্মরণ করায় বিএনপির উচ্চপর্যায়ে উদ্যোগটি নিয়ে আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে।

দলটির একজন দায়িত্বশীল বলেন, ‘অবশ্যই এই উদ্যোগে বিএনপি খুশি।’ যদিও গণসংহতি আ’ন্দোলনের একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা বলেন, ‘প্রতিষ্ঠার শুরু থেকে গত ২৫ বছর ধরে নিয়মিতভাবে মওলানাকে স্মরণ করে সংহতি, হঠাৎ করে নয়।’ উদ্যোগের সঙ্গে সম্পৃক্ত নেতারা জানান, ২৮ নভেম্বর শহীদ মিনারে গণসংহতি আ’ন্দোলন, ছাত্র-যুব ও শ্রমিক অধিকার পরিষদ, মওলানা ভাসানী অনুসারী পরিষদ ও রাষ্ট্র চিন্তা মিলে যৌথ সমাবেশ করেছে। আগামী ১২ ডিসেম্বর অন্যান্য আগ্রহী সংগঠনের সঙ্গে আ’লোচনা করার সম্ভাবনা আছে। সেদিন এ

বিষয়টিকে আরও সামনে নেওয়ার বিষয়ে আরও আলাপ হবে। নতুন দল ও সম্ভাব্য জোটের বিষয়ে জানতে চাইলে মওলানা ভাসানী অনুসারী পরিষদের সভাপতি ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, ‘এখনও ওইসব কিছু না। দেশের এমনপরিস্থিতিতে কেউই বসতে চায় না, একে-অপরকে সন্দেহ করে। কোনও চেষ্টা নেই। দেশের বিদ্যমান পরিস্থিতি থেকে বেরুতে হবে। কিন্তু বড় দলগুলোতে গণ্ডগোল। সবাইকে বলেছি—অন্যদেরকে ডাকো,

সবাইকে একত্র করো।’ ‘রাষ্ট্র চিন্তা’র সদস্য হাসনাত কাইয়ূম বলেন, ‘এখনও দল বা জোট করার কোনও বিষয় আসেনি। যে পরিস্থিতির মধ্যে আমরা আছি, আমি মনে করি, এই রাষ্ট্রের সংকট সমাধান করতে যারা আন্তরিক, তাদেরকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। জানতে চাইলে রোববার রাতে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘মওলানা ভাসানীকে কেন্দ্র করে আমরা একত্রিত হয়েছি। গত শনিবার সমাবেশ করলাম। ভবিষ্যতে একসঙ্গে

আরও কাজ করার কথা ভাবছি, আলোচনা করছি। দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য বৃহত্তর আ’ন্দোলন গড়ে তোলার জন্য চেষ্টা করছি।’

Categories
Uncategorized

ক্ষমা চাইলেন কাবা শরিফকে ভাস্কর্য বলা সেই মাওলানা

ক্ষমা চাইলেন বাংলাদেশ সম্মিলিত ইসলামী জোটের সভাপতি হাফেজ মাওলানা জিয়াউল হাসান। তিনি বলেন, ‘মুখ ফসকে কথাটা আমার বের

হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু এটিকে বিভিন্নভাবে উপস্থাপন করে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হয়।’ বৃহস্পতিবার (৩ ডিসেম্বর) বিকেলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি ক্ষমা চেয়ে এ কথা বলেন সংবাদ বিজ্ঞপ্তিটি পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো- “একজন প্রেমিক তার প্রেমাস্পদের বাড়ীর

চতুরদিকে একঝলক দৃষ্টি পাওয়ার জন্য যেভাবে ঘুরে ঠিক তেমনি পবিত্র কাবা শরিফের চতুরদিকে আল্লাহ তা’লার সুদৃষ্টিলাভের আশায় মুসলিমরা তাওয়াফ করে থাকেন। তওয়াফের আগে ও পরে সুযোগ পেলে তাঁরা কালো পাথরকে চুম্বন করে থাকেন। কালো পাথর বাহ্যিকভাবে নিছক একটি পাথর। কিন্তু বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এই কালো পাথরকে চুমু দিয়েছিলেন বলে আমরাও এই কালো পাথরকে চুমু দিতে

উদগ্রীব থাকি। হজরত ওমর (রা.) বলেছিলেন, ‘আমি জানি তুমি নিছক একটি পাথর, আমি যখনই তোমাকে চুম্বন করতাম না, যদি আমি রসুল (সা.)-কে না দেখতাম তোমাকে চুম্বন দিতে।’ এই বিষয়টাকে তুলে ধরতে গিয়ে আমি চার বছর আগে নিউজ২৪-এর একটি টকশোতে মুখ ফসকে কাবা শরিফকে ভাস্কর্য বলে ফেলেছিলাম। বলার উদ্দেশ্য ছিল ইট-পাথরের তৈরি হলেও এগুলো আল্লাহ এবং রসুল (সা.) কর্তৃক

স্বীকৃত বিধায় আমাদের নিকট পবিত্র ও সম্মানিত। আল্লাহ এবং তাঁর রসুল (সা.) কর্তৃক স্বীকৃত না হলে সোনায় মোড়ানো বা হাজার কোটি টাকার হিরা মুসলমানদের দৃষ্টিতে সম্মানিতও নয় পবিত্রও নয়। এ বিষয়টি চার বছর আগে আমার মুখ ফসকে বেরিয়ে যাওয়া কথাকে কেন্দ্র করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের সমস্ত অপচেষ্টাকে তীব্র নিন্দা জানাই এবং এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সোচ্চার থাকার আহ্বান জানাই। চার বছর

পর আমার মুখ ফসকে বেরিয়ে যাওয়া শব্দ বা বাক্যকে নিয়ে একটি কুচক্রী মহল এখন কেন বিষোদগার করার চেষ্টা করছে তা এ দেশের সুশীল সমাজ বা নাগরিকগণ ভালোই বুঝেন। ইসলাম ধর্মে মূর্তি পূজার যেমন স্থান নেই, তেমনি পাথর পূজারও কোনো স্থান নেই। এটি আমরা সকল মুসলমান মাত্রই জানি। এর পরও হাজরে আশওয়াদ পাথর হওয়া সত্ত্বেও আমাদের কাছে এটি বিশেষ সম্মানের স্থান দখল করে আছে। এর কারণ কী? কারণ হলো আমাদের প্রিয় নবী (সা.)

এটাকে চুমু খেয়েছেন ও সম্মান করেছেন। তথাপি মুখ ফসকে বেরিয়ে যাওয়ার কারণে আমার কথায় যদি কেউ কষ্ট পেয়ে থাকেন সেজন্য আন্তরিকভাবে আমি দুঃখিত ও ক্ষমাপ্রার্থী।’ এর আগে বুধবার (২ ডিসেম্বর) ইসলাম ধর্ম নিয়ে অপব্যাখ্যার অভিযোগে সম্মিলিত ইসলামী জোটের সভাপতি হাফেজ মাওলানা জিয়াউল হাসানের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন এক সাংবাদিক। বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের

বিচারক আস্‌সামছ জগলুল হোসেনের আদালতে আরিফুর রহমান নামের এক সাংবাদিক মামলাটি দায়ের করেন। আদালত বাদীর জবানবন্দি
গ্রহণ শেষে অভিযোগের বিষয়ে সিআইডিকে তদন্ত করে আগামি ২৮ জানুয়ারি প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। এদিকে মামলার অভিযোগে বলা হয়, হাফেজ মাওলানা জিয়াউল হাসান তার পদ পদবী ব্যবহার করে তথ্য প্রযুক্তির অবাধ প্রবাহকে কাজে লাগিয়ে

রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম সম্পর্কে মনগড়া ব্যাখা দিয়ে বিভিন্ন মিথ্যা কাহিনী সৃষ্টি করে ধর্মীয় সম্প্রতি নষ্টের অভিপ্রায়ে লিপ্ত রয়েছে। আসামি গত ২৯ নভেম্বর সকাল ১০ টার দিকে নিউজ টোয়েন্টিফোর টিভি চ্যানেলের টকশোতে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম সম্পর্কে মনগড়া ব্যাখ্যা ও বিভিন্ন মিথ্যা কাহিনী সৃষ্টি করে ধর্মীয় সম্প্রীতি নষ্টের চেষ্টা করেছেন। নিউজ টোয়েন্টিফোর টিভি চ্যানেলের টকশোতে আসামির বক্তব্য ধর্মী বিদ্বেষমূলক বক্তব্য ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছে। এদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলিম সমাজকে হেয় প্রতিপন্ন করা এবং ইসলামকে মানুষের কাছে ভুলভাবে উপস্থাপনের অসৎ

উদ্দেশ্য পূরণকল্পে নিউজ টোয়েন্টিফোর টিভি চ্যানেলের টকশোতে আসামি এ ইসলাম বিদ্বেষী বক্তব্য প্রদান করেছেন।

Categories
Uncategorized

ঢাকা বিমান বন্দরের ইমিগ্রেশনে সামান্য টাকার জন্য প্রবাসির জীবন শেষ করে দিচ্ছে,কিন্তু দেখার মত কেউ নেই!

ঢাকা বিমান বন্দরের ইমিগ্রেশন অফিসারের ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা লোভের জন্য শত শত প্রবাসির জীবন ন’ষ্ট হয়ে যাচ্ছে৷ এ রকম এক

ইমিগ্রেশন অফিসারের লোভের কারণে ন’ষ্ট হয়ে গেল আরও এক প্রবাসীর জীবন৷ এই দুবাই প্রবাসীর সাথে ঘটে যাওয়া সম্পূর্ণ ঘ’টনার বর্ণনা দিয়েছে “স্কাই জোন ট্রাভেল এন্ড ট্যুরিজম এল.এল.সি” নামক একটি ফেসবুক পেজের স্ট্যাটাসের মাধ্যমে৷পাঠকদের জন্য তা হুবহু তুলে ধরা

হলো ঢাকা বিমান বন্দরের মানুষরুপি ইমিগ্রেশন অফিসার প্রথমে বললো এই আবেদনটি অনলাইনে নেই,পরে শফিকুল হক দুবাই কনস্যুলেটের মান্যবর কনসাল জেনারেল মোহাম্ম’দ ইকবাল হোসেন খান সাহেবকে ফোন করে বললেন বিস্তারিত, কনসাল জেনারেল সাহেব বি’ষয়টি শুনে সাথে সাথে কনস্যুলেট অফিসে একজন জুনিয়র কর্মকর্তাকে দিয়ে আবেদনটি অনলাইন করে দেন,যদিও আজ শুক্রবার অফিস বন্ধ,পরে বিমান

বন্দরের ঐ অমানুষটি বলে লেটার অনলাইনে আছে সমস্যা নাই কিন্তু তোমার ভিজিট ভিসায় সমস্যা আছে, এটা অনলাইনে শো করছেনা,অথচ দুবাইতে ভিসা চেকিং করা হয়েছে, দেখা যায় ভিসা এক্টিভ,আসল কথা হল এই মানুষ রুপি জানোয়ারের বাচ্চারা কন্ট্রাক্ট ছারা লোক আসতে দিবেনা একেকটা লোকের কাছ থেকে ৫০ থেকে ৬০ হাজার

টাকা না পাইলে তারা এভাবেই মানুষের জিবনটা শেষ করে দিচ্ছে, আজকে এই লোকটির ৮০ হাজার টাকার টিকেট বরবাদ হল ফ্লাই দুবাই একটি টাকাও ফেরত দিবেনা, এগু’লি দেখার দেশে কোনো মন্ত্রি মহাশয়রা নেই, নেই কোনো নেতা, অথচ এই প্রবাসীদের রেমিট্যান্সের জো’রে মন্ত্রী সাহেবরা তাদের সফলতার

বড় কৃতিত্ব দেখান,মনে রাখবেন একদিন এর খেশারত আপনারাই দিতে হবে, কোনো ইমিগ্রেশন অফিসার দিবেনা,,,।

Categories
Uncategorized

মাওলানা জামাইয়ের সাথে সানার নতুন ছবি ভাইরাল

ফের ভাইরাল সাবেক অভিনেত্রী সানা খান। স্বামী মাওলানা আনিসের সঙ্গে নতুন ছবি শেয়ার করে আলোচনায় এসেছেন তিনি। এবারও

নেটিজেনদের প্রশংসায় ভাসছেন এ অভিনেত্রী। অনেকেই বলছেন, সুখী দাম্পত্য কা’টাচ্ছেন তারা। সানার শেয়ার করা ছবিতে, সাদা পোশাকে দেখা গেছে সানা ও আনাসকে। মেহেদী রাঙানো হাত, ঘোমটা মাথায় হাস্যোজ্জ্বল সানার সঙ্গে সাদা টুপিতে আনাসকে দেখে মনেই হচ্ছে-

ভালোবাসায় ভরপুর তাদের জীবন। কনকনে শীতের মধ্যে ৫ দিন ধরে প্রেমিকের বাড়ির বারান্দায় অন্তঃসত্ত্বা প্রেমিক… এর আগে, স্বামী আনাসের সঙ্গে লং ড্রাইভের ভিডিও শেয়ার করেছিলেন সানা। শেয়ার করার সঙ্গে সঙ্গে ভিডিওটি লুফে নিয়েছে নেটিজেনরা। তারপর হাতে হাত রেখে আয়াতুল কুরসী পড়ার

ভিডিও শেয়ার করেও ভাইরাল বনে গিয়েছিলেন তারা। বিয়ের পর থেকেই আলোচনায় বিগ বসের প্রাক্তন প্রতিযোগিত সানা খান। ধর্মের পথে চলার জন্য ছেড়ে দিয়েছেন মিড়িয়া জগত। গুজরাটের মাওলানা আনাসকে বিয়ে করেছেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের শেয়ার

করা ছবি ও ভিডিও দেখে নেটিজেনদের অনেকেই বলছেন- শোবিজ ছাড়ার পর পাল্টে গেলে সানার জীবন। সূত্রঃ সময়

Categories
Uncategorized

হাসপাতালে ভর্তি মেয়ের পাশে থাকতে দেশে ফিরেছেন আফ্রিদি

বুধবার লঙ্কান প্রিমিয়ার লিগের দল গল গ্ল্যাডিয়েটরস বড়সড় এক ধাক্কাই খেয়েছে। হুট করেই দলের অধিনায়ক শহীদ আফ্রিদি জানিয়েছেন,

তাৎক্ষণিকভাবে দেশে ফিরতে হবে, রয়েছে ব্যক্তিগত গুরুতর কারণ। প্রাথমিকভাবে সে কারণ জানাননি আফ্রিদি, এলপিএল ছেড়ে চলে যান পাকিস্তানে। তবে যাওয়ার আগে আফ্রিদি জানিয়েছেন, ব্যক্তিগত সমস্যা মিটিয়ে সময় হলে আবারও ফিরবেন এলপিএলে। সামাজিক যোগাযোগ

মাধ্যম টুইটারে তিনি লিখেছেন, ‘দূর্ভাগ্যবশত আমাকে তাৎক্ষণিকভাবে দেশে ফিরতে হবে। তবে ঝামেলা মিটিয়ে আমি আবার আমার দলের সঙ্গে যোগ দেবো। শুভকামনা। তখন কারও কাছেই স্পষ্ট তথ্য জানা ছিল না, ঠিক কী কারণে এমন তাড়াহুড়ো করে শ্রীলঙ্কা ছেড়ে দেশে ফিরছেন আফ্রিদি। তবে সময় গড়াতেই জানা গেছে, হাসপাতালে ভর্তি ছোট মেয়ের পাশে থাকতেই মূলত পাকিস্তান ফিরে গেছেন এ তারকা

অলরাউন্ডার। এক্ষেত্রেও পুরোপুরি তথ্য জানা যায়নি। কী হয়েছে আফ্রিদির মেয়ের কিংবা কঠিন কোনো রোগে আক্রান্ত কি না তা বিস্তারিত জানা যায়নি। লঙ্কান প্রিমিয়ার লিগের টুইটার থেকে শুধু জানানো হয়েছে অসুস্থতার কথা।হাসপাতালের বেডে মেয়ে, পাশে দাঁড়ানো বাবা আফ্রিদি, এই ছবি আপলোড করে এলপিএলের টুইটার হ্যান্ডলারে লেখা হয়েছে,

‘আফ্রিদির দেশে ফেরার কারণ জানেন কি? তার মেয়ে হাসপাতালে ভর্তি। আমরা তার দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।’ এদিকে আফ্রিদি দেশে ফিরে যাওয়ায় অধিনায়কত্ব নিয়ে বেশ ঝামেলায়ই পড়তে হচ্ছে গলকে। প্রথমে সরফরাজ আহমেদ, পরে লাসিথ মালিঙ্গা নাম ঘুরে আফ্রিদির হাতে উঠেছিল দলের অধিনায়কত্ব। এবার আফ্রিদি ফিরে

যাওয়ার কারণে এলপিএলে গল গ্ল্যাডিয়েটর্সকে নেতৃত্ব দিতে পারেন দলটির সহ-অধিনায়ক ভানুকা রাজাপকষে।