Categories
Uncategorized

জমি দলিলের ৮ দিনের মধ্যেই অটো নামজারি

এখন থেকে কেউ জমি কিনলে রেজিস্ট্রি করার আট দিনের মধ্যেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে (অটোমেটিক) নামজারি হয়ে যাবে। এমন আইন করে জমি

রেজিস্ট্রেশন ও নামজারি কার্যক্রম সমন্বয় প্রস্তাব অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। বর্তমানে ১৭টি উপজেলায় এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এক বছরের মধ্যে এটি সারা দেশে শুরু হবে। এর ফলে হয়রানি ও মামলার সংখ্যা কমবে। জমি রেজিস্ট্রেশন ও নামজারি বিষয়কে সহজ করে

দুর্ভোগ কমাতেই এই সমন্বয় করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। সোমবার (৯ নভেম্বর) সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়। প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, জমি নিয়ে

ঝামেলা কমাতে জমি রেজিস্ট্রেশন ও নামজারি কার্যক্রম সমন্বয় সাধনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর ফলে জমি রেজিস্ট্রেশনের আট দিনের মধ্যে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নামজারি হয়ে যাবে। সরকারের এ উদ্যোগ যুগান্তকারী। এর ফলে মানুষের হয়রানি ও মামলার সংখ্যা কমে আসবে। দেশের মানুষ, সর্বসাধারণ, বিনিয়োগকারী সবার জন্য নতুন একটি অধ্যায় সৃষ্টি হলো। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব জানান, চলতি বছরের প্রথমদিকেই কীভাবে জমি রেজিস্ট্রেশন ও নামজারি এগুলোকে আরো কমফোর্ট করা যায়, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছিলেন। মানুষের যাতে

হয়রানি না হয়, সময় যেন না লাগে। এখনকার সিস্টেমটি হলো ভূমি রেজিস্ট্রেশন ও নামজারি আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে সাব-রেজিস্ট্রার অফিস এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীন উপজেলা সার্কেল ভূমি অফিস থেকে সম্পন্ন হতো। দুটি মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকার ফলে সব সময় নামজারি করা কঠিন ছিল। এ কারণে দীর্ঘসূত্রতা ছিল এবং রেজিস্ট্রেশনেও অস্পষ্টতা ছিল। যেকোনো জমি যে কেউ রেজিস্ট্রেশন করতে পারত।

খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম জানান, এখন থেকে সাব-রেজিস্ট্রার অফিস ও এসিল্যান্ড অফিসের মধ্যে একটা ইন্টারনাল সফটওয়্যার থাকবে। বাংলাদেশের সব এসিল্যান্ড অফিসে চার কোটি ৩০ লাখ রেকর্ড অনলাইনে চলে এসেছে। এখন থেকে সাব-রেজিস্ট্রার অফিস ও এসিল্যান্ড অফিস একজন অপরজনের সার্ভারে ঢুকতে পারবে। যখন কারো কাছে জমি রেজিস্ট্রেশনের জন্য যাবে, তখন সাব-রেজিস্ট্রার সঙ্গে সঙ্গে রেজিস্ট্রি করে দেবেন না। তিনি অনলাইনে এসিল্যান্ডের অফিস থেকে রেকর্ড অব রাইটস পরিসংখ্যান জানবেন।

‘এতদিন দুটি দলিল করতে হতো। এখন থেকে তিনটি দলিল করতে হবে। বাড়তি একটা এসিল্যান্ড অফিসও পাবে। যেহেতু এসিল্যান্ড দলিল অনলাইনে পেয়ে যাচ্ছেন এবং তাঁর কাছ থেকেই জমির ভেরিফিকেশন করে রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে। সুতরাং এসিল্যান্ডের আর বাড়তি কিছুই লাগবে না। তিনি অটোমেটিক্যালি সফটওয়্যার ম্যানেজমেন্টের মাধ্যমেই মিউটেশন (নামজারি) কমপ্লিট করবেন। এ ক্ষেত্রে কাউকে ডাকতে হবে না। এটা সর্বোচ্চ আট দিন সময় দেওয়া হয়েছে। তবে আট দিনও মময় লাগবে না।

এই আট দিনের মধ্যে অটোমেটিক্যালি নামজারি হয়ে যাবে। ১৭টি উপজেলায় ইতোমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে।’ যোগ করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, অনেকে জমি রেজিস্ট্রেশন করেন, মিউটেশন করেন, কিন্তু রেকর্ড করেন না। এখন থেকে রেকর্ডটাও করতে হবে। এসিল্যান্ডের দায়িত্ব থাকবে মাসিক রিপোর্ট দেবেন কতটা মিউটেশন হলো এবং কতটা রেকর্ড হলো। নইলে খাজনা দিতে গেলে সমস্যা হয় এবং অন্যান্য অনেক সমস্যা হয়। এ ছাড়া আজকের বৈঠকে ‘টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট : বাংলাদেশে অগ্রগতি প্রতিবেদন-২০২০’ সম্পর্কে অবহিতকরণ,

বাংলাদেশ গ্লোবাল সেন্টার অন অ্যাডাপটেশন-এর আঞ্চলিক অফিস স্থাপন সম্পর্কে মন্ত্রিসভাকে অবহিত করা হয়।

Categories
Uncategorized

হোটেলের মালিকের সাথে প্রতি’রাতে থাকতেন পাপিয়া

রাজনীতির আ’ড়ালে অ’স্ত্র, মা’দক ও দে’হব্যবসার সঙ্গে জ’ড়িত নরসিংদীর ব’হিস্কৃত যুব মহিলা লীগের নেত্রী শামীমা নূর পা’পিয়ার

ফোনের ভিডিও ডিলিট হয়েছে কিনা তা জানার চেষ্টা চলছে। এ ছাড়া পাপিয়াকে যারা আ’শ্রয়-প্রশ্রয় দিতেন, তাদের অ’নেকের
সম্পর্কে গোয়েন্দা সংস্থা জানতে পেরেছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে শিগগির জি’জ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।

একজন দায়ি’ত্বশীল ক’র্মক’র্তা জানান, মোবাইল ফোনসেটের ’চ্যাটিং লিস্টে অনেকের নাম পাওয়া যায়। গু’রু’ত্বপূর্ণ কোনো চ্যাটিং
কিংবা ভিডিও ডিলি,ট করা হয়েছে কিনা, তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য তার মোবাইল ফোনসহ অন্যান্য ইলেকট্র,নিক্স ডি’ভাইসের ফরে,
নসিক পরীক্ষাও করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, পাপিয়ার স,ঙ্গে ঘনি,ষ্ঠ সম্পর্ক ছিল-

এমন অনেকের নামের তালিকা বিভিন্ন সামাজিক যো’গাযোগমা’ধ্যমে দেখা যাচ্ছে। কে বা কারা কী উদ্দেশ্যে এ তালিকা সোশ্যাল
মিডি,য়ায় প্রকাশ করছে, তারও খোঁজ চলছে। এখন পর্যন্ত তালি’কাভুক্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে পাপিয়ার কোনো সুনির্দিষ্ট ঘনিষ্ঠতার তথ্য পাওয়া
যায়নি।সূত্র জানায়, পাপিয়ার ঘনি,ষ্ঠদে,র খুঁজতে গুলশানের একটি পাঁচতারকা হোটেলের সিসিটিভির

ক্যামেরা ফুটে,জ পর্য,বেক্ষণ করা হচ্ছে। এ ছাড়া পাপিয়ার কাছে কারা যাওয়া-আসা করতেন, তা জানতে এরই মধ্যে ওই হো,টেলের এ,কাধিক ব্যক্তিকে জি’জ্ঞাসাবাদ করেছেন গো,য়েন্দারা। সূত্র আরও জানায়, পাপিয়া শুধু পাঁচতারকা হোটেলে নন, আরও অনেক
জায়গায় বিভিন্ন পার্টি দিতেন। সেই পার্টিতে অনেক ভি’আইপির আসা-যাওয়া ছিল। ওয়েস্টি,নের বারে নিয়মিত বিশেষ পার্টির আ’য়োজন

করতেন তিনি। ফার্মগেট ও নরসিংদীর বাসায় ডিজে ও ডিসকো পার্টির আয়োজন ছিল অনেকটা নিয়মিত।যারা পাপিয়াকে আ,শ্রয়-প্রশ্র,য় দিতেন, তাদের অনে,র সম্পর্কে গোয়ে,ন্দা সংস্থা জানতে পেরেছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে শিগগির জি’জ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে বলে সংশ্নিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। প্রসঙ্গত ২২ ফেব্রুয়ারি হযরত শাহজালাল আ’ন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হয়ে থাইল্যান্ডে পাড়ি জমানোর সময় পাপিয়া ও

স্বামীসহ চারজনকে আটক করে র্যাব-১। প্রাথমিক জি’জ্ঞাসাবাদ শেষে র্যাব সদস্যরা ফা’র্মগেটের ইন্দিরা রোডে পাপিয়া- মফিজুরের বিলা,সবহুল ফ্ল্যা,টে অ’ভিযান চালিয়ে ৫৮ লাখ ৪১ হাজার টাকা, পাঁচ বোতল বিদেশি ম,দ, পাঁচটি পাসপোর্ট, তিনটি চেক বই, বিদেশি মুদ্রা ও বিভিন্ন ব্যাংকের ১০টি এটিএম কার্ড উ’দ্ধার করেন।এ সময় অ’বৈধ একটি বি,দেশি পিস্ত,ল এবং দুটি ম্যাগ’জিনে ২০ রাউ,ন্ড গু,লিও উ’দ্ধার করেন র্যাব সদস্যরা। এ ব্যাপারে পৃথক তিন

মা’মলায় জিজ্ঞা’সাবাদের জন্য পিউ দ’ম্পতি ছাড়াও তাদের দুই স,ঙ্গী বর্তমানে ১৫ দিনের পু’লিশ রি’মান্ডে রয়েছেন।

Categories
Uncategorized

র‌্যাব দেখে ‘কোটি টাকা’ জানালা দিয়ে ফেলে দিচ্ছিল রোহিঙ্গা দম্পতি

চট্টগ্রামে একটি বাসায় অ’ভিযা’ন চালিয়ে এক কোটি ১৭ লাখ টাকা এবং সোয়া পাঁচ হাজার ইয়াবাসহ এক রো’হিঙ্গা দম্পতিকে

গ্রে’প্তার করেছে র‌্যাব। রোববার নগরীর চান্দগাঁও আবাসিক এলাকায় অ’ভিযা’ন চালিয়ে তাদের গ্রে’প্তার করা হয় বলে র‌্যাব-৭
চান্দগাঁও ক্যাম্পের অধিনায়ক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট আলী আশরাফ তুষার জানান। গ্রেপ্তার শওকত ইসলাম (৩২) ও মোরজিনা

বেগম (২৮) মিয়ানমার থেকে আসা রো’হি’ঙ্গা বলে জানিয়েছে র‌্যাব। গ্রেপ্তার শওকত ইসলামগ্রে’প্তার শওকত ইসলামবিডিনিউজ
টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তুষার বলেন, মা’দ’ক বে’চাকে’নার অ’ভিযো’গ পেয়ে রোববার চান্দগাঁও আবাসিক এলাকার বি- ব্লকের
ওই বাসায় অ’ভিযা’নে যায় তাদের একটি দল। বাসার দরজা খুলতে বলার

সাথে সাথে তারা জানালা দিয়ে নিচে টাকা ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করে। নিচে দাঁড়ানো র‌্যাব সদস্যরা বিষয়টি দেখে ফেলে। পরে ঘরে
ঢুকে আরো কিছু টাকা উ’দ্ধার করা হয়।” সব মিলিয়ে ওই বাসা থেকে এক কোটি ১৭ লাখ ১ হাজার ৫০০ টাকা উ’দ্ধার করা হয়
বলে জানান তুষার। তিনি বলেন, “টাকা নিচে ফেলে দেওয়ার পাশাপাশি তারা ই’য়া’বাগুলো নিজেদের শরীরে লুকিয়ে ফেলে।

পরে ত’ল্লা’শি করে ৫ হাজার ৩০০ ই’য়া’বা পাওয়া যায়।” গ্রে’প্তার মোরজিনা বেগমগ্রে’প্তার মোরজিনা বেগম এই রো’হিঙ্গা দম্পতি
দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রামে ইয়া’বা বিক্রি করে আসছিল জানিয়ে তুষার বলেন, “মিয়ানমারে তাদের একটি চ’ক্র আছে, সেখান থেকে
শওকত বাংলাদেশে ইয়া’বা এনে বি’ক্রি করে। যে টাকা সেখানে পাওয়া গেছে, তা ই’য়া’বা বিক্রি থেকে পাওয়া বলে তারা জানিয়েছে।

গ্রে’প্তার রোহিঙ্গা দম্পতির বি’রু’দ্ধে চান্দগাঁও থানায় মা’দক এবং অ’বৈধ অনুপ্রবেশ আ’ইনে মা’মলা হয়েছে।

Categories
Uncategorized

খুলনায় মাস্ক না পরায় আ’টক অর্ধশতাধিক

মাস্ক না পরে বাইরে বের হওয়া ব্যক্তিদের আটক ও জরিমানা করা হচ্ছে-করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় পর্যায়ের সংক্রমণ ঠেকাতে

কঠোর অবস্থান নিয়েছে খুলনা জেলা প্রশাসন। মাস্ক না পরে বাইরে বের হওয়া ব্যক্তিদের আটক ও জরি;মা;না করা হচ্ছে। সোমবার
(৯ নভেম্বর) সকাল ১০টা থেকে খুলনা মহানগরের দুটি স্থানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে।

প্রথম এক ঘণ্টাতেই অর্ধশতাধিক ব্যক্তিকে আ;ট;ক করা হয়েছে। এছাড়াও আটজনকে সাড়ে ৬ হাজার টাকা জ;রি;মা;না করেছেন
ভ্রাম্যমাণ আদালত। খুলনার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইউসুপ আলী বলেন, করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় পর্যায়ের সংক্রমণ
ঠেকাতে কঠোর অবস্থান নেয়া হয়েছে। জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির বৈঠক

অনুযায়ী মাস্ক না পরে ঘর থেকে বের হওয়া ব্যক্তিদের কারাদণ্ড দেয়া হবে। এর আগে প্রথম পর্যায়ে সংক্রমণ ঠেকাতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে অনেক ব্যক্তিকে জরিমানা করা হয়েছিল কিন্তু তাতে মানুষের মধ্যে সচেতনতা আসেনি। এ কারণেই এমন কঠিন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

মাস্ক না পরে বাইরে আসা ব্যক্তিদের প্রাথমিকভাবে আটক করা হচ্ছে। পরবর্তীতে তাদের বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

Categories
Uncategorized

এসআই আকবর গ্রেফতারের ভিডিও প্রকাশ, ভাইরাল

সিলেটের বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁ’ড়িতে নি-র্যা-তনে রায়হান হ-ত্যা মা-মলার প্রধান অ-ভিযু-ক্ত বর’খা’স্ত এসআই আকবর

হোসেন ভূঁইয়াকে গ্রে’প্তার করা হয়েছে। সোমবার (৯ নভেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে সিলেটের কানাইঘাট সী’মান্ত এলাকা থেকে তাকে
গ্রে’প্তার করে পুলিশ। সিলেট জেলা পুলিশর সহকারী মিডিয়া কর্মকর্তা ও ডিবির পরিদর্শক সাইফুল আলম জানান,

এসআই আকবরকে সিলেটে আনা হচ্ছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে। উল্লেখ্য, গত ১১ অক্টোবর বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে নি-র্যা-তন
করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে রায়হানের মৃ-ত্যু

হয়। রায়হান সিলেট নগরের আখালিয়ার নেহারিপাড়ার বিডিআরের হাবিলদার মৃ-ত রফিকুল ইসলামের ছেলে। তিনি নগরের রিকাবিবাজার স্টেডিয়াম মার্কেটে এক চিকিৎসকের চেম্বারে চাকরি করতেন। এ ঘটনায় গত ১২ অক্টোবর রাতে অজ্ঞা-তনামাদের আসা’মি করে পুলিশি

হেফাজতে মৃ-ত্যু আইনে নগরীর কোতোয়ালি মডেল থানায় মাম’লা করেন রায়হানের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার তান্নি। ১৪ অক্টোবর মামলাটি পুলিশ সদর দফতরের নির্দেশ পিবিআইতে স্থানান্তর হয়। তদন্তভার পাওয়ার পর পিবিআইর টিম ঘটনাস্থল বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়ি, নগরের কাস্টঘর,

নি’হতের বাড়ি পরিদর্শন করে। সর্বোপরি ম’রদে’হ কবর থেকে তোলার পর পুনরায় ময়না’ত’দন্ত করা হয়।

https://www.facebook.com/DailySylhetBD/videos/399290601454563/

Categories
Uncategorized

অবশেষে এসআই আকবর গ্রে’ফতার

সিলেটের বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁ’ড়িতে নি-র্যা-তনে রায়হান হ-ত্যা মা-মলার প্রধান অ-ভিযু-ক্ত বর’খা’স্ত এসআই আকবর হোসেন

ভূঁইয়াকে গ্রে’প্তার করা হয়েছে। সোমবার (৯ নভেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে সিলেটের কানাইঘাট সী’মান্ত এলাকা থেকে তাকে গ্রে’প্তার
করে পুলিশ। সিলেট জেলা পুলিশর সহকারী মিডিয়া কর্মকর্তা ও ডিবির পরিদর্শক সাইফুল আলম জানান,

এসআই আকবরকে সিলেটে আনা হচ্ছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে। উল্লেখ্য, গত ১১ অক্টোবর বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে নি-র্যা-তন
করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে রায়হানের
মৃ-ত্যু হয়। রায়হান সিলেট নগরের

আখালিয়ার নেহারিপাড়ার বিডিআরের হাবিলদার মৃ-ত রফিকুল ইসলামের ছেলে। তিনি নগরের রিকাবিবাজার স্টেডিয়াম মার্কেটে এক
চিকিৎসকের চেম্বারে চাকরি করতেন। এ ঘটনায় গত ১২ অক্টোবর রাতে অজ্ঞা-তনামাদের আসা’মি করে পুলিশি হেফাজতে
মৃ-ত্যু আইনে নগরীর কোতোয়ালি

মডেল থানায় মাম’লা করেন রায়হানের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার তান্নি। ১৪ অক্টোবর মামলাটি পুলিশ সদর দফতরের নির্দেশ পিবিআইতে
স্থানান্তর হয়। তদন্তভার পাওয়ার পর পিবিআইর টিম ঘটনাস্থল বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়ি, নগরের কাস্টঘর,

নি’হতের বাড়ি পরিদর্শন করে। সর্বোপরি ম’রদে’হ কবর থেকে তোলার পর পুনরায় ময়না’ত’দন্ত করা হয়।

Categories
Uncategorized

একাধিক শা’রীরিক সম্পর্ক করা নারী-পুরুষের কিছু লক্ষণ,

নিমফোম্যানিয়া বা স্যাটেরিয়াসিস রোগে আক্রান্ত রোগীরা অস্বাভাবিক মাত্রায় শারীরিক চাহিদা পূরণের জন্য একাধিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন।

এমনকি এই রোগের কারণে স্বামী থাকা কালেও তার অনুপস্থিতে একাধিক পুরুষের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন অনেক নারী। ঠিক একই কারণে সুযোগ পেলেই একাধিক নারীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন অনেক পুরুষ।একাধিক শারীরিক সম্পর্ক করা নারী-পুরুষের

কিছু লক্ষণ! নিমফোম্যানিয়া বা স্যাটেরিয়াসিস রোগে আক্রান্ত রোগীরা অস্বাভাবিক মাত্রায় শারীরিক চাহিদা পূরণের জন্য একাধিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। এমনকি এই রোগের কারণে স্বামী থাকা কালেও তার অনুপস্থিতে একাধিক পুরুষের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন অনেক নারী। ঠিক একই কারণে সুযোগ পেলেই একাধিক নারীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন অনেক পুরুষ।

সম্প্রতি এমন কয়েকটি প্রমাণ ‘ইনস্টিটিউট অব সাইকায়াট্রি’ চিকিৎসকদের হাতে এসেছে। তারা এও বলছেন, অনেক সময় এই শারীরিক চাহিদা পূরণের সক্ষমতাকে আরও বাড়িয়ে তোলার জন্য বিভিন্ন রকমের মাদকও সেবন করেন তারা।অতিরিক্ত বা অস্বাভাবিক এই কামাসক্তি সমাজের কাছে ‘ব্যাভিচার’ বা ‘চারিত্রিক দোষ’ বলে বিবেচিত হলেও মনস্তত্ত্ববিদ বা মনরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে এটি একটি মানসিক ব্যাধি, যার নাম নিমফোম্যানিয়া বা স্যাটেরিয়াসিস। মার্কিন মনরোগ বিশেষজ্ঞ টিমোথি জে লেগ-এর একটি গবেষণাপত্রের তথ্য অনুযায়ী, আমেরিকার

প্রায় তিন কোটি মানুষ এই রোগে আক্রান্ত। কিন্তু এখন পর্যন্ত এই রোগে আক্রান্ত হলে সেটা কিভাবে শনাক্ত করা যাবে সে বিষয়ে আমেরিকান সাইকোলজিকাল অ্যাসোসিয়েশন এর গবেষকরা এখনো কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেননি। এছাড়াও কেন এই রোগ মানুষের মনে বাসা বাঁধে আর অস্বাভাবিক বা বিকৃত যৌ’ন আসক্তি তৈরি করে সে সম্পর্কেও তেমন কোনো কারণ নির্দিষ্ট করে বলতে পারেননি তারা।

গরমকালে পারফিউম ছাড়া বাইরে বের হওয়ার কথা ভাবতেও পারেন না অনেকে! সাজগোজের পর পারফিউম না মাখলে কি হয়? তবে পারফিউম দিতে গিয়ে অনেকেই ভুল করে ফেলেন, তারা শরীরের ভুল জায়গায় পারফিউম দেন, যাতে উল্টো ক্ষতিই হতে পারে। জেনে নিন

শরীরের যেসব জায়গায় পারফিউম না দেওয়াই ভালো১) চোখ
এটা আসলে বলে দিতে হয় না। চোখে পারফিউম দেওয়ার মতো বোকামি করবে না কেউই, কিন্তু ভুলেও যদি চোখে পারফিউম চলে যায় তাহলে দ্রুত অনেক বেশি পানি দিয়ে চোখ ধুয়ে ফেলতে হবে। কারণ পারফিউমে ৯৫ শতাংশ পর্যন্ত অ্যালকোহল বা স্পিরিট থাকতে পারে, এতে চোখে জ্বলুনি ও চুলকানি হতে পারে

২) চুল
চুলে যে কোনো গন্ধ–ভালো বা খারাপ- অনেক সময় ধরে রয়ে যায়। এ কারণে চুলে পারফিউম দিলে অনেকটা সময় সুগন্ধ রয়ে যাবে, তা ভাবতে পারেন আপনি। আসলে কিন্তু পারফিউমে অ্যালকোহল থাকলে তা চুলের ক্ষতিই করতে পারে। বিশেষ করে পারফিউমটা সরাসরি তো চুলে স্প্রে করাই যাবে না। বরং হেয়ারব্রাশে পারফিউম স্প্রে করে তা দিয়ে আলতো করে চুল আঁচড়ে নিতে পারেন
৩) হাত

হাতের কবজি অনেকেই পারফিউম স্প্রে করেন এবং দুহাতের কব্জি এক করে ঘষে নেন। এতে সারাদিনই শরীরে সুগন্ধি থাকে। কিন্তু কব্জি থেকে যেন এই পারফিউম হাতে না লেগে যায়। কারণ তাতে ত্বক শুষ্ক হতে পারে এমনকি ত্বক ফেটেও যেতে পারে। আর হাত থেকে চোখে পারফিউম গেলে তাতেও সমস্যা হতে পারে
৪) বগল
ডিওডোরেন্ট বগলে দেওয়া গেলেও পারফিউম সেখানে স্প্রে করবেন না। কারণ বগলে থাকা ঘাম গ্রন্থিতে জ্বালাপোড়া তৈরি করতে পারে তা।
৫) যৌ’নাঙ্গ

ল’জ্জাস্থানে পারফিউম দিলে প্রদাহ, জ্বালাপোড়া এমনকি ব্যথাও হতে পারে। তাই সেখানে পারফিউম ব্যবহার করা যাবে না।

Categories
Uncategorized

ডিসির আরেক ভিডিও ভাইরাল

জামালপুরের ওএসডি হওয়া ডিসি আহমেদ কবীরের গান গাওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে একটি

বাসাবাড়িতে বসে হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের ‘কতদিন পরে এলে’ এবং সুবীর সেনের ‘এত সুর আর এত গান’ গান দুটি গাইতে শোনা যায়। এসময় উপস্থিত কয়েকজন তার গান শুনছিলেন। কেউ কেউ মোবাইল ফোনে তা ভিডিও করেন। যার একটি ভিডিও প্রকাশ হয়েছে।

৫ মিনিট ৪৯ সেকেন্ডের ভিডিওতে গান গাইতে থাকা ডিসি আহমেদ কবীরের পাশে তার স্ত্রীকেও দেখা যায়। এদিকে, নারী অফিস সহায়কে সঙ্গে আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় ওএসডি করা হয়েছে আহমেদ কবীরকে। রোববার (২৫ আগস্ট) তাকে ওএসডি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে আদেশ জারি করা হয় এদিকে আহমেদ কবীরের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকে বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া

হবে বলে দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জানান জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। তদন্তের পর ওই নারীর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, জেলায় একজন ডিসি অনুকরণীয় ব্যক্তি। তার কাছ থেকে এ রকম অনৈতিক কর্মকাণ্ড কাম্য নয়। তার বিরুদ্ধে তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে। অবশ্যই উদাহরণ সৃষ্টি করার মতো শাস্তি তার হবে। আমাদের চাকরির বিধানে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার সুযোগ রয়েছে। সেটিই হবে। আশা করছি আমরা দ্রুত একটা সিদ্ধান্ত নিতে পারব।ফরহাদ হোসেন বলেন

আহমেদ কবীরকে এর আগে শুদ্ধাচার পদক দেয়া হয়েছিল। সেটি ফিরিয়ে নেব। যাতে এ ধরনের কাজ ভবিষ্যতে অন্য কেউ না করতে পারে। তিনি জানান, আগামীতে জেলা প্রশাসক নিয়োগ দেয়ার ক্ষেত্রে নৈতিকতা বিবেচনা করা হবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। প্রতিমন্ত্রী বলেন, জামালপুরের ডিসি অনৈতিক কাজ করেছেন। প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। অধিকতর তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী

সময় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। পাশাপাশি যে নারীর নাম এসেছে তাকেও তদন্তের আওতায় আনা হবে। এ ক্ষেত্রে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে তদন্ত কমিটি করে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। সূত্র:সময় নিউজ। এই বিসয় আর ও পড়ুননিজ অফিসে নারী সহকর্মীর সঙ্গে অনৈতিক কাজ করায়

জামালপুরের বিতর্কিত জেলা প্রশাসক (ডিসি) আহমেদ কবীরকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে। এবার তদন্ত করে সেই নারী সহকর্মীর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। রোববার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন তিনি। জেলায় একজন ডিসি অনুকরণীয় ব্যক্তি, তার কাছ থেকে এরকম অনৈতিক কর্মকাণ্ড কাম্য না উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হযেছে। অধিকতর তদন্তের তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেয়া

হবে। পাশাপাশি যে নারীর নাম এসেছে তাকেও তদন্তের আওতায় আনা হবে। ফরহাদ হোসেন বলেন, আহমেদ কবীরকে এর আগে শুদ্ধাচার পদক দেয়া হয়েছিল। সেটা ফিরিয়ে নেয়া হয়েছে আগামীতে ডিসি নিয়োগের ক্ষেত্রে নৈতিকতা বিবেচনা করে নিয়োগ দেয়া হবে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, অবশ্যই উদাহরণ সৃষ্টি করার মতো পানিশমেন্ট তার হবে। আমাদের চাকরির বিধানে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার সুযোগ রয়ে গেছে। সেটিই

হবে। আমরা খুব দ্রুত একটা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারবো। প্রসঙ্গত, গত ১৫ আগস্ট বিকেলে ‘খন্দকার সোহেল আহমেদ’ নামের একটি পাবলিক ফিগার ফেসবুক পেজ থেকে জেলা পর্যায়ের সর্বোচ্চপদধারী এই সরকারি কর্মকর্তা আহমেদ কবীরের তার অফিসেই একজন নারীর সঙ্গে অবৈধ মেলামেশার এই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম

ফেসবুকে প্রকাশ করা হয়। ফেসবুক আইডি থেকে এটি ভাইরাল হয়ে যাওয়ায় গত বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে ব্যাপক হারে নজরে আসতে থাকে ফেসবুক আইডি ব্যবহারকারীদের কাছে। এদিকে শুক্রবার ভোররাত থেকে রহস্যজনক কারণে ওই আইডির ওয়াল থেকে ভিডিও লিংকটি সরিয়ে নেয়ায় সন্দেহ আরো দানা বেঁধে উঠেছে। এমন ভিডিও প্রকাশ পাওয়ায় সমালোচনার ঝড় উঠেছে বিভিন্ন মহলে।

৪ মিনিট ৫৭ সেকেন্ডের ভিডিওটিতে যে কক্ষটি দেখা যাচ্ছে সেটি জামালপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীরের অফিস কক্ষে তার চেয়ারের ঠিক ডান পাশের ছোট একটি কক্ষ। ছোট এই কক্ষটিতে একটি ছোট খাট বসানো হয়েছে। কক্ষটি বেশ পরিপাটি দেখা যাচ্ছে। ভিডিওটিতে পুরুষ ব্যক্তিটিই জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীর। আর যে নারীকে

দেখা যাচ্ছে তিনি এই জেলা প্রশাসকের মাধ্যমেই সম্প্রতি নিয়োগ পাওয়া একই অফিসের একজন অফিস সহায়ক।

Categories
Uncategorized

শেষ পর্যন্ত ভেঙ্গে যাচ্ছে ১৪ দল?

মুক্তিযু’দ্ধের চেতনায় অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ এবং গণতন্ত্র ও মানবাধিকার সুরক্ষায় অঙ্গীকার নিয়ে ১৪ দল গঠিত হয়েছিল। বিএনপি-জামাত

জোট সরকারের সময় যখন স্বাধীনতাবি’রো’ধীদের আ’স্ফা’লন এবং মুক্তিযু’দ্ধের চেতনা ভুলণ্ঠিত হওয়ার উপক্রম হয়েছিল, সে সময় আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মুক্তিযু’দ্ধের চেতনার স্বপক্ষে, বাম গণতান্ত্রিক শক্তিদের নিয়ে এই ১৪ দল গঠিত হয়েছিল। যদিও বলা হয়েছে ১৪ দলীয় জোট।

কিন্তু এই দলের হাতেগোনা কয়েকটি দল ছাড়া অধিকাংশই অস্তিত্বহীণ। ১৪ দলের প্রধান শরিক গুলোর মধ্যে রয়েছে জাসদ। সম্প্রতি জাসদ দুই ভাগ হয়ে গেছে এবং দুটি ভাগই ১৪ দলে রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে ওয়াকার্স পার্টি, সাম্যবাদী দল। তবে অন্য দলগুলোর বাংলাদেশের রাজনীতিতে তেমন প্রভাব প্র’তিপ’ত্তি নেই। কিন্তু রাজনীতিতে জোট এবং ঐক্যের একটি আলাদা তা’ৎপর্য রয়েছে। কাজেই ১৪ দলের

রাজনৈতিক দলগুলোর শক্তি কম না বেশি, সেটার চেয়েও বড় বিষয় হলো মুক্তিযু’দ্ধের চেতনায় রাজনৈতিক দলগুলো একই প্লাটফর্মে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। আর এ কারণেই আওয়ামী লীগ টানা ১২ বছর ক্ষমতায় থাকার পরও ১৪ দলকে অটুত রেখেছে। কিন্তু তৃতীয় মেয়াদে, আওয়ালীগ ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ১৪ দলের সঙ্গে আওয়ামী লীগের টা’নাপো’ড়েন সৃষ্টি হয়েছিল। ২০০৯ সালে ক্ষ’মতায় আসে আওয়ামী লীগ। সে সময়ে আওয়ামী লীগ মহাজোটের সদস্যদের নিয়ে মন্ত্রিসভা গঠন করেন । ২০০৯ সালের শেষ ভাগে ১৪ দলের শরিকদের মধ্যে হাসানুল হক

ইনুকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ওই সময় রাশেদ খান মেননকে মন্ত্রিসভার প্রস্তাব করা হয়েছিল, কিন্তু তিনি তখন নেননি ।পরবর্তিতে রাশেদ খান মেননই আবার ২০১৪ সালের মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হন । এসময় ১৪ দল সক্রিয় ছিল। বিশেষ করে আওয়ামী লীগের প্রয়াত নেতা মোহাম্মদ নাসিমের কারণে ১৪ দলকে অত্যন্ত ক্রিয়াশীল এবং স’ক্রিয় দেখা গেছে। কিন্তু ২০১৮ সালের নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ যখন সরকার গঠন করল, তখন আওয়ামীলীগ একলাচলো নীতি অনুসরণ করে।

সে সময় ১৪ দল একরকম উপেক্ষিত হয়েছে। তারপরও মোহাম্মদ নাসিম ১৪ দলকে কিছু কর্মসূচির মধ্যে রাখার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তাঁর মৃ”ত্যুর পর ১৪ দল নি’ষ্ক্রি’য় এবং তার কোনো কার্যক্রম নেই। মোহাম্মদ নাসিমের মৃ”ত্যুর পর আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট নেতা, আমির হোসেন আমুকে ১৪ দলের সমন্বয়কের দায়িত্ব দেয়া হয়। কিন্তু সেই দায়িত্ব দেয়ার পর, তিনি এখন পর্যন্ত কোনো বৈঠক করেন নি। ১৪ দলের অন্যতম শরিক দল ওয়াকার্স পার্টি। এ দলের নেতা ফজলে হোসেন বাদশা বাংলা ইনসাইডারকে বলেছেন যে, ‘আওয়ামী লীগ ১৪ দলের ব্যাপারে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে। ১৪ দলকে গুরুত্বহীন করে ফেলেছে।’

জাসদের আরেকজন নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন,‘আমরা শুধু মাত্র পায়ে ধরা বাকি রেখেছি। কিন্তু ১৪ দলকে স’ক্রিয় করার কোন উদ্যোগ নেই। আওয়ামী লীগ এখন আমলা এবং পুলিশ নির্ভর একটি ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে। যার ফলে ১৪ দলের মধ্যে নানারকম অভি’মান, অস’ন্তোষ এবং ক্ষো’ভ দানা বেঁধে উঠেছে।’ সাম্প্রতিক সময়ে এই ধরনের অস্ব’স্তি গুলো দৃশ্যমান হচ্ছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন। বিশেষ করে ১৪ দলের শরিক চারটি রাজনৈতিক দল নিজেদের মধ্যে আলাপ আলোচনা শুরু তরেছে।

তারা আওয়ামী লীগের উপেক্ষার কারনে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়ে ১৪ দল থেকে বেরিয়ে যেতে পারে বলে একাধিক সূত্র ইঙ্গিত দিয়েছে। যে রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের মধ্যে আলাপ আলোচনা করছে তাদের মধ্যে রয়েছে দুই জাসদ, ওয়াকার্স পাট্টি এবং বাংলাদেশ সাম্যবাদী দল।
একাধিক সূত্র বলছে, এই রাজনৈতিক দলগুলো আওয়ামী লীগের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। ১৪ দলে বৈঠক করার জন্য বলেছে এবং কিছু কর্মসূচি গ্রহণের জন্য অনু’রোধ করেছে। কিন্তু আওয়ামী লীগ এটিকে গায়ে মাখেনি। বিশেষ করে সারাদেশে ধ”র্ষ’ণের পর ১৪ দলের পক্ষ থেকে একটি উদ্যোগ নেয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছিল।

কিন্তু আওয়ামী লীগ সে আহ্বান সাড়া দেয়নি। আর এ কারণেই এখন ১৪ দলের শরিক দলগুলোর অভি’মান প্রকারশ্য। তারা একটি আলাদা অবস্থান গ্রহণের কথা চিন্তা ভাবনা করছে। বিভিন্ন নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা দুটি বিকল্প নিয়ে ভাবছেন। প্রথমত, ১৪ দল থেকে আলাদা হয়ে মুক্তিযু’দ্ধের স্বপক্ষে আলাদা অবস্থান রাখবেন। আর দ্বিতীয়তঃ বাম গণতান্ত্রিক মোর্চা, বাসদসহ অন্যন্য রাজনৈতিক দলগুলো নিয়ে যে জোট গঠিত, সেটির সঙ্গে মিলতে পারেন। তবে শেষ পর্যন্ত তারা কি করবেন এখনো চূড়ান্ত হয়নি। ১৪ দলে যে

অভিমান এখন প্রকাশ্য, তারা যে আলাদা একটা অবস্থান নিতে চাইছেন, সেটা আওয়ামী লীগের নেতারাও স্মীকার করেছেন।

Categories
Uncategorized

সৌদি প্রবাসী ভাইয়েরা কেউই এখন দেশে যাবেন না, অনেক বড় সুযোগ আসছে

কেউই এখন দেশে যাবেন না,অনেক বড় সুযোগ আসছে.কেউই এখন দেশে যাবেন না,অনেক বড় সুযোগ আসছে.কেউই এখন দেশে যাবেন

না,অনেক বড় সুযোগ আসছে.কেউই এখন দেশে যাবেন না,অনেক বড় সুযোগ আসছে.

আরও পড়ুন…
শা’রী’রিক, মা’ন’সিক ও যৌ’’ন নি’পী’ড়’নের ‘অ’ভি’যোগ এনে, সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরেছেন, অনেক নারী কর্মী। আবার কেউ কেউ আ’কুতি জানিয়েও, ফিরতে পারছেন না নিজভূমে। এবার ভিডিও বার্তা পাঠিয়ে, দেশে ফেরার আ’কু’তি জানিয়েছেন, আরও এক নারী।

এ বিষয়ে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোসহ বিভিন্ন দপ্তরে ধ’র্না দিয়েও, স’হায়তা পাচ্ছেন না স্বজনরা।“আমাকে দেশে নেয়ার ব্যবস্থা করেন, এখানে থাকলে আমি বেশিদিন বাঁ’চবো না” এই আ’কু’তি সৌদি প্রবাসী অনিসা আক্তার লিয়ার। ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর মেসার্স ব্রাহ্মণবাড়িয়া ওভারসিজের মাধ্যমে মরুর দেশে পাড়ি জমান,

নারায়ণগঞ্জের সেনবাগের এই নারী।কিন্তু কয়েকদিন না যেতেই শি’কার হন নিয়োগ কর্তার শা’রী’রিক ও মা’ন’সিক নি’র্যা’ত’নের। গত ২৫ শে জানুয়ারি ভিডিও বার্তায় ভ’য়া’ব’হ সেই অভি’জ্ঞতার তুলে ধরেন অনিসা। এরপর আর যোগাযোগ করতে পারছেন না স্বজনরা। স্বামী দেলোয়ারের অভি’যো’গ, স্ত্রীকে দেশে ফেরাতে বললে, উল্টো টাকা দাবি করছে রিক্রুটিং এজেন্সি। অবশেষে শর’নাপন্ন হয়েছেন, জনশ’ক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ

ব্যুারোসহ বিভিন্ন দপ্তরে।তিনি বলেন, আমি তাঁদের সম্পূর্ন কথা রেকর্ডিং করেছি। তাঁরা আমার কাছে দেড় লক্ষ টাকা চেয়েছে। সরকারি আইনে আমার স্ত্রীকে আনলে তাঁকে ওখানে আরও ৬মাস এমন অ’মা’ন’বিক অ’ত্যা’চার স’হ্য করতে হবে বলেও জানিয়েছে তাঁরা। সব অ’ভিযো’গ অ’স্বীকা’র করে মেসার্স ব্রাহ্মণবাড়িয়া ওভারসিজের এই কর্মকর্তা বলছেন, অনিসা আক্তারকে ফেরাতে নেয়া হয়েছে উদ্যোগ।সত্যতা মিললে অ’ভিযু’ক্ত এজেন্সি পার পাবেন না বলে সাফ জানিয়েছেন, বিএমইটির মহাপরিচালক। তিনি বলেন, তাঁরা হাজির হয়ে ৩মাস সময় চেয়েছে।

বিষয়টি তাঁরা দেখছে এবং আমার বিশ্বাস তাঁরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবে। তাঁরা এটা না করলে আমরা আই’নানুগ ব্যবস্থা নিব।ব্র্যাকের প্রধান (মাইগ্রেশন) শরিফুল হাসান বলেন, আমরা চাইব যে এইভাবে আর কোন মেয়ে বা নারী কোন রিক্রুটিং এজেন্সির মাধুমে যেয়ে বি’পদে না পরে, সেটার জন্য নজরদারীটা যেন আরো ভালোভাবে করা হয়।এরআগে পঞ্চগড়ের সুমি,

মৌলভী বাজারের মরিয়ম ও হবিগঞ্জের হুসনা ভিডিও বার্তা পাঠিয়ে দেশে ফেরার আ’কু’তি জানান। পরে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা হয়।ব্যুারোসহ বিভিন্ন দপ্তরে।তিনি বলেন, আমি তাঁদের সম্পূর্ন কথা রেকর্ডিং করেছি। তাঁরা আমার কাছে দেড় লক্ষ টাকা চেয়েছে। সরকারি আইনে আমার স্ত্রীকে আনলে তাঁকে ওখানে আরও ৬মাস এমন

অ’মা’ন’বি’ক অ’ত্যা’চার স’হ্য করতে হবে বলেও জানিয়েছে তাঁরা। সব অ’ভিযো’গ অ’স্বী’কার করে মেসার্স ব্রাহ্মণবাড়িয়া ওভারসিজের এই কর্মকর্তা বলছেন, অনিসা আক্তারকে ফেরাতে নেয়া হয়েছে উদ্যোগ।সত্যতা মিললে অ’ভিযু’ক্ত এজেন্সি পার পাবেন না বলে সাফ জানিয়েছেন, বিএমইটির মহাপরিচালক। তিনি বলেন, তাঁরা হাজির হয়ে ৩মাস সময় চেয়েছে।

বিষয়টি তাঁরা দেখছে এবং আমার বিশ্বাস তাঁরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবে। তাঁরা এটা না করলে আমরা আই’নানুগ ব্যবস্থা নিব। ব্র্যাকের প্রধান (মাইগ্রেশন) শরিফুল হাসান বলেন, আমরা চাইব যে এইভাবে আর কোন মেয়ে বা নারী কোন রিক্রুটিং এজেন্সির মাধুমে যেয়ে বিপদে না পরে, সেটার জন্য নজরদারীটা যেন আরো ভালোভাবে করা হয়।এরআগে পঞ্চগড়ের সুমি, মৌলভী বাজারের

মরিয়ম ও হবিগঞ্জের হুসনা ভিডিও বার্তা পাঠিয়ে দেশে ফেরার আ’কু’তি জানান। পরে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা হয়।