Categories
Uncategorized

সৌদি আরবে আগামী ৩১ শে মার্চ থেকে সকল বিমানবন্দর পুরোপুরি চালুর ঘোষণা

আন্তর্জাতিক বিমানের স্থগিতাদেশ পুরোপুরি তুলে নেওয়া হবে এবং ২০২১ সালের ৩১ শে মার্চ থেকে এবং উপসাগরীয় দেশ সৌদি আরবের

বিমানবন্দরগুলি পুরোপুরি চালু হবে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে জেনারেল অথরিটি অফ সিভিল এভিয়েশন (জিএসিএ)। তবে জিএসিএ স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবের ফলে যেসব দেশে সম্পর্কিত কমিটি ভ্রমণ স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেসব দেশে ট্র্যাভেল

পারমিট প্রযোজ্য নয়। এদিকে সরকারী সুত্রে আরও জানা যায়, সৌদি নাগরিকদের কিংডমের বাইরে ভ্রমণ করতে এবং ৩১ মার্চ বুধবার সকাল ৬ টা থেকে কার্যকরভাবে ফিরে আসতে দেওয়া হবে। এটি কিংডমে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের ব্যবস্থা এবং সাবধানতা অবলম্বন করার বিষয়টিও জোর দিয়েছিল। কিছু দিন আগে,

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অস্থায়ী ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের এবং সমস্ত আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পুনরায় চালু করার সিদ্ধান্তের ঘোষণা দিয়ে বলেছিল যে, কিংডম ৩১ শে মার্চ থেকে তার বায়ু, সমুদ্র এবং স্থল সীমানা পুনরায় চালু করবে। মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রাজ্যে করোনাভাইরাস বিস্তার রোধে সংশ্লিষ্ট কমিটি কর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতি ও সতর্কতা অনুসারে এই পদক্ষেপের বাস্তবায়ন

করা হবে এবং তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে সমন্বয় সহকারে হবে বলে মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে।

Categories
Uncategorized

প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে রাত কাটাতে গিয়ে কৃষকলীগ নেতা আ’টক

ঢাকা জেলা কৃষক লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম রাজকে এক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে রাত্রীযাপনকালে আটক করে এলাকাবাসী। এ

সময় তার কাছ থেকে উ’ত্তেজ’ক ওষুধ উ’দ্ধা’র করা হয়। পরে তাদের গ’ণধো’লা’ই দিয়ে থানা পু’লিশকে খবর দেয় গ্রামবাসী। জানা গেছে, কেরানীগঞ্জের খোলামুড়া এলাকার মেয়ে সোমার বিয়ে হয় রুহিতপুর ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামের মো. মনিরের সঙ্গে। বিয়ের পরে সোমার স্বামী

সাউথ আফ্রিকা চলে যান। মনির প্রবাসে গেলে কৃষকলীগ নেতা রাজ তার মামাতো বোন সোমার বাসায় অ’বৈ’ধভাবে যা’তায়া’ত করা শুরু করে। বিষয়টি সোমার শ্বশুরবাড়ির লোকজনসহ এলাকাবাসীর নজরে আসে। গতকাল মঙ্গলবার রাতে রাজ সোমার বাড়িতে আসলে সোমার শ্বশুরবাড়ির লোকজন এলাকাবাসীদের নিয়ে ও’ৎ পে’তে থাকে। ভোররাতে দুজনকে একসঙ্গে আ’ট’ক করে তারা।

পরে গ্রামবাসী থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের আ’ট’ক করে থা’না নিয়ে আসে। ঢাকা জেলা কৃষক লীগের সভাপতি জাকি উদ্দীন আহমেদ রিন্টু বলেন, আমি বিষয়টি জেনেছি। ঘটনা সত্য হলে পরবর্তী মি’টিংয়ে আলোচনা সাপেক্ষে তাকে সংগঠন থেকে অ’ব্যাহ’তি দেওয়া হবে। কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী মাইনুল ইসলাম পিপিএম বলেন, প’রকী’য়া’র জেরে এক নারী ও এক পুরুষকে রুহিতপুর ইউনিয়নের

নয়াপাড়া গ্রাম থেকে আ’ট’ক করা হয়েছে। পরে তাদের বি’রু’দ্ধে মা’ম’লা নিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

Categories
Uncategorized

সৌদি আরবের জেদ্দায় কুরআন তেলাওয়াতরত অবস্থায় মুয়াজ্জিনের মৃ’ত্যু !

সৌদি আরবের জেদ্দায় অব’স্থিত মসজিদ আল-সোলেমানিয়া-এর মুয়াজ্জিন আবদুল হক আল-হালাবি (৬০)কুরআন তেলাওয়াতরত অব’স্থায়

মৃ’’ত্যুব’রণ করেছেন(ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি ফজরের নামাজের আজান দেয়ার জন্য অপে’ক্ষা করছিলেন। ৬০ বছর বয়সী আবদুল হক আল-হালাবি ফজরের আজানের কিছু সময় আগে আজানের ওয়াক্ত হওয়ার জন্য অপে’ক্ষা করছিলেন।এ অপে’ক্ষার

সময়টিতে মসজিদে বসে কুরআন তেলাওয়াত করছিলেন। কুরআন তেলাওয়াতে বসা অব’স্থায় ঠিক আজানের আগ মুহূর্তে ই’ন্তেকাল করেন তিনি। সিরিয়ার বংশো’দ্ভূত আল-হালাবি ৪০ বছর আগে সৌদি আরব এসে বসবাস শুরু করেন। তিনি মসজিদেই বেশি সময় অ’তিবাহি’ত করতেন এবং কুরআন তেলাওয়াত করতেন। এ এক সৌভাগ্যের মৃ’ত্যু।

আল্লাহ তাআলা তাকে জান্নাত দান করুন।পৃথিবীর প্রতিটি প্রাণীকেই একদিন মৃ’ত্যুর স্বা’দ গ্রহ’ণ করতে হবে। সবাইকেই আল্লাহর কাছে ফি’রে যেতে হবে। আর এ মৃ’ত্যুই হচ্ছে আল্লাহর কাছে ফিরে যাওয়ার একমা’ত্র মাধ্যম।মসজিদ আল-সোলেমানিয়া-এর মুয়াজ্জিন আবদুল হক আল-হাবিবই সৌ’ভাগ্যবা’ন ব্যক্তি যিনি আজানের অপে’ক্ষায়

থাকাকা’লী’ন সময়ে কুরআন তেলাওয়াতরত অবস্থায় মৃ’ত্যু ব’রণ করেছেন। আসুন! আমরা আমাদের নিজেদের জীবনের দিকে নজ’র দেই। নিজেদেরকে জিজ্ঞা’সা করি আখেরাতের জন্য আমাদের প্রস্তু’তি কী? আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে ইসলাম এবং কুরআনের ছায়া তলে আশ্র’য় গ্র’হণ করার তাওফিক দান

ক’রুন। মৃ’ত্যুর আগে পর’কা’লের পাথেয় সংগ্র’হ করার তাওফিক দা’ন করুন। কল্যা’ণময় মৃ’ত্যু দান করুন। আমিন।

Categories
Uncategorized

রিকশা বিক্রির টাকায় ৩০ হাজার কুরআন বিতরণ করলেন তারা মিয়া

মানবিক কাজের জন্য সমাজে বেশ পরিচিত রিকশা চালক তারা মিয়া। সহজ-সরল আর উদান মন মানসিকতার দরিদ্র রিকশা চালক তারা মিয়া

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে প্রতিটি মানুষের মনেই জায়গা করে নিয়েছেন। রিকশা চালিয়ে উপার্জিত অর্থের একটা অংশ বিলিয়ে দেন সবার মাঝে। কখনো শিক্ষার্থীদের বই, খাতা, কলম কিংবা খেলাধুলার সামগ্রী বিলিয়ে দিচ্ছেন দুই হাতে। আবার কখনোবা অসহায় ও দরিদ্র মানুষের দ্বারে

দ্বারে পৌঁছে দিচ্ছেন সাহায্য সেবা। ভিন্নধর্মী কাজের জন্য স্থানীয় প্রশাসন থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বেশ আলোচিত তিনি। প্রতিনিয়তই মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আকাঙ্ক্ষা তার অন্যতম প্রধান একটি বৈশিষ্ট্য। উপজেলার সদর ইউপির চকলেংগুরা গ্রামের বাসিন্দা তারা মিয়া। বৃদ্ধ মা, স্ত্রী ও তিন সন্তান নিয়ে তার ছোট্ট সংসার।

রিকশাই তার একমাত্র আয়ের এর উৎস । এই আয় থেকেই চলে তার ছোট্ট সংসার ও ছেলে মেয়ে পড়াশোনা। তবে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য এবার বিক্রি করলেন আয়-রোজগারের একমাত্র সম্বল ব্যাটারি চালিত অটো রিকশাটি। উদ্দেশ্য রিকশা বিক্রি টাকা দিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণ করবেন আল কুরআন। সাম্প্রতি ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি হয় তার রিকশাটি। রিকশা বিক্রির টাকা হাতে পেতে না পেতেই কিনে ফেলেন

প্রায় ৩০ হাজার কুরআন শরীফ। পবিত্র এই কোরআন শরীফ নিয়েই বুধবার ছুটে যান পৌর শহরের দক্ষিণ পাড়ার মুজিবনগর রহমানিয়া দারুল ছুন্নাহ মাদরাসার শিক্ষার্থীদের মাঝে। মাদরাসার ১২০ জন শিক্ষার্থীর হাতে পবিত্র আল-কুরআন তুলে দেন তারা মিয়া। ছোটকালে পড়াশোনার প্রতি যথেষ্ট আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও অভাব অনটনের সংসারে খুব বেশি পড়ালেখা করতে পারেননি তারা মিয়া ও তার দুই ভাই।

তবে পড়াশোনা করতে না পড়ার আক্ষেপ এখনো কাঁদায় তাকে। এই থেকেই দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে রিকশা চালিয়ে উপার্জিত অর্থের একটা অংশ সবসময়ই বিলিয়ে দেন শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও খেলাধুলার সামগ্রী ক্রয় করেই। তবে করোনা কালীন সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় অসহায় ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে পৌঁছে দিয়েছেন সাহায্য সেবা। মুজিবনগর রহমানিয়া দারুল

ছুন্নাহ মাদরাসার সহকারী শিক্ষক মাওলানা মো. আব্দুর রউফ ডেইলি বাংলাদেশকে জানান, তারা মিয়া ভাই আমাদের মাদরাসার ১২০ জন শিক্ষার্থীর মাঝে পবিত্র আল-কোরআন বিতরণ করেছেন। তার এই দান অনেক অসহায় ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে অনেকটাই সাহায্য করবে। আমরা তারা ভাইয়ের জন্য মহান আল্লাহ তাআলার কাছে দোয়া করি। তিনি যেনো চিরকাল এভাবেই মানুষকে

সাহায্য সেবা দিয়ে যেতে পারে‌। মানবিক রিকশা চালক তারা মিয়া ডেইলি বাংলাদেশকে জানান, আমার মত কেউ যেন টাকার অভাবে পড়াশোনা বন্ধ না হয় তার জন্য আমি সবসময় চেষ্টা করি শিক্ষার্থীদের জন্য কিছু করার । আজ মাদরাসার শিক্ষার্থীদের মাঝে কোরআন শরীফ বিতরণ করেছি। এই মজিবনগর এলাকায় অনেক দরিদ্র ও অসহায় শিক্ষার্থী থাকে তারা যেন দ্বীনের পথে পড়াশোনা করতে পারে তার জন্যই রিকশা বিক্রি করে তাদের তাদের জন্য কোরআন শরীফ কিনেছি । মহান আল্লাহ তায়ালা চাইলে আমি আবার নতুন রিকশা কিনতে পারবো।

হয়তো কিছুদিন কষ্ট করতে হবে। কিন্তু তারপরও কারো পড়াশোনা যেন বন্ধ না হয় এই চেষ্টাই সব সময় করে যাবো।

Categories
Uncategorized

আমার স্বামী আমেরিকায় সরকারি চাকরি করেন, আমেরিকার জীবন মেশিনের মতো

বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী রিচি সোলায়মান দীর্ঘদিন ধ’রে তার স্বামীর সাথে প্রবাসে বসবাস করছেন। তবে প্রায় সময় তিনি দেশে আসেন।

আর দীর্ঘদিন পর তিনি দেশে ফিরেছেন। এদিকে, করো’না ভাইরাসের কারণে আমেরিকার পরিস্থিতি প্রথম থেকে ব্যাপক খা’রাপ হয়ে পড়ে। আর এই সময় এই অভিনেত্রীও সম’স্যার মধ্যে পড়েন। তবে বর্তমানে দেশটির করো’না পরিস্থিতি আগের থেকে কিছুটা উন্নতি হলেও এখনো

প্রতিদিন আনেক মানুষ এই ভাইরাসে আক্রা’ন্ত হচ্ছে। আর এবার এই অভিনেত্রী গ’ণমাধ্যমের সাথে নানা বি’ষয়ে কথা বলেছেন। করো’না মহা’মা’রিতে দেশে এসে কেমন লাগছে? এমন প্রশ্নে রিচি বলেন, বেশ ভালোই লাগছে। কারণ আমেরিকায় করো’নার তা’ণ্ডব চলছে। রীতিমতো খুব খা’রাপ পরিস্থিতি সেখানে। সেই তুলনায় দেশে

করো’নার ব্যাপকতা তেমন দেখছি না। তাই অনেক স্বস্তিও লাগছে। এমনিতেই অনেকদিন দেশে আসা হয়নি। পরিবারের সদস্যদের স’ঙ্গে দেখা করার জন্যই মূলত এসেছি। তবে এ অবসর সময়ের মধ্যে কয়েকটি নাটকে অ’ভিনয় করব। মাসখানেক পর আমেরিকায় চলে যাওয়ার পরিক’ল্পনাও আছে। গত স’প্তাহে একটি নাটকে শুটিং করেছেন। সেটি কেমন ছিল? এমন প্রশ্নে রিচি বলেন, চয়নিকা চৌধুরীর পরিচালনায়

’মন কেমনের দিন’ নামের এক খণ্ডের একটি নাটকে কাজ করেছি। গল্পও বেশ সুন্দর। এ নাটকের মাধ্যমে পাঁচ বছর পর আনিসুর রহমান মিলনের স’ঙ্গে অ’ভিনয় করেছি। আর কী কী নাটক হাতে নিয়েছেন? রিচি বলেন, আরও অন্তত তিনটি নাটকে অ’ভিনয় করার পরিক’ল্পনা আছে। এ গু’লো পরিচালনা করবেন এসএম শাহীন, চয়নিকা চৌধুরী। নাটক গু’লোর গল্প আমা’র হাতে এসেছে।

এছাড়া আরও কয়েকজন নির্মাতা অ’ভিনয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন; কিন্তু সময় স্বল্পতার কারণে সে গু’লো ফিরিয়ে দিতে হচ্ছে। আমি তো অনেকটা ঘুরতেই দেশে এসেছি। তাই কিছুটা সময় নিজের জন্যও রাখতে হচ্ছে ক্যারিয়ারের তু’ঙ্গে থাকাবস্থায় আমেরিকায় পাড়ি জমিয়েছেন। এ নিয়ে কখনো অনুশোচনা হয় না? রিচি জানান, তা তো হয়ই। আমা’র স্বামী আমেরিকায় সরকারি চাকরি করেন। তাই সব কিছু ছেড়ে সেখানে যাই।

এরই মধ্যে আমা’র দুটি সন্তানও হয়েছে। ওরা বড় হচ্ছে, শিক্ষাজীবন শুরু হয়েছে। তাছাড়া আমেরিকার জীবন মেশিনের মতো। অনেক ব্যস্ত থাকতে হয় কাজ নিয়ে। মাঝে মধ্যে তাই দেশে এসে পরিবার পরিজনদের স’ঙ্গে দেখা করে যাই। এ ফাঁ’কে কিছু নাটকে অ’ভিনয়ও করি।
বর্তমান টিভি নাটক নিয়ে আপনার পর্যবেক্ষণ কী? রিচি বলেন, আমি দেশে না থাকলেও নিয়মিতই টিভি নাটক দেখি। অল্প সংখ্যক নাটক ছাড়া

বেশিরভাগই গতানুগতিক। প্রচার মাধ্যমের সংখ্যা যেভাবে বৃ ‘দ্ধি পেয়েছে সেভাবে ভালো নাটক নির্মিত হচ্ছে কম। তাছাড়া সব কিছুর দাম বাড়লেও নাটকের দাম কমেছে। এটি শিল্প বিকাশের অন্তরায়। আর সরকারকে এ সেক্টরের দিকে মনোযোগ বৃ ‘দ্ধি করতে হবে। নাট্যা’ঙ্গনের নেতাদের নাটকের উন্নতির জন্য আরও গভীর মনোযোগ দিতে হবে। উল্লেখ্য, দেশের এই জনপ্রিয় অ’ভিনেত্রী একাধিক নাটক ও টেলিফিল্মে অ’ভিনয় করেছেন। তার অ’ভিনীত নাটক ও টেলিফিল্ম গু’লো ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। তবে একটা সময় তিনি হঠাৎ করে আমেরিকায়

চলে যান। আর সেখানে তার স্বামী সরকারি চাকরি করেন। এই অ’ভিনেত্রী সুযোগ পেলেই দেশে ছুটে আসেন।

Categories
Uncategorized

রাজনীতিতে পা রাখলেন শামীম ওসমানের স্ত্রী-পুত্র

অবশেষে রাজনীতিতে পা রাখলেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমানের একমাত্র ছেলে ইনতিমাম ওসমান অয়ন।

নারায়ণগঞ্জের প্রবাদ প্রতিম রাজনৈতিক পরিবারের চতুর্থ প্রজন্মের সন্তান হিসেবে প্রথমবারের মতো ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য পদ পেয়েছেন তিনি। কমিটিতে শামীম ওসমান ও তার স্ত্রী সালমা ওসমান লিপিও কার্যনির্বাহী সদস্য পদ পেয়েছেন। এর আগে রোববার

(১০ জানুয়ারি) নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল হাই ও সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত শহীদ বাদল ৭১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন করেন। ২০১৯ সালের ৭ ডিসেম্বর খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়াম সংলগ্ন নম পার্কে ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে এম সাইফউল্লাহ বাদল সভাপতি ও শওকত আলী সাধারণ

সম্পাদক নির্বাচিত হন। সম্মেলনের ১৩ মাস পর পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। কমিটিতে সবচেয়ে বড় চমক হচ্ছেন শামীমপুত্র অয়ন ওসমান। রোববার ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের কমিটি অনুমোদনের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অভিনন্দন আর শুভেচ্ছার বন্যা বয়ে যায়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অভিনন্দিত হয়েছেন অয়ন ওসমান। এ বিষয়ে তিনি তার ফেসবুক পেইজে একটি অনলাইনের সংবাদ পোস্ট

দিলে তা ৭ সহস্রাধিক শেয়ার হয়। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এত দিন আওয়ামী লীগে কোনো পদে না থেকেও বিভিন্ন সংকটে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আলোচিত হয়েছেন শামীম ওসমানের স্ত্রী সালাম ওসমান লিপি এবং ছেলে অয়ন ওসমান। ওসমান লিপি জেলা মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। একইভাবে রাজনৈতিক দলের কোনো পদে না থাকলেও নারায়ণগঞ্জ

জেলা ও মহানগর ছাত্রলীগের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে কাজ করেন অয়ন ওসমান। নারায়ণগঞ্জ ছাত্রলীগের পরিচ্ছন্ন ইমেজ প্রতিষ্ঠায় অয়ন ওসমানের অবদান রয়েছে বলে জানান জেলা ও মহানগর ছাত্রলীগের নেতারা। মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ইসরাত জাহান খান স্মৃতি বলেন, শামীম ওসমানের স্ত্রী এবং জেলা মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান সালমা ওসমান লিপি রাজনৈতিক পদে না থেকেও মানুষের কল্যাণে দীর্ঘদিন কাজ করে আসছেন। আওয়ামী লীগের সদস্য পদ

এই ভূমিকাকে আরো অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে। এ ব্যাপারে মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান রিয়াদ বলেন, নারায়ণগঞ্জ ছাত্রলীগে কোনো চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ নেই। পরিচ্ছন্ন ইমেজের কারণে নারায়ণগঞ্জে ছাত্রলীগ মডেল সংগঠনে পরিণত হয়েছে। যার অবদান পুরোটাই অয়ন ওসমানের। এত দিন তিনি দলীয় কোনো পদে না

থাকলেও ছাত্রলীগের পৃষ্টপোষকতা করে এসেছেন। এখন মূলদল আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য পদ পাওয়ায় গোটা নারায়ণগঞ্জবাসী আনন্দিত। জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাফেল প্রধাণ বলেন, নারায়ণগঞ্জের ছাত্র ও যুব সমাজের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হলো ডাইনামিক নেতৃত্বের অধিকারী অয়ন ওসমান আওয়ামী লীগের সদস্য পদ পাওয়ায়। আমরা তাকে অভিনন্দন জানাই। প্রসঙ্গত, নারায়ণগঞ্জের

রাজনীতিতে ওসমান পরিবারের বর্ণাঢ্য ইতিহাস রয়েছে। ৫২ এর ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ঊনসত্তরের গণভ্যূত্থান এবং ৭১’র মহান মুক্তিযুদ্ধে এই পরিবারটির অবদান ছিল অবিস্মরণীয়। ওসমান পরিবারের প্রাণপুরুষ খান সাহেব ওসমান আলী ১৯৪৬ সালে সাধারণ নির্বাচনে (নারায়ণগঞ্জ দক্ষিণ নির্বাচনী এলাকা) ঢাকার নবাব খাজা হাবিবুল্লাহকে পরাজিত করে বঙ্গীয় প্রাদেশিক আইনসভার সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিলেন এম ওসমান আলী।

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে তার বিশেষ ভূমিকা ছিল। এ জন্য তিনি কারারুদ্ধ হন। ১৯৬২ সালের শাসনতান্ত্রিক আন্দোলন, ছয়দফা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যূত্থানে ওসমান আলী সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছিলেন। খান সাহেব ওসমান আলীর ছেলে একেএম শামসুজ্জোহা ছিলেন ভাষা আন্দোলনের অগ্রণী সৈনিক। তিনি ১৯৭০ এর নির্বাচনে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে ভারতের বিভিন্ন রাজ্য ভ্রমণ করে জনমত গঠন ও তহবিল সংগ্রহে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

১৯৭১ সালের ১৭ ডিসেম্বর মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে প্রথম বেতার ভাষণ প্রদান করেন এবং দেশের সর্বোচ্চ আদালতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন একেএম শামসুজ্জোহা। স্বধীনতা যুদ্ধের পর ১৯৭৩ সালে নারায়ণগঞ্জ থেকে তিনি জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডের পর মন্ত্রিত্ব গ্রহণের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলে তাকে ১৮ মাস কারাবন্দী রাখা হয়। স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে অনন্য সাধারণ ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে ২০১২ সালে মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক দেওয়া হয়।

তার স্ত্রী নাগিনা জোহাও ছিলেন ভাষা আন্দোলনের অগ্রনী সৈনিক। এই পরিবারেরই বড় সন্তান একেএম নাসিম ওসমান জাতীয় পার্টির হয়ে চারবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরিবারের মেঝ সন্তান সেলিম ওসমান একাধারে ব্যবসায়ী নেতা এবং সংসদ সদস্য হিসেবে বেশ জনপ্রিয়। পরিবারের সর্বকনিষ্ঠ সন্তান একেএম শামীম ওসমান নারায়ণগঞ্জে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচিত। ১৯৯৬, ২০১৪ এবং সর্বশেষ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে

নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসন থেকে তৃতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন প্রভাবশালী এই নেতা।

Categories
Uncategorized

বগুড়ায় নামাজ পড়তে এসে মসজিদেই মা’রা গেলেন বৃদ্ধ !

বগুড়ার শহরের উপশহর এলাকার মসজিদে নামাজ পড়তে এসে অ’জ্ঞা’ত (৬৭) এক বৃদ্ধের মৃ’ত্যু হয়েছে। সোমবার (১১ জানুয়ারি) আছর

নামাজের সময় শহরের উপশহর এলাকার বক্ষব্যাধি হাসপাতাল মসজিদে ওই ঘটনা ঘটে। স্থানীয় মুসল্লিরা জানান, বিকেলে আছরের নামাজের সময় ওই ব্যক্তিটি মসজিদে আসে। এরপরে তিনি ওযু করে এসে সবাইকে জানায় তার শরীর দূ’র্বল লাগছে। তখন স্থানীয় মুসল্লিরা তাকে

মসজিদে বিশ্রামের ব্যবস্থা করে দিয়ে নামাজে যায়। নামাজ শেষে এসে ডাকাডাকি করলে কোন সারা না পেলে বুঝতে পারে তার মৃ’ত্যু ঘটেছে৷
স্থানীয়রা আরও জানায়, তিনি এই এলাকার কেউ নন। তার কাছে থাকা ব্যাগ থেকে বোঝা যায় তিনি ভি’ক্ষাবৃ’ত্তি করতেন। বগুড়া উপশহর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর নান্নু খান জানান,

স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে যাই। আমাদের কাছে মনে হয়েছে বয়স বেশী হওয়ায় শারীরিক কোন অ’সুস্থতা থেকে হয়তো তার স্বাভাবিক মৃ’ত্যু হয়েছে। এছাড়া স্থানীয় কেউ তাকে দেখে পরিচয় শনা’ক্ত করতে পারেনি। তিনি আরও জানান, লা’শ উ’দ্ধার

করে শজিমেক হাসপাতাল ম’র্গে প্রেরণ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে লা’শের শরীরে কোন আ’ঘা’তের চিহ্ন দেখা যায়নি।

Categories
Uncategorized

বাংলাদেশ বিমানের ভাড়া কমানোর তাগিদ সংসদীয় কমিটির

বাংলাদেশ বিমানের ভাড়া কমানোর তাগিদ দিয়েছে সংসদীয় কমিটি। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে যেসব কর্মীদের চাকরি চলে গেছে, তাদের দেশে

ফেরত আনার ব্যাপারে সরকারের কাছ থেকে বিশেষ প্রণোদনা আদায়ের বিষয়ে বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়কে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়। সোমবার (১১ ডিসেম্বর) সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ১১তম

বৈঠকে এই সুপারিশ করা হয়। বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি আনিসুল ইসলাম মাহমুদ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। বৈঠকে বিগত ১০ম বৈঠকের গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন ও অগ্রগতি, সুশৃঙ্খল, নিরাপদ, নিয়মিত ও দায়িত্বপূর্ণ অভিবাসন নিশ্চিতকল্পে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা, এনআরবি ও সিআইপি অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ এবং

পাসপোর্ট ও ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বৈঠকে দেশের ভাবমূর্তি সমুন্নত রক্ষার জন্য ভিজিট ভিসায় গিয়ে নির্ধারিত সময়ে যাতে দেশে ফিরে আসে সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে তাদের কাছ থেকে আন্ডারটেকেন নেয়ার জন্য সুপারিশ করে কমিটি।
বিদেশে অবস্থানরত কর্মীদের পাসপোর্ট সেবা দেয়ার জন্য বিশেষ করে

মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মোবাইল পাসপোর্ট অফিস (মেশিনসহ) স্থাপন করা যায় কিনা সে বিষয়ে কমিটি গুরুত্বারোপ করেন এবং এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কমিটি সুপারিশ করে। কমিটির সদস্য প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইমরান আহমদ, অধ্যাপক মো. আলী আশরাফ, মৃনাল কান্তি দাস এবং পংকজ নাথ বৈঠকে অংশ নেন। এছাড়া

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিভিন্ন সংস্থা প্রধানরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। সূত্রঃ জাগোনিউজ

Categories
Uncategorized

দায়িত্ব নিতে না পারলে সন্তান জন্ম দিয়েছেন কেন : আইজিপি

পরিবারের দায়িত্ব তার সন্তান কোথায় যায়, কী করে তার খোঁজ রাখা, নিয়ন্ত্রণ করা। দায়িত্ব না নিতে পারলে সন্তান জন্ম দিয়েছেন কেন?’

রাজধানীর কলাবাগানে মাস্টারমাইন্ড স্কুলশিক্ষার্থীর সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনাটিকে পূর্ণাঙ্গ ক্রাইম উল্লেখ করে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ এ কথা বলেছেন। আজ সোমবার র‌্যাব সদর দপ্তরে র‌্যাব সেবা সপ্তাহ উপলক্ষে মেধাবী ও প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা

সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে এই কথা বলেন আইজিপি। আইজিপি বলেন, ‘কিশোরদের জেলে রাখা যাবে না, থানা হাজতে রাখা যাবে না, মোবাইল কোর্টে দেওয়া যাবে না। তাহলে আমরা তাদের রাখবো কোথায়? প্রভিশন অফিসার কতজন আমাদের, কোথায় তারা। অনেকেই জানেন না। এগুলো না হওয়া পর্যন্ত না আমরা কি বিচার করবো না? থেমে থাকবো?

কিশোর গ্যাং কালচার প্রতিরোধে আমাদের সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। আমাদের শিশু সংশোধনাগার বা কারেকশন সেন্টার করে দেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমানে কিশোর গ্যাং একটা বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা চাই না তারা ড্রাগ নিয়ে নষ্ট হয়ে যাক। বিষয়গুলোর প্রতি পরিবারের সচেতন হতে হবে। এটা আপনাদের দায়িত্ব। অভিভাবকদের দায়িত্ব নিতে হবে। এটা অভিভাবকের সামাজিক

দায়িত্ব, ধর্মীয় দায়িত্ব।’ এসময় র‌্যাব মহাপরিচালক চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘মুজিব বর্ষ উপলক্ষে আমাদের অনেক কার্যক্রম গ্রহণের পরিকল্পনা থাকলেও অতিমারিতে তা সম্ভব হয়নি। দুই হাজার শিক্ষার্থীকে শিক্ষা সহায়তা দেওয়া হবে। জেএসসির শিক্ষার্থীদের পাঁচ হাজার, এসএসসি’র শিক্ষার্থীদের ১০ হাজার

ও অন্যান্য শ্রেণির অসচ্ছল শিশুদের তিন হাজার টাকার শিক্ষা সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।’ র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) কর্নেল তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের একটি করে ব্যাগ দেওয়া হচ্ছে, যার মধ্যে একটি এলইডি লাইট, কলম, পেন্সিল ও বঙ্গবন্ধুর রোজ নামচাসহ বেশ কিছু বই রয়েছে।’

জেএসসি, এসএসসি মিলিয়ে ২৫ শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। সূএঃসময়ের কণ্ঠস্বর

Categories
Uncategorized

সৌদি আরব বিশ্বে প্রথম হয়ে চমকে দিচ্ছে!

পৃথিবীর মানব ইতিহাসে এই প্রথম নির্মিত হতে যাচ্ছে কার্বন নিঃসরণ মুক্ত শহর। আগামী ২০২৫ সাল নাগাদ উপসাগরীয় দেশ সৌদি আরবের

নিওম শহরে তৈরি হবে ১৭০ বর্গকিলোমিটার আয়তনের ‘জিরো কার্বন সিটি’। বাঁচবে পরিবেশ, শহুরে জীবনযাত্রায় আসবে অকল্পনীয় বিপ্লব।
বৈশ্বিক উষ্ণতা কমাতে সৌদি সরকার হাতে নিয়েছে ‘দ্য লাইন’ প্রকল্প। দেশটির নিওম শহরের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে তৈরি হতে যাচ্ছে বিশ্বের

প্রথম শহর, যেখানে কার্বন নিঃসরণের পরিমাণ থাকবে শূন্যের কোটায়। রোববার (১০ জানুয়ারি) প্রকল্পটির ঘোষণা দেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। লোহিত সাগরের তীরে গড়ে উঠবে ‘জিরো কার্বন সিটি’। যেখানে থাকবে না কোনো গাড়ি ও রাস্তা, কারখানা থেকে নিঃসরিত হবে না কোনো কার্বন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, চিকিৎসাকেন্দ্র, বিনোদন ব্যবস্থা,

সবুজে ঘেরা খোলামেলা পরিবেশ সবই থাকবে ৫ মিনিটের হাঁটার দূরত্বের মধ্যেই। ২৬ হাজার ৫শ’ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের নিওম শহরে প্রাধান্য দেওয়া হবে কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তাকে। এখানে প্রায় ১০ লাখ মানুষের আবাসন ব্যবস্থার পাশাপাশি প্রাথমিকভাবে ৩ লাখ ৮০ হাজার কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে। শহরটিতে থাকবে লক্ষাধিক মানুষের ঘর। এখানে ‘নিওমের’ প্রায় ৯৫ ভাগ প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষিত হবে।

গতানুগতিক উন্নত শহরে দিন দিন বেড়েই চলেছে বায়ু দূষণ। অন্যদিকে বৈশ্বিক উষ্ণতার কারণে বাড়ছে সমুদ্রের উচ্চতা। এ ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী কয়েক দশকে তলিয়ে যাবে নিচু এলাকার অনেক দেশ। পরিবেশবিদরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তন ঠেকাতে কার্বন নিঃসরণ কমানোর বিকল্প নেই। এ লক্ষ্যে গতানুগতিক শহরের পরিবর্তে আধুনিক শহর তৈরির কথা বলেন সৌদি রাজপুত্র।

‘দ্য লাইন’ প্রকল্পের কাজ শুরু হবে ২০২১ সালের প্রথমার্ধেই এবং ২০২৫ সাল নাগাদ কাজ শেষ হবে বলে জানিয়েছেন সৌদি রাজপুত্র। এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে জলবায়ু সংকট নিরসণের পাশাপাশি ব্যবসায়িক ক্ষেত্রেও বহুমাত্রা যোগ হবে বলে আশা করছে সৌদি সরকার। জ্বালানি-ভিত্তিক অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে পর্যটনকে গুরুত্ব দিয়ে ২০১৭ সালে

ভিশন ২০৩০ ঘোষণা করে সৌদি সরকার। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে এবার ‘জিরো কার্বন সিটি’ গড়তে যাচ্ছে সৌদি আরব।