Categories
Uncategorized

দিহান শ’ক্তি ব’র্ধক ঔষধ খেয়েছিলো কিনা তা যেভাবে পরীক্ষা হবে

দিহানের বাবা সদ্য অবসরপ্রাপ্ত জে’লা রেজিস্ট্রার আবদুর রউফ সরকার। তিন স’ন্তানের মধ্যে দিহান সবার ছোট। পরিবারের একটু বেশি আদর

পেতেন দিহান। যে কারণেই দিন দিন তার বখাটেপনা বেড়েছে। আবদার মেটাতে ১৬ বছর বয়সেই দিহানকে তিন লাখ টাকা দিয়ে সুজুকি বাইক কিনে দিয়েছিলেন বাবা। এরপরই আবদারের পরিধি বাড়তে থাকে। গাড়ি কিনে দেয়ার বায়না করে বসে দিহান। বা’ধ্য হয়ে ছেলের পছন্দ

অনুযায়ী ২০১৯ সালে ১৪ লাখ টাকা ব্যয়ে কিনে দেন টয়োটা এক্সিও। কলাবাগান এলাকার রাস্তার পাশের দোকানিরা জানান, দিহান যখন গাড়ি নিয়ে বের হতেন। তখন গলি কেঁ’পে উঠত। নিজের ইচ্ছেমতো বাজাতেন একেরপর এক গাড়ির হর্ন বাবার অঢেল টাকা। গ্রামের বাড়িতে বিশাল সম্পত্তি। রাজধানী ঢাকায় নিজস্ব ফ্ল্যাট। তার সঙ্গে ছিল দিহানের দামি একটি গাড়ি।

এসব দেখিয়ে অল্প বয়সী মেয়েদের প্রলোভনের ফাঁ’দে ফেলত দিহান। এসব তার জন্য মামুলি বিষয়। দিহানের এই প্র’লোভনে পড়ে অনেক মেয়েরই স’র্বনাশ হয়েছে। সবশে’ষে রাজধানীর কলাবাগানে ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থী আনুশকার ঘ’টনায় ফেঁ’সে একের পর এক চা’ঞ্চল্যকর ত’থ্য বেরিয়ে আসে। বিভিন্ন গ’ণমাধ্যম ও দিহানের পরিচিতদের সূত্রে জানা গেছে, আনুশকার আগেও একাধিক মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক

ছিল দিহানের। বাবার অর্থবিত্ত, দামি গাড়ি উপহারসামগ্রী দিয়ে মেয়েদের প্রভাবিত করত দিহান। কলাবাগানে দিহানের বাসার কেয়ারটেকার মোতালেবের দেয়া ত’থ্য মতে, বাসা ফাঁ’কা থাকলেই বন্ধু-বান্ধবীদের নিয়ে আসতেন দিহান। তার বি’রুদ্ধে এর আগেও বিভিন্ন মেয়েদের সঙ্গে অ’নৈতিক কর্মকা’ণ্ডে জ’ড়িত থাকার অ’ভিযোগ পাওয়া গেছে।

তিনি বলেন, বাসা ফাঁকা থাকলে মাঝে মধ্যে দিহান বন্ধু-বান্ধবীদের নিয়ে বাসায় আসলেও এতো ভ’য়াবহ ঘ’টনা ঘ’টতে পারে তা তিনি ধারণাও করতে পারেননি। আনুশকা নূর আমিন যেদিন হ’ত্যার শিকার হয় সেদিন মোতালেবের পরিবর্তে কেয়ারটেকার দুলাল দায়িত্ব পালন করছিলেন।
এদিকে দিহানের বাসার দারোয়ান দুলাল আ’দালতে সা’ক্ষ্য দিয়েছেন। দুলাল আমাদের বলেছেন,

দিহান ওই ছা’ত্রীকে বাসায় নিয়ে যান। প্র’বেশের বিষয়ে তিনি রেজিস্ট্রার বইয়ে কোনো ত’থ্য লেখেননি। দিহান নিয়ে যাচ্ছে বলে দারোয়ান তাকে কিছু বলেননি। এর এক ঘণ্টা পর দিহান ইন্টারকমে যোগাযোগ করে দারোয়ানকে উপরে উঠতে বলেন। উপরে উঠে দারোয়ান দেখেন, মে’য়েটিকে সোফায় শুইয়ে রাখা হয়েছে। ওই সময় সোফায় র’ক্ত লেগে ছিল।’ দুপুর ১টা অথবা সোয়া ১টার দিকে দিহান ওই মেয়েটিকে

পাঁজাকোলা করে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামিয়ে আনেন। গ্রাউন্ড ফ্লোরে পার্কিংয়ে থাকা গাড়ির পিছনের সিটে তুলে দেন দুলাল। তারপর তিনি ওই বাসায় প্রায় এক ঘণ্টা অপেক্ষা করে ঘ’টনা বোঝার চে’ষ্টা করেন। এরপর তিনি বাসা থেকে পা’লিয়ে যান। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণে দেখা যায়, বাসাটিতে প্রায় দেড় ঘণ্টা ছিল মেয়েটি। এ সময় র’হস্যজনক গতিবিধি ছিল তিন ব্যক্তির। পু’লিশ প্রধানের ধারণা, সর্বগ্রাসী মা’দকের পরিণতিতেই এমন ঘ’টনা ঘ’টতে পারে।

গত ৭ জানুয়ারি দুপুর ১২.১২ মিনিট। কলাবাগানে দিহানের বাসার সিড়িঘরের দিকে যাচ্ছেন ওই স্কুলছাত্রী। দুপুর একটার দিকে বাসার সামনে র’হস্যজনক গতিবিধির দেখা মেলে তিন ব্যক্তির। তবে তাদের পরিচয় বোঝার উপায় নেই। প্রায় দেড় ঘন্টা পর দুপুর ১টা ৩৬ মিনিটে বাসা থেকে বের হয় দিহানের গাড়ি। এ সময়ের মধ্যেই বাসায় যা ঘ’টার ঘ’টে গিয়েছিল। আনুশকার সঙ্গে তার দৈহিক স’ম্পর্কের প’রিক’ল্পনা

আগে থেকেই করে রেখেছিলো দিহান। কিন্তু আনুশকা জানতো তারা বাসায় গিয়ে কিছুক্ষণ গল্প করে পরবর্তীতে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ফারদিনের ভোটার আইডি কার্ড সংশো;ধন করতে যাবে। কিন্তু বাসায় যাওয়ার পরে কথা বলার এক পর্যায়ে দিহান আনুশকার সঙ্গে শা;রীরিক স;ম্পর্ক করে।

এদিকে আনুশকার রেক্টাম ও যৌ”না”ঙ্গে মিলেছে অস্বাভাবিক ‘ফরেন বডি’র আ’ঘাত। কি ছিল সেই ‘ফরেন বডি’? সেই র’হস্যকে কেন্দ্র করে চলছে গভীর অনুসন্ধান।

আনুশকার র’হস্য উদঘাটনে কাজ করছে সংশ্লিষ্ট একাধিক প্রতিষ্ঠান। ইতোমধ্যেই মেডিকেল ফরেনসিক টিম ময়নাত’দন্তের কর্মকা’ণ্ড চালাচ্ছে। বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে কাজ করে যাচ্ছে সিআইডিসহ আইন প্রয়োগকারী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো।

এরইমধ্য থেকে ত’দন্ত সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্র প্রত্যক্ষ আলামত ও চিহ্নের ভিত্তিতে ধারণা করছে যে- দেশীয় আকৃতির পু”রু”ষা”ঙ্গ নয়, বরং ফরেন বা বিদেশি বড় পু’রু’ষাঙ্গ আকৃতির কিছু একটা ভিক্টিমের রেক্টামে পুশ করানো হয়েছে।

যে কারণে যৌ’নাঙ্গ ও রেক্টাম ফেটে গিয়ে অ’তিরিক্ত র’ক্তক্ষরণ হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনুশকার সু’রুতহাল হয়। সেখানকার ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রধান ডা. সোহেল মাহমুদ সংবা’দমাধ্যমকে বলেন, স্বা’ভাবিক পে’নিস দ্বারা রেক্টাম ও যৌ’নাঙ্গ ব্যবহার করলে এতটা ভ’য়াবহ প’রিণতি হওয়ার কথা নয়।

শরীরের নিম্না’ঙ্গে ‘কোন ফরেন বডি সাইজ’ বা ‘সে;ক্স টয়’ কিছু একটা ব্যবহার করা হয়েছে। এক কথায় সেখানে বি’কৃত যৌ’নাচার করা হয়েছে। যার কারনে প’রিস্থিতি এতো ভ’য়াবহ হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমি আমার পো’স্টমর্টেম জী’বনের অ’ভিজ্ঞতার আলোকে বলতে পারি, পে’নিস (পুরুষা’ঙ্গ) দ্বারা এই ই’নজুরি মোটেও সম্ভব না। ওটা পে’নিসের বাইরে অন্য কিছু ছিল।
যো’নিপথ ও পা’য়ুপথ থেকে প্রচুর র’ক্তক্ষ’রণের কারণে ভু’ক্তভো’গীর মৃ’ত্যু হতে পারে বলে ধারণা এই চিকিৎ’সকের। তিনি বলেন, প্রচুর র’ক্তক্ষ’রণ হওয়ায় সে ‘হাইপো ভোলেমিক’ শকে মা’রা গেছে।মানুষের মাত্রাতি’রিক্ত র’ক্তক্ষ’রণ বা দেহ থেকে অ’তিরিক্ত তরল বের হয়ে গেলে হৃদপিণ্ড স্বা’ভাবিক কার্যক্ষ’মতা হা’রায়। এ কারণে হৃদযন্ত্র শরীরে র’ক্ত সরবরাহ করতে পারে না, মানুষ মা’রা যেতে পারে।

দিহানের ভাই বলেন, হঠাৎ দুপুর ১টা ২৫ মিনিটের দিকে দিহান আমাকে ফোন দিয়ে কাঁদো কাঁদো স্বরে কথা বলে। জীবনে ওকে আমি কখনও কা’ন্না করতে দেখিনি।

ফোন দিয়ে বলে, ‘ভাইয়া বাসায় বান্ধবীকে নিয়ে এসেছিলাম। অ’জ্ঞান হয়ে গেছে। হাসপাতা’লে নিয়ে যাচ্ছি। তুমি আসো, তুমি ছাড়া আমাকে কেউ বাঁ’চাতে পারবে না।’

দিহানের ভাই আরও বলেন, আমি ভয় পেয়ে যাই। তখনই আমা’র কর্মস্থল থেকে বের হয়ে এসেছি। দিহান বারবার ফোন দিচ্ছে ‘ভাইয়া তুমি দ্রুত আসো।’ পরে দুপুর ১টা ৫০-এর দিকে আবার ফোন করে। তখন বলে, ‘ভাইয়া ও তো মা’রা গেছে’। তখন আমি বলি, ‘কে মা’রা গেল ঠিকঠাক মতো বলো’। দিহান বলে, ‘তুমি হাসপাতা’লে চলে আসো দ্রুত।’

Categories
Uncategorized

ফাটলে সেতুর লেন বন্ধ, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে তী’ব্র যানজট

সাভারের আমিনবাজার সালেহপুর এলাকায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের সালেহপুর সেতুর একটি অংশে ফাটল দেখা দিয়েছে। এতে তাৎক্ষণিক

ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে সেতুটির ঝুঁকিপূর্ণ লেনটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। বুধবার দুপুর আনুমানিক ১টা থেকে লেনটি বন্ধ করে দেয়া হয়। সেতুর অপর লেনটি চালু রাখা হলেও দেশের ব্যস্ততম এই মহাসড়কে অবস্থিত সেতুটির একটি লেন বন্ধ থাকায় তীব্র যানজট

সৃষ্টি হয়েছে। ঢাকা সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মারুফ হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের সাভার থেকে ঢাকাগামী পথে সেতুটির পুরাতন অংশে, যেটি মূলত ৭০ এর দশকে নির্মিত হয়েছিল সেই অংশের গার্ডারে বেশকিছু ফাটল দেখা দিয়েছে। সেটি যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ। তাই

প্রাথমিকভাবে আমরা আমাদের প্রকৌশলী ও পরামর্শকদের নিয়ে সেতুটি পরিদর্শন শেষে ঝুঁকিপূর্ণ অংশের লেনটি বন্ধ রাখার পরামর্শ দিয়ে নোটিশ টাঙিয়ে দিয়েছি। ধারণা করছি সংস্কারের মাধ্যমে অতি দ্রুত সেতুটির ওই লেনটি পুনরায় সচল করা সম্ভব হবে। তবে আরও বিশদভাবে ফাটলগুলো পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। তিনি আরও বলেন, সাধারণত এ জাতীয় কোনো সেতু নির্মাণের পর তার আয়ুষ্কাল ৫০

বছর ধরা হয়। ৭০ এর দশকে নির্মিত এই সেতুটির ওই লেনের আয়ুষ্কালও শেষের দিকে। আমরা এমনিতেও সেতুটি পূনর্নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছিলাম। তবে কিছু জটিলতার কারণে কাজটি এখনও শুরু করা যায়নি। এদিকে ব্যস্ততম এই সেতুটির একটি লেন বন্ধ থাকায় মহাসড়কের তুরাগ এলাকা থেকে আমিনবাজার পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন

মহাসড়কে চলাচলরত সাধারণ মানুষ। জানতে চাইলে ঢাকা জেলা পুলিশের (উত্তর) পরিদর্শক (প্রশাসন) মো. আব্দুস সালাম জানান, ফাটলটি সম্পর্কে আগেই জানতে পেরেছিল সড়ক ও জনপথ বিভাগ। মূলত গতকালই তারা (সড়ক ও জনপথ বিভাগ) বিষয়টি আমাদের জানিয়েছিলেন। ঝুঁকি এড়াতে ও যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ঘটনাস্থলে সার্বক্ষণিক পরিদর্শক পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তাসহ পর্যাপ্ত ট্রাফিক পুলিশের সদস্য মোতায়েন রয়েছে। ঢাকা সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী

মারুফ হাসান জানান, সেতুটির যেই অংশের গার্ডারে ফাটল দেখা দিয়েছে সেটি মূলত ৭০ এর দশকে নির্মিত।

Categories
Uncategorized

আল্লাহ আমাকে সব কিছু দিয়েছে, শুধু পয়সা দেয়নি: এটিএম শামসুজ্জামান

আমি এমন একজন মানুষ যাকে আল্লাহ সব দিয়েছে, শুধু পয়সা দেয়নি। আমি এমন সিনেমা বানাতে চেয়েছিলাম যা দর্শককে উদ্দীপ্ত করবে।

শেখ মুজিবকে চিত্রনাট্যে তুলে ধ’রার পরিকল্পনাও ছিল। আমা’র এই স্বপ্নটা এখনও আছে। কিন্তু প্রধান সংকট টাকা। সম্প্রতি একটি গনমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কথাগুলো বলছিলেন বাংলা চলচ্চিত্রে খল চরিত্রে ‘জীবন্ত কিংবদন্তি’ এটিএম শামসুজ্জামান। আক্ষেপ করে এই

অ’ভিনেতা বলেন, জীবনের এই শেষ মুহূর্তে একটাই চাওয়া- শেখ মুজিবকে নিয়ে সিনেমা বানাতে চাই। যে সিনেমায় মুক্তিযু’দ্ধের ইতিহাস, বাংলার সংস্কৃতি সমানভাবে উঠে আসবে। যদি সুযোগটা পাই সেটা হবে অনেক আনন্দের। না পেলেও দুঃখ নাই। কারণ গরিব মানুষের অনেক শখ পূরণ হয় না। এটিএম শামসুজ্জামান বলেন, আমা’র তো মনে হয়,

এক সময় ভাষা আ’ন্দোলনের ইতিহাস মানুষ ভুলে যাবে। এতে কোনো স’ন্দেহ নেই। কারণ আমি যদি কোনো জিনিস লালন না করি, চর্চা না করি তাহলে সেটি কারো মনে থাকবে না। এগুলো প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে হয়। চলচ্চিত্রের মাধ্যমেও কাজটি করা যায়।অনেক নায়কের সঙ্গে আপনি কাজ করেছেন? কার সঙ্গে কাজ করতে ভালো লেগেছে? এটিএম শামসুজ্জামান : নিঃস’ন্দেহে রাজ্জাক সাহেব। তার

সংলাপ ডেলিভা’রি খুব ভালো ছিল। পরিষ্কার-পরিছন্ন। আমা’র ভালো লাগতো। সহশিল্পী যদি ভালো খেলোয়াড় না হয় তার সঙ্গে খেলা জমে না। রাজ্জাক সাহেবের সবচেয়ে বড় গুণ বাংলা খুব সুন্দর করে বলতেন। শুনতে ইচ্ছে করতো। ফেরদৌসকেও আমা’র মোটামুটি ভালো লেগেছে। তার ডেলিভা’রি খুব স্বাভাবিক। কিংবদন্তী অভিনেতা হুমায়নু ফরীদি সম্পকে এটিএম

শামসুজ্জামান বলেন, ফরীদির মতো শিল্পী বাংলার মাটিতে আর আসবে না। আমাকে এতো শ্রদ্ধা করতো যে ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। অথচ আমা’র মতো একশ এটিএম সমান একটা ফরীদি। আমাকে দেখলে চেয়ার থেকে দাঁড়িয়ে থাকতো। অথচ আমি খুব বুঝতাম, এর সঙ্গে অ’ভিনয় করে পারা যাবে না। বাংলার মাটিতে অনেক শিল্পী আসবে ফরীদি আর আসবে না।

শুটিং করতে গিয়ে মজার কোনো ঘটনা কী’ মনে পড়ে? এটিএম শামসুজ্জামান: অসংখ্য ঘটনা আছে। আমি গারো পাহারে শুটিং করতে গিয়েছিলাম। পরিচালক ছিলেন এহতেশাম। আমি জুম্মা’র দিনে গোসল করে পাজামা পাঞ্জাবি পরে যখন ম’সজিদে যাচ্ছি তখন একজন লোক আমাকে জিজ্ঞেস করলেন- কোথায় যাচ্ছেন? আমি বললাম, ম’সজিদে যাচ্ছি। লোকটি বললো, জুম্মা’র নামাজ পরে আপনার লাভ কী’?

আমি বললাম, কেন ভাই? তিনি বললেন, জীবনে এতো আকাম করেছেন বুঝতে পারছেন না? আপনি একটা বাজে লোক!

Categories
Uncategorized

মা হতে চান প্রভা

ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও মডেল সাদিয়া জাহান প্রভা। দীর্ঘ সময় ধরেই অভিনয় অঙ্গনে অবস্থান করছেন তিনি। ক্যারিয়ারের তুঙ্গে

থাকা অবস্থায় ব্যক্তিগত জীবনে কিছু বিষয় নিয়ে সমস্যায় পড়ে হোঁচট খান এই অভিনেত্রী। তবে অল্প দিনের ব্যবধানে ফিরেও আসেন অভিনয় জগতে। তারপর থেকে নাটকে অভিনয় করে যাচ্ছেন তিনি। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ সরব তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ভক্তদের

সঙ্গে সরাসরি আড্ডা দেন তিনি। দিন যত গড়াচ্ছে বাড়ছে অভিনয় দক্ষতা। ক্যামেরার অ্যাকশন ছাপিয়ে ব্যক্তিগত জীবনেও তিনি খুবই উচ্ছ্বসিত এক নারী। তবে প্রভা বিভিন্ন সময় নানা কারণে সংবাদের শিরোনামে এসেছেন। মাঝে ব্যক্তিগত কারণে সমালোচনার মুখেও পড়তে হয়েছে তাকে। প্রভাকে নিয়ে মানুষের জানার আগ্রহে কমতি নেই। সেই জানার আগ্রহ থেকেই প্রভার কাছে জানতে চাওয়া হয়

‘মা’ হওয়ার ব্যাপারে। জবাবে প্রভা বলেন, ‘পরের মেয়ে নাটকে আমার মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছে আরিয়ানা। আরিয়ানার সঙ্গে অভিনয়ে করার আগে কখনো মা হতে ইচ্ছে করেনি। আরিয়ানার সঙ্গে অভিনয়ে করতে গিয়ে, ওর আদর মাখা মুখ আর বাচ্চামিতে মনটা ভরে উঠেছে আমার। কোনদিন তার মন খারাপ, সেটাও তার মুখ দেখে বুঝে ফেলে ছোট্ট আরিয়ানা। আর তাই এখন তার মনে হয়,‘যদি আরিয়ানার মতো আমার একটা বেবি থাকত।’ এ দিকে কয়েকদিন

আগে অভিনেতা আব্দুন নূর সজলের সঙ্গে ‘অনুশোচনা’ শিরোনামের একটি নাটকে অভিনয় করেছেন প্রভা

Categories
Uncategorized

সেই ফাতেমা পেলেন ভাতার কার্ড-খাট-খাবার, পাবেন দুর্যোগসহনীয় ঘর

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার সেই অসহায় ফাতেমার বাড়ি পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক আবু জাফর ও কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী

কর্মকর্তা (ইউএনও) রবিউল হাসান। সোমবার (১১ জানুয়ারি) বিকেলে তারা ফাতেমার বাড়ি পরিদর্শন করেন। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এসময় অসহায় এই নারীর হাতে ভাতার একটি কার্ড, কম্বল, শুকনো খাবার এবং পরিবেশ ও মানবাধিকার বিষয়ক আইন সহায়তা সংস্থা

এনভায়রনমেন্ট অ্যাওয়ার অ্যান্ড হিউম্যানিটি সোসাইটির (ইয়াস) পক্ষ থেকে একটি খাট, লেপ, তোশক, ফাতেমা বেগমের মেয়েদের জন্য দুইটি থ্রি পিস জামা তুলে দেয়া হয়। অসহায় ফাতেমা বেগমকে (খ) তালিকায় দুর্যোগসহনীয় একটি ঘর করে দেয়ার আশ্বাস দেন জেলা প্রশাসক আবু জাফর। এসময় অন্যদের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা

ফেরদৌস আহমেদ, এনভায়রনমেন্ট অ্যাওয়ার অ্যান্ড হিউম্যানিটি সোসাইটির (ইয়াস) জেলা পরিদর্শক আরিফুজ্জামান এবং দলগ্রাম ইউনিয়নের ফ্যামিলি প্ল্যানিং ইন্সপেক্টর মো. মুর্শিদ হক উপস্থিত ছিলেন। এর আগে ৯ জানুয়ারি দেশের শীর্ষস্থানীয় অনলাইন নিউজপোর্টাল জাগোনিউজ ২৪.কম-এ ‘তিন মেয়েকে নিয়ে ভাঙা ঘরে রাত কাটে ফাতেমার’ শীর্ষক একটি মাননিক প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। উপহারসামগ্রী পেয়ে অনেকটা

আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তিন মেয়েকে নিয়ে অসহায় জীবনযাপন করা ফাতেমা বেগম। সাংবাদিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিন বলেন, ‘এমন সংবাদ প্রকাশের জন্য দেড় বছর পরে হলেও ডিসি স্যার, ইউএনও স্যার, পিআইও স্যার মোর খবর নিতে আসছিল। মোক অনেক কিছু দিল। ডিসি স্যার মোক ঘর দেয়ার আশ্বাস দিছে। ঘর পাওয়ার কথা শুনে চোখের কোনায় পানি আসে ফাতেমার।

জেলা প্রশাসক, ইউএনও, পিআইও এবং ইয়াস নামে একটি সংস্থার এমন মহানুভবতা দেখে তিনি খুশি হয়েছেন ও আনন্দিত। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রবিউল হাসান বলেন, ‘ভাতার কার্ড করার সময় আমাদের অগোচরে হয়তো কারো নাম বাদ পড়ে যায়। আমরা সবসময় চেষ্টা করি প্রকৃত ভাতা পাওয়ার মতো যোগ্যরা যেন ভাতার আওতায় আসেন।

আমরা অসহায় ফাতেমার বিষয়টি পত্র-পত্রিকার মাধ্যমে জানতে পেরে তার অবস্থা বিবেচনা করে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে দ্রুত উপজেলা সমাজসেবা অফিসের মাধ্যমে তার ভাতার কার্ডের ব্যবস্থা করে দিয়েছি।’ লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক আবু জাফর বলেন, ‘জরাজীর্ণ একটি টিনের চালায় অতিকষ্টে জীবনযাপন ও ফাতেমার অসহায়ত্বের কথা বিবেচনা

করে ভাতার কার্ড, শুকনো খাবার, শীতবস্ত্র ও ইয়াস নামের একটি সংস্থা থেকে আসবাবপত্র দেয়া হয়েছে। ফাতেমার বসবাসের জন্য ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থা মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি দুর্যোগসহনীয় ঘর দেয়া হবে।’ প্রসঙ্গত, লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার ৪ নম্বর দলগ্রাম ইউনিয়নের দক্ষিণ দলগ্রাম (হাজীপাড়া) এলাকার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মৃ;ত সামছুল হকের স্ত্রী

ফাতেমা বেগম (৩৭)। স্বামীর মৃ;ত্যুর পর তিন মেয়েকে নিয়ে ভা;ঙা টিনের চালায় অসহায় জীবনযাপন করেন তিনি।

Categories
Uncategorized

সৌদি আরবে দীর্ঘ সাড়ে তিন বছর পর নামলো কাতারের বিমান

দীর্ঘ সাড়ে তিন বছর পর উপসাগরীয় দেশ সৌদি আরবের বিমানবন্দরে নেমেছে কাতারের বিমান। এর মাধ্যমে দুই দেশের সংকটের অবসান

হলো। পুনরায় সম্পর্ক স্থাপনের চুক্তির পর একে অপরের জন্য সীমান্ত খুলে দেয়। গ্রিনউইচ সময় অনুযায়ী সোমবার ১১টায় কাতারের রাজধানী দোহা থেকে কাতার এয়ারওয়েজের একটি বিমান উড্ডয়ন করে।বারোটায় রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সংস্থাটি

জানিয়েছে, এর মাধ্যমে রিয়াদে তাদের নিয়মিত ফ্লাইট চালু হলো। দোহা থেকে বিমানটি উড্ডয়নের সময় বিমানকর্মীদের ছবি ও ভিডিও তোলার হিড়িক পড়েছিল বলে জানিয়েছেন এএফপির সংবাদদাতা।
আরো পড়ুন: স্বামী-স্ত্রীর কাউন্সিলর হওয়ার হ্যাট্রিক, এবারো আশাবাদী তারা

স্বামী মির্জা আবুল কালাম কাউন্সিলর আর স্ত্রী আসমা আক্তার সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর। একবার নয়, একাধিকবার জনগণের ভোটে নির্বাচিত

হয়ে দায়িত্ব পালন করছেন এই দম্পতি। সেই ধারাবাহিকতায় এবারও তারা বিজয়ী হওয়ার লক্ষে নিজ নিজ ওয়ার্ডে প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন। তাদের আশাবাদ এবারো তারা জনগণের রায়ে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পাবেন।ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা পৌর নির্বাচনে ভোটের মাঠে

লড়ছেন এই দম্পতি। স্বামী মির্জা আবুল কালাম মুক্তাগাছা পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড থেকে চারবার কাউন্সিলর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। বর্তমান পৌর পরিষদের এই কাউন্সিলর এবারো নির্বাচনে কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে উটপাখি প্রতীক নিয়ে লড়ছেন। স্ত্রী আসমা আক্তারও টানা তিনবার পৌরসভার ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডে সংরক্ষিত মহিলা আসনে নির্বাচিত

কাউন্সিলর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। বর্তমান পরিষদের এ নারী কাউন্সিলর এবারও নির্বাচন করছেন চশমা প্রতীক নিয়ে।মুক্তাগাছার ৭নং ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর মির্জা আবুল কালাম উটপাখি প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন। তিনি এবারো জয়ী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন। এর আগে

তিনি ১৯৯৩ সালে প্রথবারের মতো কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। এরপর মাঝখানে একবার পরাজিত হন। বাকি চারবার নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করেন। তার সঙ্গে স্ত্রী আসমা আক্তারও ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডে সংরক্ষিত মহিলা আসনের কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে চশমা প্রতীক নিয়ে

নির্বাচনে লড়াই করছেন। এর আগে টানা তিনবার বিপুল ভোটের ব্যবধানে সংরক্ষিত মহিলা আসনে বিজয়ী হন তিনি।

Categories
Uncategorized

স্বামী-স্ত্রীর কাউন্সিলর হওয়ার হ্যাট্রিক, এবারো আশাবাদী তারা

স্বামী মির্জা আবুল কালাম কাউন্সিলর আর স্ত্রী আসমা আক্তার সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর। একবার নয়, একাধিকবার জনগণের ভোটে নির্বাচিত

হয়ে দায়িত্ব পালন করছেন এই দম্পতি। সেই ধারাবাহিকতায় এবারও তারা বিজয়ী হওয়ার লক্ষে নিজ নিজ ওয়ার্ডে প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন। তাদের আশাবাদ এবারো তারা জনগণের রায়ে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পাবেন।ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা পৌর নির্বাচনে ভোটের মাঠে

লড়ছেন এই দম্পতি। স্বামী মির্জা আবুল কালাম মুক্তাগাছা পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড থেকে চারবার কাউন্সিলর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। বর্তমান পৌর পরিষদের এই কাউন্সিলর এবারো নির্বাচনে কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে উটপাখি প্রতীক নিয়ে লড়ছেন। স্ত্রী আসমা আক্তারও টানা তিনবার পৌরসভার ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডে সংরক্ষিত মহিলা আসনে নির্বাচিত

কাউন্সিলর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। বর্তমান পরিষদের এ নারী কাউন্সিলর এবারও নির্বাচন করছেন চশমা প্রতীক নিয়ে।মুক্তাগাছার ৭নং ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর মির্জা আবুল কালাম উটপাখি প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন। তিনি এবারো জয়ী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন। এর আগে

তিনি ১৯৯৩ সালে প্রথবারের মতো কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। এরপর মাঝখানে একবার পরাজিত হন। বাকি চারবার নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করেন। তার সঙ্গে স্ত্রী আসমা আক্তারও ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডে সংরক্ষিত মহিলা আসনের কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে চশমা প্রতীক নিয়ে

নির্বাচনে লড়াই করছেন। এর আগে টানা তিনবার বিপুল ভোটের ব্যবধানে সংরক্ষিত মহিলা আসনে বিজয়ী হন তিনি।

Categories
Uncategorized

সৌদি প্রিন্স খালিদ বিন আবদুল্লাহ আর নেই

সৌদি আরবের রাজকুমার খালিদ বিন আবদুল্লাহ বিন আবদুল্লাহমান আল সৌদ মা;রা গেছেন, বুধবার এক বিবৃতিতে রয়্যাল কোর্ট এ খবর

জানিয়েছে। তার মৃ;ত্যু’তে রাজ পরিবারে শো;কের ছায়া নেমে এসেছে। ৮৩ বছর বয়সী যুবরাজ খালিদের কাছে জুডমন্টে ফার্মস ঘোড়া-রেসিং সাম্রাজ্যের মালিকানা ছিল যা ফ্রাঙ্কেল এবং নৃত্যের সাহসীর মতো সুপারস্টার তৈরি করেছিল। ঘোড়া দৌড়ের এক অনুরাগী সমর্থক, প্রিন্স খালিদ

১৯৮০ সালে জুডমন্টকে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং বিশ্বজুড়ে শীর্ষ স্তরের গ্রেড ওয়ান স্তরের ১০২ সহ – ৪৪০ টিরও বেশি বিজয়ী ছিলেন – যিনি তার সবুজ, গোলাপী এবং সাদা সিল্ক বহন করেছিলেন। জুডমন্টের প্রধান নির্বাহী ডগলাস এরস্কাইন ক্রাম বলেছেন, “যুবরাজ খালিদকে সর্বদা শান্ত, মর্যাদাপূর্ণ, দানশীল পরিবার হিসাবে স্মরণ করা হবে।“তিনি এমন

উত্তরাধিকার রেখে গেছেন যা সময়ের পরীক্ষায় দাঁড়াবে। গোছানো উন্নয়নে তাঁর অবদানের দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব থাকবে। ” ১৯৮০-এর দশকে কেনটাকি শহরে জন্ম নেওয়া নাচের সাহসী তার তারকা ঘোড়া, ১৯৮6 সালে প্রিক্স ডি এলআর্ক ডি ট্রায়োম্ফো জয় লাভ করেছিলেন এবং সেই সাথে ব্রিটেনের ২ হাজার গিনির মতো বড় ধরণের দৌড় প্রতিযোগিতা করেছিলেন।

প্রয়াত আমেরিকান প্রশিক্ষক ববি ফ্রাঙ্কেলের নামকরণ করা ফ্র্যাঙ্কেল অপরাজিত ক্যারিয়ারের পরে সর্বকালের সর্বকালের ঘোড়দৌড় হিসাবে পরিচিত রয়েছেন, যেখানে তিনি ২০১০-১২ থেকে ১৪ দৌড়ে জয়ী হয়েছেন। প্রিন্স খালিদের অতি সাম্প্রতিক সুপারস্টার ছিলেন সক্ষম, যাদের জয়গুলো ছিল ২০১৭ সালে প্রিক্স ডি’আরাক ডি ট্রায়োম্ফো এবং ব্রিডার্স

কাপ কাপ-১৮। ফ্র্যাঙ্কি দেটোরির দ্বারা তিনি তার সমস্ত বড় বিজয়ের দিকে চড়েছিলেন। যুবরাজ ব্রিটেন, আয়ারল্যান্ড এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জুডমন্টে ঘাঁটি স্থাপন করেছিলেন, ইংল্যান্ডে নিউমার্কেটের ব্যানস্টেড ম্যানর স্টাড তার শীর্ষ ইউরোপীয় স্টলিয়নের আবাস হয়ে উঠল। প্রিন্স খালিদ ব্রিটেনে তিনবারের চ্যাম্পিয়ন মালিক ছিলেন। ঘোড়ার

দৌড় থেকে দূরে, তিনি মাওরিদ হোল্ডিং নামে একটি রিয়াদ ভিত্তিক বেসরকারী বিনিয়োগ সংস্থা চালাতেন। —এসপিএ / এসজি

Categories
Uncategorized

হালকা বাতাসেই নড়ে রহিমার ঘর, বৃষ্টিতে ভিজে যায় সবকিছু

পল্লীকবি জসীমউদ্দীন ‘আসমানী’ কবিতায় লিখেছেন-‘আসমানীরে দেখতে যদি তোমরা সবে চাও/রহিমন্দীর ছোট্ট বাড়ি রসুলপুরে যাও/বাড়ি তো

নয় পাখির বাসা-ভেন্না পাতার ছানি/একটুখানি বৃষ্টি হলেই গড়িয়ে পড়ে পানি/একটুখানি হওয়া দিলেই ঘর নড়বড় করে/তারি তলে আসমানীরা থাকে বছর ভরে।’ কবির এ লেখনির সঙ্গে হুবহু মিল পাওয়া যাবে ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার গালুয়া ইউনিয়নের জীবনদাসকাঠি গ্রামে

রহিমা বেগমের বাড়িতে গেলে। রহিমা ও আব্দুল মান্নাফ দম্পতির দাম্পত্য জীবনে তিন মেয়ে ও এক ছেলে। বিষখালী নদীর তীরে বসবাস করার সুবাদে ছোটবেলা থেকে এ দম্পতির একমাত্র পুত্রসন্তান মাছ ধরে সংসারে বাবার সঙ্গে সাহায্য করত। সেই ছেলেটি ২০ বছর আগে সংসারের বাড়তি উপার্জনের জন্য সাগরে মাছ ধরতে যায়। সেই যে গেল আর ফিরে এলো না!

বয়সের ভারে ন্যুব্জ আব্দুল মান্নাফ (৮০)। স্বাভাবিক চলাফেরা করতে পারেন না। তিন মেয়েকেই বিয়ে দিয়েছেন। তবে গরিব পরিবারের জামাইতো গরিবই থাকে। জামাইরাও টেনেটুনে সংসার চালায়। ছোট মেয়েটা কাছে থাকে। তার স্বামী বাসচালকের সহকারী। কখনো অন্যের বাড়িতে কাজ করে, আবার কখনো রাস্তার পাশে মাটি দেয়ার কাজ করে পরিবারের জন্য একবেলা আহারের চেষ্টা করেন রহিমা বেগম। এই

অবস্থায় অসুস্থ স্বামীর চিকিৎসার খরচ মেটােনো অনেক কষ্টসাধ্য বিষয়। ঘরের অবস্থাও অনেক খারাপ। বাতাস এলেই ঘরটি নড়তে থাকে। যেকোনো সময় ভেঙে পড়ার আশঙ্কা থাকে। বৃষ্টি হলেই ঘরের মধ্যে পানি পড়ে ভিজে যায় সবকিছু। শীতের সময় এলে শীতবস্ত্র ও শীত নিবারণের কোনো গরম কাপড় না থাকায় চটের বস্তা গায়ে দিয়ে ঘুমাতে হয়। খাবার ব্যবস্থা ও স্বামীর ওষুধের খরচ

মেটাতে গেলে অন্যদিকে টাকা খরচের আর কোনো উপায় থাকে না। রাজাপুর উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ আল-আমিন বাকলাই বলেন, ‘বুধবার দাফতরিক কাজে গিয়েছিলাম জীবনদাসকাঠি। সেখানে দেখা হয় রহিমা বেগমের সঙ্গে। অচল স্বামীকে নিয়ে এই ঘরে বসবাস করেন। আমরা যারা দালান-কোঠা, ইট-পাথরে থেকে শীত আটকাচ্ছি একবারও কি ভাবছি এদের শীত কেমনে কাটছে? আসছে বর্ষাকাল কেমনে কাটবে?’ এ বিষয়ে কথা হলে রাজাপুর উপজেলা

সহকারী কমিশনার (ভূমি) অনুজা মণ্ডল বলেন, ‘যাদের সুযোগ আছে এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দফতরকে অবহিত করার, তাদের উচিত সরাসরি সেই দফতরকে জানানো। কারণ, সারাদিনের অফিশিয়ালি ব্যস্ততায় বাড়তি নজর দেয়ার সুযোগ না-ও হতে পারে। সরাসরি জানানোটা অনেক দ্রুততর, সহজ এবং সুবিধাজনক পন্থা বলেই মনে হয়।’ শুক্রবার (১৫ জানুয়ারি)

সকালে গালুয়া ইউনিয়নের জীবনদাসকাঠী গ্রামের রহিমা বেগমের বাড়িতে উপস্থিত হয়ে চাল, ডাল, তেল, লবণ, চিনি, নুডলস ও অন্যান্যসহ এক বস্তা খাদ্যপণ্য এবং দুটি কম্বল উপহার দেন রাজাপুর উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মোক্তার হোসেন। রহিমা বেগম জানান, সকালে রাজাপুরের স্যারে এসে ২টি কম্বল, ১ কেজি চাল, ১ প্যাকেট ডাল,

\১ প্যাকেট চিনি, ১ প্যাকেট লবণ, ২ প্যাকেট চিড়া ও ২ প্যাকেট নুডলস দিয়ে গেছেন। আর বলেছেন, ঘর আসলে একটি ঘর দেবেন। ইউএনও মো. মোক্তার হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমি রহিমা বেগমের অসহায় জীবনযাপনের বিষয়টি জানতে পেরে উপজেলা ত্রাণ তহবিল থেকে যতটুকু সম্ভব তার বাড়িতে গিয়ে তাকে সহায়তা করেছি। রহিমা বেগমের জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি নিয়ে এসেছি। যদি ঘরের জন্য আগে তার আবেদন করা থাকে তাহলে যাচাই করে আর না

থাকলে নতুন করে আবেদন করিয়ে পরবর্তীতে সরকারি ঘর বরাদ্দ এলে তাকে একটি ঘর দেয়ার ব্যবস্থা করা হবে।’

Categories
Uncategorized

ক্ষমতা গ্রহণের আগেই বিশাল ত্রাণ তহবিলের ঘোষণা বাইডেনের

যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন করোনা-বিধ্বস্ত মার্কিন অর্থনীতির জন্য এক দশমিক নয় ট্রিলিয়ন ডলারের প্রণোদনা প্যাকেজের

পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। ক্ষমতা গ্রহণের এক সপ্তাহ আগেই তিনি মার্কিন নাগরিকদের জন্য এ সুখবর দিলেন। খবর বিবিসি। বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, কংগ্রেসে এই প্রণোদনা প্যাকেজ অনুমোদন হলে যুক্তরাষ্ট্রের পরিবারগুলোর জন্য বরাদ্দ থাকছে এক ট্রিলিয়ন ডলার। যেখানে

প্রত্যেক মার্কিনিকে সরাসরি দেয়া হবে এক হাজার ৪০০ ডলার করে। ত্রাণ প্যাকেজের আওতায় করোনা মোকাবিলায় খরচ করা হবে ৪১২ বিলিয়ন ডলার আর ছোট ব্যবসার থাকছে ৪৪০ বিলিয়ন ডলার। বৃহস্পতিবার রাতে ডেলাওয়ারের নিজ শহর উইলমিংটন থেকে একটি প্রাইমটাইম বক্তৃতায় বাইডেন বলেন, ‘নাগরিকদের দুর্ভোগ আরও গভীর হচ্ছে এবং

সঙ্কট সুস্পষ্ট হয়েছে। আমাদের হাতে অপচয় করার মতো সময় নেই।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘জাতির স্বাস্থ্যব্যবস্থা খুবই ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। আমাদের আরও কাজ করতে হবে এবং এখনই কাজ করতে হবে।’নবনির্বাচিত এই প্রেসিডেন্ট বলেছিলেন, ‘সামনে আরও বাধা আসবে। তবে আমাদের কাজের ব্যাপারে সবাইকে সর্বদা সৎ থাকতে হবে।’ ত্রাণ প্যাকেজের আওতায় বাইডেন আমেরিকানদের টিকা দেয়ার

জন্য ২০ বিলিয়ন ডলার খরচ করতে চান। এর মধ্যে রয়েছে গণটিকাদান কেন্দ্র ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের জন্য ভ্রাম্যমাণ ইউনিট স্থাপন। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে ১৮ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ বেকার। ত্রাণ প্যাকেজের আওতায় বেকারদের জন্য সাপ্তাহিক ভাতা ৩০০ ডলার থেকে বাড়িয়ে ৪০০ ডলারে উন্নীত করা হবে। উদ্বাস্তু ও গৃহহারাদের জন্যও সুবিধা রয়েছে এই তহবিলে জো বাইডেন জানিয়েছেন, নাগরিকদের জন্য ন্যূনতম মজুরি দ্বিগুণ করে ১৫ ডলারে উন্নীত করা হবে।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ৩০৬টি ইলেকটোরাল ভোট পেয়ে জয় নিশ্চিত করেন জো বাইডেন। গত ৭ জানুয়ারি মার্কিন কংগ্রেসে জো বাইডেনকে যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেন দেশটির আইনপ্রণেতারা। অপরদিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প পেয়েছেন ২৩২টি ভোট। তবে ফলাফল নিশ্চিত হওয়ার পরও নিজেকে পরাজিত মানতে নারাজ ছিলেন ট্রাম্প। এমনকি তিনি বাইডেনের জয়ী হওয়ার বিষয়টিও মেনে নিতে পারেননি। তার অভিযোগ,

নির্বাচনে ভোট জালিয়াতি করে তাকে হারিয়ে দেয়া হয়েছে। আগামী ২০ জানুয়ারি শপথ নেবেন জো বাইডেন।