Categories
Uncategorized

সরকার গঠনের প্রস্তুতি শুরু করেছেন বাইডেন

সরকার গঠনের প্রস্তুতি শুরু করেছেন জো বাইডেন। এরই মধ্যে ট্রানজিশন ওয়েবসাইট চালু করে তার দল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি।

যুক্তরাষ্ট্রে নতুন প্রেসিডেন্টের কাছে শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তরে দরকার হয় প্রেসিডেন্সিয়াল ট্রানজিশন। এতে একটি বিশেষ টিম হোয়াইট হাউজের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ক্ষমতা হস্তান্তরের কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। আর সে প্রক্রিয়ার সবশেষ তথ্য দেয়া হবে এই ওয়েবসাইটে।

এখানে নিজেদের উদ্যোগ-পরিকল্পনাও জানাচ্ছেন বাইডেন ও তার রানিংমেট কমলা হ্যারিস। এরই মধ্যে করোনা মহা’মারি থেকে শুরু করে অর্থনৈতিক ম’ন্দা, জলবায়ু পরিবর্তন ও ব’র্ণবা’দ থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে মুক্ত করার অঙ্গীকার করেছেন তারা।

আরো পড়ুন…
বাংলাদেশ সীমান্ত সিল করে দেয়া হবেঃ একটি মশা-মাছিও ঢুকতে পারবে না

বাংলার নির্বাচনে বিজেপির জন্য দুশো আসনের লক্ষ্যমাত্রা স্থির করে অমিত শাহ জানালেন, ভু’য়া ভোটার নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনে

বাংলাদেশ সীমান্ত সিল করে দেয়া হবে। শুক্রবার নিউ টাউনে ওয়েস্টিন হোটেলে মালদহ, নদীয়া ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার বিএসএফ
কর্তাদের সঙ্গে একটি বৈঠকে বসেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বের আ’শংকা

উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ থেকে প্রচুর ভু’য়া ভোটার আনা হয়। এবার সীমান্তে নজরদারি চালাতে হবে যাতে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা বাংলায় ভোট না দিতে পারে। তিনি এমন ন’জরদারি চালানোর কথা বলেন যাতে একটি মশা কিংবা মাছিও সীমান্ত
টপকে না আসতে পারে।

এসময় তিনি প্রয়োজনে সীমান্ত সিল করার কথা বলেন। শুক্রবার সকালে অমিত শাহ দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পূজা দেন। এরপর সংগীত
বিশারদ পন্ডিত অজয় চক্রবর্তীর গল্ফ ক্লাব রোডের বাড়িতে যান। পূর্বাঞ্চলীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে মুখোমুখি হন কলকাতা ও নবদ্বীপ এর কার্যকর্তাদের সঙ্গে। এরই ফাঁকে দেখা করেন বিজেপি কর্তা রাহুল সিনহার সঙ্গে।

বৃহস্পতিবার রাতে তাঁর সঙ্গে দেখা করেন শোভন চট্টোপাধ্যায় ও বৈশাখী বন্দোপাধ্যায়। সবাইকেই তিনি বলেন, বাংলাকে মমতা বন্দোপাধ্যায়
এর কুশাসন থেকে মুক্ত করতে হবে। অমিত শাহ জানান, দক্ষিণেশ্বরে ভবতারিনীর কাছে তিনি এই মর্মে পূজাও দিয়েছেন।

বাংলার নির্বাচনে বিজেপির জন্য দুশো আসনের লক্ষ্যমাত্রা স্থির করে অমিত শাহ জানালেন, ভু’য়া ভোটার নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনে

Categories
Uncategorized

সংসদ লেকে ভাসানো নৌকা দু’টিতে ব্যয় ৪০ লাখ

গ্রামবাংলার অপরুপ সৌন্দর্য্যরে সঙ্গে মিল রেখে তৈরি করা হয়েছিলো দৃষ্টিনন্দন জাতীয় সংসদ ভবন। মার্কিন স্থপতি লুই আইকানের অনন্য সৃষ্টি

ওই ভবনের চারপাশে মনোরম লেক। সংসদের বিশেষ অধিবেশনকে সামনে রেখে পানি থৈ থৈ সেই লেকেই ভাসানো হয়েছে গ্রামের চিরচেনা ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অনুসঙ্গ নৌকা। ওই নৌকা দু’টি তৈরিতে ৪০ লাখ টাকা ব্যয় করেছে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী (মুজিববর্ষ-২০২০) উপলক্ষে গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবন লেকে মুজিববর্ষের লোগো খচিত নৌকা ভাসানো কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূর- ই-আলম চৌধুরী। সংসদ সচিব জাফর আহমেদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন

প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী, জাতীয় সংসদের হুইপ মো. ইকবালুর রহিম ও সামশুক হক চৌধুরী, বেসামরিক বিমা পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এবং সংসদ সদস্য নাহিদ ইজাহার খান ও সৈয়দা রুবিনা আক্তার। অনুষ্ঠানে চিফ হুইপ নূর-এ আলম চৌধুরী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নৌকাকে প্রতীক হিসেবে বেছে

নিয়েছিলেন কারণ ঐ সময় দেশের জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশ জীবিকা অর্জনে নৌকার উপর নির্ভরশীল ছিলেন নৌকা ও জয় বাংলা বাঙালির জন্য একটি শক্তি। নৌকার মধ্যেই স্বাধীনতা ও স্বাধীকারের অনুপ্রেরণা জড়িয়ে আছে। সংসদ লেকে নৌকা ভাসানোর মাধ্যমে সংসদের সৌন্দর্য্য আরো বাড়লো। যা দেশি-বিদেশি পর্যটকদের সংসদ ভবন পরিদর্শনে আকৃষ্ট করবে।প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী বলেন, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের মাধ্যমে বিজয় নিশ্চিত হয়। বর্তমানে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা নেতৃত্বে নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামীলীগ বিজয়ী

হয়েছে। নৌকা প্রতীকের মাধ্যমে দেশের আবহমান ঐতিহ্যকে তুলে ধরা হয়েছে। এর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা সংস্কৃতি ও সভ্যতাকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, নদী আর নৌকা ছাড়া দেশের ছবি কল্পনা করা যায় না। তাই জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমান নির্বাচনী প্রতীক হিসেবে নৌকাকে বেছে নিয়েছিলেন। ১৯৭০ সালের যে নির্বাচন বাঙালিকে স্বাধীনতার একদফা দাবিতে ঐক্যবদ্ধ করেছিল, সে

নির্বাচনে নৌকা প্রতীকেই পড়েছিল সবচেয়ে বেশি ভোট। এসব দিক বিবেচনা করেই মুজিববর্ষে নৌকা তৈরি ও সংসদ ভবনের লেকে ভাসানো হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, নৌকা দু’টি আসলেই বিশেষ বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত। কারুকীর্তি দেখে চোখ জুড়িয়ে যাবে যে কারও। অনেকদিন ধরে এই নৌকা তৈরি ও সাজানোর কাজ চলে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নকশা অনুমোদনের পর নৌকার মূল কাঠামো গড়া হয়েছে গয়না নৌকার আদলে। লম্বায় ২৭ ফুট। পাঁচ ফুট চওড়া। নৌকা দুটি তৈরিতে খরচ হয়েছে ৪০ লাখ টাকা। পুরো কাজের তত্ত্বাবধানে ছিলেন শিল্পী আনিসুজ্জামান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের অধ্যাপক নৌকার প্রাথমিক ডিজাইন করেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, সংসদ লেকে ভাসানো নৌকা দুটির ছৈ বা ছাউনিকে সবচেয়ে বেশি আকর্ষণীয় করা হয়েছে। ছাউনি হলেও, একে অনেকটা ক্যানভাসের মতো করে সাজিয়ে নিয়েছেন শিল্পীরা। সেখানে আবহমান বাংলার নানা ছবি এঁকেছেন। চমৎকার ফোক ফর্ম ব্যবহার করা হয়েছে। আলাদা আলাদা বর্গাকার ফ্রেমে দৃশ্যমান করেছেন বাঙালির ঐতিহ্যবাহী শখের হাঁড়ি, কাঠের চাকাওয়ালা ঘোড়া, কাগুজে বাঘ, কুঁড়ে ঘর, দোয়েল শাপলা- আরও কত কী! ছৈয়ের শেষ সীমানায় ব্যবহার করা হয়েছে জামদানির ফর্ম। নৌকার পাটাতন ও বৈঠাতেও কারুকাজ করা

হয়েছে। যা দেখলে বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। সূত্র: কালের কণ্ঠ।

Categories
Uncategorized

বিয়ে করতে করতে আমি ক্লান্ত, ছেলেদের আর বিশ্বাস করি না: শ্রাবন্তী

অনেক প্রত্যাশা নিয়ে মানুষ ঘর বাঁধে। সেই ঘরে থাকবে প্রে’ম, বিশ্বা’স, আন্তরিক বোঝাপড়া, আমৃ’ত্যু পাশাপাশি থেকে যাওয়ার টান,

এমনটাই চান সব দম্পতি। তবুও সেই প্রত্যাশা-চাওয়ার পালে মন্দ বাতাস লাগে। র’ক্তাক্ত হয় বিশ্বা’সের মানচিত্র। ভেঙে যায় অনেক আবেগে বাঁ’ধা ঘর। চারপাশের মানুষেরা সেই ঘর ভাঙার বেদনা দেখে না। অনুভব করে না যে দুটি হৃদয় ভালোবেসে একে অ’পরকে আঁকড়ে ধরেছিল

সে দুটি হৃদয় বিচ্ছেদে কতোটা ক্ষত-বিক্ষত হয়! সেই অনুভূতিকে পাশ কাটিয়ে সবাই মেতে ওঠে ঘর ভাঙার সমালোচনায়।যদি সেই ঘর হয় কোনো তারকার তাহলে তো বিতর্কের শেষ নেই। এই যেমন কলকাতার অ’ভিনেত্রী শ্রাবন্তীর সংসার ভেঙে যাচ্ছে বলে গুঞ্জন ছড়িয়েছে। ভা’রতীয় গণমাধ্যমগুলো সেই গুঞ্জন উসকে দিয়েছে। কোথাও কারণ পাওয়া যায়নি কেন তৃতীয়বারের মতো পাতা সংসার গুটিয়ে নিতে চলেছেন

শ্রাবন্তী!নব দম্পতি গত বছর দুর্গাপূজায় একসঙ্গে চুটিয়ে আনন্দ করেছেন। ষষ্ঠী থেকে দশমীর সিঁদুর খেলা- সোশ্যাল মিডিয়া মাতিয়ে রেখেছিলেন একগুচ্ছ রোমান্টিক ছবিতে। কিন্তু সদ্য শেষ হওয়া এবারের পূজায় সব নীরব। বরং শ্রাবন্তী-রোশনের ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলে গিয়ে দেখা গেল একে অ’পরকে ইনস্টাগ্রামে আন-ফলো করে দিয়েছেন দুজনই।

শুধু বিয়ের নয়, দুজনের একসঙ্গে থাকা যাবতীয় ছবি ডিটিল হয়ে গেছে প্রোফাইল থেকে। শ্রাবন্তীর ইনস্টার দেয়ালে শুধু দুটি গ্রুপ ছবিতেই রয়েছেন রোশন। শুধু রোশন-শ্রাবন্তী নন, নায়িকার প্রথম পক্ষের ছে’লে অ’ভিমন্যু চট্টোপাধ্যায়ের ইনস্টা প্রোফাইলেও তিনজনের বেশকিছু ছবি ছিল কিন্তু সবই গায়েব! কিষাণ বিরাজের সঙ্গে বিয়ে ভাঙার পরও তো এমনটাই হয়েছিল! সেই পুরোনো স্মৃ’তি মনে করেই গুঞ্জন দেখা দিয়েছে শ্রাবন্তীর ঘর ভাঙার।

সেই গুঞ্জনে ঘি ঢেলেছেন শ্রাবন্তীর স্বামী রোশন। ভা’রতের নিউজ ১৮ বাংলাকে দেয়া মন্তব্যে রোশন জানিয়েছেন, ‘দশমীর প্রায় ১০ দিন আগে থেকেই আমি আর শ্রাবন্তী আলাদা থাকছি।’ কেন আলাদা থাকছেন সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছুই বলেননি তিনি।সেই কারণটাই এখন খুঁজছেন সবাই। কলকাতার সিনেমাপাড়া তো বটেই, বাংলাদেশেও শ্রাবন্তী ভক্তদের প্রশ্ন- কেন আবারও বিচ্ছেদের পথে

হাঁটছেন তিনি। স্বামী রোশন সিংয়ের সঙ্গে কী’ ঝামেলা চলছে যে দানে দানে তিনদানের সংসারটাও রক্ষা হলো শ্রাবন্তীর!

Categories
Uncategorized

আমি প্রেসিডেন্ট হলে মার্কিন প্রশাসনের প্রতিটি স্তরের অংশীদার হবেন মুসলমানরা : জো বাইডেন

জো বাইডেন ইসলামিক সোসাইটি অব নর্থ আমেরিকার (আইএসএনএ) ৫৭তম বার্ষিক সম্মেলনে প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রের

প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে বক্তব্য দিয়ে ইতিহাস রচনা করেছেন। ‘মুসলিম আমেরিকান ভয়েসেস ম্যাটার’ উল্লেখ করে জো বাইডেন তিনবার বলেন ‘আমি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে মুসলিমদের পাশে থাকবো। আইএসএনএ-র অফিসিয়াল টুইটার একাউন্ট থেকে এক টুইটে বাইডেনের

বক্তব্যসহ ভি’ডিও পো’স্ট করে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বাইডেন জানান, প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে প্রথম দিনই সুনির্দিষ্ট মুসলিম দেশগুলোর উপর অভিবাসনে আরোপিত নিষে’ধাজ্ঞা প্রত্যাহার করবেন। মুসলিম আমেরিকানরা তার প্রশাসনের ‘প্রতিটি স্তরের’ অংশীদার হবেন। এর আগেও বাইডেন ভারতকে কাশ্মীরিদের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে দিতে বলেছিলেন।

বাইডেন মুসলিম সম্প্রদায় সম্পর্কে ‘ইসলামোফোবিয়া’ ও মুসলিমদের ‘শিকার’ হওয়ার বিষয়েও কথা বলেছেন।

আরো পড়ুন…
প্রেমের প্রস্তাবে রা’জি না হওয়ায় ছাত্রের মুখে এ’সি’ড দিল ছাত্রী

জামালপুর পৌরসভার রশিদপুর গ্রামে প্রেমের প্র’স্তাবে রাজি না হওয়ায় এক কলেজছাত্রকে এ’সি’ড মে’রে’ছে এক ছাত্রী। আ’হ’ত ওই

ছাত্রের নাম মাহমুদুল হাসান মারুফ। এসিডে তার মুখম’ণ্ডল ও কাঁ’ধ ঝ’ল’সে গেছে। তাকে শুক্রবার (১৬ মার্চ) ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে এ ঘ’টনা ঘ’টে। পুলিশ ওই ছাত্রী ভাবনা আক্তার রিয়া ও তার মা হাসি বেগম

সুজেদাকে আট’ক করেছে। পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, রশিদপুর গ্রামের আ’হ’ত মাহমুদুল হাসান মারুফ জামালপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে ইলেকট্রনিকস টেকনোলজির প্রথম বর্ষের ছাত্র। একই গ্রামের বাসিন্দা ও ঝাউগড়া বঙ্গবন্ধু কলেজের এইচএসসি প্রথম বর্ষের ছাত্রী ভাবনা আক্তার রিয়া মাহমুদুল হাসান মারুফকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল।

কিন্তু মারুফ তাতে সা’ড়া দেয়নি। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে মারুফ তার বন্ধু সাইফুলকে নিয়ে রিয়ার বাড়ির সামনে দিয়ে যাচ্ছিল। এ সময় রিয়া মারুফকে বাড়ির ভেতরে বৈ’দ্যুতিক লাইনের ত্রু’টি ঠিক করে দিতে বলে। মারুফ দিনের বেলা এসে ঠিক করে দেবে বলে চলে যাচ্ছিল। এ সময় আ’ক’স্মি’ক মারুফের মুখে এ’সি’ড ছু’ড়ে মা’রে রিয়া। এরপর মারুফ চিৎ’কার দিয়ে দৌড়ে রশিদপুর বাজারে

যায়। স্থানীয়রা তাকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। এ’সি’ডে মারুফের দুই চোখ ছাড়া মুখমণ্ডলের বেশির ভাগ ঝ’ল’সে গে’ছে। তার ডান কাঁ’ধেও সামান্য দ’গ্ধ হয়েছে। গতকাল তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়। জামালপুর সদর থা’না পুলিশ গতকাল বৃহস্পতিবার গ’ভীর রা’তে রিয়া ও তার

মা হাসি বেগম সুজেদাকে রশিদপুরের বাড়ি থেকে আ’টক করেছে। এ ঘট’নায় মারুফের বাবা দুদু মিয়া বা’দী হয়ে জামালপুর সদর থা’নায় মা’মলা দায়ের করেছেন। এ’সি’ডদ’গ্ধ মারুফ গতকাল বলে, ‘রিয়া আমাকে ঘরে যেতে বললে আমি যাইনি। এ সময় রিয়া দরজা থেকে আমার মুখের দিকে কী যেন ছু’ড়ে মা’ড়ে। আমি সাথে সাথে চিৎ’কা’র দিয়ে দৌ’ড় দিই।

রিয়ার সাথে আমার কোনো প্রেমের সম্পর্ক নেই। রিয়াই আমাকে মাঝেমধ্যে ফোন করে প্রেমের প্র’স্তাব দিত। আমি রাজি হইনি। ঘটনার সময় ওই বাড়ির একটি কক্ষে কিছু লোকজনের কথা শুনেছি। ’ তবে কলেজছাত্রী রিয়া বলে, ‘আমি মারুফকে চিনি না। ওর সাথে আমার কোনো সম্পর্কও নেই। যে সময়ের কথা বলছে আমি আর আমার মা তখন বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলাম। আমি তাকে এ’সি’ড মা’রি’নি। তারা মি’থ্যা অ’ভিযো’গ করে আমাদের ফাঁ’সা’চ্ছে।’

জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) ডা. মো. শফিকুজ্জামান বলেন, ‘ভি’কটি’ম এ’সি’ড দ্বা’রাই আ’ক্রা’ন্ত হয়েছে।’ জামালপুর সদর থা’নার ওসি মো. নাছিমুল ইসলাম বলেন, মারুফ নামে এক যুবক এ’সি’ড নি’র্যা’ত’নের ঘ’ট’নায় মা’মলা নেওয়া হয়েছে। আট’ক রি’য়া ও তার মাকে

জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আ’দালতে সোপর্দ করা হবে। ঘট’নাটি তদন্ত করে জ’ড়ি’তদের চি’হ্নিত করার চে’ষ্টা চলছে।

Categories
Uncategorized

হঠাৎ কড়া নি’রাপত্তায় সম্ভাব্য প্রেসিডেন্ট বাইডেনের বাসভবন, বিমান উড্ডয়ন নি’ষিদ্ধ

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নিরাপত্তা জোরদারের ঘোষণা দিয়েছে সেদেশের গোয়েন্দা সংস্থা। মার্কিন দৈনিক ওয়াশিংটন

পোস্ট এ তথ্য জানিয়েছে। এছাড়া বাইডেনের বাসভবন ও এর আশেপাশের এলাকায় বিমান উড্ডয়ন নিষিদ্ধ করেছে মার্কিন ফেডারেল বিমান উড্ডয়ন কর্তৃপক্ষ। ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে, আজ শুক্রবার জো বাইডেন ভাষণ দিতে পারেন, এমন তথ্য গোয়েন্দা সংস্থাকে জানিয়েছেন

বাইডেনের এজেন্টরা। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সিক্রেট সার্ভিসের মুখপাত্র ক্যাথরিন মিলহোয়ান এ বিষয়ে মন্তব্য করতে চাননি। তিনি বলেছেন, তার সংস্থা শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা সম্পর্কে মন্তব্য করে না। এ বিষয়ে জো বাইডেনের সহযোগীরাও কথা

বলতে রাজি হননি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে এখনো জয়-পরাজয়ের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না এলেও গন্তব্যের খুব কাছেই পৌঁছে গেছেন ডেমোক্রেট দলের প্রার্থী জো বাইডেন। জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যে ট্রাম্পকে টপকে যাওয়ার পর এখন বাইডেনের আনুষ্ঠানিক বিজয়ের ঘোষণা কেবলি সময়ের ব্যাপার। ধারণা করা হচ্ছে, ইলেকটোরাল ভোটের হিসাবে ট্রাম্পের চেয়ে ৩৬ ভোট বেশি পেতে যাচ্ছেন বাইডেন।

৫০টি অঙ্গরাজ্য ও ডিস্ট্রিক্ট অব কলাম্বিয়ার মধ্যে নেভাদা, পেনসিলভানিয়া, নর্থ ক্যারোলাইনা, জর্জিয়া ও আলাস্কার ভোটের ফলাফল এখনো মেলেনি। এগুলোতে এখনো ভোট গণনা চলছে। এর মধ্যে পেনসিলভানিয়ায় ২০টি, নর্থ ক্যারোলাইনায় ১৫টি, জর্জিয়ায় ১৬টি, আলাস্কায় তিনটি ও নেভাদায় ছয়টি ইলেকটোরাল ভোট রয়েছে।

জর্জিয়ার পাশাপাশি পেনসিলভানিয়া ও নেভাদা অঙ্গরাজ্যেও শেষ পর্যন্ত বাইডেন জিতবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সূত্র : পার্সটুডে

Categories
Uncategorized

প্রেমের প্রস্তাবে রা’জি না হওয়ায় ছাত্রের মুখে এ’সি’ড দিল ছাত্রী

জামালপুর পৌরসভার রশিদপুর গ্রামে প্রেমের প্র’স্তাবে রাজি না হওয়ায় এক কলেজছাত্রকে এ’সি’ড মে’রে’ছে এক ছাত্রী। আ’হ’ত ওই

ছাত্রের নাম মাহমুদুল হাসান মারুফ। এসিডে তার মুখম’ণ্ডল ও কাঁ’ধ ঝ’ল’সে গেছে। তাকে শুক্রবার (১৬ মার্চ) ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে এ ঘ’টনা ঘ’টে। পুলিশ ওই ছাত্রী ভাবনা আক্তার রিয়া ও তার মা হাসি বেগম

সুজেদাকে আট’ক করেছে। পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, রশিদপুর গ্রামের আ’হ’ত মাহমুদুল হাসান মারুফ জামালপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে ইলেকট্রনিকস টেকনোলজির প্রথম বর্ষের ছাত্র। একই গ্রামের বাসিন্দা ও ঝাউগড়া বঙ্গবন্ধু কলেজের এইচএসসি প্রথম বর্ষের ছাত্রী ভাবনা আক্তার রিয়া মাহমুদুল হাসান মারুফকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল।

কিন্তু মারুফ তাতে সা’ড়া দেয়নি। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে মারুফ তার বন্ধু সাইফুলকে নিয়ে রিয়ার বাড়ির সামনে দিয়ে যাচ্ছিল। এ সময় রিয়া মারুফকে বাড়ির ভেতরে বৈ’দ্যুতিক লাইনের ত্রু’টি ঠিক করে দিতে বলে। মারুফ দিনের বেলা এসে ঠিক করে দেবে বলে চলে যাচ্ছিল। এ সময় আ’ক’স্মি’ক মারুফের মুখে এ’সি’ড ছু’ড়ে মা’রে রিয়া। এরপর মারুফ চিৎ’কার দিয়ে দৌড়ে রশিদপুর বাজারে

যায়। স্থানীয়রা তাকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। এ’সি’ডে মারুফের দুই চোখ ছাড়া মুখমণ্ডলের বেশির ভাগ ঝ’ল’সে গে’ছে। তার ডান কাঁ’ধেও সামান্য দ’গ্ধ হয়েছে। গতকাল তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়। জামালপুর সদর থা’না পুলিশ গতকাল বৃহস্পতিবার গ’ভীর রা’তে রিয়া ও তার

মা হাসি বেগম সুজেদাকে রশিদপুরের বাড়ি থেকে আ’টক করেছে। এ ঘট’নায় মারুফের বাবা দুদু মিয়া বা’দী হয়ে জামালপুর সদর থা’নায় মা’মলা দায়ের করেছেন। এ’সি’ডদ’গ্ধ মারুফ গতকাল বলে, ‘রিয়া আমাকে ঘরে যেতে বললে আমি যাইনি। এ সময় রিয়া দরজা থেকে আমার মুখের দিকে কী যেন ছু’ড়ে মা’ড়ে। আমি সাথে সাথে চিৎ’কা’র দিয়ে দৌ’ড় দিই।

রিয়ার সাথে আমার কোনো প্রেমের সম্পর্ক নেই। রিয়াই আমাকে মাঝেমধ্যে ফোন করে প্রেমের প্র’স্তাব দিত। আমি রাজি হইনি। ঘটনার সময় ওই বাড়ির একটি কক্ষে কিছু লোকজনের কথা শুনেছি। ’ তবে কলেজছাত্রী রিয়া বলে, ‘আমি মারুফকে চিনি না। ওর সাথে আমার কোনো সম্পর্কও নেই। যে সময়ের কথা বলছে আমি আর আমার মা তখন বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলাম। আমি তাকে এ’সি’ড মা’রি’নি। তারা মি’থ্যা অ’ভিযো’গ করে আমাদের ফাঁ’সা’চ্ছে।’

জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) ডা. মো. শফিকুজ্জামান বলেন, ‘ভি’কটি’ম এ’সি’ড দ্বা’রাই আ’ক্রা’ন্ত হয়েছে।’ জামালপুর সদর থা’নার ওসি মো. নাছিমুল ইসলাম বলেন, মারুফ নামে এক যুবক এ’সি’ড নি’র্যা’ত’নের ঘ’ট’নায় মা’মলা নেওয়া হয়েছে। আট’ক রি’য়া ও তার মাকে

জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আ’দালতে সোপর্দ করা হবে। ঘট’নাটি তদন্ত করে জ’ড়ি’তদের চি’হ্নিত করার চে’ষ্টা চলছে।

Categories
Uncategorized

ই’য়া’বা, হে’রো’ইন, ফে’নসি’ডিল সে’বনের দায়ে এক যোগে ৫৭ পুলিশকে ব’রখাস্ত করছে ডিএমপি

মা’দ’ক নি’র্মূলের দায়িত্ব যাদের সেই পুলিশ সদস্যদের অনেকেই মা’দ’কাস’ক্ত। ডো’প টেস্টে প্রতিদিনই বা’ড়ছে মা’দ’কাস’ক্ত

পুলিশ শ’না’ক্তের সংখ্যা। গত তিন মাসে ডিএমপির ৩ শতাধিক পুলিশের ডো’প টেস্টে ৫৭ জন শ’না’ক্ত। ডো’প টেস্টে তাদের
ই’য়া’বা, হে’রো’ইন, ফে’নসি’ডিল ও গাঁ’জা সে’ব’নের প্রমাণ মিলছে। ব’রখা’স্ত করে তাদের

বি’রু’দ্ধে বিভাগীয় মা’মলা করছে ডিএমপি। মা’দ’কের আখড়া রাজধানীর কারওয়ান বাজারে গত জুলাইয়ে অ’ভি’যান চালায় পুলিশ।
এসময় মা’দ’ক ব্যবসায় পুলিশ সদস্যদের স’ম্পৃক্ততার তথ্য মেলে। ত’দন্তে ১৮ পুলিশের মা’দ’ক ব্যবসা ও সেবন প্রমাণিত হলে
তাদের ব’রখা’স্ত করা হয়। পুলিশে মা’দ’কসে’বী ও ব্যবসায়ী থাকার দীর্ঘদিনের এ অ’পবা’দ

ঘো’চাতে বাহিনীর সদস্যদের ডো’প টেষ্ট করাতে আগস্টে ঢাকা মহানগর পুলিশের সব ইউনিটকে চিঠি দেন ডিএমপি কমিশনার। গত
তিন মাসে ৩ শতাধিক ডো’প টেষ্ট করে রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল। পুলিশ হাসপাতাল জানাচ্ছে, মা’দ’ক শ’না’ক্তে ১২টি

টেষ্ট করা হয়। এতে অনেকের শরী’রে ই’য়া’বা, হে’রো’ইন, ফে’ন’সি’ডিল ও গাঁ’জার উপস্থিতি পাওয়া যাচ্ছে। এ পর্যন্ত ৫৭ মা’দ’কাস’ক্ত পুলিশ চি’হ্নি’ত হয়েছেন। তাদের ৮ জন এসআই, এ এসআই ৬ জন, সার্জেন্ট ২, নায়েক ২ ও কন’স্টেবল ৩৯ জন।

পুলিশ জানাচ্ছে, মা’দ’কাস’ক্ত পুলিশ সদস্যদের বি’রু’দ্ধে বি’ভাগীয় মাম’লা করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে অনেকেই চা’কুরি হা’রা’বেন।
অ’প’রা’ধ বিশ্লেষকের মতে, উচ্চ পর্যায়ের পুলিশ কর্মর্তাদেরও ডো’প টেস্ট করা উচিত। কেননা, পুলিশের কোনো পর্যায়ই মা’দ’ক সে’ব’ন

গ্রহণযোগ্য নয়। ডিএমপির মতো পুলিশের সকল ইউনিটেই ডো’প টেস্টে করানোর পরামর্শ বিশ্লেষকদের।

Categories
Uncategorized

মুসলিমদের উদ্দেশ্যে বাইডেনের মুখে হাদিস, ফেসবুকে ভাইরাল! (ভিডিও)

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্রেট প্রার্থী সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এখন বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে বলে মনে করছেন অনেকেই।

ইতিমধ্যে তার সংগ্রহ ২৬৪ টি ইলেকটোরাল ভোট। আর ৬ টি ইলেকটোরাল ভোট পেলেই তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬ তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হবেন। সারা বিশ্বের মানুষের কাছে জো বাইডেন নামটি এখন সম্ভবত সবচেয়ে বেশি আলোচিত। এমন সময়ে তার নিজ মুখে বলা একটি হাদীস

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে পড়েছে। যেখানে তাকে যুক্তরাষ্ট্রের মুসলিম সম্প্রদায়ের উদ্দেশ্যে বলতে শোনা যাচ্ছেঃ “হযরত মোহাম্মদের একটি হাদীসে নির্দেশ করা হয়েছেঃ তোমাদের কেউ কোনো অন্যায় সংঘটিত হতে দেখলে সে যেন তা নিজ হাতে প্রতিরোধ করে। তা সম্ভব না হলে যেন মুখে প্রতিবাদ করে। যদি তাও সম্ভব না হয় তবে যেন মন থেকে ঘৃণা করে।”

এরপর বাইডেন বলেন, আপনারা অনেকেই এই দীক্ষা নিয়ে জীবনধারন করেন, এই বিশ্বাস আর নীতি নিয়ে যা যুক্তরাষ্ট্রের নীতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এমন একটি প্রশাসন এবং এমন একজন প্রেসিডেন্ট আপনাদের প্রাপ্য যারা এসব উদ্যোগে আপনাদের সাথে কাজ করবে এবং আপনাদের সমর্থন করবে। আমার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হবার সৌভাগ্য হলে সবাই একসাথে মিলে ভুলকে ঠিক করতে, পৃথিবীকে আরো সুন্দর করতে; আমাদের হাত, আমাদের হৃদয় এবং আমাদের

আশা দিয়ে কাজ করবো।” সবার শেষে তিনি ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “আপনাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক।”

Categories
Uncategorized

ঘৃণায় ভরা শাহিদার শৈশব

দুটি পা ও একটি হাত নেই। সচল একটি মাত্র হাত। সেই হাতের আঙুল সচল তিনটি। এই তিন আঙুলকে সম্বল করেই মাস্টার্স পাস

করেছেন-…. শাহিদা খাতুনের দুটি পা ও একটি হাত নেই। সচল একটি মাত্র হাত। সেই হাতের আঙুল সচল তিনটি। এই তিন আঙুলকে সম্বল করেই মাস্টার্স পাস করেছেন তিনি। প্রতিবন্ধিতাকে জয় করে অনন্য নজির স্থাপন করেছেন। যে প্রতিবেশীরা তার জন্মকে ‘পাপের ফল’ বলে

ঘৃণায় মুখ সরিয়ে নিয়েছিল, তারাই এখন যেকোনো দরকারে ছুটে আসে শাহিদার কাছে। সেই বেদনা আর সংগ্রামের ইতিবৃত্তি তুলে ধরে অশ্রুসিক্ত শাহিদা বললেন, এখন তার একটি চাকরির প্রয়োজন। আর তিনি তার কষ্ট আর সংগ্রামের কথা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বলতে চান। যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার শিমুলিয়া গ্রামের মুদি দোকানি মো. রফিউদ্দিনের ছয় সন্তানের মধ্যে ৪র্থ শাহিদা। ১৯৯১ সালে শাহিদার

জন্ম হলে গোটা পরিবারে যেন আঁধার নেমে আসে। কারণ, মেয়েটির একটি হাত ও দুটি পা নেই। সেই সময়ের কথা বলতে গিয়ে অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন শাহিদার মা জোহরা বেগম। বললেন, ‘পাড়া প্রতিবেশীরা বলতো, পাপ করেছি, তারই পাপের ফল পেয়েছি। ঘিন্নায় মানুষ কথা বলতো না।’ শাহিদাকে বলতো, ‘তুই কি করতি হইছিস? তোরে দিয়ে তো কিছ্ছু হবে না। আমাগের হলি তো মাইরে ফেলতাম!’ এই ছিল শাহিদার শৈশব! জোহরা বেগম জানালেন, তিনি সেই সময় শিমুলিয়ার খ্রিস্টান মিশনে হাতের কাজ (হস্তশিল্প) করতেন। শাহিদাকে সঙ্গে করে

নিয়ে যেতেন। মিশনের সিস্টার জোসেফ মেরী তাকে হাতেখড়ি দেন। শাহিদার বয়স পাঁচ বছর হলে সেন্টলুইস প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি করতে নিয়ে যান। কিন্তু প্রতিবন্ধী হওয়ায় স্কুলের শিক্ষকরা তাকে স্কুলে ভর্তি করতে অস্বীকৃতি জানায়। শিক্ষকদের বক্তব্য, এই মেয়ে চলতে ফিরতে পারবে না, বাথরুম করতে পারবে না। পরিবেশ নষ্ট করবে। এমন পরিস্থিতিতে শাহিদার পাশে এসে দাঁড়ান মিশনের সিস্টার জোসেফ মেরী।

তিনি দৃঢ় ভাষায় বলে দেন, যে শিক্ষক এই মেয়েটিকে স্কুলে ভর্তি করতে আপত্তি জানাবে, তার স্কুলে আসার দরকার নেই! অবশেষে স্কুলে ভর্তির সুযোগ মেলে তার। কখনও মা-বাবা, কখনও ভাই-বোনের কোলে চড়ে স্কুলে যাতায়াত শুরু হয় শাহিদার। রোদ, বৃষ্টি, ঝড় কোনো কিছুই তাকে স্কুল থেকে দূরে রাখতে পারেনি। পড়াশোনার প্রতি আন্তরিক ও অদম্য আগ্রহের

কারণে শিক্ষকরাও পরে তার প্রতি সহানুভূতিশীল হয়ে ওঠেন। এভাবেই ২০০৭ সালে সেন্টলুইস হাইস্কুল থেকে ২০০৭ এসএসসি ও ২০০৯ সালে শিমুলিয়া ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। শাহিদা জানান, এরপর বাড়ি থেকে ৮ কিলোমিটার দূরের শহিদ মশিউর রহমান ডিগ্রি কলেজে ডিগ্রিতে ভর্তি হন। প্রতিদিন একশ’ টাকা ভাড়ায় একটি ভ্যান ভাড়া করে দেন বাবা। সেই ভ্যানে চড়ে প্রতিদিন কলেজে যাতায়াত করে বিএ পাস করেন। এরপর যশোর এমএম কলেজ থেকে ২০১৬ সালে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে মাস্টার্স পাস করেন শাহিদা। শাহিদার বাবা মো. রফিউদ্দিন

জানান, এই মেয়ের জন্মের পর কতজন যে কত কথা বলেছে তার ঠিক নেই। সব সহ্য করেছি। কী করবো; সন্তান তো! ফেলে তো দিতে
পারি না। তারপর মেয়েটি অনেক কষ্ট করে লেখাপড়া শিখেছে। এখন তার ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তা হয়। একটি চাকরি বাকরি হলে হয়তো মেয়েটার একটা গতি হতো। শাহিদা বলেন, তার একটি হাত ও একটি পায়ের প্রায় পুরোটাই অচল। বাকি একটি পায়ের কিছু অংশ আর বাম হাত
দিয়েই তিনি চলাচল এবং কাজ কর্ম করেন। বাম হাতটি দেখিয়ে বললেন,

এই হাতেও আছে চারটি আঙুল। তার মধ্যেও একটি অচল। এই তিন আঙুলে কলম ধরে তিনি এমএ পাস করেছেন। শাহিদা আরও জানালেন, দিনের পর দিন কষ্ট-সংগ্রাম করে লেখাপড়া শিখেছি। কয়েক বছর আগে ঝিকরগাছার রঘুনাথনগরের বাবর আলী সরদার বিশেষ বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী স্কুলে ঢুকেছি। কিন্তু স্কুলটিরই এমপিওভুক্তি হয়নি। এখন চাকরির বয়স আর ৮/৯ মাস আছে। এর মধ্যে জীবনের অবলম্বনের জন্য একটি চাকরি দরকার।’ আর শাহিদার স্বপ্ন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে একজন

প্রতিবন্ধীর কষ্ট ও সংগ্রামের গল্প তাকে শোনাবেন।’ শাহিদার ছোটবোন অনার্সপড়ুয়া নাজমা খাতুন বলেন, আপা যে কষ্ট করে লেখাপড়া করেছে, তা না দেখলে কেউ বুঝতে পারবে না। সেই কষ্টের কথা কাউকে বলে বোঝানো যাবে না। এখন যদি তার একটি চাকরি হয় তাহলে সমাজের আর দশটা প্রতিবন্ধী ছেলে-মেয়েও তাকে অনুসরণ করতে পারবে। তারাও লেখাপড়া শিখে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর চেষ্টা করবে, সমাজের বোঝা হবে না।শাহিদার ব্যাপারে কথা হয় যশোর জেলা প্রতিবন্ধী বিষয়ক কর্মকর্তা মুনা আফরিনের সঙ্গে। তিনি বলেন, শাহিদা খাতুনকে তিনি চেনেন। সে মেধাবী এবং ভালো

একটি মেয়ে। অনেক কষ্ট করে সে এই পর্যন্ত এসেছে। তার ভালো এবং সহায়ক একটি কর্মসংস্থান হওয়া দরকার।

Categories
Uncategorized

ট্রাম্পের সঙ্গে ঝগড়া, পদত্যাগ করলেন আমেরিকার প্রতিরক্ষামন্ত্রী

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে মতবি’রো’ধের জের ধরে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্ক এসপার।

যখন আমেরিকার নির্বাচনে ট্রাম্প পরাজিত হতে চলেছেন এবং দেশে একটা অস্থিতিশীল অবস্থা তখন মার্ক এসপার পদত্যাগপত্র জমা দিলেন। মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে শুক্রবার (৬ নভেম্বর) এনবিসি টেলিভিশন চ্যানেল এ খবর দিয়েছে। বলা হচ্ছে- ট্রাম্পের

সঙ্গে মতবি’রো’ধের পাশাপাশি মার্ক এসপারের পুনঃনিয়োগের সম্ভাবনাও ক্ষীণ হয়ে এসেছিল।তবে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এসপারকে পদত্যাগ না করতে অনুরোধ করেছেন। তারা বলছেন, নির্বাচনে ট্রাম্পের জয়ের সম্ভাবনা কম। বাইডেন জয়ী হলে এসপারের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পদে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। কয়েক দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রে গণবি’ক্ষো’ভ দমন নিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে

প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মতবি’রোধ তী’ব্র হয়। যেটি পরে আর প্রশমিত হয়নি। এ কারণে এসপার আজকালের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন। তিনি ইতিমধ্যে পদত্যাগপত্র লিখে ফেলেছেন। উল্লেখ্য এর আগের মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী জিম ম্যাটিসও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে মতবিরোধের কারণে পদত্যাগ করেন। ত্ছট্ড়ারাম্প, মার্কিন প্রশাসনের

সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ আরো অনেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পদত্যাগ করেছেন কিংবা তাদেরকে বরখাস্ত করা হয়েছে।