Categories
Uncategorized

পর্তুগাল থেকে দেশে ফিরছে প্রবাসী মিজানের বাক্সবন্দি মর,দেহ

পর্তুগালে সড়ক দুর্ঘ;টনা;য় নি;হ;ত মিজানুর রহমানের (২৭) বাক্সবন্দি ম;র;দেহ দেশে ফিরছে আগামী শনিবার। ১৭ জুলাই সকাল সাড়ে

১০টার দিকে এ রেমিট্যান্সযোদ্ধার ম;র;দে;হ বিমানের একটি বিশেষ ফ্লাইটে ঢাকার হযরত শাহ্ জালাল বিমানবন্দরে পৌঁছবে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পর্তু,গালে বসবাসরত মিজানের নিকটাত্মীয় আনো,য়ারুল আম্বিয়া। উল্লেখ্য, গত ১৯ জুন স্থানীয় সময় দুপুর ১টার দিকে পর্তু;গালের

রাজধানী লিসবনের আল,কা;ন্তায় ইলেকট্রিক বাইসাইকেলের ব্রেকের তার ছিঁড়ে নিয়,ন্ত্রণ হা,রিয়ে দেয়ালের সঙ্গে ধা;ক্কা খান মিজানুর। পরে গুরু,তর আ,হত অব,স্থায় তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়। ১৭ দিন কোমায় থাকার পর ৫ জুলাই তিনি দেশটির রাজধানী লিসবনের স্থানীয় সময় সকাল ১০টার দিকে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

মিজানুর রহমানের দেশের বাড়ি সিলেটের মোগলাবাজার থানায়। লা,শ দেশে পাঠাতে সহযোগিতা করার জন্য পর্তুগাল বাংলাদেশ কমিউনিটির নেতারা ও বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে মিজানের পরিবার।পর্তুগালে সড়ক দুর্ঘ;টনা;য় নি;হ;ত মিজানুর রহমানের (২৭)

বাক্সবন্দি ম;র;দেহ দেশে ফিরছে আগামী শনিবার। ১৭ জুলাই সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ রেমিট্যান্সযোদ্ধার

Categories
Uncategorized

শিশু সন্তানের দুধ কিনতে না পেরে অনবরত কাঁদছেন বাবা

কঠোর লকডাউনে কর্মহীন হয়ে পড়ায় ২২ দিন বয়সী শিশু সন্তানের দুধ কিনতে না পেরে লোকালয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন এক বাবা।

যশোরের শার্শা উপজেলার নিজামপুর বাজারে এ চিত্র দেখা যায়। শাহআলম নামের ওই ব্যক্তি সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক। লকডাউনে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় তার আয়ের পথটি বন্ধ হয়ে যায়। বুধবার দুপুরের দিকে উপজেলার নিজামপুর বাজারে শাহআলম লোকালয়ে অনবরত

কান্না করতে করতে বলেন, আমি একজন সিএনজিচালক। আমার পরিবারে আমিই আয়ের একমাত্র ব্যক্তি। আমার চার সন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে ছয় সদস্যের সংসার। দীর্ঘদিন আয়ের পথ বন্ধ থাকলেও থেমে নেই সংসারের খরচ। সরকারের ডাকা লকডাউনে গত ২৩ জুন থেকে সড়কে গাড়ি চালানো নিষেধ রয়েছে। এরপর থেকে আর গাড়ি চালাতে পারিনি।

তিনি বলেন, এখন আমি সংসারের ব্যয় চালাতে ব্যর্থ হয়ে পড়েছি। কয়েকদিন অনেকের কাছ থেকে ধার করে বাজার করলেও এখন আর তাও পাচ্ছি না। ঘরে আমার ২২ দিন বয়সের একটা সন্তান রয়েছে। যাকে দুইদিন পর পর ২৫০ টাকা দিয়ে দুধ কিনে খাওয়াতে হয়। কিন্তু বর্তমান আমার আয় না থাকায় আমি ব্যর্থ। অনেকের কাছে টাকা ধার চেয়েছি, কেউ আমাকে সহযোগিতা করেনি।

ইউপি মেম্বার ও চেয়ারম্যানদের পক্ষ থেকে আমাকে কোনও সহযোগিতা করা হয়নি। চাইলে দেবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে অনেকবার, কিন্তু ফল পাইনি। অন্যদিকে স্থানীয় ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি শোনার পর তাকে ডেকে বাচ্চার দুধ কেনার জন্য কিছু অর্থ দিয়েছি। পরবর্তী সময়ে তাকে আরও সহযোগিতা করা হবে।

বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর আলিফ রেজাকে জানালে তিনি ওই ব্যক্তির মোবাইল নম্বর ম্যাসেজ করে দিতে বলেন। তিনি বলেন, আমি তার সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।

Categories
Uncategorized

দুই সপ্তাহ ঘরে থাকলে ৫০ বছর বাঁচবেন : আইজিপি

পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ বলেছেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের স্থায়ীত্ব নির্ভর করছে আমাদের প্রত্যেকের

আচরণের ওপর। দুই সপ্তাহ বাসায় বসে থাকা খুব বেশি কিছু না, যদি এর জন্য আমরা আগামী ৫০ বছর পর্যন্ত ভালো থাকতে পারি। দয়া করে রাস্তাঘাটে ভিড় করবেন না, জরুরি কাজ একটু কমান। এ মৃত্যুর মিছিল দীর্ঘায়িত করবো কিনা সেই সিদ্ধান্ত আমাদের। আজ বৃহস্পতিবার

দুপুরে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি কর্তৃক দুস্থদের মাঝে খাবার ও নগদ অর্থ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। আইজিপি বলেন, বর্তমানে আমরা ক‌রোনা অতিমারির ক‌ঠিন বাস্তবতার মধ্য দি‌য়ে যা‌চ্ছি। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে আধুনিক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত পাক বাহিনীকে আমরা পরাজিত করেছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর

নেতৃত্বে আমরা এ দুর্যোগও মোকাবেলা করতে পারবো। এজন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। যার যার অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘরের বাইরে বের হবেন না। জরুরি প্রয়োজনে বাড়ির বাইরে বের হতে হলে অবশ্যই মাস্ক পরিধান করবেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবেন। বিনা প্রয়োজনে কেউ রাস্তায় নামবেন না। তিনি বলেন, অনেকের বাসায়

থাকতে ভালো লাগে না, বাসায় বিরক্ত লাগে বলে বাইরে বের হচ্ছেন। অনেকে আবার ‘লকডাউন’ কেমন হচ্ছে তা দেখার জন্য বের হচ্ছেন।দয়া করে এ কাজগুলো করবেন না। আসেন আমরা সবাই মিলে দেশটাকে নিরাপদ করি। আমরা বের হয়ে আক্রান্ত হবো এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আক্রমণ করবো এটা ঠিক না। তিনি আরো বলেন,

আইসিউ বানালেই কিন্তু আইসিউ চালানো যায় না। আমাদের হাসপাতাল নিয়ে অভিজ্ঞতা আছে। আইসিউ’র জন্য বিশেষায়িত ডাক্তার-নার্স, মেডিক্যাল স্টাফ দরকার। আপনি চাইলে আইসিউ বেড কিনতে পারবেন, কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে স্টাফ বানাতে পারবেন না। সম্ভব হলে হাসপাতালগুলোতে অক্সিজেন ট্যাংক বসিয়ে লাইন করে দেওয়া উচিত। তাতে একটা ট্যাংক

থেকে অনেক রোগী অক্সিজেন নিতে পারবে। তিনি বলেন, ঢাকা শহরে প্রায় ৪০ লাখ পরিবার বসবাস করে। প্রত্যেক পরিবার থেকে যদি এক প্লেট করেও খাবার দেয়া হয় তাহলে ৪০ লাখ মানুষ খাবার পা‌বে। ক‌রোনা পরিস্থি‌তি‌তে অসহায় মানুষগুলো আমাদেরই কমিউনিটির অংশ। তা‌দের‌কে সা‌থে নি‌য়েই বাঁচ‌তে হ‌বে। বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে

বিশেষ অতিথি ছিলেন ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম ও এফবিসিসিআই’র প্রেসিডেন্ট জসিম উদ্দিন।

Categories
Uncategorized

৯০ বছরের বৃদ্ধ যখন বলে, স্যার আমি এক বছর মুরগির মাংস ও পোলাও খাইনি!

ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসকক্ষে ঢুকে ৯০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধ বললেন, স্যার আমি এক বছর মুরগির মাংস ও

পোলাও খাইনি। তার এ কথা শুনে অবাক হলেন ইউএনও। এরপর তিনি বৃদ্ধকে তার সামনের চেয়ারে বসিয়ে বললেন, চাচা আপনি একটু অপেক্ষা করুন। আমি ব্যবস্থা করছি। তাৎক্ষণিকভাবে ইউএনও অফিসের একজনকে মুরগি ও পোলাও’র চালসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনে

আনার অনুরোধ করেন। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমানের অফিসকক্ষে এ ঘটনা ঘটে।
সূত্র জানায়, বাজার করে আনার পর ইউএনও ওই বৃদ্ধকে দেন এবং নিজে অফিস থেকে নেমে তাকে রিকশায় উঠিয়ে দেন। এ সময় ওই বৃদ্ধ আনন্দে কেঁদে ফেলেন। এ বিষয়ে ত্রিশালের

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোস্তাফিজুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, ওই বৃদ্ধের এমন কথা শুনে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়ি। হারিয়ে ফেলেছিলাম কথা বলার শক্তি। জানি না কতজন মানুষ এভাবে দিন কাটাচ্ছে। তবে একজন বাবার মুখে কিছু খাবার তুলে দিতে পেরে নিজেকে গর্বিত মনে করছি।

কিন্তু উনার নাম-ঠিকানা জানা হয়নি। খোঁজ নিয়ে উনার পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করবেন বলে জানালেন ইউএনও।

Categories
Uncategorized

সেদিন মেসির কাঁধে মাথা রেখে যা বলেছিলেন নেইমার

খেলার মাঠে নিজেদের সবটুকু দিয়ে আপ্রাণ চেষ্টা করেছেন মেসি ও নেইমার। কিন্তু ভাগ্য সঙ্গে ছিল না হারতে হয়েছে ব্রাজিলকে। তাই ঘরের

মাঠে শিরোপা হারানোর যন্ত্রণায় পুড়তে হয়। কান্নায় ভেঙে পড়েন। তবে সব ভুলে আবার ‘প্রিয়’বন্ধুকে জড়িয়ে ধরে অভিনন্দনও জানান। মাঠের মাঝখানে মেসিকে জড়িয়ে ধরে ঠিক কী বলেছিলেন ওই সময়? মাঠের লড়াই শেষে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন মেসি ও নেইমার দুই জনই। তবে

সব আনুষ্ঠানিকতার শেষে তাদের দেখা গেছে সেই চেনা চেহারায়। এক সঙ্গে অনেকটা সময় আড্ডা মেরেছেন লিওনেল মেসি ও নেইমার। ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা দ্বৈরথ ছাপিয়ে তাদের রয়েছে মধুর এক বন্ধুত্বের সম্পর্ক রয়েছে যা খুব কম মানুষেরই অজানা। যার শুরুটা হয়েছিল নেইমার বার্সেলোনায় যোগ দেওয়ার পর থেকেই। সময়ের পরিক্রমায়

নেইমার ক্লাব ছেড়ে গেলেও তাদের সম্পর্কে এখনো অটল। তাই কোপা আমেরিকার ফাইনালে হেরে দুঃখ ভারাক্রান্ত নেইমার ছুটে যান মেসির কাছে। লম্বা সময় ধরে আলিঙ্গনে সাবেক সতীর্থকে জানিয়েছেন শুভেচ্ছা। তবে জাতীয় দলের হয়ে এটি মেসির প্রথম শিরোপা জয়ে। নিজেদের পরাজয়ে হতাশ নেইমার খুশি হয়েছেন মেসির অর্জনে। সমর্থকরা বিভিন্ন উপলক্ষে তুলনা টেনে

আনলেও মেসি ও নেইমারের মধ্যকার সম্পর্কে সেটা কখনোই প্রতিফলিত হয়নি। নেইমারের কাছে বরাবরই মেসি বড় ভাই সমতুল্য। যার কাছ থেকে তিনি শিখেছেন, যা তাকে করেছে সমৃদ্ধ। ফাইনাল শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে আর্জেন্টিনা অধিনায়কের প্রতি নেইমার জানিয়েছেন শ্রদ্ধা। বন্ধু ও ভাই মেসির অর্জনে নিজের উচ্ছ্বাসও

প্রকাশ করেছেন বটে। ইনস্টাগ্রাম স্ট্যাটাস ‘গত রবিবার (১১ জুলাই) হেরে যাওয়ার পর আমি গিয়ে আমার দেখা সব সময়ের সেরা খেলোয়াড়কে আলিঙ্গন করি, সে আমার বন্ধু ও ভাই মেসি। আমার মন খারাপ ছিল এবং তাকে মজা করে বলি, ‘তুমি আমাকে হারিয়ে দিলে’!’ নেইমার আরও বলেন, ‘হেরে যাওয়ায় আমি হতাশ, কিন্তু এই

মানুষটা (মেসি) অসাধারণ! ফুটবলের জন্য এবং বিশেষ করে আমার জন্য সে যা করেছে সেজন্য তার প্রতি আমার রয়েছে সর্বোচ্চ সম্মান।’
মেসিকে অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি নেইমার হতাশা প্রকাশ করেছেন হেরে যাওয়ায়। তিনি বলেন, ‘পরাজয় আমাকে ব্যথিত করে এবং এই অনুভূতি সঙ্গে নিয়ে কিভাবে চলতে হয় সেটা আমি এখনও শিখতে পারিনি।’

পোস্টের পরের অংশে নেইমার লিখেছেন, ‘ফুটবল এই মুহূর্তের জন্য অপেক্ষায় ছিল। অভিনন্দন আমার ভাই।’

Categories
Uncategorized

১৫ হাজার টাকা দিলেই ব্র্যাক ব্যাংক দিচ্ছে ১০ লক্ষ টাকা – আবেদন পদ্ধতি জেনে নিন

ব্র্যাক ব্যাংক পার্সোনাল লোন শর্তাবলী: আয়ের শর্তঃ চাকুরীজীবীদের জন্য ১৫,০০০ টাকা, ব্যবসায়ী/আত্ম-কর্মসংস্থানকারী ব্যক্তিদের জন্য

২৫,০০০ টাকা। বয়সের সময়সীমা: চাকুরীজীবীদের জন্য ৬০ বছর, ব্যবসায়ী/আত্মকর্মসংস্থানকারী ব্যক্তিদের জন্য ৬৫ বছর। লোনের পরিমাণ ১,০০,০০০ টাকা থেকে ২,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত হলে লোন পরিশোধের সময়সীমা হবে ১২ মাস থেকে সর্বোচ্চ ৪৮ মাস। লোনের পরিমাণ

৩,০০,০০০ টাকা অধিক হলে লোন পরিশোধের সময়সীমা হবে সর্বোচ্চ ৬০ মাস। সর্বোচ্চ লোন সীমা ১০,০০,০০০। আপনার খরচ কত হবে এবং কিভাবে চার্জ করা হবে? ব্র্যাক ব্যাংক পার্সোনাল লোনটি নেয়ার জন্য নিম্নোক্ত ফী-সমূহ ধার্য হবে: ১।প্রক্রিয়াকরণ ফী ১% ২। সার্ভিস চার্জ ১% (মঞ্জুরকৃত লোনের পরিমাণের উপর)।

আবেদন গ্রহন করতে কত দিন লাগবে এবং কি কি কাগজপত্র আবশ্যক? লোন আবেদন অনুমোদনের সময়কাল: লোন আবেদন দাখিল করার পর ১০দিন সময় নিবে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র: 1. টিআইএন সার্টিফিকেট। 2. ভোটার আইডি কার্ড। 3. সর্বশেষ ৬ মাসের আয় বিবরণী। 4. ২ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি। 5. ইউটিলিটি বিল এর ফটোকপি। আপনার খারাপ কর্পোরেট

&ইনভেস্টম্যান্ট ব্যাংকিং(সিআইবি) রেকর্ড থাকলে আবেদন করতে পারবেন কি? খারাপ কর্পোরেট & ইনভেস্টম্যান্ট ব্যাংকিং(সিআইবি) রেকর্ড থাকলে আবেদন প্রত্যাখ্যাত হবে। অনুমোদন সময়কাল: ব্র্যাক ব্যাংক আপনার লোনের আবেদন করার পর আবেদন পর্যালোচনা এবং মঞ্জুর করার জন্য ১৪ কর্মদিবস সময় নিবে। মুনাফার হার: ১০.৫০%। ক্রেতাদের ধরনের উপর নির্ভর করে সুদের

হার ১০.৫০% থেকে ১২.৭৫% পর্যন্ত হতে পারে। ব্র্যাক ব্যাংক পার্সোনাল লোন পেতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে অবশ্যই ব্যাংক এ্যাকাউন্ট থাকতে হবে।ব্র্যাক ব্যাংক পার্সোনাল লোন একজন জামিনদার প্রয়োজনীয় এবং দ্রুত লোন মঞ্জুরের একটি খুবই নমনীয় প্যাকেজ।

Categories
Uncategorized

অনলাইনে কোরবানির পশু ক্রয় জায়েজ হবে কিনা যা বললেন আজহারী

মিজানুর রহমান আজহারী একজন বাংলাদেশি ইসলামি বক্তা। ইসলামি আলোচক হিসেবে মুসলিমদের কাছে খুবই জনপ্রিয় তিনি। বিভিন্ন বক্তব্যে

নিজেকে মধ্যমপন্থী ইসলামী আলোচক বলে দাবি করেন তিনি। নতুন খবর হচ্ছে, অনলাইনে কোরবানির পশু ক্রয় জায়েজ বলেছেন মুফতি মিজানুর রহমান আজহারী। আজহারী বলেন, আমরা অনলাইনে অনেক পণ্য ক্রয় করি। সুতরাং কোরবানির পশু ক্রয়ে কোন সমস্যা নেই।

তবে লক্ষ্য রাখতে হবে পশুটি যেন অসুস্থ্য ও বয়স্ক না হয়। তিনি বিভিন্ন হাদিসের বর্ণনা করে বলেন, কান কাটা, শিং ভাংগা ও খুরা পশু কোরবানির উপযুক্ত নয়।

Categories
Uncategorized

নিম্নআয়ের মানুষ প্রত্যেকে পাবে নগদ আড়াই হাজার টাকা

করোনাভাইরাসের উর্দ্বমুখী সংক্রমণের কারণে আরোপিত বিধিনিষেধের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত নিম্নআয়ের মানুষের সহায়তায় বড় প্রণোদনা প্যাকেজ

ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার তিনি লকডাউনের কারণে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ৩ হাজার ২ শ’ কোটি টাকার ৫টি নতুন প্রণোদনা প্যাকেজের ঘোষণা দেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্যাকেজগুলো

হলো ১. দিনমজুর, পরিবহন শ্রমিক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এবং নৌপরিবহন শ্রমিকদের জন্য জনপ্রতি নগদ আড়াই হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তার জন্য ৪৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ। ২. শহর এলাকার নিম্নআয়ের জনসাধারণের সহায়তার লক্ষ্যে ২৫ জুলাই থেকে ৭ আগস্ট পর্যন্ত ১৪ দিন ৮১৩টি কেন্দ্রে বিশেষ ওএমএস কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বরাদ্দ

১৫০ কোটি টাকা। ৩. ৩৩৩-নম্বরে জনসাধারণের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে খাদ্য সহায়তা দেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসকদের অনুকূলে বিশেষ বরাদ্দ ১০০ কোটি টাকা। ৪. গ্রামীণ এলাকার কর্মসৃজনমূলক কার্যক্রমে অর্থায়নের জন্য পল্লী সংস্থান ব্যাংক ও পিকেএসএফ-এর মাধ্যমে ঋণ

সহায়তা দিতে (৪ শতাংশ সুদে) এর আগে বরাদ্দ ৩ হাজার ২শ কোটি টাকার অতিরিক্ত বরাদ্দ এক হাজার ৫০০ কোটি টাকা। ৫. পর্যটন খাতের হোটেল/মোটেল/থিম পার্কগুলো যাতে তাদের কর্মচারীদের বেতন/ভাতা পরিশোধ করতে পারে, সেজন্য ব্যাংক ব্যবস্থার মাধ্যমে ৪ শতাংশ

সুদে তাদের ‘ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল’ যোগাতে ঋণ দেওয়া হবে। সেজন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ১ হাজার কোটি টাকা।

Categories
Uncategorized

সোয়া কোটি টাকা বেতনে ফেসবুকে যোগ দিলেন বাংলাদেশী মামুন!

ফেইসবুকে সফট’ওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে যোগ দিলেন আরও এক বাংলাদেশি মেধাবী ছাত্র। মাহমুদুর রহমান মামুন নামে ওই ছাত্র মিলিটারি

ইন্সটিটিউট ওব সাইন্স এন্ড টেকনোলজিতে(MIST) পড়া’শোনা করেছেন তিনি MIST এর “কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (CSE)” বিভাগের ১৩ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। ২০২০ সালের নভেম্বর মাসেই তিনি ফেসবুকে যোগ দিয়েছেন বলে জানা যায়। তার বেতন প্রায় সোয়া কোটি

টাকা। জানা গেছে, “মামুন মিলিটারি ইন্সটিটিউট ওব সাইন্স এন্ড টেকনোলজির “MIST Computer Club” এর প্রেসিডেন্ট ছিলেন। গ্র্যাজুয়েশনের পর তিনি Enosis Solutions Ltd. এ সফটওয়্যার ইঞ্জিনি’য়ার হিসেবে যোগ দেন। এবার তিনি ফেইসবুকে ডাক পেলেন। মামুনের জন্য বাংলাদেশ টাইমস পরিবারের পক্ষ থেকে রইল শুভকামনা।

ফেইসবুকে সফট’ওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে যোগ দিলেন আরও এক বাংলাদেশি মেধাবী ছাত্র। মাহমুদুর রহমান
তথ্যসুত্রঃ বাংলাদেশ টাইমস

Categories
Uncategorized

১৩ বছরের কিশোর ১০০ কোটি টাকার মালিক

উদ্যোক্তা এবং উদ্ভাবনের কোনো নির্ধারিত বয়স নেই। এটি প্রমাণ করেছে তিলক মেহতা। বর্তমানে সে বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ উদ্যোক্তা। এরই মধ্যে

নিজ ব্যবসায়ে সফল তিলক ১০০ কোটি টাকার মালিক বনে গিয়েছেন। কারও সাহায্য ছাড়াই নিজ বুদ্ধি ও মেধা খাটিয়ে তিলক গড়ে তুলেছেন নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ডিজিটাল কুরিয়ার সার্ভিস ‘পেপার এন পার্সেল’। তিলকই এই কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা। ওয়ানডে পার্সেল পরিষেবার লক্ষ্যে

একটি ডিজিটাল কুরিয়ার সংস্থা তৈরি করে এই মেধাবী বালক। এর মাধ্যমেই স্কুল বয় থেকে তিলক এখন বিখ্যাত বিজনেস বয়ের তকমা অর্জন করেছেন। এতো অল্প বয়সেই সফল উদ্যোক্তা হয়ে পুরো বিশ্বের মধ্যে তিলক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তিলক ভারতের মুম্বাইয়ে বাবা-মায়ের সঙ্গে বসবাস করে। তার বাবা মহেশ মেহতা একটি বেসরকারি কোম্পানিতে

চাকরি করেন। তার মা কাজল মেহতা একজন গৃহিণী। তিলকের জমজ দুই বোন আছে। বর্তমানে তিলক গারোদিয়া ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে অষ্টম শ্রেণির ছাত্র। তিলক কখনোই ভাবতে পারেনি এতো অল্প বয়সেই সে উদ্যোক্ত বনে যেতে পারবে। তার মতে, ‘চোখ-কান খোলা রাখলে শিশুরাও অনেক কিছু জানতে, শিখতে ও করতে পারে।’ একদিন তিলকের কয়েকটি বইয়ের খুবই

প্রয়োজন ছিলো। তার বাবা মহেশ মেহতা অফিসের কাজে ব্যস্ত থাকায়, ছেলের দরকারি বইগুলো আনতে ভুলে যান। এর পরের দিন তিলক তার বাবাকে জানায়, অনলাইনে বই অর্ডার করে দিলে দ্রুত পাওয়া যেতো তবে এ বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে তার বাবা জানান, ডেলিভারি চার্জ বইয়ের দামের চেয়ে বেশি হবে। তাছাড়া আজ অর্ডার দিলে হাতে

পেতেও কয়েকদিন লেগে যাবে। এরপরই তিলকের মাথায় ধারণা আসে, চাইলে সে একটি নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে পারে। যার মাধ্যমে শহরের বিভিন্ন স্থানে খাবারসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় জিনিস দ্রুততার সঙ্গে পৌঁছে দেওয়া যায়। এভাবেই তিলক ২০১৮ সালে ‘পেপারস এন পার্সেল’ নামক একটি স্টার্টআপ গড়ে তোলেন। ‘মুম্বাই ডাব্বাওয়ালা’ দের সহযোগিতায় একদিনেই পণ্য ডেলিভারি

দেওয়ার প্রয়াসে শুরু করে ডিজিটাল কুরিয়ার সার্ভিস। ডোর টু ডোর পিকআপ এবং বিতরণ পরিষেবার মাধ্যমে দ্রুততার সঙ্গে ডেলিভারি করাই এই কোম্পানির মূল লক্ষ্য। কলম থেকে শুরু করে সব ধরনের প্রয়োজনীয় সামগ্রীই পেপার্স এন পার্সেল পৌঁজে দেয় ক্রেতার বাড়িতে। এর মাধ্যমেই মাত্র দুই বছরের মধ্যেই কোটিপতি বনে গেছেন তিলক। তিলকের স্টার্টআপ

প্রতিষ্ঠান ‘পেপারস এন পার্সেল’ একটি জরুরি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন। এতে যুক্ত আছেন ২০০ জনেরও বেশি কর্মচারী। এ ছাড়াও ৩০০ জনেরও বেশি ডাব্বাওয়ালা (যারা রেস্টুরেন্ট থেকে খাবার নিয়ে ক্রেতার ঘরে পৌঁছে দেন) এই অ্যাপের মাধ্যমে শহরের বিভিন্ন স্থান থেকে খাবার সরবসরাহ করে থাকেন। তিলক জানান, ‘প্রতিদিন প্রায় ১২০০ পার্সেল বিতরণ করা হয় এই অ্যাপের মাধ্যমে।

পেপারস এন পার্সেল আমার স্বপ্ন। এই প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য হলো- একদিনের মধ্যেই পুরো মুম্বাইয়ের মধ্যে পণ্য ডেলিভারি দেওয়া। এর পরিধি ও ব্যাপ্তি আরও বাড়ানোর প্রয়াসে আমি দক্ষতার সঙ্গে কাজ করব। ’ ২০১৮ সালে তিলক ‘ইয়াং এন্টারপ্রেনার টাইটেল এট দ্য ইন্ডিয়ান মেরিটাইম অ্যাওয়ার্ড’ পুরস্কার জিতে। এ ছাড়াও বিশ্বের প্রতিভাবান শিশুদের স্বীকৃতি হিসেবে অনুষ্ঠিত হয় ‘গ্লোবাল চাইল্ড প্রোডিজি অ্যাওয়ার্ডস’ পুরষ্কার অনুষ্ঠান। যেখানে তিলক মেহতা ২০২০ সালের জানুয়ারিতে গ্লোবাল চাইল্ড প্রোডিজি অ্যাওয়ার্ড জিতেন। ২০২০ সালের মধ্যেই ১০০ কোটি টাকার মালিক হয়েছেন খুদে এই উদ্যোক্তা। তিলক যুবসমাজকে অনুপ্রাণিত করে আসছেন। তার মতে, ‘যেকোনো শিশুই কৌতূহলী হয়ে কী, কেন ও কখন এর উত্তর খুঁজলেই উদ্যোক্তা হতে পারবে। যদিও এ যাত্রায় প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে পারি, তবুও এগিয়ে যাওয়া আরও গুরুত্বপূর্ণ।’